১০:০১ এম
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন সমাপ্ত হওয়ার পর, কয়েক ঘণ্টা না যেতেই দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে একাধিক সিরিজ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুশেহর প্রদেশে অবস্থিত বেসামরিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সহ বিভিন্ন সামরিক সদর দফতরে এই হামলা পরিচালিত হয়েছে।
ইরানি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, বুশেহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত একটি সামরিক সদর দফতরে মার্কিন-ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র এসে আঘাত হেনেছে। বুশেহর প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর এহসান জাহানিয়ান হামলার বিষয়ে নিশ্চিত করে বলেছেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন স্থানে, যেমন চোগাদক শহরের সামরিক ঘাঁটিতে এবং একটি মাছ ধরার ঘাটে এই হামলা সংঘটিত হয়েছে। তবে এ পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সেই সঙ্গে, কোনারাক নামক দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরে একই সময়ে তিনটি ভয়াবহ বিস্ফোরণের শব্দ রিপোর্ট করা হয়েছে।
এই ঘটনার ফলশ্রুতিতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এই হামলার সঙ্গে তাদের কোনও সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন কর্মকর্তা শনাক্ত করেছেন যে, এই সাম্প্রতিক হামলার পেছনে ওয়াশিংটনের কোন হাত নেই। অন্যদিকে, ইরানও এখন পর্যন্ত কোনও নির্দিষ্ট দেশকে এই হামলার জন্য দায়ী করেনি। তবে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বিভিন্ন সামরিক অনুষ্ঠানে ইরানে আবারও পূর্ণ শক্তিতে সামরিক অপারেশন শুরু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, আকাশে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখতে এবং হুমকি পরিহার করতে ইসরায়েলি বাহিনী ইরানে তৃতীয় বার আঘাত হানতে প্রস্তুত।
আরও পড়ুন: মাদকচক্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আখতারুজ্জামানের ছেলের ওপর হামলা
এর আগে, গত মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালীতে এখানে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানে ব্যাপক বিমান হামলা চালায়। ওই হামলার পরে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক বাতিল করার ঘোষণা দেন। ট্রাম্প পরিষ্কার জানিয়ে দেন যে, ইরানের সঙ্গে এই চুক্তি বহাল রাখা সময়ের অপচয় ব্যতীত কিছুই নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন