বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:০৯ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ মন্তব্য করেছেন যে, ফ্যাসিবাদী সরকারের শাসনকালে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এবং নৈতিক ভিত্তিকে চরমভাবে পক্ষাঘাতগ্রস্ত করা হয়েছিল।
তিনি অভিযোগ করেন যে, গুণগত শিক্ষা প্রদানের পরিবর্তে কেবল পাসের হার (৯০-৯৫ শতাংশ) দেখানোর রাজনীতি করা হয়েছিল। এমনকি, খাতায় না লিখলেও শিক্ষকদের এবং শিক্ষা কর্মকর্তাদের ওপর চাপ দিয়ে পাস করানোর জন্য বাধ্য করা হতো।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিশাল শিক্ষক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘একটি জাতির মেরুদণ্ড দুর্বল হলে, পুরো শরীর পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়ে, ঠিক তেমনি শিক্ষা খাত ধ্বংস হলে পুরো জাতি পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যায়। অতীতের সরকারগুলোর অতিরিক্ত রাজনীতিকরণের কারণে আমাদের শিক্ষার গুণগত মান অনেক নিচে নেমে গেছে। বইয়ের পাতায় ব্যক্তির গুণকীর্তন ও ছবি রাখার প্রাধান্য থাকলেও নৈতিক শিক্ষার স্থান ছিল না।’
শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে রিজভী আহ্বান জানান যে, আন্দোলনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার দায়িত্বও তাদের নিতে হবে।
তিনি বলেন, দাবি আদায়ের পাশাপাশি শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করাও অত্যন্ত জরুরি।
বিএনপির প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি সব সময় প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবায়নের অসাধারণ সমন্বয় করে এসেছে। শিক্ষক সমাজের ন্যায্য দাবিদাওয়ার বিষয়ে দল সচেতন। আমাদের দলের যে ভিশন ও পরিকল্পনা রয়েছে, তাতে শিক্ষক সমাজ কখনো তাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হবে না।
এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের সভাপতি অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া। সমাবেশে দেশজুড়ে আগত শিক্ষক-কর্মচারী নেতারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সফু, সহ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন এবং শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের মহাসচিব চৌধুরী মুকিম উদ্দীন মাহমুদও বক্তব্য দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা সম্পর্কে তথ্য প্রদান করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এই সময়ের মধ্যে ছয়টি বিভাগে তুলনামূলকভাবে বেশি বৃষ্টির ঘটনা ঘটতে পারে। তাপমাত্রা দিন ও রাতের ক্ষেত্রে সামান্য কমে যেতে পারে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামীকাল শুক্রবার সকাল পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া সহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক স্থানে এই ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এ সময়ে দেশের কিছু অঞ্চলে মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের ওপর মোটামুটি সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চল থেকে বিদায় নিয়েছে এবং আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকেও বিদায় নিতে পারে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু স্থানে এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া সহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া সহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য স্থানে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশ সহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া সহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য স্থানে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশ সহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান তাদের শর্তগুলি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, যুদ্ধ বন্ধ করার পাশাপাশি পারস্য উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে। তেহরান, একই সঙ্গে, হরমুজ প্রণালির নিরাপদ নৌপথ নিয়ে ওমানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর কথাও জানিয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে এই তথ্যগুলো প্রকাশ করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, "যুদ্ধ বন্ধ করা এবং পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা পুনঃপ্রতিষ্ঠার বিষয়ে ইরানের অবস্থান ও শর্ত পরিষ্কারভাবে জানানো হয়েছে। অন্য পক্ষের প্রস্তাবের বিষয়ে প্রয়োজনীয় জবাব মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে দেওয়া হবে।"
ইরানি এই কর্মকর্তা আরও জানান, ওমানের সঙ্গে পরামর্শ ও আলোচনা ভালোভাবে এগিয়েছে। দুই দেশ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের জন্য নিরাপদ প্রবেশ ও বের হওয়ার পথের ভৌগোলিক সীমারেখা নিয়েও একমত হয়েছে।
এছাড়া, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থায় কীভাবে উপস্থাপন করা হবে, সে বিষয়েও দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে বলে জানান বাঘেই।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিগগিরই আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি তুলে ধরা হবে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহণপথ হিসেবে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা এবং জাহাজ চলাচল নিয়ে যেকোনো সমঝোতা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: মেহের
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে পরিচয়ের শুরু। এরপর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু বিয়ের পরই একের পর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠে আসে। ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভি জানাচ্ছে, অভিযোগের মধ্যে অর্থ আত্মসাৎ থেকে শুরু করে আরও বড় বিষয় রয়েছে।
উত্তরপ্রদেশের কানপুরের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ, শারীরিক নির্যাতন এবং ধর্ম পরিবর্তনে চাপ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন থাইল্যান্ডের এক নারী।
অভিযোগকারী নারীর নাম আপসর্ন। তিনি থাইল্যান্ডে একটি রেস্তোরাঁ ও ক্যান্টিন পরিচালনা করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কানপুরের চামড়া ব্যবসায়ী ইরফানের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের অনলাইন কথোপকথন প্রেমের সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যায়।
আপসর্নের দাবি, ইরফান তাকে জানিয়েছিলেন যে তিনি অবিবাহিত। পরে ইরফান থাইল্যান্ডে আসেন তার সঙ্গে দেখা করতে। এক পর্যায়ে তার বিশ্বাস অর্জন করে প্রায় দুই বছর আগে থাইল্যান্ডেই তাকে বিয়ে করেন।
তবে বিয়ের পর থেকেই ইরফান ব্যবসা ও বিভিন্ন আর্থিক প্রয়োজনের কথা বলে তার কাছে টাকা চাইতে শুরু করেন বলে অভিযোগ করেছেন আপসর্ন। তার দাবি, নিজের রেস্তোরাঁর আয় এবং আত্মীয়দের কাছ থেকে ধার করা অর্থ মিলিয়ে ধাপে ধাপে স্বামীকে প্রায় ৬০ লাখ রুপি দেন তিনি।
অভিযোগে বলা হয়েছে, টাকা নেওয়ার পর ইরফান তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন এবং ভারতে ফিরে আসেন।
কয়েক মাস স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় আপসর্ন শেষ পর্যন্ত ভারতে আসেন। গত ৬ অক্টোবর কানপুরে ইরফানের বাড়িতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, ইরফান আসলে বিবাহিত। তার ১২ বছরের একটি দাম্পত্য সম্পর্ক রয়েছে এবং তিন সন্তানও আছে বলে অভিযোগ করেন আপসর্ন।
এরপর টাকা ফেরত চাইলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ। আপসর্নের দাবি, ইরফান তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। এমনকি তার সঙ্গে থাকতে বা টাকা ফেরত পেতে হলে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ এবং বোরকা পরার শর্ত দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
পরে ওই নারী পুলিশের দ্বারস্থ হন। অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (পূর্ব) শিবা সিংয়ের কাছে তিনি পুরো ঘটনা জানান।
পুলিশ জানিয়েছে, তার অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাসঙ্গিক আইনে মামলা করা হয়েছে এবং ইরফানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমানে বিয়ের নথিপত্র, প্রায় ৬০ লাখ রুপি লেনদেনের তথ্য এবং ধর্ম পরিবর্তনে চাপ দেওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ