শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৩ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের মাইক্রোবাস আটকে ইজারার টাকা আদায়ের অভিযোগে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নবীনগর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কের আলীযাবাদ মোড়ে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত নেতার নাম আসাদুজ্জামান বিপ্লব।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে নবীনগরে সংবাদ সংগ্রহের কাজে কয়েকজন টেলিভিশন সাংবাদিক একটি মাইক্রোবাসে উপজেলার ধরাভাঙ্গা গ্রামে যাচ্ছিলেন। আলীযাবাদ মোড়ে পৌঁছানোর পর ইজারাদারের লোকজন গাড়িটি থামিয়ে ইজারার টাকা দাবি করেন। সাংবাদিকরা জানালে যে গাড়িটি জরুরি পরিষেবার আওতাধীন এবং টোলমুক্ত, তারা তা মানতে অস্বীকৃতি জানান। একপর্যায়ে যুবদল নেতা আসাদুজ্জামান বিপ্লবকে ডেকে আনা হয়।
বিপ্লব ঘটনাস্থলে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং জোরপূর্বক চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে তিনি সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন এবং মারমুখী আচরণ করেন। এ সময় তিনি নিজেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের ভাতিজা পরিচয় দিয়ে সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
ঘটনার বিষয়ে পৌরসভার ইজারাদার জাবেদুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে এমন অসদাচরণের জন্য বিপ্লবকে ভর্ৎসনা করা হয়েছে। ইউএনও এবং এমপি মহোদয় ইতোমধ্যে ইজারা বাতিলের কথা বলেছেন।
নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌরসভার প্রশাসক রাকিবুল ইসলাম জানান, সাংবাদিকদের গাড়ি থেকে ইজারার টাকা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ইজারাদারের লোকজন যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়েছে, তার জন্য তিনি আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি পৌর ইজারা বাতিলের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান ঘটনার তীব্র নিন্দা ও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, "আমার কোনো ভাতিজা নেই। মিথ্যা পরিচয় দিয়ে যারা এ ধরনের অপকর্ম করেছে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। আমি পৌর কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে এই ইজারা বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক বাপ্পি চৌধুরী সম্প্রতি শারদীয় দুর্গাপূজার উৎসব পালন করেছেন তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন পেজ থেকে এই খবরটি ছড়িয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে সময় সংবাদের সঙ্গে আলাপকালে নায়ক মন্তব্য করেন।
গত বুধবার (২১ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গাপূজার দশমীর দিন বাপ্পি ঢাকেশ্বরী মন্দিরে দেবী দুর্গার দর্শন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন পরিবারের সদস্যরা। দেবী দুর্গার বিদায়ী মুহূর্তকে নাচ-গানে রঙিন করে তোলেন তিনি। সেই মুহূর্তের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।
কিছু ভাইরাল ভিডিওতে দাবি করা হয় যে, বাপ্পি তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে এবারের শারদীয় দুর্গাপূজার উৎসব উদ্যাপন করেছেন এবং সিঁদুর খেলায় মেতে উঠেছিলেন।
ঘটনার সত্যতা জানার জন্য নায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, বাপ্পি চৌধুরী সময় সংবাদকে বলেন, "ভাইরাল ভিডিওটা আমি দেখেছি। কী আর বলবো! আমার বৌমণিকে বৌ বানিয়ে দেয়া হয়েছে। সে আমার বৌমণি, বৌ না।"
অর্থাৎ, সোশ্যাল মিডিয়ায় যিনি বাপ্পির স্ত্রী হিসেবে পরিচিত হচ্ছেন, তিনি আসলে নায়কের বড় ভাইয়ের স্ত্রী।
বাপ্পি বলেন,
বাপ্পি বলেন, "পরিবারের সবার সঙ্গে মন্দিরে গিয়েছিলাম। বাবা, বড় ভাই, বড় ভাইয়ের বৌ, পরিবারের ছোট সদস্যরা সবাই ছিল। কিন্তু সেখানে আমার কোনো বৌ ছিল না। বিয়ে করলে সবাইকে জানিয়ে করবো। নিজের বৌকে লুকিয়ে রাখবো না।"
২০১২ সালে জাজ মাল্টিমিডিয়ার প্রথম ডিজিটাল চলচ্চিত্র ‘ভালোবাসার রঙ’ দিয়ে রুপালি পর্দায় যাত্রা শুরু করেন বাপ্পি চৌধুরী। এরপর তিনি দর্শকদের জন্য একের পর এক সিনেমা উপহার দিয়েছেন। তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘অন্যরকম ভালোবাসা’, ‘জটিল প্রেম’, ‘রোমিও’, ‘আজব প্রেম’, ‘প্রেম প্রেম পাগলামি’, ‘তবুও ভালোবাসি’, ‘সুইট হার্ট’, ‘আপন মানুষ’, ‘নায়ক’, ‘দাগ হৃদয়ে’, ‘সুলতানা বিবিয়ানা’, ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ২’, ‘ডেঞ্জার জোন’ ইত্যাদি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের নতুন ভবনের পাশে দীর্ঘকাল ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা পুকুর পরিষ্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উপজেলা প্রশাসন, যা পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে।
শুক্রবার সকালে ‘বিডি ক্লিন’ বরিশালের সহযোগিতায় এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়। বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার, বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা সুলতানা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত নাওশীনসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিডি ক্লিনের সদস্যরা এতে অংশ নেন।
অভিযানের সূচনা উপলক্ষে উপস্থিত অংশগ্রহণকারীদের পরিচ্ছন্নতার শপথ বাক্য পাঠ করান বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা সুলতানা। এরপর জেলা প্রশাসকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা বিডি ক্লিনের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুকুর পরিষ্কারের কার্যক্রম শুরু করেন।
দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত পুকুরটি পরিষ্কারের উদ্দেশ্য হলো পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা, জলাশয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এবং জনসাধারণের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে সম্মিলিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার বলেন, "পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলা আমাদের সবার দায়িত্ব। নিজের বাড়ি, আঙিনা ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি পুকুর, খালসহ প্রাকৃতিক জলাশয় সংরক্ষণেও সবাইকে সচেতন হতে হবে। প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।"
তিনি সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আপনার আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, সুস্থ বাংলাদেশ গড়ে তুলুন।’
তিনি আরও বলেন, পরিচ্ছন্নতা যেন শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে; বরং প্রত্যেকের দৈনন্দিন জীবনের অভ্যাসে পরিণত হয়। এ জন্য সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা সুলতানা বলেন, "উপজেলা পরিষদের নতুন ভবন সংলগ্ন পরিত্যক্ত পুকুরটি পরিষ্কারের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিডি ক্লিন বরিশালের সদস্যদের সহযোগিতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পরিবেশ সুরক্ষা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পরিচ্ছন্ন উপজেলা গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।"
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বিডি ক্লিন বরিশালের সদস্যরা উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে পুকুরের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের কার্যক্রমে অংশ নেন।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়বে এবং পরিবেশ রক্ষায় সাধারণ মানুষ আরও উৎসাহিত হবেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার, বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা সুলতানা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত নাওশীন, বিডি ক্লিন বরিশালের সদস্যবৃন্দসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যক্রম এবং মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে ৭৮৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আজ চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশ কার্যালয়ের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে নিয়মিত মামলায় ১১১ জন, পূর্ববর্তী মামলায় ৫৩ জন, পুলিশ অ্যাক্ট ৩৪ ধারায় ১৫ জন, ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৪ জন, কার্যবিধির ১৫১ ধারা ও অন্যান্য আইনে ২৩ জন, পরোয়ানা মূলে ৯২ জন এবং সাজা পরোয়ানা মূলে ১৪ জন রয়েছেন।
এছাড়া, মাদক মামলায় ২৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যার মধ্যে একজন মাদক বহনকারী এবং ২৬ জন মাদকসেবী। নিয়মিত ও অন্যান্য মামলায় ৫০ জন মাদক ব্যবসায়ীসহ অভিযানে মোট ৭৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং ৫৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে। এ সময় ২৯টি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযানে ১ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১০ কেজি ১৩০ গ্রাম গাজাঁ, ৯০ লিটার চোলাই মদ ও দুই বোতল স্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ২৩ জন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চট্টগ্রামে তিনজন, কুমিল্লায় দুইজন, নোয়াখালীতে দুইজন, লক্ষ্মীপুরে একজন, ফেনীতে ১৩ জন, রাঙ্গামাটিতে একজন ও খাগড়াছড়ি একজন রয়েছেন।
অন্যদিকে, কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযানে ৪৭৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তন্মধ্যে ২৭৮ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে এবং ১৯৬ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
জেলা ভিত্তিক আটককৃত কিশোর গ্যাং সদস্যের সংখ্যা: চট্টগ্রাম ৯৫ জন, কক্সবাজার নয়জন, কুমিল্লা ১৭৫ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৩ জন, চাঁদপুর ৩৯ জন, নোয়াখালী ৫৪ জন, লক্ষ্মীপুর ৬৩ জন, রাঙ্গামাটি একজন, খাগড়াছড়ি ১৫ জন।
পুলিশ জানিয়েছে, জনস্বার্থে পরিচালিত এ বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জরুরি ভিত্তিতে অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন (আল-খালিল) শহরে ‘বদ্ধতা’ বা ক্লোজার আরোপের পাশাপাশি পুরো পশ্চিম তীরে একটি পূর্ণাঙ্গ লকডাউন প্রস্তুতির নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
এই কঠোর নিরাপত্তার ঘোষণা দুই ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার পরপরই আসে, যা হেবরনে সংঘটিত একটি বন্দুকযুদ্ধের ফলস্বরূপ।
বন্দুকযুদ্ধে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন ইসরায়েলি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনার পর ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নিরাপত্তা বাহিনীকে নির্দেশ দেন হেবরন শহর অবিলম্বে সিলগালা করতে এবং পুরো পশ্চিম তীরে সর্বাত্মক লকডাউন কার্যকর করার প্রস্তুতি নিতে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে অবরুদ্ধ পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের যাতায়াত ও দৈনন্দিন কার্যক্রমে নজিরবিহীন কড়াকড়ি এবং সামরিক নজরদারি বৃদ্ধি পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ