বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:২৬ পি.এম
সম্প্রতি বলিউডের তারকাদের, বিশেষ করে নারী অভিনেত্রীদের পাপারাজ্জিদের অশালীন ছবি তোলার প্রবণতা নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খান। ভাইজানের সেই কড়া সতর্কবার্তার প্রভাব কাটতে না কাটতেই এবার সোচ্চার হয়েছেন প্রখ্যাত কোরিওগ্রাফার ও পরিচালক ফারাহ খান।
মুম্বাইয়ের একটি স্থানে ফারাহ খানকে দেখে ছবি তুলতে এগিয়ে আসেন বেশ কয়েকজন পাপারাজ্জি। এ সময় তিনি তাদেরকে সালমানের বার্তার কথা স্মরণ করিয়ে দেন। দেখামাত্রই পরিচালক তাদের প্রশ্ন করেন— এখানে আসার কারণ কী?
ছবি তোলার আবদার জানালে সালমান খানের হুঁশিয়ারির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে রসিকতার সুরে দৃঢ় কণ্ঠে ফারাহ খান বলেন, ‘সালমান ভাই পেছন থেকে ছবি তুলতে বারণ করেছেন, ঘুরুন, ঘুরুন। কোনোভাবেই যেন অশোভন বা আপত্তিজনক কোণ থেকে ছবি তোলা না হয়।’
এর আগে ‘বিগ বস ২০’ অনুষ্ঠানের একটি পর্বে পাপারাজ্জিদের অনুচিত আচরণ নিয়ে ভীষণ চটেছিলেন ভাইজান। নারী তারকাদের অস্বস্তিকর ছবি তোলার তীব্র সমালোচনা করে সালমান খান বলেছিলেন, ‘নায়িকারা যে ধরনের শট বা অ্যাঙ্গেল মোটেও পছন্দ করেন না, তা পেছন থেকে তোলা হয় কেন?’
তিনি আরও বলেন, ‘সাই মাঞ্জরেকরকে দেখেছি এটা নিয়ে অস্বস্তিতে পড়তে। নেহা ধুপিয়া এর প্রতিবাদ করেছিলেন। এমনকি আমার নিজের ভাগ্নির পেছনে হেঁটেও তারা এভাবে ছবি তুলেছে আর ক্যাপশনে লিখেছে— ‘চিনতে পারছেন ইনি কে? এসব করার মানে কি?’
ক্ষোভ প্রকাশ করে সালমান খান আরও বলেছিলেন— ‘এমন পরিস্থিতিতে ঘুরে দাঁড়িয়ে কষে থাপ্পড় মারা উচিত। ওদের বলা উচিত নিজেদের মা-বোনের ছবিও এভাবে তুলে দেখাতে। ৯০ শতাংশ নারীই এসব পছন্দ করেন না। যারা এসব ছবি তোলে, তাদের একবার সামনে পেতে চাই।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের বিরাট কোহলি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তার ক্যারিয়ারের ৫৫তম ওয়ানডে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে আইসিসি ওয়ানডে ব্যাটিং র্যাংকিংয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন।
তিরুঅনন্তপুরমে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে কোহলি ৮৮ বলে অপরাজিত ১৩৯ রানের একটি চমৎকার ইনিংস খেলেন। এর ফলে তার রেটিং পয়েন্ট বর্তমানে বেড়ে ৭৯৬ এ পৌঁছেছে। তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছেন তার সতীর্থ শুভমান গিল, যিনি ৮১৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন।
নিউজিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেল ৭৯৪ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন। অন্যদিকে, রোহিত শর্মা ৭১৯ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছেন।
এছাড়া, শীর্ষস্থানীয় ব্যাটারদের মধ্যে শ্রীলঙ্কার কুশল মেন্ডিস উল্লেখযোগ্যভাবে তিন ধাপ এগিয়ে ৬৭৪ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা সপ্তম স্থানে উঠে এসেছেন। পাকিস্তানের বাবর আজম ব্যাটিং র্যাংকিংয়ে ষষ্ঠ স্থান ধরে রেখেছেন।
ওয়ানডে বোলারদের র্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থানটি আফগানিস্তানের রশিদ খানের দখলে রয়েছে। পাকিস্তানের স্পিনার আবরার আহমেদ ৬৭৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার কেশব মহারাজ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দারুণ পারফর্ম করে তিন ধাপ এগিয়ে ৬৬৭ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। অন্যদিকে, শাহিন শাহ আফ্রিদি এক ধাপ পিছিয়ে র্যাংকিংয়ের অষ্টম স্থানে নেমে গেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদেশে ভ্রমণের পূর্বে বিয়ের পরামর্শ প্রদান করেছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। তিনি সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে নারীদের বিদেশ ভ্রমণের আগে বিয়ে করার পরামর্শ দিয়েছেন।
অভিনেত্রীর পোস্টে মূলত অবিবাহিত নারীদের বিদেশ ভ্রমণ এবং তাদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতার বিষয়টি আলোচিত হয়েছে। বিমানবন্দরে তিন তরুণীকে আটকে দেওয়ার অভিযোগের পর অভিনেত্রী এই মন্তব্য করেন।
পার্শ্ববর্তী দেশ নেপালে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পুলিশের বাধার সম্মুখীন হন তিন তরুণী— এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। এ বিষয়ে অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
বিমানবন্দরে তিন তরুণীকে আটকে দেওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে অভিনেত্রী বলেন, “কিন্তু আপারা এসব করার আগে তোমরা বিয়ে করে যাইও, নাইলে কিন্তু এয়ারপোর্টে আটকায় দেবে! তখন আর এসব কিছুই করতে পারবা না!!!”
নারীদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরে শবনম ফারিয়া আরও বলেন, “মেয়েরা মহাকাশে যাবে, এভারেস্ট জয় করবে, বৈজ্ঞানিক হয়ে নতুন নতুন জিনিস আবিষ্কার করবে, স্কলারশিপ পেয়ে বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়বে, গবেষণায করবে, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যাবে এবং অলিম্পিকে খেলতে যাবে, বিশ্বকাপ খেলবে …..।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জাতীয় নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, এ মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর খিলগাঁওয়ে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অডিটোরিয়ামে নবনির্মিত ‘অগ্রযাত্রা ভবন’, ‘প্রান্তিক সংযোগ’ পরিষেবা, ‘প্রান্তিক শক্তি’ ও ‘ভ্রাম্যমাণ আইটি প্রশিক্ষণ সেন্টার’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জাতীয় নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। জাতীয় নির্বাচন, পূজা, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, জাতীয় অনুষ্ঠান ও জনসমাগমস্থলের নিরাপত্তায় সদস্যরা নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। দুর্গম পার্বত্য ও সীমান্তবর্তী এলাকায় অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ে নিরাপত্তা রক্ষা, অবৈধ পুশইন, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও তারা সক্রিয়। পাশাপাশি উচ্ছেদ অভিযান, চুরি-ডাকাতি ও ছিনতাই প্রতিরোধ, নিখোঁজ শিশু উদ্ধার, বৃক্ষরোপণ এবং দালালবিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে জননিরাপত্তা ও জনসেবায় অবদান রাখছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আইন ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে এ পেশাদারিত্ব ও দায়িত্ববোধ আরও জোরদার হবে।
তিনি আরও বলেন, তেজগাঁওয়ে ৩.৪২৮ একর জায়গার ওপর প্রতিষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আধুনিক সদর দপ্তর কেবল একটি নতুন অবকাঠামো নয়, বরং বাহিনীর ব্যাপক সংস্কার, আধুনিকায়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। নির্মিতব্য এই বহুতল ভবন আধুনিক প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা, দ্রুত তথ্য বিনিময়, সেন্ট্রাল অপারেশন মনিটরিং, কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনার আধুনিক কমান্ড সেন্টার হিসেবে গড়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদী।
মন্ত্রী বাহিনীর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে বলেন, ১৯৭৬ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘পিপলস ওয়ারফেয়ার ডকট্রিন’-এর আলোকে জনগণকে সম্পৃক্ত করে জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যে দর্শনের বিকাশ ঘটে, তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী আজ দেশের অন্যতম বৃহৎ জনসম্পৃক্ত নিরাপত্তা প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হয়। তার সরকারের সময়ে ১৯৯৫ সালে আনসার বাহিনী আইন, ব্যাটালিয়ন আনসার আইন ও গ্রাম প্রতিরক্ষা দল আইন প্রণীত হয়। পরবর্তীতে ২০০৪ সালে তিনি বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক ‘স্বাধীনতা পদক’ প্রদান করেন, যা বাহিনীর গৌরবময় অবদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। সেই ঐতিহাসিক অগ্রযাত্রার ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের সদিচ্ছা ও উদ্যোগে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য নতুন সদর দপ্তর প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
নারীদের জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উদ্যোগে নারীদের জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রশিক্ষণ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং ‘সঞ্জীবন’ প্রকল্পের মাধ্যমে সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি, আত্মকর্মসংস্থান ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের ডিজিটালাইজেশন এ বাহিনীর সদস্যদের কল্যাণে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এসব উদ্যোগ নারীসহ বাহিনীর সব সদস্যের দক্ষতা ও আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের জীবনমানের উন্নয়ন এবং জাতীয় অর্থনীতিতে আরও কার্যকর অবদান রাখার সুযোগ সৃষ্টি করবে।
মন্ত্রী বলেন, একইসঙ্গে এক লাখ টিডিপি স্বেচ্ছাসেবীকে প্রশিক্ষণ ও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার আওতায় এনে দুর্যোগ মোকাবিলা, উদ্ধার কার্যক্রম ও জননিরাপত্তায় একটি দক্ষ, সংগঠিত ও কার্যকর স্বেচ্ছাসেবী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ বর্তমান সময়ের প্রয়োজনের সঙ্গে অত্যন্ত সামঞ্জস্যপূর্ণ। এ উদ্যোগ দুর্যোগ ও জরুরি পরিস্থিতিতে স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা আরও জোরদার করবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ পিএসসি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জ্বালানি নিরাপত্তা, দক্ষ জনশক্তি অভিবাসন, কারিগরি শিক্ষা, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম বাসসকে এ তথ্য জানান।
এ সময় অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গভর্নর জেনারেল স্যাম মস্টিন এসি’র পক্ষ থেকে অভিবাদন জানান এবং আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছাপত্র প্রদান করেন। রাষ্ট্রপতি অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর জেনারেলকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা কামনা করেন এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি আমদানির সুযোগ সৃষ্টির প্রস্তাব দেন।
তিনি অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি অনুসন্ধান, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, চিকিৎসা কৌশল, লজিস্টিকস ও উৎপাদন খাতে অস্ট্রেলিয়ার আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
আগামী নভেম্বরে ক্যানবেরায় অনুষ্ঠেয় সিনিয়র কর্মকর্তাদের বৈঠক ও টিআইএফএ বৈঠক দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশি পেশাজীবীদের, বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল ও অন্যান্য কারিগরি ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ায় দক্ষ জনশক্তি অভিবাসনের সুযোগকে রাষ্ট্রপতি স্বাগত জানান।
এ ছাড়া বৃত্তি ও একাডেমিক বিনিময় কর্মসূচিতে অস্ট্রেলিয়ার অব্যাহত সহযোগিতা এবং ঢাকায় ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরার একটি ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান কর্মশক্তির জন্য কর্মোপযোগী দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার টেকনিক্যাল অ্যান্ড ফার্দার এডুকেশন (টিএএফই) প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর (টিটিসি) সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেন রাষ্ট্রপতি। এ ক্ষেত্রে কেয়ারগিভার প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণের ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।
রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গ তুলে রাষ্ট্রপতি দীর্ঘস্থায়ী এ সংকটে অস্ট্রেলিয়ার অব্যাহত মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান এবং সংকটের টেকসই সমাধানে দেশটির সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতে বাস্তব অর্থনৈতিক সুযোগ, দক্ষতা উন্নয়ন, বিনিয়োগ এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও চলাচল বৃদ্ধির ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দেবে।
এ সময় হাইকমিশনার অস্ট্রেলীয় ব্যবসায় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে, ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, কর সংস্কার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ইতিবাচক নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশে ব্যাংকিং সংস্কারের প্রশংসা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার বিদ্যমান সহযোগিতা আরও জোরদারে তার দেশের আগ্রহের কথা জানান।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি হাইকমিশনার ক্লিনটন পবকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ