বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৬ পি.এম
স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, ডেঙ্গুর টিকা আনার বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করা হচ্ছে না। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান। দেশে প্রতিদিন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯৪৩ জন।
সাংবাদিকরা ডেঙ্গুর টিকা আনার পরিকল্পনা আছে কিনা জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মৃত্যুর ঝুঁকি বিবেচনায় টিকার বিষয়ে এখনও কোনো চিন্তা করা হয়নি।
সাখাওয়াত হোসেন উল্লেখ করেন, ‘এখনো চিন্তা করি নাই। দেয়ার ইজ এ রিস্ক অন দ্যাট। ভ্যাক্সিনে যাওয়াটা তো... একটা রোগী যদি কলাপস করে তাহলে তো জবাব দেয়া যাবে না। কাজেই আমরা দেখতেছি।’ তিনি আরও জানান, টিকা বেশ ব্যয়সাধ্য।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আলাপ করতেছি, দেখেন আপনি যতই টিকা দেন, কতবার দিবেন, দুইবার লাগে। কস্টলি, সারা বাংলাদেশ খানা-খন্দে ভরা। আমাদেরও সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। নিজেরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে মন দিতে হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমি মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জানিয়েছেন, আসন্ন দুর্গাপূজায় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার চৌধুরীহাটস্থ পল্লী সংগঠন সমিতি মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের উদ্যোগে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজার উপহার বিতরণ করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, অপশক্তি যেন ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করে বিভেদ বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে, সেই লক্ষ্যে স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে বিএনপির নেতাকর্মীরা পূজামণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী রওশন ইসলাম, নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাত, হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মোমিন, হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মোহাম্মদ তারেক আজিজ, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাথী উদয় কুসুম বড়ুয়া, শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব দে পার্থসহ অন্যান্য অতিথিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে পঞ্চবটি-মুক্তারপুর সড়কে যান চলাচল শুরু হবে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ফতুল্লার পঞ্চবটি মোড়ে ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ এবং "পঞ্চবটি হতে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও দোতলা রাস্তা নির্মাণ" প্রকল্পের কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করার সময় তিনি এই তথ্য জানান।
মন্ত্রী নির্মাণ কাজের বিভিন্ন ত্রুটি তুলে ধরে সুচারুভাবে কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেন। এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান মন্ত্রীর কাছে মৌখিকভাবে একটি প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, পঞ্চবটির ফ্লাইওভারটি চাষাঢ়া মোড় পর্যন্ত সম্প্রসারিত হলে নারায়ণগঞ্জবাসীর যানজট নিরসনে উল্লেখযোগ্য সুবিধা হবে। পঞ্চবটি বিসিক নারায়ণগঞ্জের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প এলাকা, যেখানে শত শত গার্মেন্টস শিল্প প্রতিষ্ঠান অবস্থিত।
প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে অসংখ্য মালবাহী গাড়ি চলাচল করে। যানজটের কারণে জনগণের চরম ভোগান্তি হয়। তাই পঞ্চবটি ফ্লাইওভারটি চাষাঢ়া পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হলে যানজট নিরসনে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
এ সময় প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে রাঙামাটিতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জেলার গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপ ও দুর্গম সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেল চারটায় রাঙামাটি শহরের শ্রী শ্রী রক্ষা কালী মন্দিরের পূজামণ্ডপের নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিদর্শনকালে বিজিবির পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।
এ সময় বিজিবির রাঙামাটি সেক্টর সদর দপ্তরের পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত সেক্টর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শাহনেওয়াজ তাসকিন, পিএসসি, এসি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়ি-বাঙালি সব সম্প্রদায়ের মানুষ যাতে নিরাপদ ও সম্প্রীতিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদ্যাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাপ্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, মহাপরিচালকের নির্দেশনায় রাঙামাটি পৌরসভা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপ ও দুর্গম সীমান্তবর্তী অঞ্চলে টহল এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে সাংবাদিক, পূজা উদ্যাপন কমিটির প্রতিনিধি ও স্থানীয় সুধীজনদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ সময় পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানায় বিজিবি।
কোনো সন্দেহজনক গতিবিধি বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নজরে এলে দ্রুত নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্প, দায়িত্বে থাকা টহল দল অথবা অন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিজিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে সংস্থাটি কাজ করে যাচ্ছে। দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ