ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বিশ্বজুড়ে এক বছরে রেকর্ড ৩৫০ দাতব্যকর্মীর প্রাণহানি: জাতিসংঘ


বিশ্বজুড়ে এক বছরে রেকর্ড ৩৫০ দাতব্যকর্মীর প্রাণহানি: জাতিসংঘ

বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান সংঘাত ও সহিংসতার মাঝখানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় দাঁড়াতে গিয়ে গত বছর অন্তত ৩৫০ জন দাতব্যকর্মী নিহত হয়েছেন। এই দাতব্যকর্মীদের একটি বৃহৎ অংশ প্রাণ হারিয়েছে গাজা ও সুদানে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করে জাতিসংঘ মানবিক সহায়তাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাকে ‘কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়’ বলে অভিহিত করেছে।

তবে উল্লেখযোগ্য যে, এই প্রাণহানির সংখ্যা ২০২৪ সালের চেয়ে কিছুটা কম ছিল। ২০২৪ সালে বিশ্বজুড়ে ৩৭৭ জন ত্রাণকর্মী প্রাণ হারিয়েছিলেন বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: বিশ্ববাসী একদিন বাংলাদেশের উদাহরণ দেবে

বিশ্ব মানবতা দিবস উপলক্ষে এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয় বিষয়ক সংস্থা (ওসিএইচএ) এই তথ্য উপস্থাপন করেছে। গবেষণা ও পরামর্শক সংস্থা হিউম্যানিটেরিয়ান আউটকামসের জরিপের বরাত দিয়ে ওসিএইচএ এই পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে।

উল্লেখ্য, টানা তৃতীয় বছরের মতো গাজা দাতব্যকর্মীদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক স্থান হয়ে উঠেছে; সেখানে নিহত হয়েছেন প্রায় ১৮৬ জন কর্মী। এর পরের অবস্থান সুদানে, যেখানে ৭১ জন ত্রাণকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন।

জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল টম ফ্লেচার এক বিবৃতিতে বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে মাত্র তিন বছরে ১ হাজারেরও বেশি ত্রাণকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে, যা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।

তিনি আরও বলেন, তবে শুধু নিন্দা করে পরবর্তী ত্রাণকর্মীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। রাষ্ট্রগুলোকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মেনে চলতে হবে এবং বেসামরিক নাগরিক ও আমাদের সহকর্মীদের সুরক্ষায় সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে। আর যারা এই নিয়ম ভাঙবে, তাদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে।

আরও পড়ুন: ভ্যান্সকে গালিবাফের খোঁচা: বসকে এসব বলছেন না কেন?

এদিকে, ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে আরও ৮২ জন ত্রাণকর্মী নিহত, ৯৭ জন আহত এবং ৩৯ জন অপহরণের শিকার হয়েছেন। বিবৃতিতে সংঘাত-পীড়িত অঞ্চলে সশস্ত্র ড্রোনের বিস্তারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ওসিএইচএ।

সংস্থাটি বলেছে, অস্ত্রসজ্জিত এই ড্রোনগুলোর কারণে বহু মানুষের হাতে প্রাণঘাতী ক্ষমতা এসে গেছে এবং শহর-নগরগুলোতে ধ্বংসাত্মক বিস্ফোরকের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে।

সুদানের পরিস্থিতি জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে ড্রোন হামলায় দেশটিতে ৮০ শতাংশ বেসামরিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে; যা সেখানকার হাট-বাজার ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এ ছাড়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ড্রোন হামলায় প্রাণহানির বিষয়টিও উল্লিখিত হয়েছে।

টম ফ্লেচার বলেন, সশস্ত্র ড্রোন এখন এক পুরোনো বিপদের নতুন রূপ হিসেবে দেখা দিয়েছে; আর সেটি হলো—সাধারণ মানুষের জীবন ইচ্ছাকৃত বা বেপরোয়াভাবে ধ্বংস করা।

আরও পড়ুন: শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ধারণায় অর্থায়ন করবে সরকার: মাহদী আমিন

সূত্র: এএফপি।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় মেজর সাদিককে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৪৮ এম


সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় মেজর সাদিককে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি আজ

রাজধানীর খিলক্ষেত থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইন অনুযায়ী দায়ের করা মামলায় সাবেক মেজর মো. সাদিকুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের ওপর আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এদিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে বিষয়টি শুনানির জন্য উঠবে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) তারেকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, গত রবিবার সন্ধ্যায় খিলক্ষেত থানার মামলায় কারাগারে থাকা সাবেক মেজর সাদিককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। মামলার তদন্তের সঙ্গে জড়িত উপ-পরিদর্শক মো. শাহজালাল ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে এ আবেদন করেন। পরে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান মঙ্গলবার আবেদনের ওপর শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

আদালতের নথি অনুযায়ী, সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত মেজর সাদিককে ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর একটি সামরিক আদালত তিন মাসের কারাদণ্ড দেন। ওই সময় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ভাটারা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা আরেকটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন নিয়মে প্রথম শাস্তি পেলেন নেইমার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৩ এম


নতুন নিয়মে প্রথম শাস্তি পেলেন নেইমার

ম্যাচে সময় অপচয় রোধের জন্য চালু হওয়া নতুন নিয়মের প্রথম শাস্তি পেলেন নেইমার জুনিয়র। তবে এখানে তার ব্যক্তিগত কোনো দায় নেই; বরং নিয়মের জটিল ফাঁদেই আটকে গিয়েছেন সান্তোসের অধিনায়ক।

নতুন নিয়ম অনুসারে, মাঠে যদি গোলরক্ষকের চিকিৎসা নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে, তাহলে খেলা শুরুর পর আউটফিল্ডের যেকোনো একজন ফুটবলারকে ১ মিনিটের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হবে। সেই ফুটবলার কে হবে, তা ঠিক করবেন কোচ।

এটি ঠিক করার জন্য কোচের কাছে থাকবে ১০ সেকেন্ড সময়। এর মধ্যে বাইরের ফুটবলার ঠিক করতে ব্যর্থ হলে বাধ্যতামূলকভাবে অধিনায়ককে ১ মিনিটের জন্য বাইরে থাকতে হবে। এই নিয়মের কারণে মূলত ১ মিনিটের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে নেইমারকে।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগসহ বিভিন্ন ঘরোয়া টুর্নামেন্টে নতুন করে শুরু হয়েছে এই নিয়ম। আপাতত এটি পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হবে। পরে পর্যালোচনার পর স্থায়ীভাবে গ্রহণ করা হতে পারে সময়ক্ষেপণ রোধের এই নিয়ম।

ব্রাজিলের সিরি আ'তে নিজেদের সর্বশেষ ম্যাচে ভাস্কোর বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয় পায় সান্তোস। এদিন ম্যাচ চলাকালেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে হয় দলের গোলকিপার গ্যাব্রিয়েল ব্রাজাওয়ের।

পুনরায় খেলা শুরুর আগে ১০ সেকেন্ডের মধ্যে কোনো খেলোয়াড়ের নাম ঠিক করতে পারেননি সান্তোসের কোচ অ্যালেক্সি স্তিভাল (কুচা নামে পরিচিত)। ফলে বাধ্যতামূলকভাবে অধিনায়ক নেইমারকে মাঠের বাইরে চলে যেতে হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিয়ানমারে পাচারের সময় সিমেন্ট-সারসহ ফিশিং বোট জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৭ এম


মিয়ানমারে পাচারের সময় সিমেন্ট-সারসহ ফিশিং বোট জব্দ

কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় মায়ানমারে পাচারের জন্য নেওয়া বিপুল পরিমাণ সিমেন্ট ও সার আটক করেছে কোস্ট গার্ড। সোমবার দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ বিষয়টি জানিয়েছেন।

তিনি জানান, রবিবার দুপুর ১২টার দিকে কুতুবদিয়া থানার দক্ষিণ কুতুবদিয়া চ্যানেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড স্টেশন কুতুবদিয়া একটি অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহজনক একটি ফিশিং বোটে তল্লাশি চালিয়ে মায়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করা ২৫০ বস্তা সিমেন্ট এবং ৬০ বস্তা সার জব্দ করা হয়। এ জব্দ করা মালামালের আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ টাকা। সেইসাথে পাচারে ব্যবহৃত ফিশিং বোটটিও আটক করা হয়েছে।

কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিদের পালিয়ে যাওয়ার কারণে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দ করা মালামাল ও বোট পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুতুবদিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হজ করতে গিয়ে ভিক্ষা করবেন না, পাকিস্তানের নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৯ এম


হজ করতে গিয়ে ভিক্ষা করবেন না, পাকিস্তানের নির্দেশনা

সৌদি আরবে হজ বা ওমরাহ করতে গিয়ে ভিক্ষাবৃত্তিতে না জড়াতে দেশটির নাগরিকদের সতর্ক করে দিয়েছে পাকিস্তান। ১৬ আগস্ট, সৌদি আরবে অবস্থিত পাকিস্তানি দূতাবাস, হজ ও ওমরাহ করতে আসা পাকিস্তানী নাগরিকদের জন্য ভিক্ষাবৃত্তি, অননুমোদিত অর্থ সংগ্রহ এবং সৌদির ভিসা আইন লঙ্ঘন না করার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে। দূতাবাস এই বিষয়টি উল্লেখ করে বলেছে, এসব নিয়ম লঙ্ঘন করলে গ্রেপ্তার, আটক এবং ডিপোর্ট হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

পাকিস্তান দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি এআই-জেনারেটেড ভিডিও শেয়ার করেছে, যার ক্যাপশন ছিল, 'পাকিস্তান থেকে আসা সমস্ত ওমরাহ যাত্রী এবং কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।' ভিডিওতে দেখা যায়, একজন এআই-জেনারেটেড ব্যক্তিকে সৌদি কর্তৃপক্ষ গ্রেপ্তার করে জেলে নিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় আইন লঙ্ঘনের পরিণাম কেমন হতে পারে, তা বোঝাতে দূতাবাসের সতর্কবার্তার সাথে এই ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়েছে।

দূতাবাস জানিয়েছে, সৌদি কর্তৃপক্ষ পবিত্র ভূমি মক্কা ও মদিনার আশেপাশে ভিক্ষাবৃত্তি এবং অননুমোদিত অর্থ সংগ্রহের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি গ্রহণ করেছে। পাকিস্তান থেকে আসা দর্শনার্থীদের কোনো অননুমোদিত স্থানীয় সেবা গ্রহণ বা প্রদান না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আর্থিক সংগ্রহ বা সহায়তা অবশ্যই আইনি মাধ্যমের মাধ্যমে করা উচিত, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

তীর্থযাত্রী ও কর্মীদের দূতাবাস আরও মনে করিয়ে দিয়েছে যে, তাদের অবশ্যই ভিসার মেয়াদ ও শর্তাবলী মেনে চলতে হবে। বিশেষ করে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত সময় অবস্থান করা কিংবা ভিসার ক্যাটাগরির বাইরে অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত না হওয়ার জন্য নির্দিষ্টভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এ ধরনের সতর্কতা এবারই প্রথম নয়। সৌদি আরবে গিয়ে নাগরিকদের ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়ানোর সমস্যা মোকাবেলায় পাকিস্তান এর আগেও নানান উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু কিছুতেই কোনো কাজ হয়নি। হজে যাওয়ার আগে ভিক্ষাবৃত্তি না করার মুচলেকা দিলেও গিয়ে আবার ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়ানোর অভিযোগ আসছে। ধারাবাহিক এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে পাকিস্তানের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন করছে।

সৌদি কর্তৃপক্ষের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে গ্রেপ্তার হওয়া ভিক্ষুকদের একটি বিশাল অংশ পাকিস্তানি নাগরিক। সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে পাকিস্তান সরকারকে একাধিকবার আনুষ্ঠানিক সতর্কতা পাঠিয়েছে। তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যদি পাকিস্তান তাদের নাগরিকদের মাধ্যমে ভিক্ষাবৃত্তি এবং অননুমোদিত অর্থ সংগ্রহ বন্ধ না করে, তবে ভবিষ্যতে সাধারণ পাকিস্তানি নাগরিকদের জন্য হজ ও ওমরাহ ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে যাবে।

পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা তদন্তে পেয়েছে যে, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। দেশটিতে এমন কিছু সুসংগঠিত চক্র বা 'ভিক্ষুক মাফিয়া' রয়েছে, যারা দরিদ্র মানুষকে ওমরাহ বা হজের টিকিট ও ভিসা দিয়ে সৌদি আরব পাঠায় এবং বিনিময়ে তাদের উপার্জিত ভিক্ষার টাকার একটি বড় অংশ হাতিয়ে নেয়। এই চক্রগুলোকে রুখতেই সরকারের কঠোর অবস্থান নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে, পাকিস্তান ইতিমধ্যে হাজার হাজার সন্দেহভাজন ভিক্ষুককে 'নো-ফ্লাই' তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে যেন তারা দেশ ছাড়তে না পারে।

সৌদি আরব ও ইরাকের মতো দেশগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পাকিস্তানি ভিক্ষুকদের ক্রমাগত গ্রেপ্তারের কারণে সেখানকার স্থানীয় কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বন্দীর চাপ তৈরি হচ্ছে। তাই বৈধভাবে ভ্রমণকারী সাধারণ তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সৌদি আরবের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতেই পাকিস্তান দূতাবাস এই কঠোর নোটিশ এবং সতর্কতামূলক এআই ভিডিও প্রকাশ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%