০৬:৩২ পি.এম
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো বিশ্বকাপ মাতাতে পুরোপুরি প্রস্তুত। ৪১ বছর বয়সেও নিজের শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিন্দুমাত্র চিন্তিত নন পর্তুগিজ এই মহাতারকা। নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগেই ফিটনেস নিয়ে ভক্তদের সব চিন্তাও দূর করে দিয়েছেন পর্তুগিজ এই মহাতারকা।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে পাঁচটি ভিন্ন আসরে গোল করার অনন্য কীর্তি রয়েছে রোনালদোর। এবার তিনি গড়তে যাচ্ছেন আরও এক ইতিহাস। লিওনেল মেসির পাশাপাশি ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছেন তিনি।
৪১ বছর বয়সী রোনালদো এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে দ্বিতীয় বয়োজ্যেষ্ঠ আউটফিল্ড খেলোয়াড় হতে যাচ্ছেন। তার ওপরে আছেন কেবল ক্যামেরুনের রজার মিলা (৪২ বছর)।
আরও পড়ুন: দলের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে: আইনমন্ত্রী
দারুণ ফর্মে থেকেই বিশ্বকাপে পা রাখছেন সিআরসেভেন। বাছাইপর্বে ৫ গোল করে পর্তুগালকে মূল পর্বে তুলেছেন তিনি। এছাড়া আল-নাসেরকে সৌদি প্রো লিগের শিরোপা জেতাতেও বড় ভূমিকা রেখেছেন। ২৮ গোল করে ক্লাবের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়েছেন।
নিজের ফিটনেস নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রসিকতা করে রোনালদো বলেন, ‘‘শারীরিক অবস্থা? আমি একদম ঠিক আছি। আপনারা কি আমার (সাম্প্রতিক ম্যাচগুলো) খেলা দেখেননি?”
বিশ্বকাপের প্রস্তুতিটাও ভালো হয়েছে পর্তুগালের। গা-গরমের দুটি প্রীতি ম্যাচেই তারা জয় পেয়েছে। নাইজেরিয়া ও চিলি— দুই দলকেই ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে পর্তুগিজরা।
দলের প্রস্তুতি নিয়ে রোনালদো বলেন, ‘‘আমাদের প্রস্তুতি দারুণ হয়েছে। তবে কিছুটা ক্লান্তিকরও বটে, কারণ আমরা অনেক কঠোর পরিশ্রম করেছি।’’
আরও পড়ুন: রাজধানীর পান্থপথ, খিলক্ষেত ও ক্যান্টনমেন্টে ককটেল বিস্ফোরণ
প্রীতি ম্যাচগুলোতে জয় পেলেও মূল লড়াই নিয়ে বেশ সতর্ক সিআরসেভেন। প্রস্তুতি ম্যাচগুলোতে আমরা আধিপত্য দেখিয়েছি ঠিকই, তবে আসল পরীক্ষা শুরু হবে ১৭ তারিখ প্রথম ম্যাচের বল মাঠে গড়ালে। যখন টুর্নামেন্টের চাপ বাড়তে শুরু করবে, তখনই চেনা যাবে আসল চ্যাম্পিয়নদের।
দল নিয়ে দারুণ আশাবাদী পর্তুগিজ অধিনায়ক আরও যোগ করেন, ‘‘আমরা এই আসরের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। ইউরোর মতোই বিশ্বকাপ সবসময়ই স্পেশাল। আমরা অনেক বড় স্বপ্ন নিয়েই এখানে এসেছি। আমার বিশ্বাস, এই প্রজন্ম পর্তুগালের মানুষকে অনেক আনন্দ দেবে।’’
আগামী ১৭ জুন ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে পর্তুগাল। রোনালদোর লক্ষ্য থাকবে জয় দিয়ে টুর্নামেন্টে শুভসূচনা করা।
বিশ্বকাপে পর্তুগালের সেরা সাফল্য এসেছিল ঠিক ৬০ বছর আগে। ১৯৬৬ সালের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে তারা তৃতীয় হয়েছিল। এরপর আর মাত্র একবারই তারা সেমিফাইনালে উঠতে পেরেছে, সেটিও ২০ বছর আগে ২০০৬ সালের জার্মানি বিশ্বকাপে।
আরও পড়ুন: সরকার ৬৪ জেলায় প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠা করবে
২০০২ সাল থেকে প্রতিটি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ইউরোপের মাত্র পাঁচটি দেশের একটি পর্তুগাল। বাকি চার দল হলো ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি ও স্পেন। আর গত পাঁচ আসরের চারটিতেই নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে পর্তুগিজরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন