প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টানা ভারী বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যার ফলে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে যায়। এ কারণে কয়েক হাজার বসতবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। বলা হচ্ছে, এতে ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। অনেকগুলি পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিতে বাধ্য হয়েছেন।
এমন এক কঠিন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে দীঘিনালা মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা কমিটির সদস্যরা বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা ও আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেন। এরপর তারা তাদের মাঝে ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেন।
এই সময় বন্যাদুর্গত পরিবারের মধ্যে চাল, ডাল, তেল, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, বিশুদ্ধ পানি, খাবার স্যালাইন ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি শিশু, বয়স্ক, নারী ও অসুস্থ ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যগত অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়।
পরিচালনা কমিটির সদস্যদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা কেউ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দীঘিনালা মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টারে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে। তারা উল্লেখ করেছেন যে, মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দীঘিনালা মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টারের পরিচালনা কমিটির সদস্যরা আরো বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব। শুধু ত্রাণ বিতরণ নয়, স্বাস্থ্যসেবাও যাতে কেউ থেকে বঞ্চিত না হন, সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি। প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতেও বিনামূল্যে চিকিৎসা ও মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখা হবে।
ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা পেয়ে বন্যাকবলিত মানুষ তাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। স্থানীয়দের মতে, দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে এমন মানবিক উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন