বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৬:২৪ পি.এম
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রকল্প বা কাজ পাওয়া বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্থানীয় প্রকল্প ও ক্রয় কর্তৃপক্ষের অনুকূলে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টি ও স্ট্যান্ডবাই লেটার অব ক্রেডিট (এসবিএলসি) ইস্যুর অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
আজ (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ-১ (এফইপিডি-১) এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যাংকের শাখাকে (এডি) নির্দেশনা দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে প্রকল্প পাওয়া বিদেশি কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম সহজ করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সার্কুলারে জানানো হয়।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশে চুক্তি বা কার্যাদেশ পাওয়া বিদেশি কোম্পানির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষ, বিভাগ, সংস্থা, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান, প্রকল্প বা ক্রয় কর্তৃপক্ষ কিংবা অন্যান্য অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিড বন্ড, পারফরম্যান্স গ্যারান্টি বা স্ট্যান্ডবাই লেটার অব ক্রেডিটের প্রয়োজন হতে পারে।
এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশে অবস্থানরত বা নিবন্ধিত কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে অনুমোদিত ব্যাংকগুলো সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বা ক্রয় কর্তৃপক্ষের অনুকূলে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টি বা এসবিএলসি ইস্যু করতে পারবে। তবে এর জন্য বিদেশি কোম্পানিটিকে আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট চুক্তি বা কার্যাদেশ পেতে হবে।
তবে এ সুবিধা নিতে কয়েকটি শর্ত মানতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বা ক্রয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে করা চুক্তিতে ব্যাংক গ্যারান্টি বা এসবিএলসি গ্রহণের বিধান থাকতে হবে।
এ ছাড়া, যে আবাসিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্যারান্টি বা এসবিএলসি ইস্যু করা হবে, তার সঙ্গে কাজ পাওয়া বিদেশি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত ও বৈধ চুক্তিভিত্তিক বা বাণিজ্যিক সম্পর্ক থাকতে হবে। এ সম্পর্কের পক্ষে প্রয়োজনীয় দলিলও সংরক্ষণ করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, গ্যারান্টি বা এসবিএলসি ইস্যুর ফলে ব্যাংকের যে ঝুঁকি তৈরি হবে, তা পর্যাপ্ত জামানত বা পাল্টা নিরাপত্তার মাধ্যমে সুরক্ষিত করতে হবে। ঝুঁকির ধরন ও পরিমাণ, ব্যাংক ও গ্রাহকের সম্পর্ক এবং সংশ্লিষ্ট চুক্তির শর্ত বিবেচনায় নিয়ে জামানত বা পাল্টা নিরাপত্তার পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে।
চুক্তিতে গ্যারান্টি বা এসবিএলসি ইস্যুর কারণে আবাসিক প্রতিষ্ঠানের সম্ভাব্য খরচ, দায় ও অন্যান্য ব্যয়ের জন্য যথাযথ অর্থ ফেরত ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাও থাকতে হবে।
কোনো গ্যারান্টি কার্যকর হওয়ার পর অর্থ পরিশোধের প্রয়োজন হলে বিদেশি কোম্পানিকে চুক্তিতে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সেই অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও জানিয়েছে, প্রচলিত ঋণনীতি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নীতি ও সতর্কতামূলক সীমা মেনে ব্যাংকগুলোকে এ ধরনের গ্যারান্টি বা এসবিএলসি ইস্যু করতে হবে। এর মধ্যে নির্ধারিত একক ঋণগ্রহীতা ঋণসীমাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনও নিতে হবে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, গ্যারান্টি কার্যকর হওয়ার পর উদ্ভূত দাবি সাধারণত টাকার সমপরিমাণ অর্থে নিষ্পত্তি করতে হবে। তবে দরপত্র বা চুক্তির নথিতে বৈদেশিক মুদ্রায় অর্থ পরিশোধের সুনির্দিষ্ট শর্ত থাকলে রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (আরটিজিএস) ব্যবস্থার মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রায় দাবি নিষ্পত্তি করা যাবে।
নতুন এই সার্কুলারে স্থানীয় প্রকল্প কর্তৃপক্ষের অনুকূলে আবাসিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্যারান্টি ইস্যু-সংক্রান্ত ২০২৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর জারি করা এফই সার্কুলার নং-৩৪-এর ১৩ নম্বর অনুচ্ছেদের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরিবারের মুখে একটু হাসি ফোটাতে বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে মরুর দেশ সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন তারা। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে শেষ পর্যন্ত দেশে ফিরতে হলো কফিনবন্দি লাশ হয়ে। সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা কারখানায় ভয়াবহ আগুনে নিহত ১৬ বাংলাদেশির মধ্যে শনাক্ত হওয়া ৯ জনের মরদেহ দেশে এসে পৌঁছেছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ‘বিজি-৪৩০’ ফ্লাইটে করে মরদেহগুলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। কফিনগুলো পৌঁছানোর পরপরই বিমানবন্দরে কান্না ও করুণ দৃশ্যের অবতারণা হয়।
নিহতদের স্বজনদের পাশে দাঁড়াতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের প্রয়োজনীয় আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্বজনেরা নিজ নিজ গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে স্বজনদের মরদেহ নিয়ে রওনা দিয়েছেন।
দূতাবাস সূত্রে জানা যায়, গত ৯ আগস্ট রিয়াদের একটি সোফা কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে শ্বাসরুদ্ধ ও দগ্ধ হয়ে ১৬ জন বাংলাদেশি কর্মী মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারান। লাশগুলো চেনার উপায় না থাকায় পরবর্তীতে আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) পরীক্ষার মাধ্যমে ৯ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে প্রথম দফায় এই ৯ জনের লাশ দেশে পাঠানো হলো।
শনাক্ত হওয়া ৯ জনের মধ্যে সাতজনেরই বাড়ি নওগাঁর আত্রাই উপজেলায়। তারা হলেন উদনপৈ গ্রামের মো. ফরিদ, গণ্ডগোহালী গ্রামের রুবেল প্রামাণিক, কলিমউদ্দিন ইসলাম, মোহন আলী ও তার ছোট ভাই সুমন আলী, ডুবাই গ্রামের সোহেল রানা এবং পারকাসুন্দা গ্রামের আব্দুল জলিল সরকার। এ ছাড়া বাকি দুজনের বাড়ি নাটোরের নলডাঙ্গার মহিষডাঙ্গা গ্রামের রবিউল ইসলাম এবং রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার মরুগ্রামের শ্যামল উদ্দিন।
পরিবারের অভাব ঘোচানোর আশায় প্রবাসে যাওয়া এসব তরুণ ও উপার্জনক্ষম মানুষের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে তাদের গ্রামগুলোতে এবং স্বজনদের মাঝে শোকের মাতম চলছে। স্বজন হারিয়ে দিশেহারা পরিবারগুলো এখন কেবল শেষবারের মতো প্রিয় মুখটি দেখার অপেক্ষায় দিন গুনছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেছেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদক, অপরাধ ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে সুস্থ ও ভালো রাখতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বেকার নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ১০টি সেলাই মেশিন এবং অসহায় ও ছিন্নমূল চার শতাধিক পরিবারের মধ্যে চাল, ডাল, লবণ, চিনি, হলুদ ও মরিচের গুঁড়াসহ বিভিন্ন শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকদের হাতে প্রায় ১০০টি ফুটবল তুলে দেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, একটি সুস্থ, মেধাবী ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গড়ে তুলতে শিক্ষা ও খেলাধুলাকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। নিয়মিত খেলাধুলার মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মানসিকতা গড়ে ওঠে।
প্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান সময়ে শিশু-কিশোরদের মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত সময় ব্যয়ের প্রবণতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রম জোরদার এবং খেলার মাঠগুলো সচল রাখতে হবে।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, শুধু ভালো ফলাফল করলেই একজন শিক্ষার্থী পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে না। তাকে নৈতিকতা, শৃঙ্খলাবোধ, নেতৃত্ব ও দেশপ্রেমের শিক্ষায়ও গড়ে তুলতে হবে। খেলাধুলা এসব গুণ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তরুণ প্রজন্মকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলাধুলার চর্চা বাড়ানোর আহ্বান জানান।
নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, নারীদের শুধু সহায়তা দিলেই হবে না, তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। একটি পরিবারের একজন নারী আয় করতে পারলে ওই পরিবারের আর্থিক সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি সন্তানদের শিক্ষা ও জীবনযাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিতকরণ ও ফ্যাক্ট-চেকিং বিষয়ে দিনব্যাপী সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার যশোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিস ও পিআইডি এই সেমিনারের আয়োজন করে। যশোর জেলা প্রশাসন ও জেলা তথ্য অফিস এতে সহযোগিতা করে।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান। তিনি বলেন, সঠিক সংবাদ পরিবেশনে ফ্যাক্ট-চেকিংয়ের কোনো বিকল্প নেই। তিনি ফ্যাক্ট-চেকিং ছাড়া কোনো সংবাদ প্রচার না করার জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান এবং গুজব প্রতিরোধে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব দেন।
খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার মো. মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খান মাসুম বিল্লাহ ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুন্না বিশ্বাস। স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. রেজাউল করিম।
সেমিনারে যশোর প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দসহ জেলায় কর্মরত প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার ৩০ জন সাংবাদিক অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, শ্রমিক মজুরি, পরিবহন ব্যয় এবং উৎপাদনের প্রধান কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধিতে চাপে পড়েছে কুমিল্লার বেকারি শিল্প। উৎপাদন ব্যয়ের সঙ্গে বাজারদরের অসামঞ্জস্য দূর করে ব্রেড, বিস্কুটসহ বেকারিতে উৎপাদিত বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের মূল্য পুনর্নির্ধারণের দাবি করেছে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
কুমিল্লার কান্দিরপাড় এলাকার একটি হোটেলে জেলা ব্রেড, বিস্কুট প্রস্তুতকারক মালিক সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত জরুরি সভায় তারা এই দাবি জানান। বুধবার রাতের সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্রেড, বিস্কুট প্রস্তুতকারক মালিক সমিতির সভাপতি মো. মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহীন মিয়া।
প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মূল্য বাস্তবায়ন কমিটির চেয়ারম্যান ও সমিতির সাবেক সভাপতি মো. মজিবুর রহমান ডায়মন্ড। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বেকারি শিল্পের উৎপাদন ব্যয় ক্রমাগত বাড়লেও সে অনুযায়ী উৎপাদিত পণ্যের মূল্য সমন্বয় করা হয়নি। গ্যাস ও বিদ্যুতের বাড়তি ব্যয়ের পাশাপাশি ময়দা, চিনি, তেল, ডিম, প্যাকেটজাত সামগ্রী ও অন্যান্য কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পরিবহন ও শ্রমিক ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতি। বিদ্যমান মূল্যে ব্রেড, বিস্কুটসহ বিভিন্ন বেকারি পণ্য উৎপাদন করে বাজারজাত করা ব্যবসায়ীদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, উৎপাদন ব্যয় ও বাজারমূল্যের মধ্যে ভারসাম্য না থাকলে বেকারি শিল্পের উদ্যোক্তাদের টিকে থাকা কঠিন হবে। তাই বাস্তব উৎপাদন ব্যয় পর্যালোচনা করে বেকারি পণ্যের মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা এখন সময়ের দাবি।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বেকারি মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি তারেক কামাল ইমতিয়াজ, খন্দকার বেকারির মালিক ফিরোজ খন্দকার, প্রাইম বেকারির মালিক আতাউল ইসলাম, সততা বেকারির মালিক মাহফুজুর রহমান, সিয়াম ফুডের মালিক বশির আহমেদ ও বিজে ফুডের মালিক বেলাল উদ্দিন।
সভায় নোয়াখালী মালিক সমিতির নেতা মো. কামাল হোসেনসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সমিতির চাঁদপুর, ফেনী জেলার মালিক সমিতির নেতা এবং কুমিল্লা জেলা মালিক সমিতির অধীন বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া, দেবিদ্বার, মুরাদনগর, লাকসাম, নাঙ্গলকোট, চৌদ্দগ্রাম, চান্দিনা, বরুড়া ও দাউদকান্দি উপজেলা মালিক সমিতির নেতারা অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ