প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আসন্ন ৫ম সমাবর্তন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে গঠিত বিভিন্ন কমিটির কার্যক্রম দ্রুত গতিতে এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেছেন উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। তিনি কমিটিগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।
ইসলামি বই খুঁজুন
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উপাচার্যের সম্মেলনকক্ষে সমাবর্তন উপলক্ষে গঠিত বিভিন্ন কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবদের নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় উপাচার্য এসব কথা বলেন।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. আতিকুর রহমানের সঞ্চালনায় উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেন ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. ইদ্রিস আলীসহ বিভিন্ন কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, ২০২৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই আয়োজনের জন্য একটি মূল কমিটির অধীনে ২২টি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। সভায় জানানো হয়, প্রাথমিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী সমাবর্তনে সম্ভাব্য অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা হতে পারে প্রায় ১০ হাজার। তবে নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) ও রিসেপশন প্রক্রিয়া শেষ হলে চূড়ান্ত সংখ্যা জানা যাবে। এছাড়া বাজেট দ্রুত পুনর্বিন্যাস করে চূড়ান্ত করা এবং পূর্ববর্তী সমাবর্তনের সনদের (সার্টিফিকেট) নকশার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে কাজ সহজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় উপাচার্য উল্লেখ করেন, “আগামী ডিসেম্বরের যেকোনো সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে অনুষ্ঠান আয়োজনের উপযোগী অবস্থায় পৌঁছানোই এখন আমাদের মূল লক্ষ্য। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সকল কমিটিকে নিজ নিজ দায়িত্ব গুরুত্বের সঙ্গে পালন করতে হবে। এটি কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ অনুষ্ঠান নয়, এটি একটি রাষ্ট্রীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন। রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এর সম্পৃক্ততা থাকবে। ফলে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সমন্বয়হীনতার সুযোগ দেওয়া যাবে না।”
প্রস্তুতি কার্যক্রমে গতি আনতে উপাচার্য জানান, যদি কোনো সদস্য কমিটিতে পর্যাপ্ত সময় দিতে না পারেন, তবে তা আগেই আহ্বায়ককে জানাতে হবে, যাতে প্রয়োজনে অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়া যায়। এছাড়া, কাজে গতি আনতে কোনো কমিটিতে অতিরিক্ত সদস্য যুক্ত করার প্রয়োজন হলে লিখিত সুপারিশ দেওয়ার কথা বলা হয়। বয়স ও কাজের চাপ বিবেচনা করে কিছু দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়।
সমাবর্তনের বিভিন্ন উপ-কমিটির পারস্পরিক সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়ে উপাচার্য আবাসিক, পরিবহন, উপহারসহ অন্যান্য কমিটিকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, প্রকৌশল দপ্তর ও স্টেট শাখার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন। বিশেষ করে অতিথিদের আসন বিন্যাস, ভিআইপি ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তা পাস যথাসময়ে নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন