ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মধুপুরে মাদক ব্যবসায়ীকে ১ বছরের কারাদণ্ড


মধুপুরে মাদক ব্যবসায়ীকে ১ বছরের কারাদণ্ড

টাঙ্গাইলের মধুপুরে ১ মাদক ব্যবসায়ীকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত
রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে মধুপুর উপজেলার কাকরাইদ এলাকায় স্থানীয় লোকজন মোঃ আল আমিন (২৬) নামে এক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করে। খবর পেয়ে মধুপুর থানা অফিসার ইনচার্জ একে এম ফজলুল হক এস আই সেলিম এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনা স্থলে পাঠিয়ে আল আমিনকে আটক করে। এসময় তার নিকট হতে পুলিশ ১৫ পিছ ইয়াবা জব্দ করে এলাকাবাসী ও পুলিশের সহযোগিতায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাকে
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৯(১) খ লঙ্ঘন এর ৩৬(১)(৮) ধারায় ০১ বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।
কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামী আল আমিন দুর্গাপুর গ্রামের মৃত মাজম আলীর ছেলে। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুবায়ের হোসেন।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুবায়ের হোসেন জানান, জনস্বার্থে মাদকের ব্যবহার নির্মূল করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মোবাইল কোর্ট আরও জোরদার করা হবে। মাদকবিরোধী এসব অভিযান সফল করতে তিনি সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে চায়না দুয়ারির আগ্রাসন, হুমকির মুখে দেশীয় মৎস্যসম্পদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


শেরপুরে চায়না দুয়ারির আগ্রাসন, হুমকির মুখে দেশীয় মৎস্যসম্পদ

শেরপুর জেলা সদরসহ পাঁচটি উপজেলায় নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জালের অবাধ ব্যবহারে দেশীয় মাছের বংশবিস্তার চরম হুমকির মুখে পড়েছে। আষাঢ় মাসজুড়ে যখন দেশীয় প্রজাতির বেশিরভাগ মাছ ডিম ছাড়ে ও বংশবিস্তার করে, ঠিক তখনই নির্বিচারে চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করায় জলজ জীববৈচিত্র্যসহ মৎস্য উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, জেলা সদরসহ পাঁচটি উপজেলার বিভিন্ন খাল, বিল, নালা ও নদীতে চায়না দুয়ারি বসিয়ে দিনরাত মাছ ধরা হচ্ছে। এসব ফাঁদে শুধু বড় মাছই নয়, রেনু, পোনা ও ডিমওয়ালা মাছও আটকা পড়ছে। যা প্রাকৃতিকভাবে মাছের বংশবিস্তারকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এভাবে বছরের পর বছর নিষিদ্ধ ফাঁদ ব্যবহার হলেও মৎস্য বিভাগের কার্যকর অভিযান না থাকায় অসাধু জেলেরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এতে একদিকে যেমন দেশীয় মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে, তেমনি মৎস্যসম্পদের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী, নালিতাবাড়ী ও নকলা এলাকার বাসিন্দারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, "আগে বর্ষাকালে খাল-বিলে প্রচুর দেশীয় মাছ পাওয়া যেত। এখন চায়না দুয়ারির কারণে সব মাছ ধরা পড়ে যাচ্ছে। মাছ ডিম দেওয়ার আগেই ধরে ফেলায় আগের মতো মাছ আর পাওয়া যায় না। এজন্য মৎস্য বিভাগের কার্যকর পদক্ষেপ ও নিয়মিত অভিযান প্রয়োজন।" জনসাধারণের দাবি, চায়না দুয়ারি একবার বসালে পানির ভেতরের প্রায় সব মাছ আটকা পড়ে। এতে কোনো মাছই রক্ষা পায় না। গুটি কয়েক জেলের লাভের জন্য জেলায় দেশীয় মৎস্যসম্পদ ধ্বংস হচ্ছে। তাই চায়না দুয়ারি বন্ধে সরকারিভাবে কঠোর আইন প্রয়োগ জরুরি হয়ে পড়েছে।

মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, চায়না দুয়ারি বা সূক্ষ্ম ফাঁসের অবৈধ জাল ব্যবহারের ফলে মাছের স্বাভাবিক প্রজনন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে এসব জাল ব্যবহার দেশীয় প্রজাতির মাছের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও সরকার বিভিন্ন সময়ে এ অবৈধ উপকরণ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, কিন্তু গড়বাস্তবে মাঠপর্যায়ে কার্যকারিতা দেখা যায় না বললেই চলে। অভিযোগ উঠেছে, মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে হঠাৎ অভিযান চালানো হলেও জেলেরা কি যেন অদৃশ্য শক্তির ইশারায় পূর্বেই খবর পেয়ে যায়।

জেলা মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, "চায়না দুয়ারি ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা হচ্ছে এবং যেখানে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে অভিযান ভবিষ্যতে জোরদার করা হবে। অবৈধভাবে মাছ শিকারকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবীরা জানান, "মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর। নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি দিয়ে মাছ শিকারের অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করা হবে। কেউ আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে স্থানীয়দেরও সচেতন হয়ে প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানাই।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমতলীতে নারী নেত্রী ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৬ পি.এম


আমতলীতে নারী নেত্রী ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

আমতলী উপজেলা মহিলা বিএনপির স্বঘোষিত নারী নেত্রী মাহমুদা আক্তার হেপী এবং চাওড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মোঃ জুয়েল হাওলাদারের গ্রেপ্তার দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। রবিবার বিকালে তালুকদার বাজারে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভে চাওড়া ইউনিয়নের সহস্রাধিক নারী ও পুরুষ অংশ নেয়। তারা পুলিশ প্রশাসনের কাছে দাবী জানিয়েছে দ্রুত তাদের গ্রেপ্তারের。

জানাগেছে, মাহমুদা আক্তার হেপী আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের পাতাকাটা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আলতাফ হাওলাদারের কন্যা। শেখ হাসিনার পতনের পরপরই তিনি উপজেলা মহিলা বিএনপির স্বঘোষিত নারী নেত্রী হন। এরপর তিনি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব তার চাচা মোঃ জুয়েল হাওলাদারের নেতৃত্বে একটি বাহিনী গড়ে তুলেন। ওই বাহিনী এলাকায় জমি দখল, শালিস বানিজ্য এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম শুরু করে। প্রতিবাদ করলেই তিনি এলাকার মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ঝড়তে ভয়ঙ্কর হয়রানি করেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে হেপীর নেতৃত্বে দেলোয়ার হাওলাদারের জমি দখলের উদ্দেশ্যে যায় জুয়েল ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী।

বাধা দিলে তারা দেলোয়ার হাওলাদার, কোমেলা বিধি ও সোহেল হাওলাদারকে পিটিয়ে জখম করে। তারা যখন আমতলী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যায় তখন তাদেরকে দ্বিতীয় দফায় মারধর করে এবং হাসপাতালে ভর্তি হতে দেয়নি নারী নেত্রী হেপী আক্তার, এমন অভিযোগ করেন দেলোয়ার হাওলাদার। পরে তারা পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। এ ঘটনার পর দেলোয়ারের বোন রিনা বেগম বাদী হয়ে শুক্রবার দুপুরে হত্যা চেষ্টা ও জমি জখল আইনে জুয়েল হাওলাদার এবং নারী নেত্রী হেপী আক্তার সহ ১৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের খবর পাওয়ার পর ওইদিন বিকালে হেপীর নেতৃত্বে জুয়েল হাওলাদারের সন্ত্রাসী বাহিনী দেলোয়ার হাওলাদারের বাড়ীতে হামলা ও লুটপাট করে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, তারা একাধিক ঘটনার মাধ্যমে অত্যাচার করেছে। রবিবার বিকেলে চাওড়া ইউনিয়নের পাতাকাটা এলাকাবাসী তাদের গ্রেপ্তার দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। আবু হানিফ মিয়ার সভাপতিত্বে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন চাঁন মিয়া মল্লিক, সজিব মল্লিক, শিউলী আক্তার ও শাহনাজ পারভীন প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, স্বঘোষিত নারী নেত্রী মাহমুদা আক্তার হেপী ছিলেন আওয়ামী লীগের দোসর। তিনি শেখ হাসিনার পতনের পরে রাতারাতি বিএনপি নেত্রী হয়ে যান। তিনি তার চাচা জুয়েল হাওলাদারের মাধ্যমে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী তৈরি করেন। এই চাচা ও ভাতিজি মিলে এলাকায় জমি দখল, শালিস বানিজ্য, সুদের কারবার এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। তাদের যে অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে, তাদের ওপর নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার খড়গ নেমে আসে। দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে, এমন দাবি তুলেছে এলাকাবাসী।

আমতলী উপজেলা মহিলা বিএনপির সভানেত্রী মীরা খান জানান, মাহমুদা আক্তার হেপী মহিলা বিএনপির কেউ নন। তিনি আওয়ামী লীগের দোসর ছিলেন। তিনি শেখ হাসিনার পতনের পর রাতারাতি মহিলা বিএনপির নেত্রী দাবি করেন এবং থানায় দালালি, জমি দখল ও শালিস বানিজ্যসহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছেন। তার এসব অপকর্মের দায়ভার দল নিবে না।

মাহমুদা আক্তার হেপির মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন এবং ফোন বন্ধ করে দেন। আমতলী থানার ওসি মোঃ ইয়াকুব হোসাইন বলেন, একটি ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তিনজন আসামী গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোমস্তাপুরে বিশেষ ক্ষমতা আইন ও মাদক মামলায় ১৩ আসামি গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​মোঃ শাহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৭ পি.এম


গোমস্তাপুরে বিশেষ ক্ষমতা আইন ও মাদক মামলায় ১৩ আসামি গ্রেফতার

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে চোরাই গাড়ির যন্ত্রাংশ, হিরোইন ও বৈদ্যুতিক তারসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত সর্বমোট ১৩ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের আজ (রবিবার) প্রয়োজনীয় পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধী দমনে গোমস্তাপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চিরুনি অভিযান পরিচালনা করে।
অবৈধ ভারতীয় গাড়ির যন্ত্রাংশসহ ৩ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন মামলা: ০২ গ্রাম হিরোইনসহ হাতেনাতে ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।সরকারি ও জননিরাপত্তামূলক সম্পদ রক্ষায় পুলিশের অভিযানে ১৯ কেজি বৈদ্যুতিক সিলভারের তার উদ্ধারসহ ১ জন চোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া প্রকাশ্য স্থানে মাদক সেবন ও জনবিরক্তি সৃষ্টির অপরাধে পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় ৮ জন মাদক সেবনকারীকে গ্রেফতার করা হয়।

এ বিষয়ে গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) নূরে আলম জানায়, "এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক নির্মূল এবং চুরির সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত মোট ১৩ জন আসামিকে যথাযথ পুলিশি পাহারায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।"

এলাকাবাসী পুলিশের এই ঝটিকা অভিযান ও তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্কুল-কলেজের আশপাশে এনার্জি ড্রিংকস নিষিদ্ধের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৯ পি.এম


স্কুল-কলেজের আশপাশে এনার্জি ড্রিংকস নিষিদ্ধের দাবি

ভারতের মহারাষ্ট্রে স্কুল-কলেজের ৫০০ মিটারের মধ্যে এনার্জি ড্রিংকস বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মহারাষ্ট্রের সরকার এ সিদ্ধান্তের পরে কর্ণাটকেও এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে।

শুক্রবার বিজেপি বিধায়ক বিক্রম পচপুতের তোলা এক প্রশ্নের জবাবে মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ঔষধ প্রশাসন মন্ত্রী নরহরি জিরওয়াল বিধানসভায় জানিয়েছেন যে, এনার্জি ড্রিংকসের নামে শিশুদের জন্য ক্ষতিকর উচ্চ-ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়ের বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বিধায়ক বিক্রম পচপুতে বিধানসভায় ‘স্ট্রিং’ নামে একটি জনপ্রিয় এনার্জি ড্রিংকসের মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলছেন, স্কুলগামী শিশুদের জন্য এটি অত্যন্ত ক্ষতিকর আসক্তি তৈরি করছে।

পচপুতে যুক্তি দিয়ে বলেন, ‘বোতলের গায়েই সতর্কতা লেখা থাকে যে এই পানীয়টি শিশু এবং গর্ভবতী মহিলাদের জন্য উপযুক্ত নয়। তারপরও, স্কুলের ঠিক বাইরেই এটি অবাধে বিক্রি হচ্ছে। শিশুদের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের দিক থেকে বিচার করলে, এই এনার্জি ড্রিংকটি অ্যালকোহলের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর প্রমাণিত হচ্ছে।’

মন্ত্রী নরহরি জিরওয়ালও বিধায়কের উদ্বেগের সঙ্গে একমত পোষণ করে জানান, সরকার স্কুলের চারপাশে ৫০০ মিটারের নিষেধাজ্ঞা অঞ্চল কঠোরভাবে কার্যকর করবে। এর আওতায় মাদকদ্রব্যের পাশাপাশি এনার্জি ড্রিংকস বিক্রিও নিষিদ্ধ থাকবে।

মহারাষ্ট্র সরকারের এ সিদ্ধান্তের একদিন পর কর্ণাটকেও একই দাবি উঠেছে। রাজ্য শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান শশীধর কোসাম্বে রাজ্যের সমস্ত স্কুল ও কলেজের ৫০০ মিটারের এনার্জি ড্রিংকস এবং অন্যান্য নেশাজাতীয় দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী ডি. কে. শিবকুমারকে চিঠি লিখেছেন। মহারাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে কোসাম্বে লিখেছেন, শিশুদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার স্বার্থে কর্ণাটককেও একই ধরনের নীতি গ্রহণ করা উচিত।

তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, রাজ্যের স্কুলগুলোর আশপাশে বিভিন্ন এনার্জি ড্রিংকসের ক্রমবর্ধমান বিক্রি শিশুদের স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি উল্লেখ করেন, এই পানীয়গুলোতে প্রায়ই কৃত্রিম রং এবং রাসায়নিক উপাদান থাকে, যা নিয়মিত পান করলে শিক্ষার্থীদের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, কর্ণাটক শিক্ষা বিভাগ ইতিমধ্যে স্কুল ও কলেজের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত পণ্য বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে। তার আবেদনে, তিনি সরকারের কাছে এই নিষেধাজ্ঞার পরিধি ১০০ মিটার থেকে বাড়িয়ে ৫০০ মিটার করার এবং এর মধ্যে এনার্জি ড্রিংকস ও অন্যান্য নেশাজাতীয় দ্রব্য অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%