মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৫৮ এম
যুক্তরাজ্যের ‘আরএএফ ফেয়ারফোর্ড’ বিমানঘাঁটির নিকটবর্তী এলাকায় গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচ যুবকের সঙ্গে ইরানের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পাওয়ার প্রচেষ্টাকে সম্পূর্ণরূপে ‘মনগড়া ও ভিত্তিহীন জল্পনা-কল্পনা’ হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে লন্ডনে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দূতাবাসটি এই অভিযোগের তীব্র নিন্দা জানায় এবং সতর্ক করে যে, এটি যুক্তরাজ্যে ইরানবিরোধী উসকানি ছড়ানোর একটি ষড়যন্ত্র।
বিবৃতিতে ইরানি দূতাবাস স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের প্রেক্ষাপটে এমন বানানো খবর যুক্তরাজ্যের মাটিতে ইরানবিরোধী প্রচারণাকেই কেবল উসকে দেবে। মিথ্যা প্রচারণার বিরুদ্ধে দেশের অধিকার ও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের হুমকি দিয়েছে তেহরান।
এদিকে, যুক্তরাজ্যের সন্ত্রাস দমন পুলিশ জানায়, রবিবার বিমান ঘাঁটির দিকে তিনটি গাড়ি যেতে দেখে গ্লুচেস্টারশায়ারের ওয়েলফোর্ড এলাকা থেকে ২৩ থেকে ২৫ বছর বয়সী পাঁচ ব্রিটিশ নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতি ও বিস্ফোরক আইন ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। বর্তমানে যুক্তরাজ্য পুলিশ ঘটনাটিকে একটি ‘অত্যন্ত জটিল ও বড় আকারের অভিযান’ হিসেবে তদন্ত করছে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের পুলিশের হেফাজতে রাখার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত একমাত্র নারী ক্রিস্টা পাইক জানিয়েছেন, মৃত্যুর ভয় তার নেই। তবে, তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পদ্ধতি নিয়ে তিনি কিছুটা উদ্বিগ্ন। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এমনটাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ .
৫০ বছর বয়সী পাইক গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে মৃত্যুদণ্ডের অপেক্ষায় কারাগারে রয়েছেন। তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে টেনেসিতে দুই শতাব্দীরও বেশি সময় পর প্রথম কোনো নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে।
পাইক ১৯৯৫ সালে ১৮ বছর বয়সে সহপাঠী ১৯ বছর বয়সী কলিন স্লেমারকে হত্যার ঘটনায় জড়িত ছিলেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পাইক এবং তার দুই সহযোগী স্লেমারকে টেনেসি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে একটি পরিত্যক্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন ও মারধর করেন। পরে স্লেমার মারা যান।
তদন্তকারীরা জানিয়েছিলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তন্ত্রসাধনার যোগ ছিল। স্লেমারের বুকে একটি বিশেষ চিহ্ন খোদাই করা হয়েছিল এবং পাইক তার মাথার খুলির একটি অংশ স্মারক হিসেবে রেখে দেওয়ার কথা অন্য এক সহপাঠীকে বলেছিলেন বলে তদন্তে উঠে আসে।
পাইক তার ভূমিকার কথা অস্বীকার করেননি। তবে, তার আইনজীবীরা বলছেন, শৈশব থেকেই তিনি দীর্ঘদিন শারীরিক ও যৌন নির্যাতন এবং অবহেলার শিকার হয়েছেন। এসব তথ্য তার মৃত্যুদণ্ডের বিচার চলাকালীন জুরিদের সামনে যথাযথভাবে তুলে ধরা হয়নি বলে দাবি তাদের।
পাইকের আইনজীবীরা যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতের কাছে মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার আবেদন করেছেন। তাদের দাবি, শৈশবের নির্যাতনের কারণে পাইক গুরুতর মানসিক আঘাতজনিত সমস্যায় ভুগছেন। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় তাকে আটকে রাখার প্রক্রিয়া তার ওপর অতিরিক্ত মানসিক যন্ত্রণা তৈরি করতে পারে।
তবে, টেনেসির অ্যাটর্নি জেনারেলের দপ্তর বলেছে, প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়ার পদ্ধতির কারণে পাইকের অতিরিক্ত মানসিক ক্ষতি হবে—এমন ধারণার পক্ষে যথেষ্ট ভিত্তি নেই।
এদিকে, টেনেসির গভর্নর বিল লি পাইকের মৃত্যুদণ্ডে হস্তক্ষেপ না করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। ফলে, মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তই তার শেষ সুযোগ।
সহযোগীদের সাজা ছিল ভিন্ন
পাইককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলেও একই ঘটনায় জড়িত অন্যদের সাজা ছিল ভিন্ন। তার প্রেমিক তাদারিল শিপ ঘটনার সময় ১৭ বছর বয়সী ছিলেন। অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং তিনি ভবিষ্যতে মুক্তির জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
অন্য সহযোগী শাদোলা পিটারসন তখন ১৮ বছর বয়সী ছিলেন। তিনি হত্যাকাণ্ডের সময় পাহারার দায়িত্বে ছিলেন এবং তদন্তে সহযোগিতা করার বিনিময়ে প্রবেশন পান।
পাইকের আইনজীবীরা বলছেন, ঘটনার সময় তার বয়স মাত্র ১৮ বছর হওয়াও বর্তমানে তরুণদের মস্তিষ্কের বিকাশ ও আচরণ নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণার আলোকে নতুন করে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
তারা আরও দাবি করেছেন, সে সময় প্রসিকিউটররা প্যারোলে মুক্তির সুযোগ ছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিনিময়ে দোষ স্বীকারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সমঝোতা গ্রহণ করা হয়নি।
শৈশবের নির্যাতনের তথ্য সামনে
মনোবিজ্ঞানী বেথানি ব্র্যান্ড তিন বছর আগে পাইকের মানসিক অবস্থা মূল্যায়ন করেন। তিনি পুলিশি নথি, চিকিৎসা প্রতিবেদন ও মামলার অন্যান্য কাগজপত্র পর্যালোচনা করেন।
ব্র্যান্ডের প্রতিবেদনে উঠে আসে, ছোটবেলা থেকেই পাইক যৌন ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার পরিবারেও স্থিতিশীল পরিবেশ ছিল না। ১৭ বছর বয়সে ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগও তিনি পুলিশকে জানিয়েছিলেন। ওই ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
ব্র্যান্ডের মতে, পাইকের শৈশবের মানসিক আঘাত ছিল অত্যন্ত গুরুতর। কারাগারে চিকিৎসা ও ওষুধ পাওয়ার পর তার অবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি নিজের কর্মকাণ্ডের জন্য অনুতপ্ত ও অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল বলে জানান তিনি।
তবে, নিহত স্লেমারের মা মে মার্টিনেজ মেয়ের হত্যার জন্য পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়াকেই ন্যায়বিচার হিসেবে দেখছেন। তিনি জানিয়েছেন, মামলার প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষিত মেয়ের দেহের বিভিন্ন অংশ পরবর্তী সময়ে পরিবারের কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছিল, যা তার জন্য অত্যন্ত কষ্টকর ছিল।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে নারী সদস্যদের গুরুত্ব
পাইক নারী হওয়ায় টেনেসির কারা কর্তৃপক্ষ তার কিছু বিশেষ অনুরোধ বিবেচনা করছে। তাকে ন্যাশভিলের নারী কারাগার থেকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য নির্ধারিত কারাগারে নেওয়ার সময় নারী প্রহরী রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দলে নারী সদস্যদের রাখার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, একজন পুরুষ চিকিৎসক এতে অংশ নিতে পারেন। এর আগে ব্যর্থ হওয়া একটি প্রাণঘাতী ইনজেকশন কার্যকরের সময় তিনি চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।
পাইকের আধ্যাত্মিক পরামর্শদাতা মিকি নোয়েশেলকেও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কক্ষে থাকার অনুমতি দেওয়া হবে। তিনি পাইকের সঙ্গে প্রার্থনা, ধ্যান ও আধ্যাত্মিক বিষয় নিয়ে সময় কাটাচ্ছেন।
মৃত্যুর আগে এক চিঠিতে পাইক লিখেছেন, তার প্রতি পাওয়া সমর্থনের জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। তিনি জানান, জীবনের অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় সাম্প্রতিক দুই সপ্তাহে তিনি বেশি ভালোবাসা অনুভব করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রিয়াল মাদ্রিদের সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ এবং এফসি বার্সেলোনা মাদ্রিদের একটি আদালতে হাজির হওয়ার জন্য ডাক পেয়েছেন। ২৫ নভেম্বর সেখানে একটি সমঝোতার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এই তথ্য সোমবার মামলা সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রকাশিত হয়েছে। শুনানির পর পেরেজের বিরুদ্ধে মানহানির ফৌজদারি মামলা দায়ের হতে পারে।
পেরেজের মে মাসের একটি মন্তব্যের কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, বার্সেলোনা রেফারিদের কাছ থেকে সুবিধা পাওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছে। এই মন্তব্যের পর, বার্সেলোনা ১২ জুন আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
বার্সেলোনা তাদের দাবি করেছে যে, তারা চায় পেরেজ তার মন্তব্য প্রত্যাহার করে নিক। ক্লাবটির ভাষায়, এই মন্তব্যটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, মানহানিকর এবং ক্লাবের ভাবমূর্তি ও সুনামের জন্য ক্ষতিকর। বার্সেলোনা সতর্ক করেছে যে, যদি সমঝোতা প্রক্রিয়া ব্যর্থ হয়, তারা ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করবে।
এই বিরোধের মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো পেরেজের ১২ মে এক সংবাদ সম্মেলনে করা মন্তব্য। সেখানে তিনি তথাকথিত নেগ্রেইরা মামলার প্রসঙ্গ তুলে ধরেছিলেন।
স্পেনের আদালত একটি বিষয়ের তদন্ত করছে। বার্সেলোনা প্রায় দুই দশক ধরে হোসে মারিয়া এনরিকেস নেগ্রেইরার সঙ্গে যুক্ত কিছু কোম্পানিকে অর্থ প্রদান করেছে। এই অর্থের পরিমাণ ৭০ লাখ ইউরো পর্যন্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নেগ্রেইরা স্পেনের রেফারি কমিটির সাবেক সহসভাপতি ছিলেন। তদন্তে দেখা হচ্ছে, এই অর্থ প্রতিযোগিতায় সুবিধা পাওয়ার জন্য দেওয়া হয়েছিল কি না।
বার্সেলোনা কোনো অন্যায় করার কথা অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, এই টাকা রেফারিদের নিয়ে প্রতিবেদন তৈরির জন্য প্রদান করা হয়েছিল। ২০২৪ সালে একটি আদালত বার্সেলোনার বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছিল।
পেরেজ এই ঘটনাকে ‘ফুটবলে দুর্নীতির সবচেয়ে গুরুতর ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কখনো কল্পনাও করতে পারিনি যে বার্সেলোনা রেফারিদের প্রধানকে টাকা দেবে।’
পেরেজ দাবি করেছেন যে, রিয়াল মাদ্রিদকে লিগ শিরোপা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি সাতটি লিগ জিতেছি। আমি এর দ্বিগুণ জিততে পারতাম। বাকিগুলো আমার কাছ থেকে চুরি হয়ে গেছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের সদরপুরে একটি চলন্ত ভ্যানের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে জামিলা (১৩) নামে এক কিশোরীর মৃত্যু ঘটেছে।
এটি সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘটে, যখন জামিলা উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের চর কুমারিয়া থেকে মোল্লা গ্রামে যাওয়ার পথে ছিল।
নিহত জামিলা ঢেউখালী ইউনিয়নের চর কুমারিয়া গ্রামের সৌদি প্রবাসী মো. মহিউদ্দিন সিকদারের কন্যা।
স্থানীয় সূত্র এবং পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জামিলা ভ্যানযোগে তার ভগ্নিপতি মো. রিয়াজুল শেখের বাড়িতে মোল্লা গ্রামে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে মোল্লা গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক মাতুব্বরের বাড়ির পাশে অবস্থিত শাখা সড়কে অসাবধানতাবশত তার পরনের ওড়না ভ্যানের চাকায় পেঁচিয়ে যায়, যার ফলে সে গুরুতর আহত হয়।
ঘটনার পর আশপাশের লোকজন দ্রুত জামিলাকে উদ্ধার করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সদরপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং পরে মরদেহটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সতর্ক করেছেন যে, পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হলে ইরান বিশ্বকে ‘জিম্মি’ করতে সক্ষম হবে। তিনি মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেছেন।
রুবিও জানান, বর্তমানে হরমুজ প্রণালি খোলা রয়েছে। তিনি দাবি করেন, ইরানের তেল বাদ দিলে এই পথ দিয়ে যুদ্ধ শুরুর আগের সময়ের প্রায় সমপরিমাণ তেল পরিবহণ হচ্ছে।
তবে, রুবিও সতর্ক করে বলেন, ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন হতে পারে। তার মতে, ইরান তখন হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে সেখানে ‘টোল’ বা শুল্ক আরোপ করতে পারে এবং কোন দেশ জ্বালানি পাবে, আর কোন দেশ পাবে না—সেটিও নির্ধারণ করতে পারে। তিনি এটিকে ‘অগ্রহণযোগ্য ঝুঁকি’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
সাক্ষাৎকারে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, দেশটির গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো কিছু কট্টরপন্থি শিয়া ধর্মীয় নেতার হাতে রয়েছে, যারা ভবিষ্যৎ নিয়ে ‘ধ্বংসাত্মক ও প্রলয়বাদী’ দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন।
রুবিও অভিযোগ করেন, নিষেধাজ্ঞা থেকে পাওয়া অর্থ বা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ ইরান তার জনগণের জীবনমান উন্নয়নের পরিবর্তে অস্ত্র তৈরি ও নিজেদের বিপ্লবী আদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে ব্যবহার করে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ইরান হিজবুল্লাহ, হামাস এবং ইরাকের শিয়া মিলিশিয়াদের অর্থায়ন করে। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ ও হত্যাচেষ্টায় পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ