কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২৭ পি.এম
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় দীর্ঘদিনের গ্রাম্য বিরোধের জেরে ভাতিজা হত্যার আড়াই মাসের মাথায় চাচা রবিউল ইসলাম শেখ ওরফে রবিকে (৫৫) হত্যার ঘটনায় ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে নিহত রবির ভাতিজা নাজমুল শেখ (৫০) বাদী হয়ে আলফাডাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এজাহারে বড়ভাগ গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য কুদ্দুস শেখের ছেলে মো. হোসাইন শেখকে হত্যাকাণ্ডের মূল নির্দেশদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কাশিয়ানী-আলফাডাঙ্গা সড়কের মালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে রবিউল ইসলাম শেখ ও আরও তিনজনের ওপর হামলা চালায় একদল দুর্বৃত্ত। এতে ঘটনাস্থলেই রবির মৃত্যু হয়। আহত হন মোক্তার বিশ্বাস (৫৫), হৃদয় শেখ (২১) ও লিটন খান (৪০)। তাঁদের মধ্যে মোক্তার ও হৃদয়ের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসার পর ঢাকায় পাঠানো হয়।
নিহত রবি বড়ভাগ গ্রামের সাত্তার শেখের ছেলে। তিনি কাশিয়ানী সদর বাজারে চায়ের দোকান চালাতেন।
এর আগে গত ২৬ জুন একই ইউনিয়নের বড়ভাগ পূর্বপাড়ায় উকিল শেখের বাড়ির সামনে দুর্বৃত্তদের হামলায় রবির ভাতিজা সুমন শেখ (২৪) নিহত হন। ওই ঘটনার পর দুই পক্ষের বিরোধ আরও তীব্র হয়। সুমন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার কয়েকজন সম্প্রতি জামিনে বের হওয়ার পর এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অপূর্ব সাহা বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এজাহারে ২৩ জনের নাম রয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। তদন্তের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আলফাডাঙ্গা থানার ওসি মো. সোহেল সারোয়ার বলেন, মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রভাব বিস্তার ও গ্রাম্য বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় চার বছর ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে একাধিকবার সংঘর্ষ, হামলা ও পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনা ঘটেছে।
রবিউল হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকায় থমথমে ভাব বিরাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) ঝালকাঠির রাজাপুর-কাঁঠালিয়া এলাকার উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বদলির খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ঠিকাদার ও সাধারণ মানুষ। তার বদলির সিদ্ধান্তের জন্য বিএডিসির চেয়ারম্যানকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. মোস্তাফিজুর রহমান সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিএডিসির অধীন বিভিন্ন টেন্ডার ও উন্নয়নকাজে প্রভাব বিস্তার করতেন—এমন অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন ব্যক্তিকে সামনে রেখে তিনি টেন্ডার কার্যক্রমে অংশ নিতেন এবং নিজের লোকজনের মাধ্যমে কাজ পরিচালনা করতেন বলেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন ঠিকাদার।
অভিযোগ রয়েছে, কাঁঠালিয়া উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের মধ্যে শৌলজালিয়া ইউনিয়নেই বিএডিসির বেশ কয়েকটি কাজ বাস্তবায়িত হয়েছে। এসব কাজের ক্ষেত্রে ‘আলমগীর’ নামের এক ব্যক্তিকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ব্যবহার করা হতো বলেও স্থানীয়দের কেউ কেউ দাবি করেছেন।
এছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত মোস্তাফিজুর রহমান বর্তমানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির বিভিন্ন নেতার নাম ব্যবহার করে একইভাবে প্রভাব বিস্তার করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে কথা বললে কোনো কোনো ঠিকাদারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন ঠিকাদারের অভিযোগ, রাজাপুর ও কাঁঠালিয়া উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নকাজের তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের নামে মোস্তাফিজুর রহমান প্রভাব বিস্তার করে আর্থিক সুবিধা নিতেন। রাজাপুর-কাঁঠালিয়ার বাইরেও বিভিন্ন এলাকায় তার কার্যক্রম রয়েছে এবং এসব কাজ দেখভালের জন্য তার নিজস্ব লোকজন রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
সম্প্রতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে বাগেরহাট জেলায় বদলি করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে এই বদলি ঠেকাতে তিনি বিএডিসি চেয়ারম্যানের দপ্তরে যোগাযোগ ও তদবির করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
তার বদলির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রাজাপুর ও কাঁঠালিয়ার বেশ কয়েকজন ঠিকাদার বিএডিসির চেয়ারম্যানকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাদের দাবি, মোস্তাফিজুর রহমান একই কর্মস্থলে থাকলে সাধারণ ও নিরীহ ঠিকাদারদের কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
গার্ডার ব্রিজ নির্মাণেও অনিয়মের অভিযোগ
কাঁঠালিয়া উপজেলায় একটি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের কাজ নিয়েও মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কাজটির রক্ষণাবেক্ষণ ও তদারকির দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার থাকলেও সেখানে নিম্নমানের কাজ হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই কাজটি অন্যের লাইসেন্স ব্যবহার করে আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে। ফলে তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা নিজেই নিম্নমানের কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন বলে অভিযোগ তাদের।
এছাড়া কাঁঠালিয়া উপজেলার জোড়া পোল এলাকায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে নির্মিত একটি সেতুতে কাজ শেষ হওয়ার মাত্র দুই মাসের মধ্যে ফাটল দেখা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর সেতুটির ফাটল রং করে ঢেকে দেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে তদন্ত করলে ওই সেতুর নির্মাণকাজের মান ও অনিয়মের অভিযোগের প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিএডিসির চেয়ারম্যানের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অন্যদিকে, মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেগম সেলিমা রহমান, যিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী, বলেছেন, "আমরা আজ মুক্ত স্বাধীন, তাই সবাই ভালো আছি।" বরিশালে দুঃশাসন ও নিপীড়নের কারণে কেউ ঘরে থাকতে পারেনি। বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে হামলা ও মামলা হয়েছে; কিছু নেতাকে গুম করা হয়েছে, আবার কিছু হত্যার শিকার হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, "একটা ভয়ানক দুঃশাসন ছিল, সেই দুঃশাসন থেকে মুক্ত হয়ে আজ আমরা বরিশালের মুক্ত বাতাসে বিএনপির পরিবার একত্রিত হয়েছি।" রবিবার সকালে বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক কমিটির আয়োজনে রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও জনসম্পৃক্তি শীর্ষক বিভাগীয় প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, "দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলনে ফসল স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালাতে বাধ্য হয়েছে।"
তিনি সতর্ক করে বলেছেন, "আমরা মুক্ত স্বাধীন ঠিকই, তবে স্বৈরাচারের দোসররা কিন্তু দেশ থেকে পালিয়ে যায়নি।" তারা দেশের মধ্যে অবস্থান করে সমাজ ও রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "আপনারা দেশ সংস্কারের জন্য ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বার্তা নিয়ে প্রতিটি মানুষের কাছে যাবেন।" তিনি আরও বলেন, "প্রতিটি ঘরে ঘরে, প্রতিটি চায়ের দোকানে বিএনপির ৩১ দফা নিয়ে মানুষের সাথে কথা বলবেন এবং খুব সহজ ভাষায় আপনারা বিষয়টি তুলে ধরবেন।" বরিশাল বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩১ দফা প্রণয়ন কমিটির সদস্য ও বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, বিএনপির বরিশাল বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হক নান্নু, নির্বাহী কমিটির সদস্য নেওয়াজ হালিমা আরলী প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৫৩তম বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর কাবাডি খেলায় কুষ্টিয়ার হাসিব ড্রিম স্কুল কলেজ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কুষ্টিয়া জেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় হাসিব ড্রিম স্কুল কলেজের কাবাডি দল।
প্রতিযোগিতার শুরুতে মিরপুর উপজেলা দলকে পরাজিত করে সেমিফাইনালে ওঠে হাসিব ড্রিম স্কুল কলেজ। পরে সেমিফাইনালে কুমারখালী উপজেলা দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটির কাবাডি দল।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন-হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুষ্টিয়ার জেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. ইউনুছ আলী।
অনুষ্ঠানের শেষে অতিথিদের হাত থেকে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি গ্রহণ করেন হাসিব ড্রিম স্কুল কলেজের কাবাডি দলের অধিনায়ক প্রাঞ্জল কুমার দাস।
এদিকে দলের এ সাফল্যে হাসিব ড্রিম স্কুল কলেজের চেয়ারম্যান ও দেশবরেণ্য শিল্পপতি আলহাজ্ব মজিবর রহমান এবং অধ্যক্ষ ড. মেজর মো. নুরুল আমিন হেলাল (অব.) কাবাডি দলের সকল খেলোয়াড়, কোচ ও সংশ্লিষ্টদের অভিনন্দন, কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় অংশগ্রহণ তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতেও হাসিব ড্রিম স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা ক্রীড়াঙ্গনে আরও সাফল্য বয়ে আনবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কীর্তনখোলায় স্পিডবোট দুর্ঘটনার পর দুই দিন অতিবাহিত হওয়ার পর চালক এবং দুই যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার সকালে নদীর মধ্যে ভাসমান অবস্থায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বরিশাল সদর নৌ-থানার ওসি সনাতন চন্দ্র সরকার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী স্থান থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সুরতহাল সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া মরদেহের মধ্যে একজন স্পিডবোট চালক আল আমিন (২৩) রয়েছেন। অন্য দুই যাত্রী ইমরান হোসেন ইমন (২৯) এবং রাসেল আমিন (২৪) হিসেবে স্বজনরা শনাক্ত করেছেন।
চালক আল আমিন ভোলা সদরের ভেদুরিয়ার উত্তর চর এলাকার মো. সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে।
যাত্রী ইমরান হোসেন ইমন ভোলা সদরের ধনিয়া এলাকার শাহাবুদ্দিনের ছেলে এবং রাসেল আমিন পটুয়াখালী কলাপাড়া উপজেলার নেওয়াপাড়া এলাকার আজগর আলী হাওলাদারের ছেলে।
ওসি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ওই দুর্ঘটনার পর চারজন নিখোঁজের খবর পাওয়া গিয়েছিল। তিনজনের মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর, এখনও বরিশালের বাবুগঞ্জের রহমতপুর এলাকার দুলাল দাসের ছেলে সজল দাস (৩০) নিখোঁজ রয়েছেন বলে তার স্বজনরা দাবি করছেন।
এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা এখন চারজনে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পূর্বে কীর্তনখোলা নদীর লাহারহাট খালের প্রবেশমুখে জনতার হাট এলাকায় ভোলা থেকে বরিশালগামী যাত্রীবাহী স্পিডবোটের সঙ্গে বাল্কহেডের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে, যার ফলে যাত্রীসহ স্পিডবোটটি ডুবে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই নদী থেকে উদ্ধার করা জালিস মাহমুদ (৫০) নামের এক যাত্রীর মৃত্যু হয়।
এছাড়াও মানসুর আহমেদ নামে ভোলার দৌলতখান থানার কনস্টেবল আহত হন। অন্য যাত্রীরা সাতরিয়ে তীরে উঠতে সক্ষম হন।
দুর্ঘটনার পর নৌ-পুলিশের সদস্য বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার সূত্র ধরে বাল্কহেডের চালককে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ