০১:৪০ এম
আগামী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে যেসব নেতা তাদের নিজ নিজ এলাকার মধ্যে জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার প্রমাণ উপস্থাপন করতে সক্ষম হবেন, তাদের কাউন্সিলর পদে সুপারিশ করা হবে বললেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
বৃহস্পতিবার, তিনি ডিএনসিসির অঞ্চল-১-এর আওতাধীন উত্তরা এলাকার সুধীজনদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কথাটি উল্লেখ করেন।
প্রশাসক আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুধুমাত্র পদ-পদবি বিবেচনা করে কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন দেবেন না। বরং জনগণের কাছে যেতে হবে, তাদের আস্থা অর্জন করতে হবে এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের বাস্তব প্রমাণ দেখাতে হবে।
আরও পড়ুন: কালাইয়ে ‘ইত্যাদি’ শুটিংয়ে দুই শতাধিক দর্শকের মোবাইল চুরি
তিনি তখন বলেন, প্রধানমন্ত্রী জনগণের সরকার পরিচালনা করছেন। তাই জনগণের সেবাই আমাদের মূল দায়িত্ব। নগরীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
মো. শফিকুল ইসলাম খান আরও বললেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর জনগণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। তিনি জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন এবং তার নেতৃত্ব অনুসরণ করে ডিএনসিসিও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
নগরীর পানি সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঢাকার কিছু এলাকায় তীব্র পানি সংকট ছিল। ঢাকা ওয়াসার সহযোগিতার মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে পানির পাম্প স্থাপনের মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধানে ইতিমধ্যে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।
মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম নিয়ে প্রশাসক বলেন, বর্তমানে মশার উপদ্রব আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে। খাল পরিষ্কার ও পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে। জনগণের সহযোগিতায় খাল পুনরুদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রেখে ডিএনসিসি এলাকাকে ডেঙ্গুবাহী মশামুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: সরকার ৮ লাখ টন ধান-চাল ক্রয় করবে
হকার পুনর্বাসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশন হকারদের জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করলেও অনেকেই পুনরায় ফুটপাতে বসছেন। এর ফলে জনভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। হকার ও সাধারণ জনগণের সহযোগিতায় পরিকল্পিত পুনর্বাসন কার্যক্রম সফল করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এলাকার সড়ক সম্প্রসারণ, স্ট্রিট লাইটিং ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং অন্যান্য নাগরিক সমস্যা সমাধানে স্থানীয় জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন।
ব্যবসায়ীদের ট্যাক্স কমানোর দাবির প্রসঙ্গে প্রশাসক বলেন, তাদের আবেদন ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করে করহারকে যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণের চেষ্টা করা হবে।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের জন্য স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সচেতন নাগরিকদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন: জনমনে আতঙ্ক তৈরি করতেই ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন, কয়েকজন গ্রেফতার: ডিএমপি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন