ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তিব্বতের হারানো সংস্কৃতির নিয়ন্ত্রণে চীনের নতুন উদ্যোগ


তিব্বতের হারানো সংস্কৃতির নিয়ন্ত্রণে চীনের নতুন উদ্যোগ

বর্তমানে চীনের বিপুলসংখ্যক পর্যটক তিব্বতের আবহ অনুভব করতে আর সেখানে যাচ্ছেন না। বরং তারা পাশের ইউনান প্রদেশের জনপ্রিয় পর্যটননগরী শাংগ্রি-লায় ছুটছেন। সেখানে তিব্বতি সংস্কৃতির একটি সংস্করণ উপস্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে ধর্মীয় উপাদান ও তিব্বতি বৌদ্ধধর্মের সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামার প্রভাব অনেকটাই অনুপস্থিত। হান-চীনা জনগণের জন্য সংস্কৃতির একটি পরিমার্জিত সংস্করণ তুলে ধরা হচ্ছে।

দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক বিশেষ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শাংগ্রি-লার পুরনো বাজার এলাকার সরু গলিতে তিব্বতি পোশাক পরা হান-চীনা পর্যটকদের ভিড় দেখা যায়। বহু শতাব্দী পুরনো মঠ ও মন্দিরগুলো এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি তোলার আকর্ষণীয় পটভূমি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

একটি পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত মন্দিরে পর্যটকদের ভিড় দেখা যেত বিশাল সোনালি প্রার্থনাচক্র ঘোরাতে। প্রায় ৬৯ ফুট উঁচু এই প্রার্থনাচক্র একসময় বিশ্বের সবচেয়ে বড় ছিল। বর্তমানে পর্যটকেরা ৩৫০ ফুট উঁচু একটি বৌদ্ধ স্তূপের কাছেও ছুটছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ পাঁচ বছর আগে এটি নির্মাণ করলেও এটিকে কার্যত ‘অ-ধর্মীয় স্থাপনা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর জন্মদিনে জেরুজালেমে বিক্ষোভ, গাড়িবহরে বোতল নিক্ষেপ

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নেতারা তিব্বতি সংস্কৃতির আকর্ষণ সম্পর্কে সচেতন। পশ্চিমা বিশ্বের পাশাপাশি চীনের হান জনগণের মধ্যেও তিব্বতি সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ রয়েছে। দালাই লামা বর্তমানে নব্বইয়ের কোঠায় পৌঁছেছেন। অন্যদিকে, বেইজিং তাকে বিচ্ছিন্নতাবাদী হিসেবে দেখে। ফলে তার বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিব্বতি বৌদ্ধধর্মের নিয়ন্ত্রণ এবং এর ভবিষ্যৎ রূপ নিয়ে প্রতিযোগিতাও নতুন গুরুত্ব পাচ্ছে।

আড়ালেই থাকছে তিব্বতি স্বাতন্ত্র্য

দালাই লামা ১৯৫৯ সালে ভারতে নির্বাসনে যাওয়ার পর থেকে চীনের তিব্বতনীতি নিয়ে বিশ্বব্যাপী তিব্বতি প্রতিরোধ আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ হয়ে উঠেছেন। তার অভিযোগ, এসব নীতির মাধ্যমে তিব্বতের স্বতন্ত্র পরিচয়কে দুর্বল করে দেওয়া হচ্ছে।

শাংগ্রি-লায় সাংস্কৃতিক লড়াইয়ের একটি রূপ দেখা যায়। সেখানে তিব্বতি সংস্কৃতিকে পর্যটনপণ্য হিসেবে এমনভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যা সাধারণ চীনা পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় এবং রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য।

আরও পড়ুন: কাতালোনিয়ায় ইসলামফোবিয়ার উত্থানে রাজনীতির সমীকরণ বদলে যাচ্ছে

অর্থনৈতিক কারণে স্থানীয় তিব্বতিরা এই পর্যটননির্ভর ব্যবস্থায় যুক্ত হতে বাধ্য হচ্ছেন। কারণ, পর্যটন ও মাতসুতাকে মাশরুম সংগ্রহ ছাড়া চীনের এই দুর্গম ও ঐতিহাসিকভাবে দরিদ্র অঞ্চলে আয়ের উৎস খুবই সীমিত।

বছরের পর বছর ধরে চীনের সংখ্যালঘু জনগণের হান-প্রধান মূলধারার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে একীভূত করার নীতির পর অনেক জাতিগত তিব্বতি বলছেন, তাদের স্বতন্ত্র পরিচয়ের অনুভূতি দ্রুত ম্লান হয়ে যাচ্ছে। মঠগুলোতে তরুণ ভক্তের সংখ্যা কমছে। একই সঙ্গে অনেক তিব্বতি নিজেদের ভাষা পড়তে বা লিখতেও সমস্যায় পড়ছেন।

২০০১ সালে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ শহরটির নাম পরিবর্তন করে শাংগ্রি-লা রাখার পর পর্যটনের দ্রুত বিস্তার ঘটে। এর আগে শহরটি গ্যালথাং বা চীনা ভাষায় ঝোংদিয়ান নামে পরিচিত ছিল। নতুন নামটি জেমস হিলটনের ১৯৩৩ সালের উপন্যাস ‘লস্ট হরাইজনের’ কাল্পনিক স্বর্গভূমির নাম অনুসারে রাখা হয়।

শাংগ্রি-লার শত শত পোশাক ও ছবি তোলার স্টুডিওর একটিতে কাজ করেন জাতিগত তিব্বতি মেকআপ শিল্পী চিমি লামো। পর্যটনের ঢলে বদলে যাওয়া নিজের শহর নিয়ে তিনি একই সঙ্গে আশাবাদী ও হতাশ। তিনি বলেন, ‘সবই নকল, কিন্তু আমরা কী করতে পারি?’

আরও পড়ুন: পশ্চিম তীরে বন্দুকযুদ্ধে দুই ফিলিস্তিনি নিহত, আহত ছয় ইসরায়েলি সেনা

লামো পর্যটন বৃদ্ধির অর্থনৈতিক সুফলের কথা স্বীকার করেন। তার মতে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ভালো বিষয় এবং তিনি এর বিরোধিতা করেন না। তবে পর্যটনের এই বিকাশের সঙ্গে তিব্বতি সংস্কৃতির যে রূপটি সামনে আসছে, সেটি নিয়ে তার উদ্বেগ রয়েছে।

পর্যটনের চাপে বদলাচ্ছে সংস্কৃতি

পশ্চিমা পর্যটকেরা কয়েক দশক আগে থেকেই শাংগ্রি-লায় আসতে শুরু করেছিলেন। তবে কোভিড-১৯ মহামারির সময়কার লকডাউনের পর চীনের ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে দৈনন্দিন জীবনের বাইরে নতুন অভিজ্ঞতা ও অর্থপূর্ণতার সন্ধান বাড়তে থাকায় স্থানীয় পর্যটন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।

বর্তমানে দুই লাখেরও কম মানুষের এই শহরে অন্তত ৩০০টি পোশাক ও ছবি তোলার স্টুডিও রয়েছে। তবে পর্যটকদের অনেকেই ঐতিহ্যবাহী পোশাকের সত্যতা বা তিব্বতি সংস্কৃতির গভীরতা নিয়ে খুব একটা আগ্রহী নন। লামোর ভাষায়, ‘ছবিতে পোশাকটি দেখতে ভালো লাগাই তাদের কাছে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

আরও পড়ুন: ১ নভেম্বর থেকে ফোনে কলারের নাম-পরিচয় দেখা যাবে

বেইজিংয়ের নিয়ন্ত্রণে থাকা তিব্বত ১৯৫১ সাল থেকে স্বায়ত্তশাসিত চীনের একমাত্র অঞ্চল, যেখানে বিদেশিদের ভ্রমণের জন্য অতিরিক্ত অনুমতিপত্র প্রয়োজন। দালাই লামাকে ঘিরে রাজনৈতিক সংবেদনশীলতার কারণে সেখানে নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর। শুধু তাই নয়, চীনা নাগরিকদের জন্যও তিব্বতে ভ্রমণ বেশ কঠিন।

তিব্বতের ঐতিহাসিক রাজধানী লাসায় বিখ্যাত পোতালা প্রাসাদ রয়েছে। শহরটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি উচ্চতায় অবস্থিত নগরগুলোর একটি। শাংগ্রি-লায় আসা ২২ বছর বয়সী হান চীনা তরুণী ইয়ান সিনই তিব্বতের বিখ্যাত পোতালা প্রাসাদ দেখতে চান। আইনের জাতাকলে আপাতত তার কাছে শাংগ্রি-লার গ্যান্ডেন সুমৎসেলিং মঠই সেই অভিজ্ঞতার বিকল্প। শেষমেষ তিনি তিব্বতি সংস্কৃতির এই বাণিজ্যিকীকরণ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন।

সংস্কৃতির বাণিজ্যিকীকরণ

ইউনান ও ঐতিহাসিকভাবে তিব্বতি অধ্যুষিত অন্যান্য এলাকায় আটটি বিলাসবহুল বুটিক হোটেল পরিচালনা করেন দাকপা কেলদেন। ভারতে তিব্বতি নির্বাসিত পরিবারে জন্ম নেওয়া ৫৬ বছর বয়সী সাবেক এই বৌদ্ধ ভিক্ষুর মতে, অর্থনৈতিকভাবে এটি ভালো। কিন্তু সামগ্রিকভাবে বিষয়টি নিয়ে তিনি নিশ্চিত নন। শাংগ্রি-লায় যে তিব্বতি সংস্কৃতি প্রদর্শন করা হচ্ছে, তা মূলত ‘তিব্বতের একটি কল্পিত রূপ’।

আরও পড়ুন: তিউনিসিয়ায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, রাজধানী উত্তাল বিক্ষোভে

চীনের টিকটকের স্থানীয় সংস্করণে কেলদেনের প্রায় পাঁচ লাখ অনুসারী রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি পর্যটকদের সামনে তিব্বতের সেই কৃত্রিম চিত্রের বদলে ঐতিহ্যবাহী তিব্বতি সংস্কৃতি তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। এর জন্য তিনি বৌদ্ধ ধর্মীয় সংগীত শেখানোর পাশাপাশি দর্শনার্থীদের থাংকা (তিব্বতি বৌদ্ধধর্মের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় চিত্রকর্ম) আঁকার প্রশিক্ষণেরও আয়োজন করেন।

এদিকে তিব্বতি সমাজও দ্রুত বদলে যাচ্ছে। যাযাবর জীবনধারা কমে আসছে। অন্যদিকে শহরাঞ্চলে উন্নত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়ায় ঐতিহ্যবাহী জীবনযাপনের প্রতি আগ্রহও কমছে।

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির জন্য তিব্বতিদের ‘হৃদয় ও মন’ জয় করার প্রচেষ্টার সঙ্গে অর্থনৈতিক উন্নয়নও যুক্ত। জাতিগত তিব্বতিদের আরও নগরকেন্দ্রিক ও ম্যান্ডারিনভাষী মূলধারার সঙ্গে যুক্ত করার মাধ্যমে জীবনযাত্রার মান বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের স্বতন্ত্র পরিচয়ের অনুভূতিও কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

১৯৯৯ সালে প্রথম শাংগ্রি-লা ভ্রমণ করেন অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অস্ট্রেলিয়ান সেন্টার অন চায়না ইন দ্য ওয়ার্ল্ডের পরিচালক বেন হিলম্যান। এরপর থেকেই তিনি তিব্বতি পরিচয়ের পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা করছেন। তিনি বলেন, শাংগ্রি-লায় এমন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে, যা স্থানীয় কর্মকর্তারা রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য উপায়ে বাণিজ্যিকভাবে কাজে লাগাতে চান।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে আটকে পড়েছে ৪ হাজার ভারতীয় ওমরাহ যাত্রী

হারিয়ে যাচ্ছে সংস্কৃতি

তিব্বতি মেকআপ শিল্পী চিমি লামোর ভাষ্য, কোভিড-১৯ মহামারির আগে শাংগ্রি-লার অধিকাংশ দোকান ও রেস্তোরাঁ স্থানীয়রাই পরিচালনা করতেন। এখন বাইরের লোকজনই অন্য জায়গার আদলে তৈরি একই ধরনের পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে আসছেন।

লামো বলেন, ‘তাদের পক্ষে আসল তিব্বতের সবচেয়ে কাছাকাছি যাওয়ার জায়গা আমরা। কিন্তু আসল জিনিসটি পাওয়া খুব কঠিন।’

পর্যটনের কারণে নিজের শহরের পরিবর্তন নিয়ে হতাশ হলেও লামো স্বীকার করেন, পরিবর্তন ঠেকানো কঠিন। তার ভাষায়, ‘আমরা স্থানীয়রাও বদলে যাচ্ছি। আমাদের সংস্কৃতি হারিয়ে যাচ্ছে।’

এদিকে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৮ বছরের কম বয়সীদের ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে সরকারি বিধিনিষেধ রয়েছে। এতে তিব্বতি মঠগুলোতে তরুণ ধর্মপ্রাণ মানুষের অংশগ্রহণও কমে যাচ্ছে।

গত এক দশকের তুলনায় তরুণ তিব্বতিদের বৌদ্ধধর্ম নিয়ে পড়াশোনার জন্য বিদেশে যাওয়ার ওপরও কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর হয়েছে। জাতিগত তিব্বতিদের ভাষ্য, ‘বর্তমানে এ ধরনের সুযোগ পাওয়া প্রায় অসম্ভব।’

লহামো ও অন্য তিব্বতিদের পরিবারের আগের প্রজন্মে বহু মানুষ বৌদ্ধ ভিক্ষু হয়েছিলেন। কিন্তু নিজেদের প্রজন্মে এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া কঠিন। তাদের ধারণা, পরবর্তী প্রজন্মেও বৌদ্ধ ভিক্ষু হওয়ার সংখ্যা আরও কমে যেতে পারে।

নিজে তিব্বতি ভাষা পড়তে ও লিখতে পারেন—এটিকে সৌভাগ্য মনে করেন লহামো। তবে তার মেয়েরা ম্যান্ডারিন ভাষাতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে এবং দাদির সঙ্গে তিব্বতি ভাষায় শুধু সাধারণ কিছু কথাবার্তা বলতে পারে।

লহামোর ভাষায়, পরিবারগুলো এখন আগের মতো সন্তানদের মধ্যে তিব্বতি সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে পারছে না। ফলে তিব্বতি সংস্কৃতি সম্পর্কে নতুন প্রজন্মের জ্ঞান ক্রমেই সীমিত হয়ে পড়ছে। বিষয়টি দুঃখজনক হলেও তা পরিবর্তন করা কঠিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ধ্বংসাত্মক’ জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৫ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ধ্বংসাত্মক’ জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের

যুক্তরাষ্ট্র বা এর সহযোগী রাষ্ট্র ইসরায়েলের যেকোনো ভুল পদক্ষেপের ক্ষেত্রে কঠোর ও ‘ধ্বংসাত্মক’ জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরান কর্তৃক প্রকাশিত হয়েছে। দেশটি জানিয়েছে, আগ্রাসন প্রতিরোধে তাদের সশস্ত্র বাহিনী বর্তমানে সর্বাত্মক প্রস্তুতির মধ্যে রয়েছে।

ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) মাধ্যমে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন।

ইব্রাহিম আজিজি উল্লেখ করেছেন, "আমাদের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন বেশি প্রস্তুত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর (ইসরায়েল) যেকোনো ভুল হিসাব-নিকাশের অপেক্ষায় ট্রিগারে আঙুল দিয়ে বসে আছে আমাদের বাহিনী।"

তিনি আরও বলেন, "যেকোনো ভুল পদক্ষেপের জবাবে তারা যে ভয়াবহ ও ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতির মুখোমুখি হবে, তা অতীতে তাদের দেখা যেকোনো অভিজ্ঞতার চেয়ে বহুগুণ বেশি কঠোর হবে।"

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের পক্ষ থেকে এই উচ্চপর্যায়ের সামরিক হুঁশিয়ারি প্রকাশিত হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কেয়ার বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ, উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৫ পি.এম


রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কেয়ার বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ, উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা

ঢাকা, ৬ অক্টোবর, ২০২৬ : রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কেয়ার বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদল।

আজ দুপুরে বঙ্গভবনে কেয়ার বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলটি সিনিয়র স্ট্র্যাটেজিক এডভাইজার আর্ল রবার্ট মিলারের নেতৃত্বে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম বাসস-কে এই তথ্য প্রদান করেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, এদেশে কেয়ার বাংলাদেশ একটি সময় অত্যন্ত জনপ্রিয় নাম ছিল এবং তারা আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করতো।

তিনি এসময় কেয়ার বাংলাদেশের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার জন্য আহ্বান জানান।

প্রতিনিধিদল জানায়, কেয়ার বাংলাদেশ দুর্যোগ ও ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি, তৈরি পোশাক খাতে নারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান এবং এই খাতে বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ করে।

সংগঠনটি কৃষি প্রকল্প, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা, কর্মসংস্থান তৈরি এবং নারীদের ক্ষমতায়নে কাজ করতেও সক্রিয় রয়েছে।

তারা আরো জানান, দেশে কেয়ার বাংলাদেশের চারটি ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার রয়েছে এবং এই সেন্টারগুলোর মাধ্যমে তারা বাংলাদেশে কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।

রাষ্ট্রপতি তাদেরকে এসব কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

এসময় রাষ্ট্রপতির সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন। কেয়ার বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির কান্ট্রি ডিরেক্টর রাম দাস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রায় ১৩ হাজার শূন্যপদে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগে আইনগত বাধা নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৫ পি.এম


প্রায় ১৩ হাজার শূন্যপদে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগে আইনগত বাধা নেই

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগের জন্য ‘১৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা’ সম্পর্কিত হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত স্থগিত করেছেন। এর ফলে প্রায় ১৩ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে আইনগত কোনো বাধা নেই।

সরকারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের চেম্বার আদালত এই আদেশ প্রদান করেন। আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত রায়টি স্থগিত থাকবে।

এর আগে চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান, সহকারী প্রধান, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপারের শূন্যপদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এতে সাড়ে ১৩ হাজার শূন্যপদের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।

নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান থাকার সময়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের যোগ্যতায় পরিবর্তন আনে সরকার। গত ১০ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ-সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করে। এতে ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫’-এর পরিশিষ্ট-ঘ (ক)-এর ‘অভিজ্ঞতা ও চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা’ সংক্রান্ত বিধান সংশোধন করা হয়।

সংশোধিত বিধানে বেসরকারি স্কুল-কলেজ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে এমপিওভুক্ত হিসেবে ১৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকার কথা বলা হয়। পূর্বে এসব পদে নিয়োগের জন্য ১০ থেকে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন ছিল।

এই সংশোধন চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন গাইবান্ধার ফলগাছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আসাদুজ্জামান মানিকসহ ৪৬ জন শিক্ষক। রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করেন।

এদিকে রুল বিচারাধীন থাকার মধ্যে ২৯ জানুয়ারির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বাতিল করে ২৫ মার্চ নতুন করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। নতুন বিজ্ঞপ্তিতে মোট ১২ হাজার ৯৫১টি শূন্যপদের কথা উল্লেখ করা হয়। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে ৯ হাজার ৭০৮, কারিগরি অধিদপ্তরের অধীনে ১১২ এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে ৩ হাজার ১৩১টি পদ রয়েছে।

নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিও চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনকারীরা সম্পূরক আবেদন করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।

পরে এসব রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে নীতিমালায় সংশোধনের মাধ্যমে যুক্ত করা ‘১৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা’ সংক্রান্ত বিধান অবৈধ ঘোষণা করে তা বাতিল করা হয়।

হাইকোর্টের ওই রায় স্থগিত চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান আপিল বিভাগে আবেদন করেন। মঙ্গলবার আবেদনের শুনানি শেষে চেম্বার আদালত হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ওসমান চৌধুরী। রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী হুমায়ুন কবির।

আদেশের পর অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের বলেন, হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত হওয়ায় ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

তবে রিট আবেদনকারী ৪৬ জনের জন্য ৪৬টি পদ সংরক্ষিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে এসব ৪৬টি পদ বাদে বাকি পদগুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আইনগত কোনো বাধা থাকছে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে পাঁচ প্রস্তাব উত্থাপন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৬ পি.এম


বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে পাঁচ প্রস্তাব উত্থাপন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

ঢাকা সফরে আসা ইন্দোনেশিয়ার উপ-পররাষ্ট্র মন্ত্রী আনিস মাত্তা সোমবার ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে ক্রমবর্ধমান ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক পুনর্ব্যক্ত করে উভয় পক্ষ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি সহযোগিতা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্য সহযোগিতা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, কনস্যুলার সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দুই দেশের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতাসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিস্তৃত পরিসর নিয়ে আলোচনা করেন।

বাংলাদেশে স্বাগত জানিয়ে উপ-পররাষ্ট্র মন্ত্রী মাত্তাকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও শক্তিশালী করার জন্য পাঁচটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। এই প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ায় বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য Visa-on-Arrival পুনরায় চালু করা, বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি পরিমাণ ঔষধজাত পণ্য আমদানি করা, ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন পণ্যের পরিবেশ বান্ধব প্যাকেজিংয়ের জন্য জি-টু-জি ভিত্তিতে বাংলাদেশ থেকে পাটের ব্যাগ ক্রয় করা, বাংলাদেশি আলুর জন্য ইন্দোনেশিয়ার বাজার উন্মুক্ত করা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার উদ্যোগ গ্রহণ করা। এ প্রেক্ষিতে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত একটি খসড়া সমঝোতা স্মারক ইন্দোনেশিয়ার কাছে হস্তান্তর করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ইন্দোনেশিয়াকে বিশ্বের বৃহত্তম হালাল পণ্যের বাজার হিসেবে উল্লেখ করে দুই দেশের মধ্যে এতদসংক্রান্ত সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান। তিনি বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার সম্পর্ককে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বে উন্নীত করার জন্যও আহ্বান জানান।

ঢাকা সফরের নিমন্ত্রণ ও উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরকে ধন্যবাদ জানিয়ে উপ-পররাষ্ট্র মন্ত্রী আনিস মাত্তা বাংলাদেশের প্রস্তাবসমূহকে স্বাগত জানান এবং বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ লক্ষ্যে, তিনি আগামী পাঁচ থেকে দশ বছরে অগ্রাধিকারভিত্তিক যৌথ প্রকল্প গ্রহণের প্রস্তাব দেন। তিনি দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঢাকা-জাকার্তা সরাসরি বিমান চালু করার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ইন্দোনেশিয়ার উপ-পররাষ্ট্র মন্ত্রী আনিস মাত্তার দূরদর্শী প্রস্তাবনার ভূয়সী প্রশংসা করেন। পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে অব্যাহত সমর্থনের জন্য পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কবির ইন্দোনেশিয়া সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বাংলাদেশের ASEAN-এর Sectoral Dialogue Partnership এবং Regional Comprehensive Economic Partnership (RCEP)-এর সদস্যপদ অর্জনে ইন্দোনেশিয়ার সমর্থন কামনা করেন।

বাংলাদেশ থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের বিষয়ে ইন্দোনেশিয়ার অব্যাহত সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। পররাষ্ট্র উপমন্ত্রী মাত্তা এ প্রসঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার পুনঃসমর্থন ব্যক্ত করেন।

এদিকে, উল্লেখযোগ্য যে, ইন্দোনেশিয়ার উপ-পররাষ্ট্র মন্ত্রী আনিস মাত্তা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%