মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১৩ পি.এম
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় নির্ধারণের বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
তিনি জানান, ‘নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য যে সময়সূচি প্রকাশ করেছে, সেটি পরিবর্তন, পিছিয়ে দেওয়া অথবা এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে, যা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারণ করা হবে।’
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, ‘স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনো নির্ধারিত সময়সীমা নেই। নির্বাচন কমিশন তাদের নিজস্বভাবে একটি তারিখ ঘোষণা করেছে। সরকারের কাছে যে তথ্য রয়েছে, সেটি প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের ভিত্তিতে গ্রহণ করা হবে।’
তিনি উল্লেখ করেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি ও সংসদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য সরাসরি সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করে। অন্যান্য নির্বাচনগুলো আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনকে সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিচালনা করতে হয়। স্থানীয় সরকার নির্বাচনও এই কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সময়সূচি নিয়ে সরকারের সঙ্গে কমিশনের মধ্যে কোনো ‘গ্যাপ’ সৃষ্টি হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘এটি সংঘাত বা গ্যাপ হিসেবে দেখার কোনো কারণ নেই। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তারিখ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে পরিবর্তিত হতে পারে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময়ে নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী তাদের নিজস্ব এখতিয়ারে নির্বাচন আয়োজন করবে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া মন্তব্য করেছেন যে, যদি কেউ প্রমাণ দিতে পারে যে তিনি বিদেশে এক টাকাও বিনিয়োগ করেছেন, তবে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন।
তিনি সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি লাইভ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, "শুধু প্রমাণ করুন যে আসিফ মাহমুদ বিদেশে এক টাকাও বিনিয়োগ করেছেন বা দেশের বাইরে সামান্য এক চিমটি ধুলাও কিনেছেন। বিদেশে কোথাও এক টাকাও পাওয়া গেলে সেদিনই আমি রাজনীতি ছেড়ে দেবো।"
তিনি নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সর্বশেষ অভিযোগগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেন। তার বক্তব্য, এসব অভিযোগের মাধ্যমে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চলছে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনের সময় নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত প্রসঙ্গে আসিফ বলেন, "এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক চার সদস্যের একটি তদন্ত দল গঠন করে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র চেয়েছে।"
বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগের বিষয়ে আসিফ মন্তব্য করেন যে, তার বিরুদ্ধে দুবাইয়ে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, সিঙ্গাপুরে ৩ হাজার কোটি, অস্ট্রেলিয়ায় ২ হাজার কোটি এবং সুইজারল্যান্ডে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পাচারের যে অভিযোগ করা হয়েছে, সেসব অঙ্ক "আজকের কণ্ঠ" নামের একটি ফেসবুক পেজের ১১ ফেব্রুয়ারির পোস্টের তথ্যের সঙ্গে মিলে যায়।
তিনি পেজটিকে আওয়ামী লীগের ‘প্রচারপেজ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, "আমরা জানি না আজকের কণ্ঠ দুদক চালায়, নাকি দুদক আজকের কণ্ঠ চালায়। বিষয়টি খুবই বিভ্রান্তিকর।"
একটি মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পের ব্যয় প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা বাড়ানোর অভিযোগও তিনি প্রত্যাখ্যান করেন।
আসিফ বলেন, "শুরুতে প্রকল্পটির আওতায় প্রায় ১৫০টি স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। পরে তা প্রায় সব উপজেলায় সম্প্রসারণ করা হয়। পাশাপাশি জমি অধিগ্রহণ, প্যাভিলিয়ন ও দর্শকদের বসার ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা যুক্ত হওয়ায় প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে।"
তিনি আরও বলেন, "সংশোধিত প্রকল্পটি অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) অনুমোদিত হয় এবং এটি এখনো বাস্তবায়নাধীন। দুর্নীতি হয়ে থাকলে প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।"
সরকারের দায়িত্বে থাকাকালে তার কিছু কর্মকাণ্ডে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতা অসন্তুষ্ট ছিলেন বলেও দাবি করেন আসিফ। তার অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই বর্তমান তদন্ত করা হচ্ছে। তবে তিনি ওই নেতাদের নাম বা দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি।
দুদকের তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই অভিযোগগুলোকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে উপস্থাপনের জন্য গণমাধ্যমের কিছু অংশের সমালোচনা করেন তিনি। আসিফ বলেন, "এই মিডিয়া ট্রায়ালের কারণে আমি ভুক্তভোগী হয়েছি।"
তিনি বলেন, "হয়তো কয়েক মাস বা এমনকি কয়েক বছর পর দুদকের তদন্তে আমি নির্দোষ প্রমাণিত হব। কিন্তু ততদিনে যে ক্ষতি হওয়ার, তা হয়ে যাবে।"
এ সময় তার দুই বোনজামাই ও এক ভাগ্নে অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িত এমন অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেন আসিফ। তিনি দাবি করেন, "তার মাত্র একজন বোনজামাই রয়েছেন এবং তার ভাগ্নের বয়স প্রায় আড়াই থেকে তিন বছর।"
তিনি বলেন, "আপনারা অর্থ পাচারের অভিযোগে এমনকি একটি শিশুকেও টেনে আনছেন। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।"
সবশেষে আসিফ মাহমুদ বলেন, "দয়া করে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে বিচার করুন। শুধু ক্লিকবেইট শিরোনামের ওপর ভিত্তি করে কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল আগামীকাল ১৬ সেপ্টেম্বর বুধবার রাত ৮টায় প্রকাশিত হবে। আজ মঙ্গলবার ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সূত্র থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের আবেদন গ্রহণ রবিবার শেষ হয়েছে। এখন নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশের অপেক্ষা রয়েছে।
বোর্ডের সূত্র জানায়, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইন আবেদন ১৩ সেপ্টেম্বর রবিবার রাত ৮টায় শেষ হয়েছে। এবারে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩৪ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। যেসব শিক্ষার্থী বিভিন্ন কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের ফল বুধবার রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে। একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তি আবেদন শুরু হয় ২ সেপ্টেম্বর। ভর্তি নির্দেশিকা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারছেন।
ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ভর্তি নিশ্চয়নের জন্য ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত সময় পাবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চয়ন না করলে তাদের নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। শিক্ষার্থীদের পছন্দ অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে। ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি কার্যক্রম আগামী ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। এরপর ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ)-এর চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল আলম মনা জানিয়েছেন, কেডিএ শুধুমাত্র কংক্রিটের ভবন বা ভৌত অবকাঠামো নির্মাণের কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং অবহেলিত খুলনাবাসীর সার্বিক উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষামূলক পদক্ষেপ এবং সামাজিক কল্যাণ সাধনে তাদের প্রতিশ্রুতি রয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের অন্যতম নৈতিক দায়িত্ব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় কেডিএ সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোকে আর্থিক ও সামাজিক সহায়তা প্রদান করে তাদের স্বাবলম্বী হতে এবং ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করবে।
গতকাল কেডিএ মিলনায়তনে আর্থিক অনুদান প্রদানকালে সম্মানিত গ্রহীতা, কর্মকর্তা, সেবাগ্রহীতা ও দর্শনার্থীদের সামনে তিনি এসব কথা বলেন।
অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা আরও বলেন, খুলনাকে একটি আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য সবুজ নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ উদ্দেশ্যে নাগরিক সমাজ, তরুণ প্রজন্ম ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে উন্নয়নমূলক ও মানবিক কাজে এগিয়ে আসার জন্য তিনি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কেডিএ’র সদস্য (উন্নয়ন) রুহুল আমিন কুতুবুদ্দিন আহমাদ, উপপরিচালক (প্রশাসন) সাধন কুমার বিশ্বাস ও মো. সাইফুল ইসলাম, কেডিএ রূপসা নতুন বাজার মালিক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এস এম নুরুল আলম দীপু প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে, যা গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ৮ দফা দাবির সাথে সম্পর্কিত। সিরাজগঞ্জে এ লংমার্চ সফল করার উদ্দেশ্যে একটি প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল মোড়ে অবস্থিত একটি হোটেলের হলরুমে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, "গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে বিএনপি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে।" তিনি আরও বলেন, "এ কারণে জনগণের রায় বাস্তবায়নসহ আট দফা দাবিতে ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোট।"
বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের রায়কে অস্বীকার করছে। তারা গণভোটের শপথ না নিয়ে জনগণের রায়ের সাথে প্রতারণা করেছে। তিনি বলেন, "আমরা বারবার জনগণের রায় বাস্তবায়নের কথা বলেছি, কিন্তু বিএনপি নানা অজুহাতে তা করছে না।"
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের এই নেতা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, জনগণের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে তারা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন। তিনি জানান, "বারবার প্রতিবাদ করার পরও তারা কর্ণপাত করছে না, এ কারণেই আমরা বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমেছি।" তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে অবিলম্বে তা বাস্তবায়ন করবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান (এমপি), কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, বগুড়া মহানগর আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আবিদুর রহমান সোহেল, সিরাজগঞ্জ জেলা আমীর আলহাজ্ব মাওলানা শাহিনুর আলম এবং জেলা সেক্রেটারি জননেতা মুহাম্মাদ জাহিদুল ইসলামসহ অন্যান্য দলীয় ও জোটের নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ