ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢামেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাজতি মো. শাহিন আলমের মৃত্যু


ঢামেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাজতি মো. শাহিন আলমের মৃত্যু

ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের হাজতি মো. শাহিন আলম (৪০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে, সকাল সাড়ে ৫টার দিকে মেডিসিন বিভাগের মধ্যে তার মৃত্যু ঘটে।

তিনি যাত্রাবাড়ী থানার একটি মামলায় কারাবন্দি ছিলেন। শাহিন আলম জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার টেকপাড়া এলাকার মো. বশির উদ্দিনের পুত্র।

কারারক্ষীরা জানিয়েছেন, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর শাহিন আলমকে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরবর্তীতে তিনি মারা যান।

আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১২ লিটার চোলাইমদসহ আটক ১

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের এসআই সেলিম হোসেন জানিয়েছেন, ওই কারাবন্দির মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় ইসরাইলি হামলায় সাংবাদিকসহ নিহত ৮ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৩ পি.এম


গাজায় ইসরাইলি হামলায় সাংবাদিকসহ নিহত ৮ জন

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরাইলি হামলায় অন্তত আটজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, এর মধ্যে একজন সাংবাদিকও রয়েছেন। এই ঘটনা ইসরাইলের পক্ষ থেকে প্রায় এক বছর ধরে চলমান ‘যুদ্ধবিরতি’ চুক্তির লঙ্ঘনকে নির্দেশ করে।

গাজার গভর্নমেন্ট মিডিয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বুধবারের (৩০ সেপ্টেম্বর) হামলায় নিহতদের মধ্যে ফিলিস্তিনি সাংবাদিক মুহাম্মদ আবদেল আজিজ আল-নাজ্জারও ছিলেন। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

হামলার স্থান বা পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ইসরাইল ২৬৩ জন সাংবাদিককে হত্যা করেছে।

একটি পৃথক ঘটনায়, গাজা সিটির দক্ষিণ-পশ্চিমের তাল আল-হাওয়া এলাকায় একটি যাত্রীবাহী ভ্যানে ইসরাইলি ড্রোন হামলায় ছয়জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যা প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।

মানবিক সংস্থা ‘ফিলিস্তিন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি’ জানায়, তাদের কর্মীরা ১৩ জন আহত ব্যক্তিকে আল-কুদস হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। চিকিৎসা-সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় আহতদের ‘গুরুতর’ আঘাত রয়েছে।

গাজা সিটি থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক হিন্দ খুদারি জানান, “চিকিৎসকরা বলছেন আহতদের জীবন বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়েছে। কারণ বছরের পর বছর ধরে চলা ইসরাইলি হামলা ও অবরোধের ফলে সেখানকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে। এই হামলায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।”

ফিলিস্তিনের সরকারি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানায়, গাজা সিটির আল-শিফা হাসপাতালের কাছে একটি আবাসিক ভবনে ইসরাইলি হামলায় অন্তত একজন নারী নিহত হয়েছেন। এছাড়া, ওয়াফার উদ্ধৃতি দিয়ে স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, দক্ষিণ গাজায় বাস্তুচ্যুত মানুষের একটি আশ্রয়কেন্দ্রে ইসরাইলি ড্রোন হামলায় দুই শিশুসহ চারজন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।

মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকার দক্ষিণ-পূর্বে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় আরও দুজন ফিলিস্তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন। দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস এলাকায় ইসরাইলি ট্যাংকের গোলাবর্ষণের খবরও পাওয়া গেছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বুধবার জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৯ জনের মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে। এর মধ্যে আটজন নিহত হয়েছেন এবং আগের আঘাতের কারণে এক নারী মারা গেছেন। এর ফলে, গত অক্টোবর মাসে ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে তথাকথিত ‘যুদ্ধবিরতি’ শুরুর পর থেকে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১ হাজার ৪৩১ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে অন্তত ৫ হাজার ২৬ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১ জন আহত হয়েছেন।

গাজার বাসিন্দাদের জন্য পরিস্থিতি কতটা ‘ভয়াবহ’ তা তুলে ধরে সাংবাদিক হিন্দ খুদারি বলেন, “গাজায় যুদ্ধবিরতির কথা থাকলেও ইসরাইলি বাহিনীর সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিন ফিলিস্তিনিরা নিহত ও আহত হচ্ছেন এবং মানবিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে।”

তিনি আরও বলেন, “অবরুদ্ধ এই এলাকার ভেতরে সুপারমার্কেটে যাওয়া, সন্তানদের স্কুলে নিয়ে যাওয়া কিংবা স্বাভাবিক জীবনযাপন করা—সব কিছুতেই মানুষ আতঙ্কিত।”

স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলের বর্বর হামলায় অন্তত ৭৪ হাজার ৩২ জন নিহত এবং ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৪২ জন আহত হয়েছেন।

জাতিসংঘের স্যাটেলাইট সেন্টারের আগস্ট মাসের এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ‘যুদ্ধবিরতি’ কার্যকর হওয়ার পর থেকে গাজাজুড়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থাপনার সংখ্যা ৯ শতাংশ বেড়েছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গাজার প্রায় ৮২ শতাংশ স্থাপনা অর্থাৎ প্রায় ২ লাখ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এর মধ্যে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আওয়ামী লীগ থেকে জামায়াত? জুনাইদ আল হাবিবের রাজনৈতিক পালাবদল ঘিরে নানা প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ এম আর উজ্জ্বল, জেলা প্রতিনিধি নেত্রকোনা

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৬ পি.এম


আওয়ামী লীগ থেকে জামায়াত? জুনাইদ আল হাবিবের রাজনৈতিক পালাবদল ঘিরে নানা প্রশ্ন

একসময় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা, সাবেক এমপি আহমদ হোসেনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার দাবি—আর এখন জামায়াতের রাজনীতিতে সক্রিয়তার আলোচনা। রাজনৈতিক পালাবদলের এই সমীকরণে পূর্বধলায় আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন জুনাইদ আল হাবিব।

স্থানীয়দের দাবি, একসময় উপজেলা উলামা লীগের একটি পদেও ছিলেন তিনি। আওয়ামী লীগের নেত্রকোনা-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আহমদ হোসেনের সঙ্গেও ছিল তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ।

কিন্তু ৫ আগস্টের পর বদলে যায় দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা। আর সেই পরিবর্তনের পরই জুনাইদ আল হাবিবের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও শুরু হয় নতুন আলোচনা।

বর্তমানে জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা এবং ৮ নং বিশকাকুনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে চলছে আলোচনা।

গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোনা-৫ আসনের জামায়াত প্রার্থী মাছুম মোস্তফার নির্বাচনী কার্যক্রমে জুনাইদ আল হাবিব ও তার ঘনিষ্ঠ আত্মীয় শোয়াইব আহমেদ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন—এমন দাবিও রয়েছে।

রাজনৈতিক এই পালাবদলের পাশাপাশি জুনাইদ আল হাবিবকে ঘিরে সামনে এসেছে ব্যবসায়িক বিরোধ ও চেক সংক্রান্ত অভিযোগ।

নারী উদ্যোক্তা হেনা জামানের দাবি, জুনাইদ আল হাবিবের মাধ্যমেই শোয়াইব আহমেদের সঙ্গে তার ব্যবসায়িক সম্পর্ক তৈরি হয়। পরবর্তীতে চেক নেওয়া এবং ওই চেককে কেন্দ্র করে মামলা হওয়ার ঘটনায় জুনাইদ আল হাবিবের ভূমিকা ছিল—এমন অভিযোগ করেছেন তিনি।

এখানেই শেষ নয়। ‘মানবসেবা ফাউন্ডেশন’-এর আর্থিক কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন হেনা জামান।

তার অভিযোগ, দেশ-বিদেশ থেকে আর্থিক সহায়তা সংগ্রহ করে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হলেও অর্থের উৎস ও ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন জুনাইদ আল হাবিব। তার দাবি, তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগই মিথ্যা ও বানোয়াট।

একদিকে রাজনৈতিক পরিচয়ের পালাবদল, অন্যদিকে শোয়াইব আহমেদকে ঘিরে ব্যবসায়িক বিরোধ ও নানা অভিযোগ—সব মিলিয়ে জুনাইদ আল হাবিবকে ঘিরে পূর্বধলার রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে একের পর এক প্রশ্ন।

তবে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট নথি, মামলার তথ্য, আর্থিক হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য।

রাজনীতির পালাবদল নিয়ে আলোচনা থাকতেই পারে—কিন্তু অভিযোগের সত্যতা শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে তথ্য-প্রমাণই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৬৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৩ পি.এম


নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৬৮

নোয়াখালীর বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৬৮ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে দুজনকে আগের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া ছয়জনকে ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার এবং ৬০ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে, বুধবার জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সুধারাম মডেল থানায় ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং অপর নয়জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। কোম্পানীগঞ্জ থানায় ২১ জন, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় পাঁচজন, চরজব্বর থানায় ছয়জন, চাটখিল থানায় আটজন এবং কবিরহাট থানায় ছয়জনকে আটক করে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সোনাইমুড়ী থানায় আটক ১১ জনের মধ্যে ছয়জনকে ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার এবং অপর পাঁচজনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার আরও বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতামূলক ও সামাজিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জের হাওরে পানি কমছে, কৃষক-সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হামিদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১১ পি.এম


সুনামগঞ্জের হাওরে পানি কমছে, কৃষক-সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে

সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন হাওরের পানি দ্রুত হারে কমে যাওয়ার ফলে কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, পাশাপাশি হাওরপাড়ের সাধারণ মানুষের ভোগান্তিও বেড়ে গেছে। পানি কমে যাওয়ার কারণে অনেক স্থানে নৌকা চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আবার, পানি কমলেও পর্যাপ্ত সড়ক বা হাঁটার রাস্তা না থাকার কারণে মানুষ পড়েছেন বিপাকে।

হাওরাঞ্চলের মানুষের চলাচলের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো নৌকা। পানি কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাওরের বিভিন্ন অংশে নৌযান চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় গভীরতা থাকছে না। এর ফলে বাজার, উপজেলা সদর, স্কুল-কলেজ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

অন্যদিকে, যেসব এলাকায় পানি কিছুটা কমেছে, সেসব স্থানে কাদা ও ভাঙাচোরা জমির কারণে পায়ে হেঁটেও চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কোথাও নৌকায় যাওয়ার মতো পানি নেই, আবার হাঁটার মতো রাস্তা নেই—এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন কৃষক, শিক্ষার্থী, নারী, শিশু ও বয়স্ক মানুষ।

কৃষকদের মধ্যে রয়েছে নানা ধরনের উদ্বেগ। হাওরের পানি কমে যাওয়ার কারণে কৃষিকাজের প্রস্তুতি, জমির অবস্থা, সেচ ও যাতায়াত ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে তাদের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%