ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

মধুপুরের সরকার পরিবারের কৃতি সন্তান মরহুম মুনসুর সরকারের আজ ৯ তম মৃত্যুবার্ষিকী


মধুপুরের সরকার পরিবারের কৃতি সন্তান মরহুম মুনসুর সরকারের আজ ৯ তম মৃত্যুবার্ষিকী

 

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার উদীয়মান, তরুণ,  সমাজ হিতৈষী, সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা, মধুপুর পৌর যুবদলের সাবেক আহব্বায়ক, মধুপুর পৌরসভার সাধারণ মানুষের আকাঙ্খার প্রতীক মোশারফ হোসেন মনি সরকারের পিতা মরহুম মনসুর আলী সরকারের আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) নবম তম মৃত্যুবার্ষিকী।
মধুপুরের ঐতিহ্যবাহী সরকার পরিবারের মরহুম ময়েজ উদ্দিন সরকারের ছেলে মুনসুর সরকার। যিনি মধুপুর সদর ইউনিয়নের জনগণের সেবায় মেম্বার হিসাবে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। মরহুম মনসুর আলী সরকারের জন্য, তার ছেলে মোশারফ হোসেন মনি সরকার মধুপুরবাসী সহ সকলের নিকট দোয়া কামনা করেছেন।

আরও পড়ুন: যুগে যুগে এমপি-মন্ত্রী আসবেন, একজন নজরুলের জন্ম হবে না: জহির উদ্দিন স্বপন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীমান্ত এলাকায় অভিযানে ইয়াবা ও ভারতীয় মদ জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১০ পি.এম


সীমান্ত এলাকায় অভিযানে ইয়াবা ও ভারতীয় মদ জব্দ

জামালপুর ৩৫ বিজিবির পৃথক এক অভিযান চলাকালে ৫৯ বোতল ভারতীয় মদ এবং ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিন জনকে আটক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দিবাগত রাতে জামালপুর ৩৫ বিজিবির আওতাধীন বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর বিওপি ও রৌমারীর ইজলামারী বিওপির বিজিবি সদস্যরা সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এসব মাদক উদ্ধার করেন।

আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন দত্তের চর গ্রামের জামরুজ আলীর ছেলে হাসানুজ্জামান (২৮), উঠানোর পাড়া গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের ছেলে মিনাল মিয়া (২৫) এবং বাট্টাজোড় নতুন বাজার এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে হোসাইন সরকার।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে জামালপুর ৩৫ বিজিবি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, বিজিবির নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে সীমান্তবর্তী ধানুয়া কামালপুরে অভিযান চালিয়ে ৯ পিস ইয়াবাসহ তিন জনকে আটক করেন।

একই রাতে ইজলামারী বিওপির বিজিবির সদস্যরা ৫৯ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেন। তবে এ সময় কাউকে আটক করা যায়নি।

এ ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, সীমান্তে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আমরা মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যেভাবে সম্পন্ন হবে খামেনির ৬ দিনের দাফন আয়োজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১২ পি.এম


যেভাবে সম্পন্ন হবে খামেনির ৬ দিনের দাফন আয়োজন

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জন্য শেষ বিদায় উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন শুরু হয়েছে তেহরানে। এই আয়োজন হত্যাকাণ্ডের চার মাসেরও বেশি সময় পর আয়োজিত হচ্ছে। ইরানি কর্মকর্তারা এই ছয় দিনব্যাপী আনুষ্ঠানিকতাকে ‘শতাব্দীর সেরা বিদায় আয়োজন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। দেশটির কর্তৃপক্ষ ধারণা করছে যে, ঐতিহাসিক এই আয়োজনে অংশগ্রহণের জন্য এক কোটি ২০ লাখ থেকে দুই কোটি মানুষের সমাগম ঘটতে পারে। ইরানের ইতিহাসে এর আগে কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের জন্য এত বড় পরিসরে প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি।

শুক্রবার, স্থানীয় সময় সকাল ছয়টায় তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় এই আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষ রবিবার বিকেল পর্যন্ত শ্রদ্ধা নিবেদনের সুযোগ পাবেন। এরপর, মঙ্গলবার অনুষ্ঠানটি স্থানান্তরিত হবে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান কোম শহরের জামকারান মসজিদে, যেখানে জানাজার নামাজে ইমামতি করবেন শিয়াদের জ্যেষ্ঠ আলেম।

ইরাকের বিভিন্ন গোষ্ঠীর অনুরোধে ও মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ধর্মীয়-রাজনৈতিক সম্পর্ক তুলে ধরার উদ্দেশ্যে বুধবার খামেনির মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে ইরাকের নাজাফে। সেখান থেকে যাত্রা করে কারবালায় ইসলামের খলিফা আলীর সমাধিস্থলে বিশেষ আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হবে। এরপর মরদেহ পুনরায় ইরানে ফিরিয়ে আনা হবে। চূড়ান্ত পর্যায়ে, আগামী বৃহস্পতিবার খামেনিকে তার জন্মশহর মাশহাদের ঐতিহাসিক ইমাম রেজার সমাধিস্থলে সমাহিত করা হবে। দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর দেশজুড়ে ৪০ দিন শোকানুষ্ঠান এবং বছরব্যাপী বিভিন্ন স্মরণসভার পরিকল্পনা রয়েছে।

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের নিয়ন্ত্রণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ‘আমাদের জেগে উঠতেই হবে’ স্লোগানকে সামনে রাখা হয়েছে। জানাজায় অংশগ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদসহ বেশ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা তেহরানে পৌঁছেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তিস্তার নতুন তীর সংরক্ষণকাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১৮ পি.এম


নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তিস্তার নতুন তীর সংরক্ষণকাজ

 

নরশিং এবং লালমনিরহাট সদর উপজেলার হরিণচড়া এলাকার নবনির্মিত তীর সংরক্ষণ বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ছবি: কালের কণ্ঠ

তিস্তার ভাঙনের ফলে গত কয়েক বছর ধরে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী মর্ণেয়া ইউনিয়নের নরশিং এবং লালমনিরহাট সদর উপজেলার হরিণচড়া এলাকার হাজারো মানুষ বারবার ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও জীবিকার শেষ সম্বল হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন। বহু আবেদন-নিবেদনের পর অবশেষে চলতি বছরে ত্রাণ উপদেষ্টা আসাদুল হাবিব দুলুর উদ্যোগে ওই এলাকায় তীর সংরক্ষণের কাজটি করে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নদীপাড়ের মানুষ একটি টেকসই বাঁধ পেয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু সেই স্বপ্নও স্থায়ী হলো না। কাজ শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই তিস্তার ভয়াল স্রোতে নদীগর্ভে বিলীন হতে শুরু করেছে নতুন নির্মিত সেই তীর সংরক্ষণকাজ। ফলে প্রায় ১ হাজার ৫০০ পরিবারের আবারও ঘরবাড়ি হারানোর শঙ্কায় নির্ঘুম রাত কাটছে।

স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক দিন ধরে তিস্তার পানি ওঠানামা করছে। আকস্মিক বন্যা, দ্রুত পানি বৃদ্ধি এবং হঠাৎ পানি কমে যাওয়ার কারণে নদীতীরবর্তী এলাকায় দুর্ভোগের পাশাপাশি ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তা সেতু রক্ষাবাঁধ ও ডান তীর রক্ষায় নির্মিত গ্রোয়েনের পাশাপাশি এবার তালপট্টি এলাকায় নতুন করে নির্মিত তীর সংরক্ষণকাজও ভাঙনের মুখে পড়েছে। এতে প্রায় ১ হাজার ৫০০ পরিবারের বসতভিটা, বিস্তীর্ণ ফসলি জমি, দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এলাকাবাসী দ্রুত জিও ব্যাগ ও কংক্রিট ব্লক ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের দাবি জানিয়েছেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে সরেজমিনে তালপট্টি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, লালমনিরহাটের আদর্শপাড়া থেকে গঙ্গাচড়ার তালপট্টি হয়ে নরশিং পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় তীর সংরক্ষণের কাজ করা হয়েছে। এই বাঁধের ওপর দিয়েই প্রতিদিন তিন গ্রামের মানুষ চলাচল করেন। কিন্তু গত রোববার থেকে তিস্তার তীব্র স্রোতে বাঁধটির বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি অংশে প্রায় এক শ মিটার বাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

নতুন নতুন স্থানে ধস দেখা দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক আরও বাড়ছে।

পশ্চিম হরিণচড়া এলাকার আব্দুল হাকিম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘দুলু মন্ত্রীক ধরি এদ্দিন পর বাঁধ হইলো। কয় মাসের মাথায় সেটাও যদি নদীত যায়, তাইলে হামারগুলার মরণ ছাড়া বুদ্দি নাই।’

নরশিং এলাকার মতলেব আলী বলেন, ‘বাঁধে যে ভয়াবহ ভাঙন শুরু হইছে, তাতে আর বেশি দিন টিকবো না। বাঁধটা ভাইঙ্গা গেলে তিন গ্রামের মানুষ আবারও পথে বসবো। হামরা খুব আতঙ্কে আছি।’

হরিণচড়া গ্রামের গৃহবধূ সেলিনা বেগম বলেন, ‘দিনে কোনো রকমে সময় কাটে, কিন্তু রাইতে ভয় লাগে বেশি। বাচ্চাগুলারে নিয়ে ঘুমাইতে পারি না। মনে হয় কখন আবার নদী আইসা ঘরটা ভাসাইয়া নেয়। আর নতুন কইরা ঘর হারাইতে চাই না।’

তালপট্টি এলাকার নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘বাঁধটা হওয়ার পর মনে হইছিল এবার বুঝি শান্তিতে থাকমু। কিন্তু এখন চোখের সামনে সেই বাঁধই নদীত যাইতেছে। ভাঙন যদি এভাবেই চলতে থাকে, আবার ঘরবাড়ি সরাইতে হইবো।’

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, ‘ওই এলাকায় তীর সংরক্ষণের কাজ করা হলেও বরাদ্দ সীমিত থাকায় প্রয়োজনের তুলনায় কম অংশে কাজ করা সম্ভব হয়েছে। কয়েক দিন ধরে সেখানে ভাঙন শুরু হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে প্রায় ৬ হাজার জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙনরোধের কাজ চলমান রয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে আরো জিও ব্যাগ ও অন্যান্য প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগও গ্রহণ করা হচ্ছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কা, বাড়তে পারে চরম আবহাওয়া: জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৬ পি.এম


শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কা, বাড়তে পারে চরম আবহাওয়া: জাতিসংঘ

জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ঘটনা এল নিনো দ্রুত শক্তিশালী রূপ নেবে। এর ফলে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি বাড়বে বলে শুক্রবার সতর্কতা জানিয়েছে জাতিসংঘের আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক সংস্থা।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানায়, এল নিনো ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং আগামী কয়েক মাসে এটি দ্রুত শক্তিশালী হবে। তাই সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় দেশগুলোকে প্রস্তুত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

জেনেভা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর জানায়।

এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ঘটনা। এতে নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে বাতাসের প্রবাহ, বায়ুচাপ ও বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন আসে।

সাধারণত প্রতি দুই থেকে সাত বছর পরপর এল নিনো দেখা দেয় এবং এর স্থায়িত্ব থাকে প্রায় নয় থেকে ১২ মাস।

জলবায়ুর এ অবস্থার পরিবর্তন এল নিনো ও এর বিপরীত অবস্থা লা নিনার মধ্যে ওঠানামা করে। মাঝখানে থাকে নিরপেক্ষ পরিস্থিতি।

ডব্লিউএমওর মাসিক ‘গ্লোবাল সিজনাল ক্লাইমেট আপডেট’-এ বলা হয়েছে, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে এল নিনো দ্রুত শক্তিশালী পর্যায়ে পৌঁছাবে।

জাতিসংঘের সংস্থাটি এল নিনোকে দুর্বল, মাঝারি, শক্তিশালী ও অতি শক্তিশালী, এই চারটি শ্রেণিতে ভাগ করে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ অর্থাৎ ‘শক্তিশালী’ পর্যায়ে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ডব্লিউএমও বলেছে, ‘ক্রান্তীয় প্রশান্ত মহাসাগরে এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে এটি দ্রুত শক্তিশালী হবে। এর ফলে বিশ্বের বহু অঞ্চলে চরম আবহাওয়ার ঘটনা ঘটার আশঙ্কা বাড়বে।’

জেনেভাভিত্তিক সংস্থাটি জানায়, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় জলবায়ু কেন্দ্রগুলোর বিভিন্ন মডেলভিত্তিক পূর্বাভাসে নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলে সমুদ্রের তাপমাত্রা ধারাবাহিক ও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ার ইঙ্গিত মিলেছে।

সংস্থাটি বলেছে, ‘পর্যবেক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে মৌসুমভিত্তিক গড় সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রার অস্বাভাবিকতা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হতে পারে।’

ডব্লিউএমও জানায়, বিভিন্ন মডেলের পূর্বাভাসে উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে। ফলে এ পূর্বাভাসের বিষয়ে উচ্চমাত্রার আস্থা রয়েছে।

সংস্থাটি আরও বলেছে, ‘উত্তর গোলার্ধের শরৎকালজুড়ে এল নিনো আরও শক্তিশালী হবে। এর প্রভাব বিশ্বের বহু অঞ্চলে বিস্তৃত হবে।’

‘এদিকে নিরক্ষীয় আটলান্টিক মহাসাগরীয় অববাহিকার তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’

সর্বশেষ এল নিনো ২০২৩ সালকে রেকর্ডের দ্বিতীয় উষ্ণতম বছর এবং ২০২৪ সালকে শিল্পপূর্ব ১৮৫০-১৯০০ সময়ের গড়ের তুলনায় প্রায় ১ দশমিক ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি তাপমাত্রাসহ ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ বছর হতে ভূমিকা রাখে।

সাধারণত নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে এল নিনো সর্বোচ্চ শক্তিতে পৌঁছায়। তবে এর ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব পরে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

ডব্লিউএমওর মহাসচিব সেলেস্তে সাউলো বলেন, ‘এল নিনো পরিস্থিতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং এটি দ্রুত শক্তিশালী ঘটনায় পরিণত হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এর ফলে অনেক অঞ্চলে খরা, ভারী বৃষ্টিপাত, স্থলভাগে তাপপ্রবাহ এবং সমুদ্রে তাপপ্রবাহের ঝুঁকি আরও বেড়ে যাবে।’

ডব্লিউএমও জানায়, বিশেষ করে কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতের মতো জলবায়ু-সংবেদনশীল খাতে প্রস্তুতি জোরদারে আগাম সতর্কীকরণ সহায়তা আরও বাড়ানো হচ্ছে।

সাউলো বলেন, ‘জীবন রক্ষা এবং অর্থনীতি ও জনপদের ওপর প্রভাব কমাতে উন্নত মৌসুমি পূর্বাভাস ও আগাম সতর্কবার্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%