ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

অসহায় মুসলিমদের পাশে দাঁড়ানোয় বাংলাদেশের সেবা সংস্থার খবর আন্তর্জাতিক মিডিয়ায়


অসহায় মুসলিমদের পাশে দাঁড়ানোয় বাংলাদেশের সেবা সংস্থার খবর আন্তর্জাতিক মিডিয়ায়

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অসহায় মুসলিমদের পাশে দাঁড়াতে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিশেষভাবে উঠে এসেছে। সুদান টিভি, আল জাজিরা, বিবিসি সহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এই সংস্থার কার্যক্রম প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশভিত্তিক মানবিক সংস্থা হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশের কার্যক্রম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্রমেই আলোচিত হচ্ছে। সুদান, গাজা ও মিশরে এই সংস্থার বিভিন্ন মানবিক কর্মসূচি রাষ্ট্রীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রচার হয়ে এসেছে।

প্রকাশিত সংবাদ, ভিডিও প্রতিবেদন ও তথ্যচিত্র থেকে জানা যায়, সুদের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ‘সুদান টিভি’ তাদের টিমের মানবিক কার্যক্রম নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন সম্পন্ন করেছে। ওই প্রতিবেদনে যুদ্ধ ও বাস্তুচ্যুতির শিকার মানুষের জন্য খাদ্য বিতরণ, শিশুদের পুষ্টিসহায়তা এবং জরুরি মানবিক সেবা প্রদানের নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে।

আরও পড়ুন: টেকনাফে মানবপাচারকারীদের গুলিতে আহত সেনাসদস্য মো. তিতাস শেখের মৃত্যু

সুদান টিভির পাশাপাশি দেশটির পরিচিত আলজারকা টিভি ও তায়িবা টিভিতেও হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটির কার্যক্রম প্রচারিত হয়েছে। এ ছাড়া আসল রচণা সুদানের জাতীয় পর্যায়ের গণমাধ্যম ফাউরি ও শিকান পত্রিকায় সংস্থাটির মানবিক উদ্যোগ নিয়ে সংবাদ এবং বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আল ফাশেরের মানবিক বিপর্যয়ের পর গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সুদানের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়মিত সহায়তা কার্যক্রম পালন করছে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ। স্থানীয় সহযোগী প্রতিষ্ঠান ও মাঠপর্যায়ের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে যুদ্ধাহত পরিবার, বাস্তুচ্যুত মানুষ, অপুষ্টিতে ভোগা শিশু, অসহায় নারী এবং সংকটাপন্ন পরিবারগুলোর কাছে সহায়তা পৌঁছানো হচ্ছে।

সুদানে সংস্থাটির কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে খাদ্য ও পুষ্টিসামগ্রী বিতরণ, জরুরি আর্থিক সহায়তা, অসহায় পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা এবং কুরবানির গোশত বিতরণ। সংঘাতপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশেও এসব কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখায় স্থানীয় পর্যায়ে সংস্থাটির উদ্যোগের প্রশংসা হচ্ছে।

গাজার পাশাপাশি মিশরে পরিচালিত টিম হাফেজ্জীর মানবিক কার্যক্রমও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে গুরুত্ব পেয়েছে। আল জাজিরা, বিবিসি, ফিলিস্তিন টিভি ও মিশর টাইমসে গাজাবাসী ও মিশরে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদের জন্য পরিচালিত সংস্থার খাদ্যসহায়তা, জরুরি ত্রাণ এবং অন্যান্য মানবিক উদ্যোগ নিয়ে সংবাদ, ভিডিও প্রতিবেদন ও তথ্যচিত্র প্রকাশিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গুলি বিনিময়ে সেনাসদস্য আহত

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুদান টিভি, আলজারকা টিভি, তায়িবা টিভি, ফাউরি, শিকান পত্রিকা, আল জাজিরা, বিবিসি, ফিলিস্তিন টিভি এবং মিশর টাইমসে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশের মানবিক কার্যক্রম স্থান পেয়েছে।

দেশের বেসরকারি মানবিক উদ্যোগের জন্য রাষ্ট্রীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের একাধিক সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের একটি মানবিক সংস্থার কার্যক্রম প্রচারিত হওয়াকে উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকা ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি আরও দৃশ্যমান হয়েছে।

হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটির কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল প্রতিটি প্রকল্পের দিন, তারিখ, স্থান, ছবি, ভিডিও এবং মাঠপর্যায়ের তথ্য প্রকাশের প্রচেষ্টা। চলমান কার্যক্রমের নামে পুরোনো ছবি বা ভিডিও ব্যবহার না করে হালনাগাদ ও প্রমাণভিত্তিক তথ্য তুলে ধরাকে সংস্থাটি বিশেষ গুরুত্ব দেয়।

সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তাদের কার্যক্রম স্থান পাওয়া শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠানের অর্জন নয়; এটি দাতা, শুভাকাঙ্ক্ষী, স্বেচ্ছাসেবী এবং বাংলাদেশের মানুষের সম্মিলিত সাফল্য। এই স্বীকৃতি তাদের দায়িত্ব, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও বৃদ্ধি করেছে।

আরও পড়ুন: মাদকচক্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আখতারুজ্জামানের ছেলের ওপর হামলা

সংস্থার পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, প্রতিটি মানবিক কার্যক্রমের প্রয়োজনীয় নথি, ছবি, ভিডিও এবং মাঠপর্যায়ের তথ্য সংরক্ষণ ও প্রকাশ করার চেষ্টা করা হয়। দাতাদের অর্থ যথাযথভাবে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছানো এবং সর্বাধিক স্বচ্ছতা বজায় রাখাই তাদের কাজের অন্যতম মূলনীতি।

দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ একটি নিবন্ধিত মানবিক সংস্থা। আন্তর্জাতিক সংকটপূর্ণ অঞ্চলে কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি বাংলাদেশেও ব্যাপক পরিসরে মানবিক, চিকিৎসা, শিক্ষা, পুনর্বাসন, দক্ষতা উন্নয়ন ও স্বাবলম্বীকরণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

বাংলাদেশে সংস্থাটির নিয়মিত কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে বেকার ও অসচ্ছল মানুষকে স্বাবলম্বী করতে রিকশা, ভ্যান, সেলাই মেশিন ও জীবিকাভিত্তিক উপকরণ প্রদান, স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রশিক্ষণ, ক্ষুদ্র কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন সহায়তা।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন, নওমুসলিমদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, অসচ্ছল রোগীদের চিকিৎসাসেবা, জরুরি আর্থিক সহায়তা এবং বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প পরিচালনাও সংস্থাটির চলমান কার্যক্রমের অংশ।

আরও পড়ুন: বাকৃবির শাহজালাল হলে ‘শাহী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২.০’-এর উদ্বোধন

শিক্ষাক্ষেত্রে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মক্তব ও মাদরাসাভিত্তিক কার্যক্রম, দরিদ্র ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সহায়তা, শিক্ষক সম্মানী প্রদান, কোরআন শিক্ষা এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে মৌলিক শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালনা করছে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ।

এ ছাড়া খাদ্য, শীতবস্ত্র ও জরুরি ত্রাণ বিতরণ, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসহায় পরিবারগুলোর কাছে সরাসরি সহায়তা পৌঁছানোর কাজও ব্যাপকভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

তাৎক্ষণিক সহায়তার পাশাপাশি মানুষের দীর্ঘমেয়াদি জীবনমান উন্নয়নকে সংস্থাটি বিশেষ গুরুত্ব দেয়। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জীবিকার স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে উপকারভোগীদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলাই এসব কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

দেশ ও বিদেশে ধারাবাহিক মানবিক কার্যক্রম, মাঠপর্যায়ের প্রমাণ প্রকাশ এবং দাতাদের কাছে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার মাধ্যমে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ একটি সক্রিয়, বহুমুখী ও আস্থাশীল মানবিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় শ্রম আন্দোলনের নামে হামলায় শ্রমিক মো. সেলিম গুরুতর আহত

সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশে চলমান শিক্ষা, চিকিৎসা, প্রতিবন্ধী সহায়তা, নওমুসলিম পুনর্বাসন, দক্ষতা উন্নয়ন ও স্বাবলম্বীকরণ কর্মসূচি আরও ব্যাপকভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০১ পি.এম


গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার

গ্রামীণ অর্থনীতি এবং বাজার ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে সরকার ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সড়ক, সেতু, কালভার্ট নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের পাশাপাশি যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে জোর দেওয়া হচ্ছে। নিরাপদ পানি সরবরাহ, শতভাগ স্যানিটেশন, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট বক্তব্যে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আগামী অর্থবছরে সড়ক, সেতু, গ্রোথ সেন্টার উন্নয়ন এবং সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও দুর্যোগ সহনশীলতা শক্তিশালী করা হবে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে সুপেয় পানি সরবরাহ, শতভাগ স্যানিটেশন নিশ্চিতকরণ, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিবেশবান্ধব পানি ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের জন্য আরও প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এ লক্ষ্যে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোতে বর্ষা মৌসুমের আগেই খাল পুনঃখনন, ড্রেন সংস্কার এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, নগর এলাকায় সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, খাল পুনরুদ্ধার এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম নগরবাসীর জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি জানান, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনের লক্ষ্যে অবকাঠামো, পানি ও স্যানিটেশন খাতে একত্রিত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে দেশের প্রায় ৯৩ শতাংশ গ্রামীণ জনগোষ্ঠী সারা বছর চলাচলযোগ্য সড়ক সুবিধার আওতায় এসেছে এবং এটি পর্যায়ক্রমে ১০০ শতাংশে উন্নীত করতে পরিকল্পনা রয়েছে।

পাশাপাশি ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধি ও পানি শোধনাগার স্থাপনের মাধ্যমে সার্বজনীন নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতা কমানো সম্ভব বলে অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেছেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের আগামী পাঁচ বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে গ্রাম। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ গ্রামে বসবাস করেন এবং তাদের স্বাবলম্বী করা সরকারের প্রধান লক্ষ্য। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক, নারী ও যুবকদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য সমন্বিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

এ লক্ষ্যে পল্লী উন্নয়ন একাডেমি মাধ্যমে প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও পরামর্শসেবা সম্প্রসারণ, ২০০টি উপজেলায় নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা তৈরির কার্যক্রম এবং সমবায়ের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর টেকসই আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

এছাড়া সহজ শর্তে ঋণপ্রাপ্তি, ক্ষুদ্রঋণ ও নারী উদ্যোক্তা ঋণ ব্যবস্থার সংস্কার ও জামানতবিহীন ঋণ প্রদানের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষক ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থান, আয় বৃদ্ধি ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট এবং নির্বাচনী ইশতেহার-২০২৬ বাস্তবায়নে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় খাতে সুশাসন, উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু সহনশীল উন্নয়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এজন্য ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, বৃক্ষরোপণ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং নারী ও যুবকদের দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে সুষম ও টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে গ্রামীণ কর্মসংস্থান এবং আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সমবায়ভিত্তিক কার্যক্রমের সম্প্রসারণ করা হবে।

সূত্র : বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের কাছে জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা প্রত্যাশা ইউএনডিপির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৩ পি.এম


বাংলাদেশের কাছে জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা প্রত্যাশা ইউএনডিপির

বাংলাদেশ জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে, আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণ এবং স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়াকে টেকসই ও মসৃণ করতে ইউএনডিপি (জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি)-এর অধিকতর সহায়তা কামনা করেছে।

জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বুধবার (১০ জুন) অনুষ্ঠিত ইউএনডিপি, ইউএনএফপিএ ও ইউএনওপিএসের নির্বাহী বোর্ডের বার্ষিক অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এ আহ্বান জানান।

তিনি উল্লেখ করেন, চলতি বছরের জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্থিতিশীল ও অংশগ্রহণমূলক গণতান্ত্রিক শাসনের নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। এই প্রক্রিয়ায় ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ইউএনডিপির ‘ব্যালট (BALLOT) প্রকল্প’।

রাষ্ট্রদূত নোমান চৌধুরী, নবনির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকার সুশাসন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইউএনডিপির সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে চিহ্নিত করে তিনি উল্লেখ করেন যে ইউএনডিপির কারিগরি সহায়তা ব্যবহার করে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ) এবং গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটি (জিইএফ)-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক তহবিলে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধিতে সহায়তা প্রয়োজন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা শেখ রাসেল আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৩ পি.এম


কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা শেখ রাসেল আটক

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালীন সময়ে আন্দোলনকারীদের ওপর বর্বরোচিত হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা শেখ রাসেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বুধবার দিবাগত রাতে জামালপুরের সরিষাবাড়ী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শেখ রাসেল উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের ঢুরিয়ার-ভিটা গ্রামের সাহেব আলীর সন্তান। তিনি কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য হিসেবে পরিচিত।

পুলিশ এবং মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন সময়ে শিমলা বাজার ও বাস-স্টেশন এলাকার প্রধান সড়কে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায় আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা, যারা দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে উপস্থিত ছিল। ওই হামলার নেতৃত্বে যুবলীগ নেতা শেখ রাসেল অন্যতম ছিলেন।

সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন এবং বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।

সরিষাবাড়ী থানার ওসি ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে যুবলীগ নেতা শেখ রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় বাজেটে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ও চলচ্চিত্র উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৪ পি.এম


জাতীয় বাজেটে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ও চলচ্চিত্র উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব

বাংলাদেশের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে চলচ্চিত্রের উন্নয়ন এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এবারের বাজেটে চলচ্চিত্রের উন্নয়ন এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণের জন্য আন্তর্জাতিক মানের কারিগরি মানসম্পন্ন স্টুডিও তৈরির প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এই প্রস্তাবগুলো বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে বাজেট উপস্থাপনায় মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, থিয়েটার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ব্যাপকভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করা হবে। এ লক্ষ্যে পৌঁছাতে বাজেটে চলচ্চিত্রের উন্নয়ন এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণের জন্য আন্তর্জাতিক মানের কারিগরি মানসম্পন্ন স্টুডিও তৈরির প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান বিএনপি সরকারের এটি প্রথম বাজেট। এবারের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ১৩.৭ শতাংশ এবং বিগত অর্থবছরের বাজেটের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে মোট ৩ লাখ কোটি টাকাসহ মোট উন্নয়ন ব্যয় ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা এবং পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে মোট ৬ লাখ ২১ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা জিডিপির ১০.২ শতাংশ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে ৯১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

সরকার ক্রমান্বয়ে বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, সেই লক্ষ্যেই ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট উন্নয়ন ব্যয় চলতি অর্থবছরের বরাদ্দ (সংশোধিত) ২৭.২৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৩.৭০ শতাংশে উন্নীত করার এবং পরিচালন ব্যয় চলতি অর্থবছরের ৭২.৭৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে আগামী অর্থবছরে ৬৬.৩০ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ প্রদানের ক্ষেত্রে মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে অপরিহার্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান, গবেষণা ও প্রযুক্তি খাত ও তৃণমূলের মানুষের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিনিয়োগ ও টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে সামাজিক অবকাঠামো খাতে মোট ২ লাখ ৭৯ হাজার ১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা মোট বরাদ্দের ২৯.৭৪ শতাংশ। ভৌত অবকাঠামো খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ১৮.৬৬ শতাংশ। সাধারণ সেবা খাতে প্রস্তাব করা হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ১১৭ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ২৬.১৩ শতাংশ। সামাজিক খাতের বর্ধিত ও সর্বোচ্চ ব্যয় প্রস্তাব সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার দেয়ার প্রতিফলন।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩.৬ শতাংশ। প্রস্তাবিত বাজেটে মোট ঘাটতির মধ্যে ১ লাখ ০২ হাজার কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এবং ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক উৎস হতে নির্বাহ করার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা নির্বাহ করা হবে। চলতি ২০২৩-২৬ অর্থবছরে যা ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ঋণ গ্রহণের পরিমাণ আগামী অর্থবছরে ৬ হাজার কোটি টাকা কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে ব্যাপকভাবে ঋণ গ্রহণের ফলে দেশের ঋণ পরিশোধ ও সুদ পরিশোধ বাবদ ব্যয় অত্যধিক পরিমাণে বেড়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, এতে বাজেট ঘাটতিও বেড়েছে। ২০০৫-০৬ অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি ছিল জিডিপির ২.৯ শতাংশ। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি বেড়ে জিডিপির ৪.০৫ শতাংশ হয়েছে।

এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকার ঋণ ব্যবস্থাপনা সংস্কার, উচ্চ রিটার্ন সমৃদ্ধ খাতে সরকারি বিনিয়োগ এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কাঠামো আধুনিকায়ন করছে বলেও জানিয়েছেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে বিনিয়োগের গুণগত মান নিশ্চিত হবে, অর্থ প্রবাহ বাড়বে এবং এর মাল্টিপ্লায়ার প্রভাবে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড আরও গতিশীল হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%