শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৫৪ পি.এম
বিরোধী দল নতুন চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে এবং তাদের সঙ্গে ৫ আগস্ট পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্টদের সম্পর্ক রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নে ওয়াপদাখালের তীর প্রতিরক্ষা কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি উল্লেখ করেন, ‘গালিগালাজ এমনভাবে করে, এটা হলো বিরোধী দলের গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। যদি গণতন্ত্রের সৌন্দর্য এ রকম হয়, তাহলে এদেশের মানুষ তাদের গ্রহণ করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। তাদেরকে গণতন্ত্রের সৌন্দর্য বলা যাবে না। তারা নতুন চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার জন্য। তারা নিজেদের মুখেই বলছে ১১ দলের দাবি না মানলে বোমাবাজি বন্ধ হবে না, ককটেলবাজি বন্ধ হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যারা ৫ তারিখে পালিয়ে গেছে, তারা ওই পাড়ে বসে তাদের কাজ, তাদের গাড়িতে আগুন, তাদের নেতৃত্বে ককটেল মারা, তাদের নেতৃত্বে ঝটিকা মিছিল করা, আর বর্তমান বিরোধী দলের অপকর্ম, কথাবার্তা, কর্মকান্ডের সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া যায়। দেশের বিরুদ্ধে, গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে, তারেক রহমানের সরকারের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। তাদেরকে স্মরণ করে দিচ্ছি, এটা জিয়ার দল, এটা খালেদা জিয়ার দল, আন্দোলন করতে করতে এখানে এসেছি, রাজপথ থেকে আমরা উঠে এসেছি, রাজপথে আমরা ষড়যন্ত্রকারীদের মোকাবেলা করেছি। আগামী দিনে এই অপশক্তিকে আমরা মোকাবেলা করব রাজপথে।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ উজ জামান খান, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দীন চৌধুরী হ্যাপি ও সদর (পূর্ব) উপজেলার বিএনপির সভাপতি মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্কুল, হাসপাতাল, মসজিদ এবং পরিবারভিত্তিক সহায়তা—এবার বাম্বালিতে ৫০০ হেক্টরের কৃষি ও বনভিত্তিক প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ২,৫০০ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন মানে।
ফুটবল মাঠে সাফল্যের পর, নিজের শিকড়ের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নজির আগেই গড়েছেন সাদিও মানে। এবার সেই উদ্যোগকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন সেনেগালের এই তারকা। নিজের জন্মস্থান বাম্বালিতে প্রায় ২ কোটি মার্কিন ডলারের ‘এসএম১০ অ্যাগ্রো’ প্রকল্প হাতে নিয়েছেন তিনি।
প্রকল্পটির আওতায় প্রায় ৫০০ হেক্টর কৃষি ও বনভিত্তিক এলাকা, প্রায় ৭৮ হাজার আমগাছ এবং স্থানীয় আম প্রক্রিয়াজাত করার জন্য একটি শিল্পপার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পুরো প্রকল্পটি সৌরশক্তিনির্ভর করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে এতে প্রায় ২,৫০০ কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্য রাখা হয়েছে।
মানের কাছে উদ্যোগটির গুরুত্ব বিনিয়োগের অঙ্কের চেয়ে অনেক বেশি। স্টেডিয়ামের আলো, বড় ম্যাচ কিংবা শিরোপা জয়ের আগেই তাঁর জীবনের গল্প শুরু হয়েছিল বাম্বালিতে। তাই এবার এমন একটি অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তুলতে চান, যেখানে স্থানীয় মানুষ কেবল সহায়তা পাবেন না; কৃষি, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংশ্লিষ্ট খাতে কাজ এবং দক্ষতা অর্জনের সুযোগও পাবেন।
প্রকল্পের অংশ হিসেবে একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপন করার পরিকল্পনাও রয়েছে। সেখানে বিশেষ করে তরুণ ও নারীদের আধুনিক কৃষিপদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।
তবে বাম্বালির জন্য মানের কাজ শুরু হয়েছে আরও অনেক আগে। ২০১৮ সালে নিজের জন্মস্থানে একটি ১৭ কক্ষের মাধ্যমিক বিদ্যালয় নির্মাণে প্রায় ২ লাখ ৩৪ হাজার ইউরো দেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। প্রত্যন্ত এই অঞ্চলের অনেক শিক্ষার্থী মাধ্যমিক পর্যায়ের পর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারত না। কাছাকাছি উচ্চশিক্ষার সুযোগ ও আবাসনের সংকট ছিল এর অন্যতম কারণ। বিদ্যালয় নির্মাণের উদ্যোগটি সেই সমস্যার বাস্তব সমাধানের অংশ ছিল।
স্বাস্থ্য খাতেও বড় অবদান রেখেছেন মানে। ২০২১ সালে বাম্বালিতে একটি হাসপাতাল নির্মাণে প্রায় ৫ লাখ পাউন্ড অর্থায়ন করেন তিনি। হাসপাতালটি শুধু নিজের গ্রামের মানুষের জন্য নয়, আশপাশের ৩৪টি গ্রামের মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেও তৈরি করা হয়।
স্বাস্থ্যসেবায় বিনিয়োগের সঙ্গে মানের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতারও যোগ রয়েছে। চিকিৎসাসুবিধার অভাবে তাঁর বাবা মারা যাওয়ার পর নিজের এলাকায় উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার বিষয়টি মানের কাছে বিশেষ গুরুত্ব পায়।
শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতেও সরাসরি সহায়তা করেছেন এই ফুটবলার। ২০২২ সালে বাম্বালির মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সেরা ৪০০ শিক্ষার্থীকে অর্থ পুরস্কার দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। অবকাঠামো তৈরির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভালো ফলের জন্য উৎসাহিত করাও ছিল তাঁর লক্ষ্য।
বাম্বালির সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নেও মানের অবদান রয়েছে। হাসপাতাল ও বিদ্যালয়ের পাশাপাশি তিনি মসজিদ, ডাকঘর ও একটি পেট্রোল স্টেশন নির্মাণে অর্থায়ন করেছেন। এর মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কয়েকটি মৌলিক সেবা নিজ এলাকাতেই পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি।
তাঁর সহায়তা শুধু বড় অবকাঠামো প্রকল্পেই সীমাবদ্ধ নয়। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই বাম্বালির প্রতিটি পরিবারকে মাসে প্রায় ৭০ ইউরো করে আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছেন মানে।
ফুটবলের মাধ্যমে গ্রামের তরুণদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন তিনি। লিভারপুলে খেলার সময় বাম্বালির তরুণদের জন্য ৩০০টি লিভারপুল জার্সি উপহার দিয়েছিলেন মানে।
সময় গড়ানোর সঙ্গে সাদিও মানের দাতব্য কর্মকাণ্ডের ধরনও বদলেছে। শুরুতে ছিল সরাসরি আর্থিক সহায়তা ও অবকাঠামো নির্মাণ; এরপর শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ। আর এখন তাঁর লক্ষ্য কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড তৈরি।
“আমি শুধু যে গোলগুলো করেছি, সেগুলোর জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকতে চাই না। স্টেডিয়াম, আলো আর বিজয়ের আগে—ছিল বাম্বালি…” — সাদিও মানে।
এসএম১০ অ্যাগ্রো পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবায়িত হলে বাম্বালিতে মানের উদ্যোগের নতুন অধ্যায় শুরু হতে পারে—যেখানে শুধু অর্থ ব্যয় নয়, স্থানীয় মানুষের জন্য দীর্ঘমেয়াদি আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিই হবে মূল লক্ষ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : কলম্বিয়া ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার সরকার এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়। এর ফলে লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের আরেক মিত্র ওয়াশিংটনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হলো।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
কলম্বিয়ার নতুন ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশের বৈদেশিক জোট ও সম্পর্কের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনছেন। গত ৭ আগস্ট বামপন্থী সাবেক প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর কাছ থেকে ক্ষমতা গ্রহণের পর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দৃঢ় সমর্থন লাভ করেছেন।
ক্ষমতা গ্রহণের পূর্বে দে লা এসপ্রিয়েলা কিউবা ও নিকারাগুয়ার মতো বামপন্থী কর্তৃত্ববাদী সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখনো তিনি ওই দুই দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেননি।
কলম্বিয়ার সরকার বৃহস্পতিবার জানায়, ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্তটি ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘এই অঞ্চলের জাতীয় নিরাপত্তা’ বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কলম্বিয়ার সরকার ইরান সরকারের বিরুদ্ধে দেশটির নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করা ‘মাদক-সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর’ সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগ করেছে। তবে অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধে তেহরানের ভূমিকার সমালোচনা করেছে বোগোতা। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে নৌযান চলাচলে বাধা সৃষ্টি এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছে কলম্বিয়ার সরকার।
যদিও কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা হয়েছে, কলম্বিয়া ইরানের সঙ্গে কনস্যুলার বা নাগরিকসেবা-সংক্রান্ত যোগাযোগ বজায় রাখবে বলে জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল মাঠে আর্জেন্টিনার হয়ে এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজ মেসির সঙ্গে অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত তৈরি করেছেন। এবার সেই মাঠের সম্পর্কটি তাঁর ছেলের জন্য রেখে যাওয়া এক মিষ্টি বার্তায় প্রকাশিত হয়েছে। দিবু নিজের হাতে আঁকা ফুটবল মাঠের ছবির পাশে লিখেছেন, “পাপা মেসির সঙ্গে খেলতে গেছে।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিটিতে দেখা যায়, একটি কাগজে ফুটবল মাঠের একটি আকৃতি আঁকা হয়েছে। সেখানে খেলোয়াড়দের অবস্থান, পাসের দিক এবং গোলের জায়গা চিহ্নিত করেছেন দিবু। ছবির এক পাশে ‘মেসি’ নামটিও রয়েছে। পুরো অঙ্কনটি দেখে বোঝা যায়, দিবু তাঁর ছেলেকে ফুটবলের একটি মুহূর্ত বোঝাতে এভাবে মাঠ এঁকেছেন।
তবে ছবির সবচেয়ে নজরকাড়া অংশ হলো মাঠের কৌশল নয়, বরং ছেলের উদ্দেশে লেখা সেই ছোট্ট বাক্য। “পাপা মেসির সঙ্গে খেলতে গেছে”—এই কয়েকটি শব্দে নিজের ব্যস্ততার কথা সন্তানের কাছে বোঝানোর পাশাপাশি মেসির সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের একটি সুন্দর চিত্র তুলে ধরেছেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক।
মেসি ও দিবু মার্তিনেজ আর্জেন্টিনার সাম্প্রতিক সাফল্যের অন্যতম পরিচিত জুটি। ২০২১ কোপা আমেরিকা থেকে ২০২২ বিশ্বকাপ—জাতীয় দলের হয়ে একসঙ্গে খেলেছেন তাঁরা। বিশেষ করে কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালসহ গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে দুজনের অবদান আর্জেন্টিনার সমর্থকদের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছে।
মাঠে মেসির গোল ঠেকানোর দায়িত্ব সামলান দিবু, আবার প্রয়োজন হলে মেসির কাছ থেকে বল পেয়ে আক্রমণেও অংশ নেন। কিন্তু সন্তানের জন্য আঁকা এই ছবিতে সেই তারকা ফুটবলারদের পরিচয় যেন আরও সহজ হয়ে গেছে—বাবার কাছে মেসি শুধু বিশ্বসেরা ফুটবলার নন, বরং এমন একজন সতীর্থ, যার সঙ্গে “পাপা খেলতে গেছে।”
ফুটবলীয় কৌশলের ছোট্ট আঁকিবুঁকির মধ্যেই তাই ধরা পড়েছে দিবু ও তাঁর সন্তানের সম্পর্কের এক মায়াময় মুহূর্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৫৪৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মাদকদ্রব্যসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে এবং ৫১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে পুলিশ কর্তৃক।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এই তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩১ জন, লালবাগ বিভাগে ৪৪ জন, ওয়ারী বিভাগে ৫৪ জন, মতিঝিল বিভাগে ৭৫ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৯৬ জন, মিরপুর বিভাগে ৯২ জন, গুলশান বিভাগে ৪৬ জন, উত্তরা বিভাগে ৯৩ জন, গোয়েন্দা বিভাগে ১৬ জন এবং সিটিটিসি বিভাগে একজন রয়েছেন।
অভিযানের ফলে ৩৬ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা, ১৭ হাজার ৩৪৫ পিস ইয়াবা এবং ৫০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া, একটি মোটরসাইকেল, ১০টি মোবাইল ফোন এবং একজন ভিকটিমকেও উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত অভিযানের মাধ্যমে এসব মাদকদ্রব্য ও আলামত উদ্ধার করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ