সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:০১ পি.এম
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি আজ পবিত্র ওমরাহ পালনের জন্য ঢাকা ত্যাগ করেছেন।
তিনি আজ সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে সস্ত্রীক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-৩৩৭ ফ্লাইটে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
চিফ হুইপ আগামী ২০ সেপ্টেম্বর ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফিরে আসবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) দোকানের মালিকানা নিয়ে দুই আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে অন্তত নয়জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলসংলগ্ন রবীন্দ্র চত্বরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষটি ঘটে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০১৭ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল উদ্বোধনের পর হলসংলগ্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়। বর্তমানে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের সামনের অংশে অবস্থিত এসব দোকানের মালিকানা নিয়ে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরোধ দীর্ঘদিন ধরে চলছিল।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ২০১৭ সালে তৎকালীন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের উদ্যোগে হল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ওই এলাকায় প্রায় ১৫টি দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়। দোকান বরাদ্দের ক্ষেত্রে এক থেকে দুই লাখ টাকা করে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে ২০২৪ সালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল চালু হলে হলটির সামনের এলাকায় আগে থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের নামে বরাদ্দ থাকা কয়েকটি দোকান নিয়ে নতুন করে বিরোধ তৈরি হয়। কাজী নজরুল ইসলাম হলের শিক্ষার্থীরা চারটি দোকানের ওপর নিজেদের অধিকার দাবি করেন।
এ নিয়ে কয়েক দিন ধরে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রবিবার রাতে কাজী নজরুল ইসলাম হলের শিক্ষার্থীদের একটি অংশ পরদিন তাঁদের হলের সামনে থাকা চারটি দোকানে তালা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেন। বিষয়টি জানতে পেরে সোমবার দুপুরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী রবীন্দ্র চত্বরে অবস্থান নেন।
পরে কাজী নজরুল ইসলাম হলের একদল শিক্ষার্থী সেখানে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় লাঠি ও ইটপাটকেল ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। পরে গুরুতর আহত দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রের উপপ্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা রিজওয়ানুর রহমান সোমবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নয়জন শিক্ষার্থী আহত হয়ে চিকিৎসা নিতে এসেছেন। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সাভারের অন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যরা চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়েছেন।’
ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. আবদুছ ছাত্তার বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম হল ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের দোকানগুলোর মালিকানা নিয়ে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। গতকাল মধ্যরাতের দিকে শিক্ষার্থীরা দোকান দখলের জন্য সংগঠিত হচ্ছেন—এমন খবর পেয়ে উপাচার্যের নির্দেশে তিনি ঘটনাস্থলে যান।
তিনি বলেন, ‘সেখানে গিয়ে দেখি, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের কিছু শিক্ষার্থী মোটরসাইকেল নিয়ে শোডাউন করে চলে গেছেন। অন্যদিকে, কাজী নজরুল ইসলাম হলের শিক্ষার্থীরা হলে বৈঠক করে দোকান দখলের পরিকল্পনা করছিলেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘গত সাত মাস ধরে হল সংসদ ও প্রভোস্টদের সঙ্গে আলোচনা করেও কোনো সমাধান হয়নি বলে শিক্ষার্থীরা দাবি করছেন। তাদের আশ্বস্ত করা হয়েছিল, সিন্ডিকেট সভা শেষে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা করা হবে। কিন্তু এর মধ্যেই দুই হলের শিক্ষার্থীরা মুখোমুখি অবস্থানে চলে যান এবং উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড শুরু হয়।’
সংঘর্ষের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুই হলের শিক্ষক, প্রক্টর, ওয়ার্ডেন ও নিরাপত্তাকর্মীদের নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে চেষ্টা চালানো হয়। বর্তমানে উভয় পক্ষ নিজ নিজ হলে অবস্থান করছে। আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সকাল থেকেই দুই হলের প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আমরা দফায় দফায় আলোচনা করেছি। কিন্তু কাজী নজরুল ইসলাম হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসার আগেই দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। খবর পেয়ে প্রক্টরসহ প্রশাসনের পুরো টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দুই পক্ষ নিজ নিজ হলে অবস্থান করছে। দুই হলের প্রতিনিধিদের নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ডেঙ্গু পরিস্থিতির মোকাবিলায় কার্যকর প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপের পাশাপাশি উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) জেনারেল হাসপাতালে ‘ডেঙ্গু ম্যানেজমেন্ট সেল’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
আজ সোমবার, প্রধান অতিথি হিসেবে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এই সেলের উদ্বোধন করেন।
ডা. শাহাদাত এ সময় বলেন, "একটি মৃত্যুও আমাদের জন্য কাম্য নয়।" তিনি উল্লেখ করেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রতিরোধমূলক এবং চিকিৎসামূলক কার্যক্রম একসঙ্গে পরিচালনা করছে।
তিনি আরও জানান, চলতি বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগর, জেলার উপজেলা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২ হাজার ৮৮৩ জন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরে আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ২৩২ জন। এ পর্যন্ত মহানগরে ৪ জন, উপজেলা পর্যায়ে ৭ জন এবং অন্যান্য জেলায় ১ জনসহ মোট ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
মেয়র বলেন, অতীতের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে ডেঙ্গুর প্রকোপ সাধারণত বেশি থাকে। তাই এই দুই মাসকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে চসিকের মশক নিধন, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ক্রাশ প্রোগ্রাম এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
চসিক জেনারেল হাসপাতালে প্রতিষ্ঠিত ডেঙ্গু ম্যানেজমেন্ট সেলে পুরুষ, নারী ও শিশুদের জন্য মোট ১৫টি শয্যা রাখা হয়েছে। মেয়র জানান, প্রয়োজন হলে শয্যার সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। হাসপাতালটিতে ডেঙ্গু শনাক্তকরণের জন্য এনএসওয়ান অ্যান্টিজেন পরীক্ষা বিনামূল্যে করা হচ্ছে।
এ সময় চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হোসনে আরা বেগম, তপন কুমার চক্রবর্তী এবং আন্দরকিল্লাস্থ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ একরাম হোসেনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের রপ্তানিযোগ্য তেলের মজুদ দ্রুত ফুরিয়ে আসছে এবং যদি আগামী ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে তাদের প্রধান ‘ইস্ট-ওয়েস্ট’ পাইপলাইনটি পুনরায় চালু করা না হয়, তবে দেশটির তেল রপ্তানি সম্পূর্ণরূপে স্থবির হয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সম্প্রতি ইরাক থেকে ছোড়া একাধিক ড্রোনের মাধ্যমে সৌদি আরবের এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পাইপলাইনে ভয়াবহ হামলা চালানো হয়। এই হামলার ফলে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে পাইপলাইনটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়।
রয়টার্সকে দেওয়া শিল্প খাতের সূত্রগুলো মেরামতের সময়সীমা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য প্রদান করেছে। একটি সূত্র জানিয়েছে, এই প্রক্রিয়ায় পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগতে পারে, অন্যদিকে অন্য একজন ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে পাইপলাইনটি আরো দ্রুত মেরামত করা হতে পারে এবং মেরামত চলাকালীন আংশিক তেল উত্তোলন কার্যক্রম পুনরুদ্ধার করা যেতে পারে।
বর্তমানে সৌদি আরব সরকারের গণমাধ্যম দপ্তর বা জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।
গত ছয় মাসে, আরব উপদ্বীপজুড়ে বিস্তৃত পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনটি সামরিক সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার প্রভাব প্রশমিত করতে সৌদি আরবকে উল্লেখযোগ্যভাবে সাহায্য করেছে, যা এই অঞ্চলের অনেক দেশের তেল রপ্তানি ব্যাহত করেছিল।
সৌদি আরব এই পথ ব্যবহার করে প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল লোহিত সাগর উপকূলের ইয়ানবু বন্দরে পাঠায়, যা বৈশ্বিক তেল সরবরাহের প্রায় ৪ শতাংশের সমান।
সৌদি আরবের তেল পরিবহন ব্যবস্থার ওপর চাপ আরো বেড়েছে যখন ইয়েমেনের হুথি বাহিনী, যারা এর আগে দেশটির তেল পরিবহনের জন্য হুমকি দিয়েছিল, শুক্রবার লোহিত সাগরের প্রবেশপথে একটি দ্বীপ দখল করে নেয়।
সংঘাত শুরু হওয়ার আগে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল থেকে প্রতিদিন প্রায় ২.২ কোটি ব্যারেল তেল সরবরাহ করা হতো। শিল্প সূত্রের মতে, বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত তেলের পরিমাণ কমে প্রতিদিন প্রায় ৬০ থেকে ৯০ লাখ ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে।
সৌদি আরব ওপেককে আরো জানিয়েছে, সংঘাত শুরু হওয়ার আগে ফেব্রুয়ারিতে তাদের তেল উৎপাদন দৈনিক ১০.৯ মিলিয়ন ব্যারেল থাকলেও, আগস্টে তা কমে দৈনিক ৬.২ মিলিয়ন ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সেপ্টেম্বর মাসের ১৩ দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স হিসেবে ১৪২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার এসেছে। এই পরিমাণ দেশীয় মুদ্রায় ১৭ হাজার ৫৫২ কোটি ১০ হাজার টাকা, যা প্রতি ডলার ১২৩ টাকার হিসাব অনুযায়ী নির্ধারিত হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
আরিফ হোসেন জানান, রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) প্রবাসী আয় হিসেবে দুই হাজার ৩৭৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা দেশে এসেছে। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ১৩ দিনে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১৩০ কোটি ৬০ লাখ ডলার। এই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে ৭২৫ কোটি ৩০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল ৬২০ কোটি ৬০ লাখ ডলার। ফলে চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় ১৬ দশমিক ৯০ শতাংশ বেড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ