ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রুশ হামলায় ইউক্রেনে এক নারী নিহত হয়েছে


রুশ হামলায় ইউক্রেনে এক নারী নিহত হয়েছে

ইউক্রেনের খারকিভ অঞ্চলে রাশিয়া একটি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এতে এক নারী নিহত এবং অপর এক নারী আহত হয়েছেন। একই সময়ে, ইউক্রেনের পাল্টা হামলায় রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত সেভাস্তোপল শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। উভয় দেশের কর্তৃপক্ষ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে রাশিয়া ও ইউক্রেন পরস্পরের বিরুদ্ধে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। ইউরোপের এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধকে থামাতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে উদ্যোগ কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

ইউক্রেনের আঞ্চলিক সামরিক প্রশাসনের প্রধান, ওলেগ সাইনেগুবভ, টেলিগ্রামে জানিয়েছেন যে, খারকিভ অঞ্চলের বালাক্লিয়া শহরে রাতে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ৫৬ বছর বয়সী এক নারী নিহত হয়েছেন।

তিনি আরও জানান, হামলায় ২১ বছর বয়সী অপর এক নারী আহত হয়েছেন এবং হামলায় একাধিক বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটেছে।

অন্যদিকে, রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত ক্রিমিয়ার সেভাস্তোপল শহরে ইউক্রেনের হামলার ফলে পুরো শহর বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, এই তথ্য জানিয়েছেন গভর্নর মিখাইল রাজভোজায়েভ।

সেভাস্তোপল ক্রিমিয়ায় অবস্থিত হচ্ছে। রাশিয়া ২০১৪ সালে এটি ইউক্রেনের কাছ থেকে দখল করে নেয়। ইউক্রেন নিয়মিতভাবে এই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা পরিচালনা করে আসছে।

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

রাজভোজায়েভ তার টেলিগ্রামে লিখেছেন যে, বাসিন্দাদের দুর্বল প্রতিবেশীদের সহায়তা করতে এবং শুধুমাত্র জরুরি পরিস্থিতিতে ফোন ব্যবহার করতে বলা হয়েছে, যাতে ব্যাটারি সাশ্রয় হয় এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর চাপ পড়তে না পারে।

তিনি আরও বলেন, 'শত্রু আবারও নৃশংসভাবে আঘাত করছে, আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করার চেষ্টা করছে এবং আতঙ্ক ছড়াতে চাইছে।'

চলমান আক্রমণের পঞ্চম বছরে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে প্রায় প্রতিদিনই রাশিয়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

অন্যদিকে, ইউক্রেনও পাল্টা হামলা জোরদার করেছে, বিশেষ করে রাশিয়ার তেল ডিপো ও তেল শোধনাগার লক্ষ্য করে হামলা করা হচ্ছে। কারণ এগুলো যুদ্ধের অর্থায়নে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইনহাউস কোচিংয়ের ব্যবস্থা অবশ্যই রাখতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩৯ পি.এম


প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইনহাউস কোচিংয়ের ব্যবস্থা অবশ্যই রাখতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, প্রিটেস্ট ও টেস্ট পরীক্ষার পাশাপাশি প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য ইনহাউস কোচিংয়ের ব্যবস্থা অবশ্যই রাখতে হবে। একইসঙ্গে স্থানীয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে শিক্ষকদের সম্মানীর বিষয়টিও নির্ধারণ করার আহ্বানও জানান তিনি।

বুধবার রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এই কথা বলে।

শিক্ষাজীবনের সময়ক্ষেপণ কমাতে পরীক্ষা সূচিতে পরিবর্তনের বিষয়টি জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দুই বছরের কোর্স শেষ হওয়ার পরই যেন পাবলিক পরীক্ষা নেওয়া যায়, সেই লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। এ কারণে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশের লক্ষ্য রয়েছে। এছাড়া, আগামী ২ জুলাই শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা।

তিনি বলেন, বর্তমানে একজন শিক্ষার্থী ছয় বছর বয়সে স্কুলে ভর্তি হয়ে এসএসসি শেষ করতে ১৬ বছর বয়সে পৌঁছায়। এরপর উচ্চমাধ্যমিক পর্যায় শেষ হতে আরও দীর্ঘ সময় লাগে। অতীতে পরীক্ষা গ্রহণ ও ফল প্রকাশে অতিরিক্ত সময় লাগায় একজন শিক্ষার্থীর উচ্চমাধ্যমিক পর্যায় শেষ করতে প্রায় ২০ বছর বয়স হয়ে যেত। এতে শিক্ষার্থীদের উৎপাদনশীল সময় নষ্ট হয় এবং দেশের ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তিনি আরও বলেন, এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরীক্ষা ও ফল প্রকাশের সময়কে সমন্বিত করার চেষ্টা করছে। ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রে রমজান ও ঈদকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মতামত নিয়েই পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করা হচ্ছে। তবে নির্ধারিত কোর্স শেষ করা হবে বলে তিনি জানান।

পরীক্ষায় অনিয়ম ও নকলের বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, নকলের ধরন বদলেছে। এ কারণে পাবলিক পরীক্ষা সংক্রান্ত আইন পরিবর্তন করা হয়েছে। কোনো প্রতিষ্ঠানে নকল অথবা ডিজিটাল জালিয়াতির প্রমাণ মিললে শুধু পরীক্ষার্থী নয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানকেও জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।

প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধেও সরকার সক্রিয় রয়েছে বলে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, গত পরীক্ষায় তিনি নিজে বিভিন্ন পর্যায়ে তদারকি করেছেন এবং সম্ভাব্য দুর্বল জায়গা শনাক্তের চেষ্টা করেছেন। এবার সারা দেশে একক প্রশ্নপত্র ব্যবস্থা করা হয়েছে। কোথাও প্রশ্নফাঁস বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

খাতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রেও পরিবর্তনের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, অতীতে অনেক শিক্ষককে অতিরিক্ত খাতা মূল্যায়নের দায়িত্ব দেওয়া হতো, ফলে যথাযথ মূল্যায়ন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকত। এখন পরীক্ষক প্রশিক্ষণ বৃদ্ধি, পরীক্ষকের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং সীমিত সংখ্যক খাতা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি খাতা স্যাম্পলিংয়ের মাধ্যমে মূল্যায়নের মান পর্যবেক্ষণ করা হবে।

এ সময় ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড ঢাকার চেয়ারম্যান প্রফেসর আক্তারুজ্জামান এবং সচিব অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিলিস্তিনি অধিকারকর্মী আবদুল্লাহ শাতাত ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪৫ পি.এম


ফিলিস্তিনি অধিকারকর্মী আবদুল্লাহ শাতাত ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন

আবদুল্লাহ শাতাত, একজন ফিলিস্তিনি অধিকারকর্মী, ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তিনি আড়াই বছরের বেশি সময় ধরে কোনো অভিযোগ বা বিচার ছাড়াই কারাগারে আটক ছিলেন। তার মুক্তির পর শারীরিক অবস্থার কারণে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আবদুল্লাহ শাতাত কারাগার থেকে বের হওয়ার পর হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তাকে ঘিরে থাকা লোকজন দ্রুত সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, মুক্তির সময় শাতাতের শরীর খুবই দুর্বল এবং বিভ্রান্ত অবস্থায় ছিল। অধিকারকর্মীদের অভিযোগ, তাকে দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতন করা হয়েছে এবং খাবার পর্যাপ্ত পরিমাণে দেওয়া হয়নি।

এর ফলে তার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটেছে। কিন্তু এই বিষয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল রিপোর্ট করেছে যে, ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ বা বিচার ছাড়াই ফিলিস্তিনিদের আটক রাখার নীতি অনুসরণ করছে। এই প্রক্রিয়াকে তারা ‘প্রশাসনিক আটক’ বলেছেন।

সংস্থাটির দাবি অনুযায়ী, এই নীতি একটি ‘বর্ণবৈষম্যভিত্তিক শাসনব্যবস্থা’র গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

অ্যামনেস্টির তথ্যমতে, বর্তমানে ইসরায়েলের বিভিন্ন কারাগারে ৯ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি পুরুষ, নারী ও শিশু বন্দি রয়েছে। অন্যদিকে, চলতি মাসের শুরুতে আলজাজিরা একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করেছে যে, ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতা, শারীরিক নির্যাতন এবং অপমানজনক আচরণের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। ওই প্রতিবেদনে নির্যাতনের শিকার লোকদের সাক্ষাৎকারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেখানে তারা কারাগারের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা করেছেন।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ফিলিস্তিনি বন্দিদের পরিস্থিতি এবং ইসরায়েলের আটক নীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দ্রুত আলোচনার ঢেউ উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে : শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৫০ পি.এম


২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন যে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরো জানান, ২০২৮ সাল থেকে শিক্ষা কারিকুলাম পরিবর্তন করা হবে।

আজ বুধবার (২৪ জুন) ঢাকার শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রীয় সচিবদের সাথে মত বিনিময় সভায় এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘নকলের ধরনে পরিবর্তন এসেছে। যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে নকল পাওয়া যায়, তবে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে। এবং যদি প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়, তখন জড়িতদের কোনোভাবে ছাড় দেওয়া হবে না। সাইবার আইন পরিবর্তন হচ্ছে, যাতে এর সহযোগীরা পার না পেতে পারে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এই জাতির শিক্ষাব্যবস্থাকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার জন্য বিগত দশ বছর ধরে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।’ ২০২২ সালের পর থেকে যারা অবসর ভাতা পায়নি, তাদের জন্য জানানো হয়েছে যে, জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে অবসর ভাতা চালু করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জার্মানিতে পণ্য চুরির নতুন রেকর্ড, ক্ষতির পরিমাণ ৪.৩৩ বিলিয়ন ইউরো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৫৩ পি.এম


জার্মানিতে পণ্য চুরির নতুন রেকর্ড, ক্ষতির পরিমাণ ৪.৩৩ বিলিয়ন ইউরো

জার্মানির খুচরা বাজারে পণ্য চুরির ঘটনা নতুন চিন্তা তৈরি করেছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, দোকান থেকে পণ্য হারানোর পরিমাণ আবারও রেকর্ড ছাড়িয়েছে।

ব্যবসায়ীরা গত বছরে কয়েক বিলিয়ন ইউরোর ক্ষতির মুখে পড়েছেন, যেখানে শুধু ক্রেতাই নয় বরং কর্মচারী ও সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গেও চুরির সম্পৃক্ততা পাওয়া যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) জার্মানির খুচরা খাত নিয়ে কাজ করা গবেষণা সংস্থা ইএইচআই একটি নতুন সমীক্ষা প্রকাশ করেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালে দেশজুড়ে দোকানগুলো থেকে মোট ৪ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের পণ্য চুরি হয়েছে। এই পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।

প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে জার্মান সংবাদমাধ্যম টাগেসচাও।

গবেষণায় দেখা যায়, এসব চুরির বড় অংশই সাধারণ ক্রেতারা করছে। তবে সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, অনেক ক্ষেত্রে সংঘবদ্ধ চক্র দোকানে ক্রেতার ছদ্মবেশে প্রবেশ করে চুরি করছে। মোট চুরির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এ ধরনের সংগঠিত চক্রের মাধ্যমে ঘটছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তারা মূলত মদ, প্রসাধনী, ব্র্যান্ডের সুগন্ধি এবং শেভিং ব্লেড চুরি করে বাইরে নিয়ে বিক্রি করছে।

শুধু ক্রেতাই নয়, খুচরা খাতের কর্মচারীদের মাধ্যমেও বড় ধরনের ক্ষতি হচ্ছে। সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, কর্মীদের চুরির কারণে গত বছর প্রায় ৯১ কোটি ইউরো ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া ডেলিভারি বা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কারণে আরো প্রায় ৩৭ কোটি ইউরোর ক্ষতি হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি চুরির বাইরে প্রশাসনিক ও ব্যবস্থাপনার ভুলের কারণেও বড় ক্ষতি হচ্ছে। মূল্যছাড়ের স্টিকার সময়মতো না সরানো, হিসাবের ভুল এবং পণ্য সরবরাহে গরমিলের কারণে ২০২৫ সালে প্রায় ৭৮ কোটি ইউরো ক্ষতি হয়েছে।

নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে স্বয়ংক্রিয় চেকআউট ব্যবস্থা বা সেলফ-চেকআউট কাউন্টার। গবেষণা বলছে, এসব সিস্টেমে কিছু ক্রেতা ইচ্ছাকৃতভাবে পণ্য স্ক্যান না করে বা কম দামের পণ্য দেখিয়ে প্রতারণা করছে।

ইএইচআই-এর হিসাব অনুযায়ী, জার্মানির ২১ হাজারের বেশি দোকানে এই ধরনের চুরির কারণে সরকার প্রতি বছর প্রায় ৫৯ কোটি ইউরো ভ্যাট রাজস্ব হারাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়া এবং মূল্যস্ফীতির চাপ এই প্রবণতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। সমীক্ষার লেখক ফ্রাঙ্ক হর্স্ট বলেছেন, অর্থনৈতিক চাপের কারণে অনেক ক্রেতা ও কর্মচারী আর্থিক সংকটে পড়ছেন, যার প্রভাব চুরির ঘটনার ওপর পড়ছে।

অন্যদিকে জার্মান খুচরা ব্যবসায়ী সমিতি (এইচডিই) জানিয়েছে, বাস্তবে দোকানে হওয়া চুরির বড় অংশই ধরা পড়ে না। তাদের মতে, প্রায় ৯৮ শতাংশ ঘটনা রিপোর্টের বাইরে থেকে যায়। অনেক সময় আইনি জটিলতা ও ঝামেলার কারণে ব্যবসায়ীরাও আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ করেন না।

ফলে প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ আরো বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%