০৩:০০ পি.এম
ডারউইন টেস্টে বল হাতে আগুন ঝরিয়েছিলেন হাসান মাহমুদ। আর এবার ম্যাকাইয়ের বাইশ গজে ইতিহাস লিখলেন শরিফুল ইসলাম।
অস্ট্রেলিয়া সফর বাংলাদেশের এই দুই তরুণ পেসারের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকলেও, দ্বিতীয় টেস্টে শরিফুল এমন এক অসাধ্য সাধন করেছেন। যা টেস্ট ক্রিকেটের সমৃদ্ধ ইতিহাসে আর কোনো ক্রিকেটার করে দেখাতে পারেননি!
আরও পড়ুন: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এনআইডি দেওয়ার পরিকল্পনা ইসির
ম্যাকাই টেস্টে টপ অর্ডার থেকে মিডল অর্ডার—সবাই যখন ড্রেসিংরুমে ফেরার তাড়নায় ব্যস্ত, তানজিদ হাসান থেকে শুরু করে মেহেদী হাসান মিরাজরা যখন একের পর এক ব্যর্থ, তখন একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন শেষ ব্যাটার শরিফুল।
ব্যাট হাতে ১৯ বলে ৩ চারে করেছিলেন মাত্র ১৪ রান। টেস্ট ইতিহাসে ১১ নম্বরে নেমে দলের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক হওয়ার ১৩তম ঘটনা ছিল এটি, বাংলাদেশের হয়ে যা দুই দশক আগে একবারই করে দেখিয়েছিলেন তালহা জুবায়ের।
তবে আসল রোমাঞ্চ তখনও বাকি ছিল। ব্যাটিং শেষে বল হাতে নিয়ে যা করলেন, তাতেই জন্ম হলো এক নতুন বিশ্বরেকর্ডের! ইনিংসের একাদশে নেমে দলের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক হওয়ার পর একই ইনিংসে বল হাতে ফাইফার (৫ উইকেট) নেওয়ার অনন্য কীর্তি গড়ার একমাত্র নজির এখন শরিফুলের।
ফ্রেডেরিক স্পোফোর্থ, অ্যাস্টন অ্যাগার, কিংবা নাথান লায়নদের মতো ক্রিকেট কিংবদন্তিরা ১১ নম্বরে নেমে সর্বোচ্চ রান করলেও একই ম্যাচে বল হাতে পাঁচ উইকেট পাননি।
আরও পড়ুন: ফিনল্যান্ডে নিখোঁজ ২৪ দিন পর নাফিস ইস্কান্দারের মরদেহ উদ্ধার
অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে শরিফুল সময় নেননি একেবারেই। নিজের প্রথম ওভারেই দুই বিপজ্জনক ব্যাটার ট্র্যাভিস হেড ও মার্নাস লাবুশেনকে ড্রেসিংরুমের পথ দেখান তিনি।
চা বিরতির পর দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে জমে যাওয়া জুটি ভেঙে এলবিডব্লিউ করেন স্টিভ স্মিথকে।
এরপর যেন স্রেফ ঘূর্ণিঝড় বইয়ে দিলেন! মাত্র ৫ বলের ব্যবধানে বিউ ওয়েবস্টার ও অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে সাজঘরে পাঠিয়ে তুলে নেন ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ফাইফার। পরবর্তীতে মিচেল স্টার্ককেও নিজের শিকার বানিয়ে প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট পকেটে পুরেন এই টাইগার স্পিডস্টার।
আরও পড়ুন: ছুটি ছাড়াই ৪২ শিক্ষককে নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণে দুই সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন