প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে এবং জানাযায়, এক সপ্তাহব্যাপী আয়োজন হয়েছে যেখানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের শতাধিক দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু, যুক্তরাষ্ট্রের প্রবল চাপের কারণে অন্তত ১৩টি দেশ সেই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি।
এই তথ্য জনিয়েছে ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি। খবর রয়েছে মিডল ইস্ট আইয়ের。
প্রেস টিভির প্রতিবেদনে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ চাপের মুখে পূর্ব ইউরোপ, আফ্রিকা, পারস্য উপসাগরীয় এবং পূর্ব এশিয়ার অন্তত ১৩টি দেশ জানাযায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত থেকেছে।
তবে এ দেশগুলোর মধ্যে কিছু সরকার পরে কূটনৈতিকভাবে তেহরানের কাছে তাদের অনুপস্থিতির কারণ ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি ঊর্ধ্বতন সূত্র জানিয়েছে, বিদেশি প্রতিনিধিদল যাতে তেহরান সফর করে স্মরণসভায় অংশ নিতে না পারে, সেজন্য গত পাঁচ দিন ধরে মার্কিন কর্মকর্তারা 'ব্যাপক প্রচারণা' চালাচ্ছে।
মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২৬ জুন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও একটি গোপন নির্দেশনা জারি করেন।
এ নির্দেশনার অনুযায়ী, জানাযায় অংশ নেয়াকে 'অবন্ধুসুলভ আচরণ' হিসেবে ধরা হবে বলে ওয়াশিংটন জানিয়েছে।
এছাড়া, খানেমির শেষ বিদায়ে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অবনতি হওয়ারও হুঁশিয়ারি রয়েছে।
প্রতিবেদনে দুই আরব কূটনীতিকের সূত্রে প্রেস টিভি জানাচ্ছে, রুবিও অন্তত পাঁচজন আরব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
আফ্রিকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতরা সেখানে সরকারের প্রতি সতর্কতা জানান যে, এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করলে তা যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়ন সহায়তাকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।
তবে মার্কিন হুমকি-ধমকি খুব একটা কার্যকর হয়নি। কারণ, খামেনির শেষ বিদায়ে বাংলাদেশ, চীন, রাশিয়া, ভারত, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, পাকিস্তানসহ শতাধিক দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। তারা মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত আলী খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন