প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
একসময় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা, সাবেক এমপি আহমদ হোসেনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার দাবি—আর এখন জামায়াতের রাজনীতিতে সক্রিয়তার আলোচনা। রাজনৈতিক পালাবদলের এই সমীকরণে পূর্বধলায় আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন জুনাইদ আল হাবিব।
স্থানীয়দের দাবি, একসময় উপজেলা উলামা লীগের একটি পদেও ছিলেন তিনি। আওয়ামী লীগের নেত্রকোনা-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আহমদ হোসেনের সঙ্গেও ছিল তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ।
কিন্তু ৫ আগস্টের পর বদলে যায় দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা। আর সেই পরিবর্তনের পরই জুনাইদ আল হাবিবের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও শুরু হয় নতুন আলোচনা।
বর্তমানে জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা এবং ৮ নং বিশকাকুনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে চলছে আলোচনা।
গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোনা-৫ আসনের জামায়াত প্রার্থী মাছুম মোস্তফার নির্বাচনী কার্যক্রমে জুনাইদ আল হাবিব ও তার ঘনিষ্ঠ আত্মীয় শোয়াইব আহমেদ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন—এমন দাবিও রয়েছে।
রাজনৈতিক এই পালাবদলের পাশাপাশি জুনাইদ আল হাবিবকে ঘিরে সামনে এসেছে ব্যবসায়িক বিরোধ ও চেক সংক্রান্ত অভিযোগ।
নারী উদ্যোক্তা হেনা জামানের দাবি, জুনাইদ আল হাবিবের মাধ্যমেই শোয়াইব আহমেদের সঙ্গে তার ব্যবসায়িক সম্পর্ক তৈরি হয়। পরবর্তীতে চেক নেওয়া এবং ওই চেককে কেন্দ্র করে মামলা হওয়ার ঘটনায় জুনাইদ আল হাবিবের ভূমিকা ছিল—এমন অভিযোগ করেছেন তিনি।
এখানেই শেষ নয়। ‘মানবসেবা ফাউন্ডেশন’-এর আর্থিক কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন হেনা জামান।
তার অভিযোগ, দেশ-বিদেশ থেকে আর্থিক সহায়তা সংগ্রহ করে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হলেও অর্থের উৎস ও ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন জুনাইদ আল হাবিব। তার দাবি, তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগই মিথ্যা ও বানোয়াট।
একদিকে রাজনৈতিক পরিচয়ের পালাবদল, অন্যদিকে শোয়াইব আহমেদকে ঘিরে ব্যবসায়িক বিরোধ ও নানা অভিযোগ—সব মিলিয়ে জুনাইদ আল হাবিবকে ঘিরে পূর্বধলার রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে একের পর এক প্রশ্ন।
তবে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট নথি, মামলার তথ্য, আর্থিক হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য।
রাজনীতির পালাবদল নিয়ে আলোচনা থাকতেই পারে—কিন্তু অভিযোগের সত্যতা শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে তথ্য-প্রমাণই।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন