১১:৫৪ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা থেকে বেঁচে যাওয়া ক্রিস্টা পাইক হাসপাতাল থেকে মুক্তি পেয়ে কারাগারে ফিরে গেছেন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) তার আইনজীবীরা এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।
৫০ বছর বয়সী পাইককে ডেবরা কে. জনসন রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়েছে। ১৯৯৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সহপাঠী কলিন স্লেমারকে হত্যা করার অভিযোগে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা করা হয়েছিল। এই সময় তাকে প্রাণঘাতী ওষুধের দুটি ডোজ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি বেঁচে যান।
আরও পড়ুন: ‘যৌন হয়রানি, ধর্মান্তরের চাপ’: আতঙ্কে পশ্চিমবঙ্গের খ্রিস্টানরা
এক পর্যায়ে পাইককে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাসের যন্ত্রে রাখা হয়েছিল। পরে তিনি জ্ঞান ফিরে পেয়ে কথা বলতে শুরু করেন এবং সহায়তা নিয়ে হাঁটতে সক্ষম হন। ডেথ পেনাল্টি ইনফরমেশন সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগের পরও বেঁচে যাওয়ার ঘটনা এটি প্রথম।
তবে, টেনেসি সংশোধন বিভাগ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা কেন ব্যর্থ হয়েছে, সে সম্পর্কে এখনও কিছু জানায়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিরায় ওষুধ প্রবাহের নল সঠিকভাবে স্থাপন না করার কারণে ওষুধ রক্তপ্রবাহে না গিয়ে শরীরের টিস্যুতে জমা হয়েছিল। পাইকের আইনজীবীরাও আদালতে দাখিল করা নথিতে নল স্থাপনে ত্রুটি থাকার অভিযোগ করেছেন।
এই ঘটনার পর টেনেসির গভর্নর বিল লি চলতি বছরে নির্ধারিত অন্য মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তারিখ স্থগিত করে ঘটনার পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া, অঙ্গরাজ্যের কারা বিভাগের প্রধান পদত্যাগ করেছেন। সূত্র: ইয়াহু
আরও পড়ুন: পাকিস্তানে মানবাধিকার আইনজীবী দম্পতির ১০ বছরের কারাদণ্ড
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন