প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর যানজট নিরসন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের লক্ষ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ভিত্তিতে ট্রাফিক সিগন্যাল ও ক্যামেরা ব্যবস্থা সম্প্রসারণের উদ্যোগটি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) নিয়েছে।
প্রথম পর্যায়ে ঢাকার ১২০টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনকে এ প্রযুক্তির আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার পরীক্ষামূলক প্রয়োগে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। বাস্তবায়ন কার্যক্রমে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশন ডিএমপির সঙ্গে যুক্ত থাকবে।
সোমবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত রাজধানীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন সংক্রান্ত সভায় এই পরিকল্পনার কথাটি উপস্থাপন করা হয়।
সভা সূত্রে জানানো হয়েছে, ডিএমপির সঙ্গে সমন্বয় করে বাস্তবায়ন কার্যক্রমে সিটি করপোরেশন যুক্ত থাকবে। প্রধান সড়কগুলোর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা স্বয়ংক্রিয় করতে ধাপে ধাপে এ আধুনিকায়ন মডেলটি পরিচালনা করা হবে।
সভায় জানানো হয় তথ্য, প্রকল্প বাস্তবায়নে অতিরিক্ত কোনো বরাদ্দ বা বিশেষ তহবিলের প্রয়োজন হবে না। সংশ্লিষ্টদের আস্থা রয়েছে, পুলিশের নিজেদের তহবিল থেকেই এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।
এর আগে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর জাহাঙ্গীর গেট, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, বাংলামোটর ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনের মোড়ে পরীক্ষামূলকভাবে আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করা হয়েছিল।
দেশীয় প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এসব সিগন্যাল বাতি তৈরি করেছে। বাতিগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হওয়ার পাশাপাশি পরিস্থিতির প্রয়োজন অনুযায়ী ম্যানুয়াল নিয়ন্ত্রণেও সক্ষম।
সিগন্যাল স্থাপনের প্রকল্পের অর্থায়ন করছে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশন। নিয়ন্ত্রণের কাজটি করছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে ঢাকা পরিবহণ সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) পুরো কার্যক্রম সমন্বয় করছে।
চলতি বছরের ৭ মে পরীক্ষামূলকভাবে এসব ট্রাফিক পয়েন্টে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেছে ডিএমপি। এআইভিত্তিক ক্যামেরায় সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮ লঙ্ঘন শনাক্ত করার সফটওয়্যার সংযোজিত হয়েছে।
পুলিশ এবং বিশেষজ্ঞদের মতামত, দেশের পরিবহণ খাতে শৃঙ্খলা ফেরানো, আইন লঙ্ঘন শনাক্ত করা এবং যান চলাচল ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে এই প্রযুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন