বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:২০ পি.এম
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীর যাদুকাটা-১ ও যাদুকাটা-২ বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলনের অনুমতির কার্যকারিতা তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ ও বিচারপতি কাজী ওয়ালিউল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালত একই সঙ্গে ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ভূমি মন্ত্রণালয়ের জারি করা একটি স্মারকের বৈধতা নিয়ে রুল জারি করেছেন। ওই স্মারকের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত ইজারাদার হিসেবে নাসির মিয়াকে বিবেচনা করে বাংলা ১৪৩৩ সালের অবশিষ্ট সময়ের জন্য যাদুকাটা-১ ও যাদুকাটা-২ বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলনের অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করা হয়।
রিটকারী পক্ষের অভিযোগ, একই বালুমহালের ইজারা-সংক্রান্ত বিষয়ে অন্যদের বাদ দিয়ে একজনকে ক্ষতিগ্রস্ত ইজারাদার হিসেবে বিবেচনা করে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়েই আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়।
এর আগে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আপিল বিভাগের আদেশের পর সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন যাদুকাটা-১ ও যাদুকাটা-২ বালুমহাল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব ধরনের বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ করেছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে অনলাইন জুয়ায় হেরে যাওয়া টাকা জোগাড় করতে রাজা হোসেন (২৫) নামের এক যুবককে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে তাঁরই বন্ধু রিফাছ হোসেন (২৬)।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের কামালপুর সাতবিল মাঠ এলাকা থেকে রাজার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করায় রিফাছকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিহত রাজা হোসেন পিয়ারপুর ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের ইমাম আলীর ছেলে। অপরদিকে, গ্রেপ্তার হওয়া রিফাছ হোসেন একই গ্রামের সফেদ হোসেনের ছেলে।
গত সোমবার রাত থেকে রাজা হোসেন নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে দৌলতপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল। বুধবার সকাল সোয়া ৬টার দিকে স্থানীয় কৃষক সানাউল্লাহ মাঠে যাওয়ার সময় সড়কের পাশে কয়েকটি শিয়ালকে ঘাস ও খড়ের নিচে থাকা একটি বস্তু নিয়ে টানাটানি করতে দেখেন। কাছে গেলে শিয়ালগুলো পালিয়ে যায় এবং তিনি এক যুবকের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে মরদেহের পাশে পড়ে থাকা স্যান্ডেল, হাতঘড়ি ও পোশাক দেখে রাজার পরিচয় শনাক্ত করেন।
হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে ঝিনাইদহ থেকে সিআইডির ক্রাইমসিন টিম ঘটনাস্থলে এসে আলামত সংগ্রহ করে। এ সময় সন্দেহভাজন হিসেবে চার যুবককে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে দৌলতপুর থানা-পুলিশ। একপর্যায়ে রিফাছ হোসেন পৃথক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। এরপর অপর তিনজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
পুলিশের তদন্তে জানা যায়, রিফাছ মূলত তাঁর বন্ধু রাজার কাছ থেকেই অনলাইন জুয়া খেলা শিখেছিলেন। পরবর্তীতে জুয়ায় বড় অঙ্কের টাকা হেরে তিনি চরম আর্থিক সংকটে পড়েন। এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে তিনি রাজাকে অপহরণ করে তাঁর পরিবারের কাছ থেকে টাকা আদায়ের পরিকল্পনা করেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, সোমবার রাতে রাজাকে নির্জন মাঠে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে একসঙ্গে মাদক সেবনের পর জাল বা নেটজাতীয় বস্তু দিয়ে পেঁচিয়ে রাজাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন রিফাছ। হত্যার পর রাজার মোবাইল ফোন ব্যবহার করেই তাঁর পরিবারের কাছে টাকা দাবি করা হয়। পরে মরদেহটি টেনে পাশের ঘাস ও খড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা ইমাম আলী বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় রিফাছকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, মরদেহটি দুই দিনের পুরোনো হওয়ায় পচন ধরেছিল এবং মুখমণ্ডলসহ বিভিন্ন অংশ শিয়ালে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করা রিফাছকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।
ভেড়ামারা-দৌলতপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে অনলাইন জুয়ায় টাকা হারানোর কারণেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনো অপরাধী জড়িত রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে রিফাছের দেওয়া তথ্য ও অন্যান্য আলামত নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে বসতবাড়ির ভেন্টিলেটর ও জানালার পাল্লা ভেঙে স্বর্ণ ও চাদির অলঙ্কার, নগদ টাকাসহ মোবাইল চুরির ঘটনায় এক জুয়েলার্স মালিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে চুরি যাওয়া ১৫ আনা ওজনের স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মে ২০২৬ তারিখ রাত ১০:০০ টা থেকে ২০ মে ২০২৬ তারিখ ভোর ৪:৪৫ টার মধ্যে গোমস্তাপুর থানাধীন রহনপুর পৌরসভার কাঠালপাড়াপাড়া প্রসাদপুরস্থ জনৈক ব্যক্তির বসতবাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। চোরেরা ঘরের ভেন্টিলেটর ভেঙে ও জানালার পাল্লা খুলে স্বর্ণ ও চাঁদির অলঙ্কার, নগদ টাকাসহ দুটি মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় গোমস্তাপুর থানায় মামলা (মামলা নং-৫, তারিখ: ০৭ জুন, ২০২৬; ধারা: ৪৫৭/৩৮০, পেনাল কোড, ১৮৬০) রুজু করা হয়।
মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ রিমান্ডে থাকা দুই পেশাদার চোর— মো: আরিফুল ইসলাম টটা (৩৪) ও সাকিব (২৭)-কে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোমস্তাপুর সার্কেল) জনাব হাসান তারেক-এর নেতৃত্বে গোমস্তাপুর থানার একটি চৌকস টিম ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি. রাত ১০:৩০ টায় অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে চৌডালা বাজারস্থ ‘শাহ জুয়েলার্স’-এর মালিক শ্রী উজ্জ্বল কুমার সাহা (৩৬)-কে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তার হেফাজত থেকে চুরিকৃত সর্বমোট ১৫ আনা ওজনের স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামির পরিচয়:শ্রী উজ্জ্বল কুমার সাহা (৩৬), পিতা: মৃত হরিপদ সাহা, মাতা: ভানুমতি সাহা, গ্রাম: ফুটবল মাঠ, চৌডালা, থানা: গোমস্তাপুর, জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
উদ্ধারকৃত আলামত:
৪টি নকশাবালা ,২টি বেঙ্গলবালা ২টি চুরিবালা
সর্বমোট ওজন: ১৫ আনা
আসামিকে গোমস্তাপুর থানার রুজুকৃত মামলায় বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিলিপিন্স একটি বড় কোস্ট গার্ড জাহাজ ও একটি বিমান পাঠিয়েছে, যা তাইওয়ানের কাছাকাছি উত্তরের বাতেনেস প্রদেশের উপকূলে অবস্থানরত একটি চীনা গবেষণা জাহাজকে ঠেকানোর উদ্দেশ্যে। ওই অঞ্চলে একটি চীনা কোস্টগার্ড জাহাজও উপস্থিত ছিল।
ফিলিপিন্সের কোস্ট গার্ডের মুখপাত্র জে তারিয়েলা জানান, ফিলিপিন্সের অভিযান শুরু হওয়ার পর চীনা জাহাজটি অনুমতি ছাড়া পরিচালিত সামুদ্রিক গবেষণা বন্ধ করে ওই এলাকা ত্যাগ করে।
কোস্ট গার্ড জানায়, ‘জিয়া হাই কে ৭’ নামের চীনা গবেষণা জাহাজটির ওপর নজরদারি করার জন্য ৯৭ মিটার লম্বা ‘বিআরপি তেরেসা মাগবানুয়া’ জাহাজ ও একটি বিমান মোতায়েন করা হয়। তাদের দাবি, গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে জাহাজটি ইতবায়াত দ্বীপের প্রায় ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
কোস্ট গার্ড আরও জানায়, এর আগে ‘জিয়া হাই কে ৭’ বাতেনেসের কাছে অবস্থান করার সময় নিজের অবস্থান গোপন করার চেষ্টা করেছিল। পরে ‘বিআরপি তেরেসা মাগবানুয়া’ চীনা জাহাজটির প্রায় ৯০ মিটারের মধ্যে প্রবেশ করে। এরপর একটি ছোট নৌকা পাঠিয়ে চীনা জাহাজটিকে কয়েকবার ঘিরে নজরদারি করা হয়। একই সময়ে রেডিওর মাধ্যমে চীনা জাহাজটির সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের পরিচয় ও সেখানে থাকার কারণ জানতে চাওয়া হয়।
ফিলিপিন্সের কোস্ট গার্ড জানায়, তাদের নৌকাগুলোকে এড়াতে চীনা গবেষণা জাহাজটি বারবার দিক পরিবর্তন করছিল। পরে চীনের একটি কোস্ট গার্ড জাহাজ সেখানে এসে গবেষণা জাহাজটিকে পাহারা দেয়। এরপর চীনা কোস্টগার্ড রেডিওর মাধ্যমে ফিলিপিন্সের জাহাজকে সতর্ক করে।
ফিলিপিন্সের কোস্ট গার্ড বলেছে, চীনা কোস্ট গার্ডের জাহাজ সেখানে আসার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ‘জিয়া হাই কে ৭’ একটি বেসরকারি জাহাজ। তাই জাহাজটির সঙ্গে চীনা সরকারের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সমুদ্রের নিচে থাকা কেবল এলাকার কাছ থেকে জাহাজটি যে তথ্য সংগ্রহ করেছে, সেগুলো কী কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছে ফিলিপিন্স।
ফিলিপিন্সের কোস্ট গার্ড জানায়, তাদের অভিযান এখনো চলছে। তবে তারা ‘জিয়া হাই কে ৭’কে আগের অবস্থান থেকে সরে যেতে বাধ্য করেছে।
জাহাজটি ফিলিপিন্সের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ছেড়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে ‘বিআরপি তেরেসা মাগবানুয়া’ এখনও সেটির ওপর নজর রাখছে। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে ম্যানিলায় চীনা দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব দেয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের তিন শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এই তথ্য বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দিনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করা হয়।
সাময়িকভাবে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন–গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র কাজী রিয়াজুস ছলেহীন, এস এম তৌফিক আলম এবং মো. মুশফিক উল ইসলাম।
বিজ্ঞপ্তি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক দপ্তরের নিয়মিত টহল কার্যক্রমের সময় ৪ নম্বর একাডেমিক ভবনে ওই তিন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। তাদের তল্লাশি করার পর মাদকদ্রব্য (গাঁজা) পাওয়া যায় বলে দাবি করেছেন ছাত্রবিষয়ক পরিচালক দপ্তরের সদস্যরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শৃঙ্খলা অধ্যাদেশের ৬(খ) ও ২৪ ধারা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে তদন্তের জন্য ৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার আহ্বায়ক হলেন সহকারী ছাত্রবিষয়ক পরিচালক এহসান মজিদ মোস্তফা। কর্তৃপক্ষ ৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন চেয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দিন মন্তব্য করেন, ‘নিয়মিত টহল কার্যক্রমের সময় তিন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের সঙ্গে মাদকদ্রব্য পাওয়া গেছে। আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করেছি এবং পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর শৃঙ্খলা কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ