১২:২১ পি.এম
ইতিহাস গড়া তানজিদ হাসান তামিমের পথ অনুসরণ করছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু ৮৫ তম ওভারে জশ হ্যাজলউডের অফ স্টাম্পের বাইরের বলটি আচমকা ভাবে বাঁকিয়ে যায়।
সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখেও এভাবে সেঞ্চুরি অর্জন হল না শান্তর। তিনি ১৬ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ত্যাগ করলেন। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তার প্রথম সেঞ্চুরিও পাওয়া হলো না। শান্ত ৮৪ রানে আউট হলেন।
শান্তর ইনিংসটি ৭ চার ও ১ ছক্কা নিয়ে শেষ হলো যখন হ্যাজলউডের বলে স্লিপে স্টিভেন স্মিথ তাকে ক্যাচ ধরেন। বিদায় নেওয়ার আগে তিনি অবশ্য দলের জন্য দারুণ অবদান রেখেছেন। তার আউটের পরপরই তাঁর সাথে লিটন দাসও বিদায় নেন। ১২ বল খেলে উইকেটে কোনো রান করতে পারেননি তিনি।
আরও পড়ুন: টেকনাফে মানবপাচারকারীদের গুলিতে আহত সেনাসদস্য মো. তিতাস শেখের মৃত্যু
মিচেল স্টার্কের বলেও স্টিভেন স্মিথকে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছেন বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক ব্যাটার। লিটনের বিদায়ের পরে মুশফিকুর রহিমও ফিরে যান। স্লিপে স্মিথের হ্যাটট্রিক ক্যাচে ৩৬ রানে আউট হন তিনি। ফলে বাংলাদেশ ১১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে।
শান্ত ক্যারিয়ারের দশম সেঞ্চুরি না পেলেও তিনি সামনে থেকে লিড দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। প্রথমে সেঞ্চুরিয়ান তানজিদের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ৯৩ রানের চমৎকার জুটি গড়েন। পরে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে ৬৬ রানের পঞ্চাশোর্ধ্ব পৃথক জুটি গড়েন। এতে বাংলাদেশ সেঞ্চুরি ছাড়িয়ে বড় লিডের আশা নিয়ে ব্যাটিং করছে।
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের স্কোর ৬ উইকেটে ৩১২ রান। লিড দাঁড়িয়েছে ১১৪। হাসান মাহমুদ ৪ রানের বিপরীতে ২ রানে অপরাজিত মেহেদী হাসান মিরাজ।
এর আগে ডারউইনে ইতিহাস গড়েছেন তানজিদ। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের মাটিতে সেঞ্চুরি অর্জন করেন বাঁহাতি ওপেনার। তিনি ৮ চার ও ১ ছক্কায় ১০১ রান করে আউট হন। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম হলেও বাংলাদেশের দ্বিতীয় ব্যাটার তিনি। কারণ তার আগে ২০০৬ সালে ফতুল্লায় ১৩৮ রানের ইনিংস খেলেছিলেন সাবেক বাঁহাতি ওপেনার শাহরিয়ার নাফিস।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে শিশুদের আঁকায় জিয়াউর রহমানের প্রতিকৃতি প্রদর্শিত
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন