মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৭ পি.এম
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে জেলা বিএনপির তিন নেতা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।
মনোনয়ন ফরম সংগ্রহকারীরা হলেন—ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির নেতা মির্জা ফয়সল আমিন, ওবায়দুল্লাহ্ মাসুদ এবং সুলতানুল ফেরদৌস চৌধুরী (নম্র)।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) তারা দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন বলে জানা গেছে।
আসন্ন উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী কে হচ্ছেন, তা নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ইতোমধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের মধ্য দিয়ে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তিন নেতার নাম আলোচনায় এসেছে।
দলীয় সিদ্ধান্ত ও মনোনয়ন বোর্ডের পরবর্তী প্রক্রিয়া শেষে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ে জুয়া খেলার অভিযোগে পুলিশের চার সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। শহরের পরিত্যক্ত একটি টিন সেট ভবনে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকৃতরা হলো-কনস্টেবল সোহেল রানা, এএসআই শান্তি কুমার রায়, কনস্টেবল মো. আলমগীর কবির, এএসআই মো. শাহাদত জামান। তারা সবাই ঠাকুরগাঁওয়ে কর্মরত।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা একটি টিন সেটের ভবনে জুয়া খেলার অভিযোগে অভিযান চালায় উর্ধতন কর্মকর্তাগন। এ সময় পুলিশের ওই চার সদস্যকে আটক করা হয়।
পুলিশের সদস্যদের বিরুদ্ধেই পুলিশের এমন অভিযান ও আটকের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে একই সঙ্গে নিজেদের বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধেও অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় পুলিশের এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
তাদের মতে, আইন সবার জন্য সমান এমন বার্তাই দিয়েছে পুলিশের এই অভিযান। বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে পরিচয় বা পদমর্যাদা বিবেচনা না করে তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হলে পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়বে।
পুলিশের পক্ষ থেকে নিজেদের সদস্যদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়ার এই উদ্যোগকে বাহিনীর শৃঙ্খলা, জবাবদিহি ও আইনের প্রতি দায়বদ্ধতার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন অনেকে। এতে অন্য সদস্যদের মধ্যেও দায়িত্বশীলতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার বার্তা যাবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
আটক চার পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরিবারের সকল সদস্যের রোগমুক্তি, সুস্থতা, শান্তিময় জীবন এবং সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনায় মরিশাসপ্রবাসী সমাজসেবক ও ঈশান কামিনী কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক আকাশ মিয়ার নিজ বাসভবনে মিলাদ ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ সংলগ্ন নিজ বাসভবনে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ধলাইরচর দরবার শরীফের পীর মুহাদ্দিস মুফতী রাকীবুল হাসান রাকীব, আলফাডাঙ্গা ৩ নং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আশিকুর রহমান ওরফে হৃদয় আশিকসহ বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, এতিম ও কোমলমতি শিক্ষার্থী, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, মুরব্বি এবং সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
মিলাদ শেষে আকাশ মিয়া ও তাঁর পরিবারের সকল সদস্যের রোগমুক্তি, সুস্থতা, নেক হায়াত, শান্তি ও বরকত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অর্জন এবং আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য দোয়া করা হয়।
অনুষ্ঠানে আকাশ মিয়া বলেন, পরিবারের সকল সদস্যের সুস্থতা, শান্তি ও কল্যাণই আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া। সন্তানরা যেন সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে এবং ভবিষ্যতে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারে,এটাই আমার প্রত্যাশা। মহান আল্লাহ যেন আমার পরিবারকে সুস্থতা, নেক হায়াত, শান্তি ও বরকত দান করেন এবং আমাদের সবার দোয়া কবুল করেন।
দোয়া মাহফিলে উপস্থিত মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী আকাশ মিয়া ও তাঁর পরিবারের জন্য মহান আল্লাহর রহমত, সুস্থতা, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেন।
উল্লেখ্য, মরিশাসে কর্মরত থাকলেও আকাশ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে নিজ এলাকার এতিম, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন মানবিক ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। এতিম শিক্ষার্থীদের খাদ্য সহায়তা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোসহ বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগে তিনি সহযোগিতা করে আসছেন।
মিলাদ ও দোয়া মাহফিল শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সকলের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বামী আসলামের জামিন মঞ্জুর, স্ত্রী নিপার জামিন নামঞ্জুর; ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগেও মামলা
বরিশাল নগরীর রুপাতলী এলাকায় ২৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা মূল্যের সাড়ে ৫ শতাংশ জমি বিক্রির বায়না চুক্তি করে টাকা গ্রহণের পর নির্ধারিত সময়ে জমি রেজিস্ট্রি করে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মোঃ আসলাম হাওলাদার ও তার স্ত্রী রহিমা আফরোজা নিপার বিরুদ্ধে। একই মামলায় বায়না করা জমিতে নির্মিত বাউন্ডারি ওয়াল ভাঙচুর, টিনের ঘরের ক্ষতিসাধন, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জীবননাশের হুমকির অভিযোগও আনা হয়েছে।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বরিশালের বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে আসামিদের জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে বিচারক এস এম শরীয়াতুল্লাহ মোঃ আসলাম হাওলাদারের জামিন মঞ্জুর করেন। তবে তার স্ত্রী রহিমা আফরোজা নিপার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, বরিশাল নগরীর দক্ষিণ রুপাতলী এলাকার বাসিন্দা মোঃ রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানার সিআর মামলা নং-১৪৬৬/২০২৬ দায়ের করেন। মামলায় আসলাম হাওলাদার ও তার স্ত্রী রহিমা আফরোজা নিপাকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে আসলাম হাওলাদারের মালিকানাধীন রুপাতলী মৌজার ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি কেনার বিষয়ে বাদীর সঙ্গে আলোচনা হয়। জমিটির মূল্য ২৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে বায়না চুক্তি সম্পাদন করা হয়।
চুক্তির সময় বাদী ৩ লাখ টাকা প্রদান করেন। অবশিষ্ট ২১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পরিশোধের পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে সাব-কবলা দলিল সম্পাদনের মাধ্যমে জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা ছিল বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদীর দাবি, আসামিদের অনুরোধে পরবর্তীতে বায়না চুক্তির মেয়াদ তিন মাস থেকে বাড়িয়ে ছয় মাস করা হয়। কিন্তু বর্ধিত সময় শেষ হওয়ার পরও জমিটি রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হয়নি।
এ অবস্থায় বাদী গত ১৭ জুলাই কোতোয়ালী থানায় অভিযোগ করেন এবং পরবর্তীতে গত ২ আগস্ট আসামিদের লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, গত ৩ আগস্ট আসামিরা ১০ থেকে ১২ জন লোকসহ ওই জমিতে যান। সেখানে বাদীর বায়না করা জমিতে নির্মিত বাউন্ডারি ওয়াল ভাঙচুর এবং টিনের ঘরের ক্ষতিসাধন করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ সময় জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হবে না বলে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জীবননাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বাদী দণ্ডবিধির ১৪৩, ৩২৩, ৪০৬, ৪২০, ৪৪৮ ও ৫০৬(২) ধারায় আদালতে মামলা দায়ের করেন।
মামলার নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বাদীকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে আসলাম হাওলাদার বরিশালের বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে সিআর মামলা নং-১৩৬৭/২০২৬ ও ১৪৫৬/২০২৬ নম্বরে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছেন—এমন অভিযোগ করেছেন বাদী।
তবে ওই পৃথক মামলাগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এবং আসলাম হাওলাদারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
এদিকে মামলায় উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে আসামিপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।
আইনগতভাবে মামলার অভিযোগ এখনো বিচারাধীন। ফলে আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে প্রমাণিত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। অভিযোগগুলোর সত্যতা ও দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ করবেন আদালত।
মামলার সূত্র: সিআর মামলা নং-১৪৬৬/২০২৬ (কোতোয়ালী), বরিশাল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে একাধিক ছিনতাইকারী, ভবঘুরে ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য এবং ২৬ মামলার আসামিসহ ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ১৮ জনকে মাদক সেবন, বিক্রি ও বহনের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত ভৈরব শহরের বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভৈরব সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু মুছা শেখ।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এর আগে গত ১৫ জুন ও ১৩ আগস্ট পৃথক সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ছিনতাইকারী, ভবঘুরে ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যসহ ৯২ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ২৫ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়। বাকিদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার মধ্যরাতে ভৈরব শহরের বিভিন্ন এলাকায় আবারও সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। অভিযানে ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। এ সময় গ্রেপ্তারকৃত ১৮ জনকে আদালতে হাজির করা হলে তারা মাদক সেবন, বিক্রি ও বহনের অভিযোগে নিজেদের দোষ স্বীকার করেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ