প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হাসান মাহমুদের সামনে ছিল হ্যাটট্রিকের হাতছানি, যখন তিনি পরপর দুই বলে আমির জাঙ্গু এবং রস্টন চেজকে ফিরিয়ে দেন। ওই ওভারে যেন ম্যাড়মেড়ে সকালটি হঠাৎ করেই জমজমাট হয়ে ওঠে। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত স্লিপে ফিল্ডার বাড়িয়ে দেন হ্যাটট্রিক বলের জন্য, এবং বাউন্ডারি থেকে ফিল্ডারকে ৩০ গজের মধ্যে এনে অ্যাটাকিং ফিল্ড সেট করা হয়। বাংলাদেশ দলের পক্ষ থেকে হাসানের হ্যাটট্রিক নিয়ে প্রস্তুতি ছিল বেশ ভালো।
হ্যাটট্রিক বলটি ছিল দারুণ। হাসানের লেংথ বলটি ডিফেন্ড করতে গিয়ে জশুয়া বিশপ লাইন মিস করেন, এবং বলটি তার প্যাডে লাগে। আউটের আবেদন করতেই পাকিস্তানি আম্পায়ার আসিফ ইয়াকুব সঙ্গে সঙ্গে আঙুল তুলে দেন। গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শক এবং ক্রিকেটাররা উল্লাসে ফেটে পড়েন। তবে রিভিউ সেই আনন্দের উপলক্ষ্যকে কিছুটা মলিন করে দেয়।
বিশপ যখন আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিউ করেন, তখন দেখা যায় যে বলটি প্রথমে ব্যাটে লেগে পরে পায়ে লেগেছে। আম্পায়ার সিদ্ধান্ত বদলালে হাসানের হ্যাটট্রিক হাতছাড়া হয়ে যায়।
এক মাস আগে আফগানিস্তানের বিপক্ষে আবুধাবি টেস্টে হাসান মাহমুদ হ্যাটট্রিক করেছিলেন। সিলেট টেস্টে হ্যাটট্রিক করলে তিনি পরপর দুই টেস্টে হ্যাটট্রিক নেওয়া পঞ্চম বোলার হতেন। সময়ের হিসেবে তিনি দ্বিতীয় দ্রুততম হতেন। ১৯৯৯ সালে মাত্র ৯ দিনের ব্যবধানে টেস্টে দুটো হ্যাটট্রিক করেছিলেন পাকিস্তানি কিংবদন্তি ওয়াসিম আকরাম।
হাসানের জোড়া শিকারের পর, এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৬ উইকেটে ২৭৭ রান করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন