বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩০ এম
বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম টানা চতুর্থ দিনের মতো বৃদ্ধি পেয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গ্রিনিচ মান সময় বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা ১ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৫৭ ডলার বা ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৯ দশমিক ৪৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৬০ ডলার বা ১ দশমিক ৭২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে, প্রতি ব্যারেল ডব্লিউটিআই তেলের দাম বর্তমানে ৯৪ দশমিক ৬৩ ডলারে পৌঁছেছে।
ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা ও সম্পদের উপর নতুন হামলার পর তেলের বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে।
গত ছয় মাসের যুদ্ধের স্থায়ী সমাধানের সম্ভাবনা ক্রমাগত কমে আসছে এবং নতুন সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এই পরিস্থিতির প্রভাব আন্তর্জাতিক বাজারেও পড়েছে।
আগস্টের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে তেলের দাম দ্রুতই ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করতে পারে বলে বাজারে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, হরমুজ প্রণালিতে দুটি মার্কিন জাহাজ এবং আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানো হয়েছে। এই তথ্যটি ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিমের একটি প্রতিবেদনে আইআরজিসির উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ফলে পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর প্রতিশোধ হিসেবে, তাদের নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালিতে ওই মার্কিন জাহাজগুলোতে পাল্টা হামলা চালায়।
এছাড়া, আইআরজিসি আরও দাবি করেছে যে, তারা ১০টি ‘নিয়ম লঙ্ঘনকারী জাহাজ’কে লক্ষ্যবস্তু করেছে। তাদের অভিযোগ, এসব জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় হরমুজ প্রণালির একটি ‘নিষিদ্ধ ও অনিরাপদ এলাকায়’ প্রবেশের চেষ্টা করছিল।
আইআরজিসি আরও জানায়, হরমুজ প্রণালি এখনো তাদের ‘শক্তিশালী ও কর্তৃত্বপূর্ণ নজরদারি ও ব্যবস্থাপনার’ আওতায় রয়েছে।
তবে, হামলার এই দাবিগুলোর স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওং রাজনৈতিক নেতা ও মন্ত্রীদের বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) পার্লামেন্টে তিনি নতুন বেতন কাঠামোর অধীনে মন্ত্রীদের বেতন ৬০ শতাংশেরও বেশি বাড়ানোর কথা জানান। এই পদক্ষেপের ফলে সিঙ্গাপুরের নেতাদের অবস্থান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বেতন পাওয়া মন্ত্রীদের তালিকায় আরও শক্তিশালী হবে।
ওং জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর বার্ষিক বেঞ্চমার্ক বেতন ২২ লাখ সিঙ্গাপুর ডলার থেকে বেড়ে ৩৬ লাখ সিঙ্গাপুর ডলার হবে। অর্থাৎ, প্রায় ১৪ লাখ সিঙ্গাপুর ডলার বৃদ্ধি পাচ্ছে।
উপপ্রধানমন্ত্রীর বেঞ্চমার্ক বেতন ১৮ লাখ ৭০ হাজার থেকে বেড়ে ৩০ লাখ ৬০ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার হবে। মন্ত্রীরা দায়িত্ব ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে বছরে ১৮ লাখ থেকে ২৮ লাখ ৮০ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার পর্যন্ত বেতন পাবেন।
তবে প্রধানমন্ত্রী ওং জানিয়েছেন, তার বর্তমান মেয়াদে বেতন বাড়ানোর ফলে যে অতিরিক্ত অর্থ তিনি পাবেন, সেটি পুরোপুরি ‘উপযুক্ত জনকল্যাণমূলক কাজে’ দান করবেন।
সিঙ্গাপুরে রাজনৈতিক নেতাদের উচ্চ বেতন দেওয়ার পক্ষে সরকারের যুক্তি হলো—এটি মেধাবী ও দক্ষ ব্যক্তিদের রাজনীতিতে আকৃষ্ট করতে এবং ভালো শাসন নিশ্চিত করতে সহায়তা করে। তবে সাধারণ নাগরিকদের তুলনায় মন্ত্রীদের আয়ের বিশাল পার্থক্যের কারণে বিষয়টি দেশটিতে বেশ সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।
ওং বলেন, রাজনৈতিক নেতাদের বেতন একটি ‘কঠিন ও আবেগপূর্ণ বিষয়’। অধিকাংশ নাগরিকের আয়ের তুলনায় এই বেতন অনেক বেশি হওয়ায় মানুষ বিষয়টি গভীরভাবে পর্যালোচনা করেন—এটি তিনি বুঝতে পারেন।
তবে তার মতে, মূল প্রশ্ন হলো—আগামী কয়েক দশকে দেশকে এগিয়ে নিতে সিঙ্গাপুর প্রয়োজনীয় মানের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ধরে রাখতে পারবে কি না।
ওং বলেন, ‘ভালো সরকার নির্ভর করে ভালো নেতৃত্বের ওপর।’
প্রায় ১৫ বছর পর সিঙ্গাপুরে মন্ত্রীদের বেতন কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। দেশটি বিশ্বের সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি হিসেবে নিয়মিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূচকে স্থান পায়।
প্রধানমন্ত্রী জানান, একটি স্বাধীন কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বর্তমান মন্ত্রী ও অন্যান্য পদধারীদের একবারে নতুন বেতন কাঠামোয় নেওয়া হবে না।
আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে তাদের ব্যক্তিগত পরিস্থিতি ও কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ পর্যন্ত এককালীন বেতন সমন্বয় করা হবে। ভবিষ্যতে বেতন পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও ব্যক্তির কর্মদক্ষতা ও দায়িত্বের পরিমাণ বিবেচনা করা হবে।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানুষ নানা প্রয়োজনে দোকানপাট ও মার্কেটে যাতায়াত করে। কিন্তু যদি তীব্র যানজট অতিক্রম করে গিয়ে দেখা যায় যে সমস্ত দোকানপাট বন্ধ, তাহলে সব কিছু বিফলে যাবে।
এজন্য, চলুন জেনে নেওয়া যাক বুধবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।
যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, মধ্য ও উত্তর বাড্ডা, জগন্নাথপুর, বারিধারা, সাঁতারকুল, শাহজাদপুর, নিকুঞ্জ-১, ২, কুড়িল, খিলক্ষেত, উত্তরখান, দক্ষিণখান, জোয়ার সাহারা, আশকোনা, বিমানবন্দর সড়ক ও উত্তরা থেকে টঙ্গী সেতু।
যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে
যমুনা ফিউচার পার্ক, নুরুনবী সুপার মার্কেট, পাবলিক ওয়ার্কস সেন্টার, ইউনিটি প্লাজা, ইউনাইটেড প্লাজা, কুশল সেন্টার, এবি সুপার মার্কেট, আমির কমপ্লেক্স, মাসকট প্লাজা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজকের দিন ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার। ইতিহাসের পাতায় আজকের এই দিনটি অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনার সাক্ষী হয়েছে। একনজরে আজকের দিনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় দেখে নেওয়া যাক।
ঘটনাবলি
৫৭২ সালে, ইরান ও রোম সাম্রাজ্যের মধ্যে একটি তীব্র যুদ্ধ শুরু হয়।
১৭৯১ সালে, মার্কিন রাষ্ট্রপতি জর্জ ওয়াশিংটনের নামানুসারে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন, ডিসি নামকরণ করা হয়।
১৮৫০ সালে, ক্যালিফোর্নিয়া যুক্তরাষ্ট্রের ৩১তম রাজ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
১৮৮১ সালে, মিশরের জাতীয়তাবাদীরা আরব পাশার নেতৃত্বে সংগঠিত হয়।
১৯১৫ সালে, বিপ্লবী বাঘা যতীন (যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়) ও তার সহযোদ্ধারা ‘কোপতিপোদার যুদ্ধে’ ব্রিটিশবিরোধী সংঘর্ষে লিপ্ত হন।
১৯২০ সালে, আলিগড়ের অ্যাংলো ওরিয়েন্টাল কলেজটি আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়।
১৯২৩ সালে, মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক প্রজাতান্ত্রিক তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে রাজনৈতিক দল ‘রিপাবলিকান পিপল্স পার্টি’ প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯৩৯ সালে, বার্মার জাতীয় বীর ইউ উত্তামা ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে জেলের ভেতর অনশন ধর্মঘটে মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৪৫ সালে, চীন দখলকারী জাপানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করার পর একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে।
১৯৪৮ সালে, গণপ্রজাতন্ত্রী উত্তর কোরিয়া একটি পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
১৯৬০ সালে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ‘সিন্ধু নদ জল চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৬৯ সালে, কানাডাতে অফিসিয়াল ল্যাংগুয়েজ অ্যাক্ট বাস্তবায়িত হয়, যার মাধ্যমে ফরাসি ভাষা ইংরেজি ভাষার সমান মর্যাদা পায়।
১৯৭০ সালে, একটি ব্রিটিশ বিমান পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইন দ্বারা হাইজ্যাক করা হয় এবং বিমানটি জর্ডানের ডাওজন ফিল্ডে নিয়ে যাওয়া হয়।
১৯৯১ সালে, তাজিকিস্তান সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৯৩ সালে, প্যালেস্টাইন লিবারেশন অরগানাইজেশন (পিএলও) আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
২০০৫ সালে, মিশরের প্রথম বহুদলীয় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে হোসনি মুবারককে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
জন্ম
২১৪ সালে, আউরেলিয়ান, রোমান সম্রাট।
৩৮৪ সালে, হ্নোরিউস, রোমান সম্রাট।
১৭৩৭ সালে, লুইগি গ্যালভানি, একজন ইতালীয় চিকিৎসক, পদার্থবিজ্ঞানী, জীববিজ্ঞানী এবং দার্শনিক।
১৭৫৪ সালে, উইলিয়াম ব্লিঘ, ইংরেজ অ্যাডমিরাল, রাজনীতিবিদ ও নিউ সাউথ ওয়েল্সের ৪র্থ গভর্নর।
১৮২৮ সালে, ল্যেভ তল্স্তোয়, খ্যাতিমান রুশ লেখক ছিলেন।
১৮৫০ সালে, ‘ভারতেন্দু’ হরিশ্চন্দ্র, আধুনিক হিন্দি সাহিত্যের জনক কবি ও নাট্যকার।
১৮৭২ সালে, সরলা দেবী চৌধুরানি, বিশিষ্ট বাঙালি বুদ্ধিজীবী ও ভারতের এলাহাবাদে প্রথম মহিলা সংগঠন ভারত স্ত্রী মহামণ্ডলের প্রতিষ্ঠাত্রী।
১৮৭৮ সালে, দ্বিজেন্দ্রনাথ মৈত্র, প্রখ্যাত শল্যচিকিৎসক ও সমাজসেবী।
১৮৮২ সালে, অনুরূপা দেবী, বাঙালি ঔপন্যাসিক।
১৮৯৯ সালে, ভিক্টোরিয়া ফেড্রিকা দ্য মারিশলার ই দ্য বোরবন, স্প্যানিশ রাজা ১ম জুয়ান কার্লোসের নাতনী।
১৯০০ সালে, জেমস হিল্টন, ইংরেজ ঔপন্যাসিক।
১৯১৫ সালে, সুরেশচন্দ্র চক্রবর্তী, ভারতীয় বাঙালি সংগীতজ্ঞ ও গায়ক।
১৯২০ সালে, সন্তোষকুমার ঘোষ, প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক এবং সাংবাদিক।
১৯২১ সালে, পলান সরকার, একুশে পদক বিজয়ী বাংলাদেশি সমাজকর্মী।
১৯২২ সালে, হ্যান্স গেয়র্গ ডেমেল্ট, একজন জার্মান বংশোদ্ভূত মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী, যিনি নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
১৯২৩ সালে, ড্যানিয়েল কার্লটন গ্যাজডুসেক, হাঙ্গেরিয়ান-স্লোভাক-মার্কিন চিকিৎসক, চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
১৯২৩ সালে, ক্লিফ রবার্টসন, একজন মার্কিন অভিনেতা।
১৯২৪ সালে, সিলভিয়া মাইলস, মার্কিন অভিনেত্রী।
১৯২৬ সালে, ইউসুফ কারযাভী, একজন মিশরীয় ইসলামি পণ্ডিত।
১৯৩৪ সালে, নিকোলাস লিভারপুল, ডোমিনিকান আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ৬ষ্ঠ প্রেসিডেন্ট।
১৯৪১ সালে, ডেনিস রিচি, মার্কিন প্রোগ্রামার ও কম্পিউটার বিজ্ঞানী, সি প্রোগ্রামিং ভাষার জনক।
১৯৪৯ সালে, সুসিলো বামবাং ইয়ুধনো, ইন্দোনেশিয়ার বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ।
১৯৬০ সালে, হিউ গ্র্যান্ট, একজন ইংরেজ অভিনেতা ও চলচ্চিত্র প্রযোজক।
১৯৬৬ সালে, অ্যাডাম স্যান্ডলার, একজন আমেরিকান অভিনেতা, কৌতুক অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং গায়ক।
১৯৬৭ সালে, অক্ষয় কুমার, একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব।
১৯৮৩ সালে, ভিটোলো, স্প্যানিশ ফুটবলার।
১৯৭৬ সালে, এমা দ্য কোন, একজন ফরাসি সিনেমা অভিনেত্রী।
১৯৮০ সালে, মিশেল উইলিয়ামস, আমেরিকান অভিনেত্রী।
১৯৮৩ সালে, ভিটোলো, স্প্যানিশ ফুটবলার।
১৯৮৭ সালে, জোসোয়া হের্ডম্যান, ইংলিশ অভিনেতা।
১৯৮০ সালে, মিশেল উইলিয়ামস, একজন মার্কিন অভিনেত্রী।
১৯৮৫ সালে, লুকা মদরিচ, একজন ক্রোয়েশীয় পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৮৭ সালে, আফ্রোজ্যাক, একজন ওলন্দাজ ডিজে, রেকর্ড প্রযোজক এবং স্পিজকেনিসের রিমিক্সার।
১৯৮৭ সালে, আহমেদ এলমোহামাদি, একজন মিশরীয় পেশাদার ফুটবলার।
১৯৮৭ সালে, নিকোল অ্যানিস্টন, একজন আমেরিকান পর্নোগ্রাফিক চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী, মডেল, স্ট্রিপার এবং অভিনেত্রী।
১৯৮৮ সালে, ম্যানুয়েলা আরবেলায়েজ, কলাম্বিয়ান মডেল।
১৯৮৮ সালে, দানিয়ালো ডি আম্ব্রোসিও, ইতালীয় ফুটবলার।
১৯৯১ সালে, ওস্কার দোস সান্তোস জুনিয়র, একজন ব্রাজিলীয় পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৯১ সালে, দানিলো পেরেইরা, বিসাউয়ান-পর্তুগিজ ফুটবলার।
১৯৯৯ সালে, অঞ্জন সাহা- তন্ময়, বাংলাদেশি কারাতে খেলোয়াড়।
মৃত্যু
১০৮৭ সালে, প্রথম উইলিয়াম, ইংরেজ রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা।
১৪৩৮ সালে, এডওয়ার্ড, পর্তুগালের রাজা।
১৪৮৭ সালে, চ্যেংগুয়া, চীনের সম্রাট।
১৫৬৯ সালে, পিটার ব্রুয়েগেল এল্ডার, ডাচ চিত্রশিল্পী।
১৮৯১ সালে, জুলস গ্রেভয়, ফরাসি রাজনীতিবিদ ও ৪র্থ প্রেসিডেন্ট।
১৮৯৮ সালে, স্টেফানে মালার্মের, ফরাসি কবি ও সমালোচক।
১৯০১ সালে, অঁরি দ্য ত্যুল্যুজ্-লোত্রেক, উনিশ শতকের প্রখ্যাত ফরাসি চিত্রকর।
১৯৩৯ সালে, ইউ উত্তামা, বার্মার জাতীয় বীর।
১৯৪১ সালে, হ্যান্স স্পেম্যান, একজন জার্মান ভ্রূণ বিজ্ঞানী এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
১৯৬৩ সালে, রাধাকুমুদ মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি ইতিহাসবিদ, জাতীয়তাবাদী ব্যক্তিত্ব।
১৯৬৮ সালে, অশোক বড়ুয়া, বাঙালি লেখক।
১৯৭৬ সালে, মাও সে তুং, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা।
১৯৭৮ সালে, অধ্যাপক বীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য।
১৯৭৮ সালে, জ্যাক এল. ওয়ার্নার, একজন কানাডীয়-মার্কিন চলচ্চিত্র নির্বাহী।
১৯৮১ সালে, জাক লাকঁ, একজন ফরাসি মনোসমীক্ষক ও মনোরোগ চিকিৎসক।
১৯৮৪ সালে, চেক সঙ্গীত রচয়িতা আকাশবাণীর সিগনচার টিউন স্রষ্টা ওয়াল্টার কফম্যান।
১৯৮৫ সালে, পল জন ফ্লোরি, আমেরিকান রসায়নবিদ এবং প্রকৌশলী, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।
১৯৮৯ সালে, রাধারাণী দেবী, বাঙালি মহিলা কবি।
১৯৯৭ সালে, বার্গেস মেরেডিথ, আমেরিকান অভিনেতা, গায়ক, পরিচালক ও প্রযোজক।
১৯৯৮ সালে, লুচো বাত্তিস্তি, একজন ইতালীয় গায়ক-গীতিকার।
২০০১ সালে, আহমদ শাহ মাসউদ, আফগানিস্তানের অস্থায়ী সরকারের প্রধান বোরহান উদ্দীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
২০০৩ সালে, এডওয়ার্ড টেলার, হাঙ্গেরীতে জন্মগ্রহণকারী বিশিষ্ট আমেরিকান পরমাণু পদার্থবিদ।
২০১২ সালে, ভার্গিস কুরিয়েন, ভারতে দুগ্ধ উৎপাদনে শ্বেত বিপ্লবের জনক।
২০১৪ সালে, ফিরোজা বেগম, প্রথিতযশা নজরুলসঙ্গীত শিল্পী, যিনি সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে নজরুল সঙ্গীতের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ