বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:৩৭ পি.এম
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ও উত্তাল হয়ে ওঠে।
কোটা সংস্কার আন্দোলন দমন করতে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ মাঠে নামে। বিভিন্ন ক্যাম্পাসে আন্দোলনকারীদের হুমকি, বাধা ও হামলার অভিযোগ ওঠে।
তবে ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বিকেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তৎকালীন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিতে সক্ষম হন।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ও তৎকালীন সমন্বয়কারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৬ জুলাই ছিল আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড় ঘোরানো দিন। সেদিন আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি ছিল দুপুর আড়াইটায়। একই স্থানে এক ঘণ্টা পর ছাত্রলীগও জমায়েতের ঘোষণা দেয়।
সেই পরিস্থিতি বিবেচনায় আন্দোলনকারীরা গোপনে কর্মসূচির সময় এগিয়ে এনে আগে থেকেই শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানান।
দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন বিনোদপুর এলাকা থেকে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ জন শিক্ষার্থী মিছিল নিয়ে প্রধান ফটক দিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। সেখানে শতাধিক পুলিশ সদস্য উপস্থিত থাকলেও তারা বাধা দেননি। সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের অনেকের হাতে রড, লাঠি ও পাইপ ছিল।
মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীরা দলে দলে বেরিয়ে আসেন। প্যারিস রোডে পৌঁছালে আরও কয়েকশ শিক্ষার্থী মিছিলে যোগ দেন। পরে মেয়েদের হলের সামনে প্রায় দেড় হাজার ছাত্রী মিছিলে অংশ নেন।
এরপর মিছিলটি বিজ্ঞান ভবনের পাশ দিয়ে হবিবুর রহমান হল মাঠ হয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে গেলে সেখানে অবস্থান নেওয়া ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তারা পিছু হটে মাদার বখ্শ হলের দিকে চলে যান।
এদিকে শাহ মখদুম, লতিফ ও আমীর আলী হল থেকেও শিক্ষার্থীরা বেরিয়ে এসে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ-হিল গালিবকে ধাওয়া দেন। তিনি মোটরসাইকেলে করে ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন। পরে তার কক্ষ ভাঙচুর করা হয়। গালিবের ক্যাম্পাস ছাড়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
এরপর বিজয় ২৪ হলের সামনে অবস্থান নেওয়া ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কক্ষেও ভাঙচুর করা হয়। এ সময় পুলিশ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুকে সেখান থেকে সরিয়ে নেয়। আন্দোলনকারীদের দাবি, তার কক্ষ ও দপ্তর সেল থেকে তিনটি পিস্তল, ছয়টি রামদা, ১০ থেকে ১৫টি মদের বোতল, কয়েকটি দা ও রড উদ্ধার করে পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন সমন্বয়ক মেহেদী সজীব আরটিভিকে বলেন, ১৬ জুলাই আমরা ছাত্রলীগকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিতাড়িত করি। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য ক্যাম্পাসেও একই ঘটনা ঘটে। আমাদের এই কর্মসূচিই ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি তৈরি করে।
আরেক সাবেক সমন্বয়ক মেশকাত মিশু আরটিভিকে বলেন, ছাত্রলীগ আন্দোলন ঠেকাতে একই স্থানে কর্মসূচি দেয়, বিভিন্ন হলে নজরদারি বসায় এবং কয়েকটি হলে তালাও লাগিয়ে দেয়। এরপরও শিক্ষার্থীরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তিনি জানান, মাদার বখ্শ হলের সামনে তিনি নিজেই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের অবস্থান দেখেছিলেন। পরে কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর ধাওয়ায় তারা ক্যাম্পাস ছাড়তে বাধ্য হন।
সাবেক সমন্বয়ক ফাহিম রেজা আরটিভিকে বলেন, ১৫ জুলাই রাতেই আন্দোলনের পরিকল্পনা করা হয়। শিক্ষার্থীরা ছেলেদের হল, মেয়েদের হল এবং বিনোদপুরে আলাদা অবস্থান নেন। পরে ছাত্রলীগ হামলার চেষ্টা করলে শিক্ষার্থীরা পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলে বিভিন্ন হল দখলমুক্ত করেন।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের দাবি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের প্রভাবের অবসান ঘটানোর ঘটনাই পরবর্তীতে দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনের গতি বাড়ায় এবং ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পথ আরও সুগম করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের কারণে বিশ্বের সবচেয়ে বড় চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টিএসএমসি সুফল পাচ্ছে। বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে টিএসএমসির নিট মুনাফা প্রায় ৫৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে।
বর্তমানে এআই প্রযুক্তির প্রসারের ফলে বিশ্বজুড়ে চিপের চাহিদা দ্রুতগতিতে বাড়ছে। এবং এই চাহিদার বড় এক অংশ পূরণ করছে তাইওয়ানের টিএসএমসি। ফলে প্রতিষ্ঠানটি টানা পঞ্চম প্রান্তিকে রেকর্ড আয়ের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
এলএসইজি স্মার্টএস্টিমেটের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন-এই তিন মাসে টিএসএমসির নিট মুনাফা বেড়ে ৬৩২ দশমিক ৬ বিলিয়ন তাইওয়ানিজ ডলার বা প্রায় ১৯ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এবং এটি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৫৯ শতাংশ বৃদ্ধি।
বিশ্বজুড়ে এনভিডিয়াসহ বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের এআই চিপের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে অব্যাহত। এই বাজারে টিএসএমসির শক্তিশালী অবস্থানের ফলে তাদের মুনাফাও ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এর ফলে পুরো প্রযুক্তি খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দ্বিতীয় প্রান্তিকে যদি টিএসএমসির নিট মুনাফা ৫৭২ দশমিক ৫ বিলিয়ন তাইওয়ানিজ ডলার ছাড়িয়ে যায়, তাহলে সেটি হবে টিএসএমসির ইতিহাসে সর্বোচ্চ ত্রৈমাসিক নিট মুনাফা। পাশাপাশি এটি হবে টানা দশম প্রান্তিক, যেখানে প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা বেড়েছে।
রয়টার্সের তথ্যে জানা গেছে, টিএসএমসি আজ আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক ফলাফল প্রকাশ করবে।
এর আগে সপ্তাহের শুরুতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছিল, তাদের রাজস্ব দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৩৬ শতাংশ বেড়ে গেছে, যা বাজারের পূর্বাভাসের তুলনায়ও বেশি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, ১৬ জুলাই শহীদ আবু সাইদ এবং পরবর্তীতে শহীদ ওয়াসিমের আত্মত্যাগের মাধ্যমে সবার অংশগ্রহণে জুলাই সফল হয়েছে। তিনি বলেন, এই আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদ দূর হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ভোরে রাজধানীর রায়েরবাজার গণকবরস্থানে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে শহীদদের গণকবরে পুস্পস্তবক অর্পণ করার পর তিনি এসব কথা জানান।
মন্ত্রী আরও বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ভবিষ্যতের বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং দেশকে সমৃদ্ধ করার চেতনা হিসেবে কাজ করবে। জুলাই চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বিএনপি সরকার সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাবে।
তিনি বলেন, আজকের দিনকে তাই জাতি যুগ যুগ ধরে স্মরণ করবে। দেশের সব শ্রেণী-পেশার মানুষ নিয়ে সরকার জুলাইয়ের চেতনায় এগিয়ে যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার অন্যতম পর্যটনস্পট, দেবতাখুম পর্যটনকেন্দ্র আগামী ২০ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার রাত ১৫ জুলাই, বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজমিন আলম তুলি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, हालिया টানা ভারি বর্ষণের কারণে নদী, ছড়া ও ঝিরির পানির স্তর বেড়ে গেছে, যার ফলে বান্দরবান পার্বত্য জেলার বিভিন্ন স্থানে বন্যা ও পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে।
এই সাম্প্রতিক বন্যায় দেবতাখুম পর্যটনকেন্দ্রের বিভিন্ন কাঠামো উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অতএব, পর্যটকদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেবতাখুমে পর্যটকদের যাতায়াত ও অবস্থান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
তাহলে, পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৬ জুলাই থেকে ২০ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত দেবতাখুম পর্যটনকেন্দ্রটি পর্যটকদের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হলো।
গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে বান্দরবানের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসসহ নানা উপায়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জেলা সদরসহ সাতটি উপজেলা। তাই পর্যটক ও স্থানীয়দের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে উপজেলা প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর, ভারত সরকার হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজে ভারতীয় নাবিক নিয়োগ না দেওয়ার নির্দেশ জারি করেছে। এই নিষেধাজ্ঞা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রযোজ্য থাকবে। জাহাজের মালিক, পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান এবং নাবিক সরবরাহকারী কোম্পানিগুলোকে এই নির্দেশ অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
ভারতের নৌপরিবহন মহাপরিদপ্তর (ডিজি শিপিং) বুধবার গভীর রাতে এক নির্দেশ জারি করে ক্ষমতাসীন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে চলাচলকারী জাহাজে নতুন করে ভারতীয় নাবিক নিয়োগ করা যাবে না। এই সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছে অঞ্চলটির নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ও সাম্প্রতিক জাহাজ হামলার কারণে। গত তিন দিনে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় জাহাজে হামলার ঘটনায় দুই ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন। নৌপরিবহন নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানায়, সংঘাতপূর্ণ এলাকায় চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ এবং সেখানে কর্মরত নাবিকদের ঝুঁকি সম্প্রতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
ডিজি শিপিংয়ের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, পারস্য উপসাগরে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে এবং সেখানে চলাচলকারী জাহাজে কর্মরত ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন। এছাড়াও, নির্দেশে জাহাজের মালিক ও পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। জাহাজের অধিনায়কদের বিশেষ নির্দেশও দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা পারস্য উপসাগর, হরমুজ প্রণালি এবং আশপাশের সমুদ্র অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল সংস্থার জারি করা সতর্কবার্তা ও নিরাপত্তা নির্দেশনাগুলোও নিয়মিত অনুসরণ করার জন্য বলা হয়েছে।
ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ নাবিক সরবরাহকারী দেশ হিসেবে পরিচিত। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নাবিক সরবরাহের ক্ষেত্রে ভারতের বিশ্বের তৃতীয় স্থান। বর্তমানে ভারতীয় নাবিকরা বিশ্বের বিভিন্ন বাণিজ্যিক জাহাজে ৩ লাখের বেশি কাজ করছেন।
এদিকে, মঙ্গলবার জাহাজে হামলার ঘটনায় এক ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়ার পর ভারত ইরানের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে। এই ঘটনায় দিল্লিতে ইরানের উপ-রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও বাণিজ্যিক নৌপথ হিসেবে পরিচিত। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা বাড়ার সাথে সাথে এই পথ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বেড়ে গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ