শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:১৯ এম
গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) সেনাবাহিনীর একটি বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় দুই জেনারেলসহ অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন।
এই দুর্ঘটনাটি শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ঘটে।
বিমানটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কিকউইট থেকে রাজধানী কিনশাসার দিকে যাচ্ছিল। বিমানটি কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে কোয়াঙ্গো প্রদেশের কেঙ্গে শহরে জরুরি অবতরণের চেষ্টা করে।
কোয়াঙ্গোর উপগভর্নর রেমি সাকি বোকিন্দা জানিয়েছেন, কেঙ্গেতে কোনো অবতরণক্ষেত্র না থাকায় বিমানটি একটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।
কঙ্গোর সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল এফোমি একেঙ্গে দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, “বিমানে থাকা সবাই নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১২ জনের লাশ এতটাই পুড়ে গেছে যে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। বিমানের বাইরে পাইলটের নিথর দেহ পাওয়া গেছে।”
সামরিক বাহিনী জানায়, নিহতদের মধ্যে বেসামরিক ব্যক্তি, দুই জেনারেলের সঙ্গে থাকা সরকারি প্রতিনিধিদলের সদস্য এবং অন্যান্য সামরিক সদস্যও ছিলেন।
উপগভর্নর বোকিন্দা আরও জানান, বেশির ভাগ লাশ আগুনে পুড়ে শনাক্তের অযোগ্য হয়ে গেছে। ধ্বংসাবশেষের বাইরে পাইলটের লাশ পাওয়া যায়।
দুর্ঘটনার কারণ জানার জন্য তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন এফোমি একেঙ্গে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার আকাশ আজ আংশিক মেঘলা থেকে মেঘলা থাকতে পারে। এ সময় হালকা বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার জন্য ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে৷
এতে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে মেঘলা থাকতে পারে। এ সময় হালকা বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ। গতকাল ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ৫১ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ৪৯ মিনিটে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
এদিকে, আজ যশোর, কুষ্টিয়া ও খুলনা অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আজ ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, গতকাল রাতে প্রকাশিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের সারা দেশের সম্ভাব্য পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ লেবাননের কয়েকটি শহরে গোলাবর্ষণ করে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। এ সময় কিছু অঞ্চলে তারা ফসফরাস গোলা ব্যবহার করে। লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নাবাতিয়েহ জেলার জাওতার আল-শারকিয়াহ, মেফাদুন ও নাবাতিয়েহ আল-ফাওকার উপকণ্ঠে ইসরাইলি বাহিনী গোলাবর্ষণ করে। এর মধ্যে নাবাতিয়েহ আল-ফাওকায় ফসফরাস গোলা ব্যবহার করা হয়। পরে একই ধরনের গোলা দিয়ে জাওতার আল-শারকিয়াহ এলাকায় আবারও হামলা চালানো হয়।
এ ছাড়া টায়ার জেলায় ওয়াদি জিবকিন এবং হারিস ও হাদাথা এলাকার উপকণ্ঠেও গোলাবর্ষণ করা হয়।
লেবাননের সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ দল মারজায়ুন ও বিন্ত জবেইল জেলার মাজদাল সেলম এবং আল-গানদুরিয়াহ এলাকায় ইসরাইলি বাহিনীর ফেলে যাওয়া দুটি অবিস্ফোরিত বোমা উদ্ধার করে। পরে বোমা দুটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
লেবানন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মার্চের শুরু থেকে দেশটিতে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ৪ হাজার ৩৮৬ জন নিহতএবং ১২ হাজার ৪০৭ জন আহত হয়েছেন। আর এসব হামলার কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১০ লাখের বেশি মানুষ।
গত জুনে হওয়া একটি কাঠামোগত চুক্তিতে ধীরে ধীরে লেবাননের দখলকৃত এলাকা থেকে ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যাহার, ওই এলাকায় লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রতিদিনই কেনাকাটা করতে আমরা কোথাও না কোথাও গিয়ে থাকি। অনেক ভোগান্তি শেষে কোথাও গিয়ে দেখলেন, সেখানকার কার্যক্রম বন্ধ, তখন কাজ তো হলোই না বরং সময় নষ্ট।
তাই বাইরে বের হওয়ার আগে দেখে নিন শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কোন কোন এলাকার মার্কেট, দোকান ও দর্শনীয় স্থান বন্ধ।
বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট
শ্যামবাজার, বাংলাবাজার, চানখাঁরপুল, গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজারীবাগ, ধোলাইপাড়, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, দয়াগঞ্জ, ওয়ারী, স্বামীবাগ, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি, বংশাল, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ ও শাঁখারী বাজার।
বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
নয়াবাজার, ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, আজিমপুর সুপার মার্কেট, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ছোট কাটরা, বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠবাজার, চকবাজার, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট, বাবুবাজার ও শরিফ ম্যানশন।
যে দর্শনীয় স্থান বন্ধ থাকবে
শিশু একাডেমি জাদুঘর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। রবি থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শুক্রবার কংগ্রেস ও বিরোধী দলের নেতা কর্মীরা দেশজুড়ে বিক্ষোভে অংশ নেন। দিল্লি, কলকাতা, পাটনা, গুয়াহাটি, জম্মু, দেরাদুন, ইম্ফল ও শ্রীনগরসহ একাধিক শহরে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল করেন বিক্ষোভকারীরা। কিছু স্থানে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল থামিয়ে দেয়, আবার কোথাও জলকামান ব্যবহার করা হয়। বেশ কিছু স্থানে বিক্ষোভকারীদের আটক করা হয়েছে।
এই বিক্ষোভের সূচনা ঘটে নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ নিয়ে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পর। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশনের দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশী গত ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন। ভোটার তালিকা সংশোধন, নতুন ভোটারের নাম যুক্ত করা, নাম বাদ দেওয়া এবং ভোটার সংক্রান্ত তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে তাদের আপত্তির বিষয়টি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন প্রকাশের পর বৃহস্পতিবার কংগ্রেস নেতা ও লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি করেন। তিনি অভিযোগ করেন, "দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।" কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল, ২৫ সেপ্টেম্বর রাজ্য ও জেলা পর্যায়ে নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হবে।
শুক্রবার দিল্লিতে কংগ্রেস কর্মীরা নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের আটক করে। কিছু কর্মীকে আটক করা হয়। সমাজকর্মী যোগেন্দ্র যাদব, আইসা নেত্রী নেহা বরা, অঞ্জলি ভরদ্বাজ এবং দীপঙ্কর ভট্টাচার্যকেও আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
দিল্লিতে যুব কংগ্রেস কর্মীরা জ্ঞানেশ কুমারের ছবি সম্বলিত মুখোশ পরে এবং হাতে পোস্টার নিয়ে বিক্ষোভে অংশ নেন। রাইসিনা রোড থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিলের চেষ্টা করা হয়। পুলিশ জানায়, অনুমতি নেওয়া হয়নি। আসামের গুয়াহাটিতেও বিক্ষোভ চলাকালে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি গৌরব গগৈকে পুলিশ আটক করে। গগৈ বলেন, "জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ করা উচিত এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের আইনি তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।"
পাটনায় নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল এগোলে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। কংগ্রেস কর্মীরা জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন। কলকাতাতেও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের দিকে মিছিল করেন প্রদেশ কংগ্রেসের নেতা কর্মীরা। তাদের হাতে ছিল জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও গ্রেপ্তারের দাবিতে লেখা পোস্টার। মিছিলের নেতৃত্ব দেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।
এদিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, "কমিশনের ভিতরে বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য থাকা অস্বাভাবিক নয়।" কমিশনের বক্তব্য, সিদ্ধান্তগুলো সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নেওয়া হয়। বিজেপি রাহুল গান্ধীর অভিযোগ খারিজ করে দাবি করেছে, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলি নিয়ম মেনেই নেওয়া হয়েছে। বিজেপি নেতা সুধাংশু ত্রিবেদী দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনের ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিরাগ পাসোয়ান বলেছেন, "নির্বাচন কমিশন নিয়ে মানুষের মনে প্রশ্ন তৈরি হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের উচিত নিজের অবস্থান স্পষ্ট করা।" তার বক্তব্য, বিষয়টি বিরোধী দলের নেতাদের জন্য নয়, দেশের মানুষের কাছে পরিষ্কার করা প্রয়োজন। ফলে নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ এখন জাতীয় রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
ভোটার তালিকা সংশোধন এবং নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি নিয়ে বিরোধীদের প্রশ্নের পাশাপাশি কমিশনের ব্যাখ্যাও সামনে এসেছে। আগামী দিনে এই বিতর্ক আদালত ও সংসদে আরও গড়ায় কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ