ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

উখিয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্রসহ ৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধার


উখিয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্রসহ ৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে অভিযান চালিয়ে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) একটি জি-থ্রি রাইফেল, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ এবং প্রায় ১২ লাখ টাকা মূল্যের ৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উখিয়া ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম।

বিজিবি সূত্র জানায়, বুধবার দুপুর ২টার দিকে পালংখালী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ বাহারপাড়া সীমান্তবর্তী নাফ নদীর শূন্যরেখা এলাকায় মিয়ানমার থেকে জেলের বেশে নৌকাযোগে কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তির গতিবিধি নজরে আসে।

আরও পড়ুন: ঢাকায় গিয়ে ৫ দিন ধরে নিখোঁজ শিশু ইমাম, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি

বিষয়টি শনাক্ত করে টহলরত বিজিবির একটি বিশেষ দল দ্রুত নাফ নদীসংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় অবস্থান নেয়।

এসময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে সশস্ত্র দলটি পালানোর চেষ্টা করলে উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

একপর্যায়ে অস্ত্রধারীরা নৌকা ফেলে নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়।

পরে বিজিবি সদস্যরা পরিত্যক্ত নৌকাটি জব্দ করে তল্লাশি চালিয়ে একটি জি-থ্রি রাইফেল, তিনটি জি-থ্রি খালি ম্যাগাজিন, তিনটি ফাইবার ম্যাগাজিন, ৫১৫ রাউন্ড গুলি, একটি মোবাইল ফোন, দুটি এয়ারটেল সিম, ৪ হাজার পিস ইয়াবা, একটি জি-থ্রি পোচ, দুটি লুঙ্গি, একটি কলার গেঞ্জি, ২০ টাকা নগদ অর্থ এবং ১২ প্যাকেট সিগারেট উদ্ধার করেন।

আরও পড়ুন: কোম্পানীগঞ্জে মাটিবাহী ট্রাকের চাপায় মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু

বিজিবি আরও জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, গত ৩০ মে হ্নীলা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ কাব্যিক চর এলাকায় দুই জেলে বেশধারী রোহিঙ্গার কাছ থেকে ইয়াবা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় জড়িত যে সশস্ত্র দলটি হামলা চালিয়েছিল, বুধবারের ঘটনায় অংশ নেওয়া দলটি সেই একই গ্রুপ।

ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসির মধ্যে লুকিয়ে আছে তারুণ্যের মূল চাবিকাঠি, জানুন কেন এটি জরুরি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ এম


হাসির মধ্যে লুকিয়ে আছে তারুণ্যের মূল চাবিকাঠি, জানুন কেন এটি জরুরি?

 

সুন্দর ও তাজা ত্বক বজায় রাখতে প্রসাধনীর তুলনায় প্রাণখোলা হাসি অনেক বেশি কার্যকর। কারণ প্রাণখোলা হাসির মাধ্যমে মুখের পেশিগুলো প্রাকৃতিকভাবে টান টান হয়ে থাকে এবং এটি ত্বকে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে দেয়, যা বয়সের প্রভাব ও বলিরেখা পড়তে না দিতে সহায়তা করে।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বার্ধক্য আসবান। তবে বার্ধক্যের প্রতিকারের জন্য রয়েছে বিভিন্ন পন্থা। এখানে রূপচর্চার নানা পদ্ধতি এবং অ্যান্টি-এজিং ক্রিম রয়েছে। তবে বিজ্ঞান বলে, শুধুমাত্র রূপচর্চা নয়, রূপ ধরে রাখার আসল চাবিকাঠি হতে পারে একগাল হাসি।

যদি বলা হয়— এমন একটি পদ্ধতি আছে, যেখানে বয়স বাড়লেও বার্ধক্য আসবে না, মুখে থাকবে প্রাণবন্ততা এবং দীপ্তি! তবে কি আপনি এ কথা বিশ্বাস করবেন? বয়স বাড়লে বার্ধক্য আসবেই, কিন্তু বিজ্ঞান বলে— মাত্র রূপচর্চার পাশাপাশি রূপ ধরে রাখার প্রকৃত চাবিকাঠি হচ্ছে প্রাণখোলা হাসি।

কারণ হাসি মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। হাসি মনের অবস্থাকে ভাল রাখতে পারে। এমনকি হাসি সুখী করায় হরমোনের নিঃসরণের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এবং সেই হাসির ভাবেই তারুণ্য বজায় রাখার উপায় হতে পারে প্রাণখোলা হাসি।

আবার হাসির সঙ্গে মুখের গঠন সম্পর্কও রয়েছে। বয়সকালে যখন চোয়ালের হাড় ক্ষয় হয় এবং দাঁত ভেঙে যায়; তখন মুখের গঠন কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে যায়। যখন হাড় ক্ষয়ে যায়, তখন মুখের ত্বকও আলগা হয়ে শুরু করে। হাসি সুন্দর করার জন্য দাতের প্রতি খেয়াল রাখা অপরিহার্য। নিয়মিত দাঁত মাজা এবং খাওয়ার পর মুখ ধোয়া জরুরি। কারণ ভিটামিন এ, সি ও ক্যালশিয়াম যুক্ত খাবার দাঁত ভালো রাখতে সহায়তা করে।

নির্মল হাসি মুখে সৌন্দর্য যোগ করে, ঠিক তেমনি হাসির সঙ্গে স্নায়ুর যোগও রয়েছে। চলুন তাহলে দেখি—

প্রথমত, যখন কেউ অনাবিল হাসি দেয়, তখন মুখের পেশি টান টান হয়ে যায়। এতে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। কোনো অস্ত্রোপচার বা দামি ক্রিম ছাড়াই মুখের পেশি সতেজ হয়ে উঠে। ফলে মুখের চেহারা অনেক বেশি সুন্দর হয়ে দেখা যায়।

দ্বিতীয়ত, মানসিক চাপের কারণে কপাল কুঁচকে যায় এবং বলিরেখা পড়তে শুরু করে। চিন্তা-ভাবনার ফলে ঘুমের ব্যাঘাত হতে পারে এবং হরমোনের ভারসাম্যও নষ্ট হয়ে যায়। আবার যদি কেউ খুলে হাসে, তখন মস্তিষ্কে এন্ডরফিন, সেরোটোনিনের মতো ‘হ্যাপি হরমোন’ নিঃসরণের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। স্ট্রেস হরমোন হিসেবে পরিচিত কর্টিসলের নিঃসরণ কমে যায়। ফলে হাসলে মানসিক চাপ মুক্ত থাকা সম্ভব হয়। এর প্রতিফলন চোখ ও মুখেও প্রতিভাত হয়ে উঠে।

আর ত্বকের অন্যতম মৌলিক উপাদান হলো কলাজেন নামক প্রোটিন। আপনি হাসলে, ত্বকে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়, পেশির ব্যায়াম হয়। এর ফলে কলাজেনের নিঃসরণ স্বাভাবিক থাকে এবং ত্বক সতেজ ও সুন্দর দেখায়। আরও কিছু বলা দরকার, হাসলে মন ভালো থাকে। ফলে রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে। মন ফুরফুরে থাকার কারণে শরীরও ভালো থাকে এবং তার প্রভাব মুখেও দেখা যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম-সিলেটের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ এম


৬ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম-সিলেটের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে

কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলস্টেশনে প্ল্যাটফর্ম দখল করে ২ গ্রামবাসীর মাঝে সংঘর্ষ ঘটেছে। প্রায় ৬ ঘণ্টা পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম -সিলেট-কিশোরগঞ্জ রেলপথে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দিবাগত রাত ১টা ৫০ মিনিটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আবু ইউসুফ এ তথ্য জানিয়েছেন যে, রাত ১টা ৫০ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী মহানগর গোধূলি ট্রেন চলাচলের মাধ্যমে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

সংঘর্ষের কারণে বিভিন্ন স্টেশনে ৫টি আন্তঃনগর ট্রেন আটকে ছিল, এবং এতে যাত্রীদের চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হয়।

সংঘর্ষে ৮ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ, সেনাবাহিনী, র‍্যাব, রেলপুলিশ ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীকে ছুটে আসতে হয়েছে।

ঘটনাটি সূত্রে জানা গেছে, ১৪-১৫ দিন আগে পৌর এলাকার পঞ্চবটী ও জগন্নাথপুরের বালক ও যুবকদের মাঝে একটি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই খেলায় ২ গ্রামবাসীর ছেলেদের মাঝে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ঝগড়া বাধে।

ঝগড়ার জেরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জগন্নাথপুরের সোহেল মিয়ার ছেলে লিয়ামকে (১৭) পঞ্চবটীর ছেলেরা হামলা করে আহত করে। আহত হওয়ার খবর জগন্নাথপুর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ভৈরব রেলস্টেশনে ১ ও ২ নম্বর প্ল্যাটফর্ম দখল করে ২ গ্রামবাসী ঝগড়ায় লিপ্ত হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে প্রথমে রেল পুলিশ, পরে ভৈরব থানা পুলিশ, ভৈরব র‍্যাব ক্যাম্পের সদস্য, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে ২ দলের সংঘর্ষ থামানোর চেষ্টা করে।

চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা মহানগর গোধূলি, সিলেট থেকে ছেড়ে আসা পারাবত এক্সপ্রেস, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কিশোরগঞ্জগামী এগারোসিন্ধুর গোধূলি, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী মহানগর এক্সপ্রেস এবং ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ভৈরবগামী নরসিংদী কমিউটার- এ ৫টি ট্রেন রাত দেড়টা পর্যন্ত আটকে থাকে।

যাত্রীদের মধ্যে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষের সময় ভৈরব রেলস্টেশনে শত শত যাত্রী দৌড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করে।

ভৈরব রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাইদ জানান, "আমরা কয়েক দফা চেষ্টা করে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুয়াডাঙ্গায় পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুরকে গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১১ এম


চুয়াডাঙ্গায় পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুরকে গ্রেফতার

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার নতিপোতা গ্রামে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে, যার নাম ওমর আলী (৫৯)।

বৃহস্পতিবার, ৪ জুন তারিখে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় গ্রেফতার ওমর আলী ওই গ্রামের নুহু নবী শেখের পুত্র।

পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ২০ মে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ভুক্তভোগী তার শিশু সন্তানকে নিতে শ্বশুর ওমর আলীর ঘরে যান। এই সময় ওমর আলী তার মুখ চেপে ধরে এবং ধর্ষণ করে। ঘটনার পরে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের কাছে বিচার প্রার্থনা করলেও, সঠিক সুরাহা না পেয়ে তিনি ২১ মে বাবার বাড়ি রংপুরে চলে যান। সেখানে তিনি শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার কারণে ২২ মে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। ১৫ দিন পর, বুধবার, ৩ জুন দিবাগত রাতে ভুক্তভোগী শ্বশুর ওমর আলীর নাম উল্লেখ করে দামুড়হুদা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে অভিযুক্তকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে।

দামুড়হুদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি নিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে আমলী দামুড়হুদা আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তীব্র গরমে আমের আইসক্রিম বাড়িতে নিজে বানান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২১ এম


তীব্র গরমে আমের আইসক্রিম বাড়িতে নিজে বানান

তীব্র গরমের দিনে, এক বাটি ঘরে তৈরি আমের আইসক্রিমের চেয়ে আরামদায়ক কিছু হতে পারে না! আমের চমৎকার স্বাদ, সুবাস এবং প্রাকৃতিক মিষ্টিবোধ একটি সাধারণ হিমায়িত ডেজার্টকেও অন্যরকম করে তুলতে পারে।

যদি আপনি আইসক্রিমকে একদম রিচ, ক্রিমি এবং প্রাকৃতিকভাবে সুস্বাদু করতে চান, তাহলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সঠিক আমটি নির্বাচন করা। আমের জাতভেদ ভেদে মিষ্টির পরিমাণ, আঁশ এবং রসের তারতম্য লক্ষ্য করা প্রয়োজন, যা আইসক্রিমের চূড়ান্ত টেক্সচার বা গঠনের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। কিছু আম খুব সহজেই ব্লেন্ড হয়ে মখমলে রূপ নেয়, আবার কিছু আম ব্যবহারের ফলে আইসক্রিম আঁশযুক্ত বা অতিরিক্ত জল-জমাট হয়ে যেতে পারে। তাই বাজারে সঠিক আমটি চেনা এবং কিছু সহজ টিপস জানা থাকলে বাড়িতে তৈরি করা সম্ভব সুস্বাদু ম্যাঙ্গো আইসক্রিম।

সঠিক আম যেভাবে নির্বাচন করবেন:

প্রাকৃতিক মিষ্টি আম বেছে নিন: আমটি যথেষ্ট মিষ্টি হলে রেসিপিতে বাড়তি চিনির প্রয়োজন কমে যায়। আইসক্রিমের সমৃদ্ধ স্বাদ ও প্রাকৃতিক মিষ্টিভাবের জন্য আলফনসো এবং কেসর জাতের আম বেশ জনপ্রিয়। ভারতে বহুল জনপ্রিয় এই আমগুলো বর্তমানে বাংলাদেশেও পাওয়া যাচ্ছে।

আঁশযুক্ত আম এড়িয়ে চলুন: আঁশযুক্ত আম দিয়ে আইসক্রিম বানালে তা মসৃণ না হয়ে মুখে খসখসে লাগতে পারে। আইসক্রিমকে নরম ও সিল্কি করতে সবসময় মসৃণ শাঁসের আম বেছে নিন।

সুবাস পরীক্ষা করুন: পাকা আমের বোঁটার কাছে একটি চমৎকার ফলদ ঘ্রাণ পাওয়া যায়। তীব্র ও স্বাভাবিক সুবাসের মানে হলো ফলটি পরিপূর্ণভাবে পেকেছে এবং এটি স্বাদে ভরপুর।

উজ্জ্বল ও পাকা আম নিন: আলতো করে চাপ দিলে আমটি কিছুটা নরম অনুভূত হওয়া উচিত। বেশি পেকে যাওয়া আমে একটা গাঁজন বা টক ভাব চলে আসতে পারে, আবার কাঁচা আম আইসক্রিমে অপ্রয়োজনীয় টক স্বাদ যোগ করতে পারে।

গাঢ় হলুদ বা কমলারঙা শাঁসকে প্রাধান্য দিন: আমের ভেতরের অংশ উজ্জ্বল রঙের হলে আইসক্রিমে চমৎকার একটি প্রাকৃতিক রঙ আসে। কোনো কৃত্রিম রঙ ছাড়াই এটি আইসক্রিমকে আকর্ষণীয় ও লোভনীয় করে তোলে।

সেরা টেক্সচার পাওয়ার উপায়:

ঠাণ্ডা আমের পাল্প ব্যবহার করুন: ঠাণ্ডা আমের পিউরি বা পাল্প ক্রিম ও দুধের সঙ্গে খুব ভালোভাবে মিশে যায় এবং মিশ্রণটিকে সমানভাবে জমতে সাহায্য করে।

পুরোপুরি মসৃণ হওয়া পর্যন্ত ব্লেন্ড করুন: আম খুব ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিলে মিশ্রণে বরফের দানা তৈরি হয় না এবং আইসক্রিম মুখে দিলে একদম মিলিয়ে যায়।

সতর্কতার সঙ্গে ফ্রেশ ক্রিম মেশান: ফ্রেশ ক্রিম আইসক্রিমকে রিচ এবং সফট টেক্সচার দেয়, যা ডেজার্টটিকে অতিরিক্ত ভারী না করেই নরম রাখে।

ধাপে ধাপে ফ্রিজিং করুন: ফ্রিজে জমার প্রক্রিয়ার মাঝে মিশ্রণটি একবার বা দুবার বের করে ভালো করে নেড়ে দিলে আইসক্রিমের টেক্সচার হালকা হয়।

অতিরিক্ত পানি মেশানো থেকে বিরত থাকুন: আমে পানির পরিমাণ বেশি থাকলে আইসক্রিমে বরফ জমে যায় এবং এর ক্রিমভাব নষ্ট হয়।

আইসক্রিম তৈরির সময় মনে রাখার মতো কিছু টিপস:

১. মৌসুমী তাজা আম ব্যবহার করুন: কোল্ড স্টোরেজে রাখা বা কৃত্রিম উপায়ে পাকানো আমের তুলনায় মৌসুমের তাজা আমের স্বাদ ও মিষ্টি ভাব সর্বদা সেরা।

২. মেশানোর আগে পিউরি চেখে নিন: ক্রিম বা চিনি যোগ করার আগে আমের পিউরিটা একবার চেখে দেখা উচিত। কারণ একেক জাতের আমের মিষ্টির মাত্রা ভিন্ন ভিন্ন হয়।

৩. সামান্য এলাচ বা জাফরান দিন: সামান্য এক চিমটি এলাচ গুঁড়ো বা জাফরান আমের আসল স্বাদকে আড়াল না করেই এর সুগন্ধ বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে।

৪. এয়ারটাইট কন্টেনারে সংরক্ষণ করুন: সঠিক পাত্রে ঢাকনা বন্ধ করে রাখলে ফ্রিজের ভেতরের অন্য খাবারের গন্ধ আইসক্রিমে ছড়ায় না এবং দীর্ঘদিন এর সতেজতা বজায় থাকে।

৫. পরিবেশনের আগে কিছুটা সময় দিন: ফ্রিজ থেকে বের করেই সরাসরি স্কুপ না করে কিছু সময় বাইরে রেখে দিন। এতে আইসক্রিম কিছুটা নরম হবে এবং দারুণ মখমলে টেক্সচারে পরিবেশন করা যাবে।

পরিশেষে বলা যায়, সঠিক আম বেছে নেওয়ার ওপরই নির্ভর করে ঘরোয়া আইসক্রিমের স্বাদ। এটি মিষ্টি, ফ্লেভার এবং ক্রিমভাবের এমন এক নিখুঁত ভারসাম্য তৈরি করে, যার ফলে প্রতিটি চামচেই পাওয়া যায় আসল তৃপ্তি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%