মোঃ তুহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৪৩ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে অবৈধভাবে সার মজুদ করার দায়ে পারভেজ প্রিন্স (২১) নামে এক ব্যবসায়ীকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের কয়লার দিয়াড় বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত পারভেজ প্রিন্স ওই গ্রামের মেহেরুল ইসলামের ছেলে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কৃষকদের কাছে সারের সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং অবৈধ মজুদ প্রতিরোধে অভিযান চালানো হয়। এ সময় মেসার্স পারভেজ প্রিন্সের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে অবৈধভাবে মজুদ করা ৮ বস্তা টিএসপি ও ২০ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়। পরে সার মজুদের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই ব্যবসায়ীকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
অভিযান পরিচালনা করেন শিবগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসা. উম্মে সালমা রুমা। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নয়ন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসা. উম্মে সালমা রুমা বলেন, সাধারণ কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা, সারের বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে। অবৈধভাবে সার মজুদ ও সারের সুষ্ঠু সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টির বিরুদ্ধে তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাজশাহী শহরের রানীবাজার, অলকার মোড় ও অ্যারোহেড পূজামণ্ডপের সামনে স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, আগামী ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা কার্যকর থাকবে। এর আওতায় রাজশাহী জেলার সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত ৬৮টি এবং ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের তিন কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত ছয়টি পূজামণ্ডপসহ মোট ৭৪টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
নিরাপত্তা জোরদারে অধীনস্থ ১১টি বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) থেকে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালানো হবে। এ ছাড়া প্রতিটি বিওপি থেকে প্রতিদিন চারটি করে বিশেষ টহল পরিচালনা করা হবে। টহল কার্যক্রমের সার্বিক তদারকিতে কমান্ডাররা ডিজিটাল ‘শারদীয় সুরক্ষা’ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করবেন।
বিজিবি জানায়, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে যৌথ নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিশেষ করে গুজব, অপতথ্য ও সাম্প্রদায়িক উসকানি প্রতিরোধে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ সময় জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, কেউ যেন গুজবে কান না দেন কিংবা তথ্য যাচাই না করে কোনো কিছু প্রচার না করেন। পাশাপাশি কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ নজরে এলে দ্রুত নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্প অথবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করতে অনুরোধ জানানো হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ের শেষ পর্যায়ে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক সনাতন ধর্মাবলম্বী সকলকে শারদীয় দুর্গাপূজার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করার আহ্বান জানান।
সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শারদীয় দুর্গাপূজাকে শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও আনন্দময় করে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বিজিবি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের আট ঘণ্টার কর্মদিবসের দাবি নিয়ে চলচ্চিত্র অঙ্গনে আলোচনা চলছে। এবার এই দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন অভিনেত্রী ইশিতা দত্ত। তার মতে, চলচ্চিত্রশিল্পে আট ঘণ্টা কাজের দাবি অযৌক্তিক নয়। বিশেষ করে, যেসব নারীরা সন্তান এবং পেশাগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করেন, তাদের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমানে ‘দৃশ্যম: দ্য কনক্লুশন’ সিনেমা নিয়ে আলোচনা চলছে, এবং ইশিতা দুই সন্তানের মা। দ্য ফ্রি প্রেস জার্নাল-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "কোনো অভিনেতা যদি নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টার দাবি জানায়, তাহলে তাকে সমালোচনা করা উচিত নয়।" প্রযোজনা সংস্থা চাইলে সেই দাবি মেনে নিতে পারে, আবার নাও পারে। তবে দাবিটিকে অযৌক্তিক বলে বড় করে দেখানোই সমস্যার বিষয়।
ইশিতার ভাষায়, "কেউ ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা কাজ করতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন, আবার কেউ কম সময় কাজ করতে চাইতে পারেন।" আট ঘণ্টার কর্মদিবসের দাবি মেনে নেওয়া বা না নেওয়া প্রযোজনা সংস্থার নিজস্ব সিদ্ধান্ত। তবে এ নিয়ে অযথা বিতর্ক তৈরি করা উচিত নয়।
মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ইশিতা বলেন, "আপনার সন্তান হলে বুঝতে পারবেন, এর পেছনে কতটা সময় ও পরিশ্রম দিতে হয়।" অভিনেত্রী জানান, তিনিও একসময় দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করেছেন। তবে সংশ্লিষ্ট প্রযোজকদের কারণে তার পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাকে কিছুটা আগে কাজ শেষ করে চলে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
কেন আলোচনায় দীপিকার দাবি?
২০২৫ সালে দীপিকা পাড়ুকোনের আট ঘণ্টার কর্মদিবসের দাবি নিয়ে বিতর্ক তীব্র হয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিচালক সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গার ‘স্পিরিট’ এবং ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’র সিক্যুয়েল থেকে দীপিকার সরে যাওয়ার পেছনে কর্মঘণ্টাসহ কিছু পেশাগত শর্ত নিয়ে মতপার্থক্য ছিল।
এরপর থেকেই চলচ্চিত্রশিল্পে কাজের সময়সীমা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। বিক্রান্ত ম্যাসি, সাবা আজাদ ও অমৃতা পুরীসহ কয়েকজন অভিনেতা দীপিকার অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানান।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন ও ল্যাপটপ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। অফিসের কাজের প্রয়োজনে কিংবা অবসর সময় কাটানোর জন্য, বেশিরভাগ সময়ই আমাদের ডিজিটাল যন্ত্রের সামনে কাটাতে হয়।
কোলে ল্যাপটপ রেখে কাজ করার ফলে যে ক্ষতি হতে পারে তা নিয়ে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। অনেকেই সোফায় বসে কিংবা বিছানায় শুয়ে কোলে ল্যাপটপ রেখে কাজ করেন। তবে, ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় তাপ উৎপন্ন হয়। দীর্ঘ সময় ল্যাপটপ কোলে রাখলে অণ্ডকোষের আশপাশের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। পুরুষদের শরীরে শুক্রাণু তৈরির স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার জন্য অণ্ডকোষের তাপমাত্রা শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রার তুলনায় কিছুটা কম থাকতে হয়। অতিরিক্ত তাপের সংস্পর্শে থাকলে শুক্রাণুর উৎপাদন ও গুণমানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে, এমনটি বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে।
প্যান্টের পকেটে মোবাইল ফোন রাখা একটি সাধারণ অভ্যাস। তবে, মোবাইল ফোন থেকে নির্গত রেডিওফ্রিকোয়েন্সি বা আরএফ তরঙ্গ পুরুষের প্রজনন ক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে কি না, তা নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা হয়েছে। কিছু গবেষণায় শুক্রাণুর গতিশীলতা ও গুণমানের হ্রাস দেখা গেছে।
প্রজনন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কিছু পরামর্শ দেওয়া হলো:
১. দীর্ঘ সময় ল্যাপটপ কোলে রেখে কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। ডেস্ক বা ল্যাপটপ স্ট্যান্ড ব্যবহার করুন।
২. মোবাইল ফোন সব সময় প্যান্টের সামনের পকেটে রাখার অভ্যাস পরিবর্তন করুন।
৩. নিয়মিত শরীরচর্চা করুন এবং স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখার চেষ্টা করুন।
৪. ধূমপান এড়িয়ে চলুন এবং মদ্যপানের অভ্যাস থাকলে তা কমানোর বিষয়ে সচেতন থাকুন।
৫. পর্যাপ্ত ঘুমান এবং সুষম খাবার খান।
৬. দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও সন্তানধারণে সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
মোবাইল বা ল্যাপটপ ব্যবহার করলেই প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়, এমন ধারণা সঠিক নয়। তবে, কাজের ধরন ও দৈনন্দিন অভ্যাসে ছোটখাটো পরিবর্তন সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অনন্ত মহাবিশ্বের অসংখ্য গ্রহ-নক্ষত্রের মাঝে, পৃথিবীই একমাত্র প্রাণবন্ত নীলাভ নীড়। এই প্রাণের অস্তিত্বের জন্য প্রথম এবং প্রধান পূর্বশর্ত হলো জল। আধুনিক বিজ্ঞান যেমন পৃথিবীতে জীবনের সূচনাকে জলের সঙ্গে যুক্ত করেছে, তেমনি হাজার হাজার বছর আগে বৈদিক ঋষিরাও জলকে সৃষ্টির আদিরূপ হিসেবে উপলব্ধি করেছিলেন।
ঋগ্বেদের নাসদীয় সূক্তে সৃষ্টির পূর্বাবস্থার বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে - সৃষ্টির আদিতে সর্বত্র ছিল অন্ধকারে আচ্ছন্ন এক অসীম জলরাশি। সনাতন ভাবনায় পঞ্চমহাভূতের মধ্যে ‘অপ’ বা জলই সেই মূল উপাদান, যা বাকি সব উপাদানের মাঝে প্রাণসঞ্চার করে। নদী, বৃষ্টি, পুকুর, বিল ও সমুদ্রের সঙ্গে গড়ে ওঠা আমাদের রূপসী বাংলার জীবন ও সংস্কৃতির গভীরে জলের এই অস্তিত্বকে এবারের দুর্গাপূজার ভাবনায় ধারণ করে গুলশান–বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশন বেছে নিয়েছে একটি অনন্য থিম - ‘জলজ’ (জল থেকে যার জন্ম)।
সনাতন ধর্মে জল কেবল একটি প্রাকৃতিক উপাদান নয়; জল স্বয়ং পবিত্রতা, পরমেশ্বর ও পরম সংস্কারের স্তম্ভ। মাতৃগর্ভের তরল থেকে শুরু করে গঙ্গাতীরে জীবনের শেষ অঞ্জলি - মানুষের সমগ্র জীবনচক্র জলের প্রবাহেই বাঁধা। জলই মাঙ্গলিক সূচনা, ঘটস্থাপন, তর্পণ, হোম কিংবা আত্মশুদ্ধির প্রধান মাধ্যম। শ্রীশ্রীচণ্ডীতে দেবী মা কেবল শক্তিরূপা নন, তিনি জীবের জীবনধারণের মূল আকুতি: ‘তৃষ্ণারূপেণ সংস্থিতা!’ জলের বুক চিরে যেমন পদ্ম প্রস্ফুটিত হয়, তেমনি জীবচেতনার তৃষ্ণা থেকেই প্রকাশিত হন মহাশক্তি মা দুর্গা।
এই ভাবনাকেই এবছর গুলশান–বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের মণ্ডপসজ্জায় স্থাপত্য, প্রকৌশল, কুটিরশিল্প, আলোক-নকশা আর নানান অলংকরণের মিশেলে রূপ দেয়া হচ্ছে এক বৃহৎ জলজ জৈব-রূপকল্পে। পরিবেশবান্ধব উপাদান যেমন বাঁশ, বেত, প্রাকৃতিক তন্তু ও চটের সাহায্যে নির্মিত হবে ঢেউখেলানো বহুস্তরীয় দৃশ্যপট, যা এক স্থির বিশাল উর্মিমালার মতো দর্শককে ঘিরে রাখবে।
প্রবেশপথ থেকে মণ্ডপের অন্তঃস্থল পর্যন্ত দর্শকের যাত্রা হবে এক আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা - প্রকৃতির উত্তাল তরঙ্গ থেকে শান্ত হয়ে মাতৃচরণের দিকে অগ্রসর হওয়া। জলপ্রপাত, রিফ্লেকশন পুল ও আলোর মেলবন্ধনে সৃষ্টি হবে এক রূপান্তরশীল পরিবেশ। আর প্যান্ডেলের কেন্দ্রে থাকবে একটি বৃহৎ পদ্মরূপী স্থাপত্য, যেখান থেকে জলের গভীরতা থেকে প্রস্ফুটিত পদ্মের মতো শংখ-পটে উদ্ভাসিত হবেন আদ্যাশক্তি মা দুর্গা।
তবে ‘জলজ’ কেবল ধর্মীয় অনুভূতির মাঝে সীমাবদ্ধ নয়; এটি তার আবেদনকে প্রসারিত করেছে বৈশ্বিক ও পরিবেশগত সামাজিক দায়বদ্ধতায়। আজ জলবায়ু পরিবর্তন, নদী দখল ও জলদূষণের কারণে পৃথিবীর জলচক্র মারাত্মক সংকটে। নদীমাতৃক বাংলাদেশের জন্য এই সংকট অস্তিত্বের প্রশ্ন। তাই জলকে সম্মান করা ও রক্ষা করা মানেই জীবন, ইতিহাস ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করা। ‘জলজ’ মায়ের কাছে ফিরে যাওয়ার, প্রকৃতিকে ভালোবাসার এবং জীবমণ্ডলকে রক্ষা করার এক সানন্দ আহ্বান।
জল, পদ্ম, তীর্থবারি, তৃষ্ণা ও পরম জীবন – এ সবকিছু মিলিয়ে দেবী দুর্গার কাছে আমাদের আকুল প্রার্থনা: মা, তুমি বিশ্বসংসারকে তৃষ্ণামুক্ত করো, জীবন ও প্রকৃতিকে রক্ষা করো, মানুষকে দাও সংহার নয়, সৃষ্টির শক্তি।
গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এবং স্থপতি অমিতি কুন্ডু ও শিল্পী-গবেষক পার্থপ্রতিম সাহার পরিকল্পনা, ডিজাইন ও তত্ত্বাবধানে বনানী কামাল আতাতুর্ক পার্কে শারদোৎসবের এই অভিনব ও দৃষ্টিনন্দন সার্বজনীন মন্ডপ সকল ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের জন্য উন্মুক্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ