০৯:১৪ পি.এম
জন্মহার বাড়ানোর লক্ষ্যে বুধবার থেকে মা এবং বাবা উভয়ের জন্য নতুন সবেতন বাড়তি ছুটির ব্যবস্থা কার্যকর করেছে ফ্রান্স। দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ এর আওতায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
প্যারিস থেকে এএফপি জানাচ্ছে, ২০২৪ সালে মাতৃত্ব সহ বন্ধ্যত্ব এবং ক্রমহ্রাসমান জন্মহার মোকাবিলায় একটি পরিকল্পনা ঘোষণা করেন মাখোঁ। তিনি তখন বলেছিলেন যে, এটি ফ্রান্সের ‘জনসংখ্যাগত পুনরুত্থান’ ঘটাতে সহায়ক হবে।
এখন পর্যন্ত ফ্রান্সে প্রথম সন্তানের ক্ষেত্রে মায়েরা দাঁড়াচ্ছেন প্রায় চার মাসের বেতনসহ মাতৃত্বকালীন ছুটির অধিকারী। অন্যদিকে বাবারা সন্তানের জন্মের পর ২৮ দিন পর্যন্ত ছুটির সুবিধা পেয়ে আসছিলেন।
আরও পড়ুন: মার্কিন রাষ্ট্রদূত: ইরান যুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের ‘শয়তান নিয়ন্ত্রণ করছে’
বুধবার থেকে কার্যকর হওয়া নতুন বিধানের আওতায় প্রযোজ্য বিদ্যমান ছুটির সঙ্গে সঙ্গে মা ও বাবা নিজেদের মধ্যে বাড়তি এক বা দুই মাসের ছুটি ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
এই অতিরিক্ত ছুটির প্রথম মাসে তারা নেট বেতনের ৭০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় মাসে ৬০ শতাংশ আর্থিক সহায়তা পাবেন।
নতুন এই বিধান ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি অথবা তার পরে জন্ম নেওয়া শিশুদের অভিভাবকদের জন্য প্রযোজ্য হবে। দত্তক গ্রহণকারী অভিভাবকরাও এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সব স্থানেই জন্মহার কমতে শুরু করেছে।
আরও পড়ুন: কালাইয়ে ‘ইত্যাদি’ শুটিংয়ে দুই শতাধিক দর্শকের মোবাইল চুরি
ফ্রান্সের জাতীয় পরিসংখ্যান ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, গত বছর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া শিশুদের সংখ্যা মৃত্যুর সংখ্যা থেকে কম ছিল।
তবে নারীবাদী সংগঠনগুলো বলেছেন, এই সংস্কার যথেষ্ট নয় এবং এটি লিঙ্গসমতা বৃদ্ধিতে কার্যকর হবে না। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, তুলনামূলকভাবে কম আয়কারী সঙ্গী- অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারীরা- এই অতিরিক্ত ছুটির সুবিধা গ্রহণের সম্ভাবনা বেশি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন