ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

কুমিল্লায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক ও শিশুসহ ২ জন নিহত


কুমিল্লায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক ও শিশুসহ ২ জন নিহত

কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু ঘটেছে, যার মধ্যে একজন মোটরসাইকেল আরোহী যুবক এবং একজন শিশু রয়েছে। সোমবার দুপুরে বুড়িচং ও দেবিদ্বার উপজেলায় দুটি দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে একটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল সজোরে ধাক্কা দেয়। এই দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী রাফি (২৩) ঘটনাস্থলেই মারা যান। নিহত রাফি চান্দিনা উপজেলার এতবারপুর এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে।

ময়নামতি ক্রসিং হাইওয়ে থানার ওসি রুহুল আমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে।"

আরও পড়ুন: মাদকের আসামি ধরতে গিয়ে এএসআই পিস্তল হারালেন, সন্ধান দিলে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার

অন্যদিকে, একই দিন বিকেলে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের দেবিদ্বার উপজেলার ছোটশালঘর এলাকায় একটি দ্রুতগতির ট্রাকের চাপায় এক পথচারী শিশু নিহত হয়। নিহত শিশুটির নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

হাইওয়ে পুলিশ উভয় ঘটনার পর দুর্ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং ঘাতক গাড়ি ও চালকদের শনাক্ত করতে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিসিটি পরিচালনায় সাইফ পাওয়ারটেকের মেয়াদ বাড়ল আরো তিন সপ্তাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ এম


সিসিটি পরিচালনায় সাইফ পাওয়ারটেকের মেয়াদ বাড়ল আরো তিন সপ্তাহ

চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) পরিচালনায় সাইফ পাওয়ারটেকের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক) চুক্তির মেয়াদ তিন সপ্তাহ বৃদ্ধি করেছে। নতুন অপারেটর নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান থাকায় বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আগের চুক্তি অনুযায়ী, সোমবার সিসিটি পরিচালনায় সাইফ পাওয়ারটেকের দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে নতুন অপারেটর নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ তিন সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিবহন দপ্তর থেকে এ বিষয়ে গতকাল একটি চিঠি জারি করা হয়।

বন্দর পরিবহন পরিচালকের পক্ষে জারি করা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আগের চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ২ নভেম্বর সাইফ পাওয়ারটেকের কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অপারেটর নিয়োগের কার্যক্রম চলমান থাকায় বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার স্বার্থে চুক্তির মেয়াদ তিন সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, আগের চুক্তির নিয়ম ও শর্ত অনুযায়ী সাইফ পাওয়ারটেক আরো তিন সপ্তাহ সিসিটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে। ৩ নভেম্বর থেকে নতুন মেয়াদ কার্যকর হবে। নতুন অপারেটর নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে সিসিটির গুরুত্ব অপরিসীম। ২০১৯ সালের ১৭ অক্টোবর থেকে সাইফ পাওয়ারটেক সিসিটি পরিচালনা করে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাহক ধরা পড়ে, কারবারিরা আড়ালেই থেকে যায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ এম


বাহক ধরা পড়ে, কারবারিরা আড়ালেই থেকে যায়

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বর্ণ চোরাচালানের বিভিন্ন কৌশল ধরা পড়েছে, যা যাত্রীর লাগেজ, শরীর, বিমানের আসনের নিচে কিংবা শৌচাগারে ঘটছে। একটিমাত্র চালানে ১০৫ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শত শত ঘটনায় স্বর্ণ জব্দ হয়েছে। বাহক ও যাত্রীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মামলাও হয়েছে। তবে, এসব চালানের অর্থদাতা, প্রকৃত মালিক এবং গন্তব্যে স্বর্ণ গ্রহণকারীদের শনাক্ত করার ক্ষেত্রে সাফল্য খুবই সীমিত। ফলে, বাহকরা ধরা পড়লেও চোরাচালানের মূল হোতারা আড়ালে থেকে যাচ্ছেন।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত ২৬২টি ঘটনায় মোট ১৬১ দশমিক ৭২৭ কেজি স্বর্ণ জব্দ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় বাহক বা যাত্রী হিসেবে সংশ্লিষ্ট ২৫২ জনের মধ্যে ১৯৭ জন পুরুষ এবং ৫৫ জন নারী। এছাড়া, ১০টি চালান পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, শুধুমাত্র বাহক বা পরিবহনকারীদের গ্রেপ্তার করে চোরাচালানের পুরো চক্র ভাঙা সম্ভব নয়। অর্থদাতা, চালানের প্রকৃত মালিক এবং স্বর্ণের গ্রহণকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বিল্লাল হোসেন মন্তব্য করেন, "স্বর্ণ চোরাচালানের ঘটনায় যারা গ্রেপ্তার হচ্ছেন, তাদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করা গেলে এ ধরনের অপরাধ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতো।"

নগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-বন্দর) উপকমিশনার কাজী আবদুর রহীম বলেন, "স্বর্ণ চোরাচালানের মামলা তাদের কাছে এলে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হয়। অনেক সময় মূল হোতাদেরও সামনে আনা হয়।" তবে তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর এ ধরনের কোনো মামলা এসেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি।

এক চালানে ১০৫ কেজি স্বর্ণ

শাহ আমানত বিমানবন্দরে ২০১৪ সালের ২৫ মার্চ বড় চালান জব্দের ঘটনা ঘটে। দুবাই থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি উড়োজাহাজের যাত্রীদের আসনের নিচে ৯০২টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। সে স্বর্ণের মোট ওজন ছিল প্রায় ১০৫ কেজি এবং এর তৎকালীন বাজারমূল্য ছিল প্রায় ৪৫ কোটি টাকা। এ ঘটনায় ১০ জনকে আটক করা হয়।

একই বছরের ১৪ জুন কাস্টমস লাউঞ্জে পরিত্যক্ত বাক্স থেকে ১৩৮টি এবং ৪ সেপ্টেম্বর ব্যাংকক থেকে আসা একটি ফ্লাইটের শৌচাগার থেকে প্রায় ২৮ কেজি ওজনের ২৪০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। পরের বছর ২০১৫ সালের ২ মার্চ কার্গো শেডে চার্জার লাইটের ব্যাটারিতে লুকানো ২৩ কেজি ওজনের ২০০টি বার এবং ১২ মে বিমানবন্দরের শৌচাগারে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২৬০টি এবং দুবাই থেকে আসা দুই যাত্রীর কাছ থেকে আরো ৬৫টি বার উদ্ধার করা হয়। যদিও কয়েকজন যাত্রীকে আটক করা হয়, তবে এসব চালানের প্রকৃত মালিকদের অনেককেই শনাক্ত করা যায়নি। এক পর্যায়ে অজ্ঞাত কারণে এসব ঘটনার তদন্তও থেমে যায়।

সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানেও চোরাচালানের ধারাবাহিকতা স্পষ্ট। ২০১৯ সালে ২২টি ঘটনায় ৫৪ দশমিক ২৭৭ কেজি এবং ২০২০ সালে ১৯টি ঘটনায় ৫০ দশমিক ১৫৩ কেজি স্বর্ণ জব্দ হয়। অর্থাৎ, এই দুই বছরেই মোট জব্দের বড় অংশ ধরা পড়ে। করোনাকালে ২০২১ সালে তা কমে এক দশমিক ৬০১ কেজিতে নেমে আসে। ২০২৩ সালে ৩৩টি ঘটনায় ২১ দশমিক ৬১৪ কেজি, ২০২৪ সালে ১০৪টি ঘটনায় ১০ দশমিক ৩৪৯ কেজি এবং ২০২৫ সালে ৬৫টি ঘটনায় আট দশমিক ৪৮৩ কেজি স্বর্ণ জব্দ করা হয়। ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত চারটি ঘটনায় উদ্ধার হয় চার দশমিক ০৯৪ কেজি।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৪ সালে স্বর্ণ জব্দের পরিমাণ কমলেও ঘটনার সংখ্যা বেড়ে ১০৪-এ দাঁড়ায়। ফলে, জব্দের পরিমাণ কমাকে চোরাচালান কমে যাওয়ার সরাসরি প্রমাণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

ধরা পড়ে ২০-৩০ শতাংশ, তদন্তে ঘাটতি

স্বর্ণ চোরাচালানের ঘটনায় দুবাই, শারজাহ, আবুধাবি ও মাসকাট থেকে আসা যাত্রীদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। চলতি বছরের ১ আগস্ট শারজাহ থেকে আসা এক ভারতীয় যাত্রীর অন্তর্বাসে লুকানো স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। ১৮ সেপ্টেম্বর মাসকাট থেকে আসা এক যাত্রীর কাছ থেকে ৫৩৪ গ্রাম স্বর্ণ পাওয়া যায়।

গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, চোরাচালানের মাধ্যমে আনা স্বর্ণের ২০-৩০ শতাংশ ধরা পড়ে। বাকি অংশ নজরদারি এড়িয়ে গন্তব্যে পৌঁছে যায় বলে তাদের ধারণা। সূত্রগুলোর ভাষ্য, চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে চোরাচালানের একটি অংশ ভারতের স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছায়। এ ক্ষেত্রে বাহক, স্থানীয় সংগ্রাহক এবং সীমান্তপারের ক্রেতাদের মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে।

তবে মামলা ও বিচারের অগ্রগতিতে ঘাটতি রয়েছে। আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের আগের নয় বছরে চোরাচালানসংক্রান্ত প্রায় ৫০টি মামলার মধ্যে ৪১টির বিচার ঝুলে আছে। এসব মামলার একটিতে আবদুস শুক্কুরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। ২০১৫ সালের এপ্রিলে দুবাই থেকে ফেরার পর ৪০টি স্বর্ণের বারসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি। পরের বছর চট্টগ্রামের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে তার এ সাজা হয়।

২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত স্বর্ণ চোরাচালান আইনে সাতটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালে একটি, ২০২৫ সালে চারটি এবং ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত দুটি মামলা দায়ের হয়। এসব মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন নয়জন। অথচ একই সময়ে বিমানবন্দরে স্বর্ণ জব্দের ঘটনা ঘটেছে ১৭৩টি।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার শওকত আলী এ বিষয়ে বলেন, বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপির নির্বাচনি অফিসে আগুন: ১০ মাস পর মামলায় স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১৬ এম


বিএনপির নির্বাচনি অফিসে আগুন: ১০ মাস পর মামলায় স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে বিএনপির নির্বাচনি কার্যালয়ে আগুন লাগার ঘটনাটি ঘটেছিল ১০ মাস আগে। সম্প্রতি স্থানীয় শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে এই মামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নাটঘর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আবু হানিফ মোল্লা মামলাটির এজাহার জমা দেন। বিচারক এজাহারটি গ্রহণ করেছেন। মামলায় জেলা ও উপজেলা বিএনপির ১১ জন শীর্ষ নেতার নাম উল্লেখ করা হয়েছে, পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা ১০০ থেকে ১২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন— নবীনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম, নবীনগর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন মাইনু এবং জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলী। এছাড়া স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের আরও কয়েকজন নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি রাতে নাটঘর ইউনিয়নের কুড়িঘর একইছড়া বাজারে শতাধিক সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মহড়া দেয়। পরে তারা পেট্রোল দিয়ে স্থানীয় বিএনপি কার্যালয়সহ তিনটি মুদি দোকান ও একটি ওষুধের দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয়। বাদী দাবি করেন, এতে আনুমানিক ৭০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এদিকে, বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়েরের প্রতিবাদে এবং তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার সন্ধ্যায় নবীনগর পৌর সদরে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একটি ঝটিকা প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। নবীনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান মুকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, ঘটনার দীর্ঘ ১০ মাস পর শান্ত নবীনগরকে অশান্ত করতে এবং বিএনপি নেতাদের হয়রানি করতেই এই সাজানো ও মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। বক্তারা হুঁশিয়ারি দেন, যদি অবিলম্বে এই ভিত্তিহীন মামলা প্রত্যাহার না করা হয়, তাহলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

অন্যদিকে, আগুন লাগার কারণ ও মামলার সত্যতা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দা মনির হোসেন জানান, ঘটনার দিন বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকেই বাজারে আগুন লেগেছিল। সেই সময় স্বয়ং মামলার বাদী আবু হানিফ মোল্লাও উপস্থিত লোকজনের সামনে শর্ট সার্কিটের আগুনের কথা বলেছিলেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা জানান, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অভিযুক্ত নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। মূলত ওই নির্বাচনের সময়কার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কোন্দল ও মনস্তাত্ত্বিক বিরোধের জের ধরেই দীর্ঘ ১০ মাস পর এই প্রতিহিংসামূলক মামলার জন্ম হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩৬ ঘণ্টা সরবরাহ বন্ধ থাকবে, চট্টগ্রামে গ্যাসের চাপ কমতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১৬ এম


৩৬ ঘণ্টা সরবরাহ বন্ধ থাকবে, চট্টগ্রামে গ্যাসের চাপ কমতে পারে

কক্সবাজারের মহেশখালীর সামিট গ্রুপের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য ৩৬ ঘণ্টা আরএলএনজি সরবরাহ বন্ধ থাকবে। আগামীকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার রাত ৮টা পর্যন্ত এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (কেজিডিসিএল) সতর্ক করেছে যে, এর ফলে চট্টগ্রামে পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ কমে যেতে পারে। সামিটের এলএনজি টার্মিনালের দৈনিক গ্যাস সরবরাহ সক্ষমতা ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। গতকাল সোমবার কেজিডিসিএল সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায়।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, মহেশখালীর সামিট এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নির্ধারিত সময়ে আরএলএনজি (রি-গ্যাসিফায়েড লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস) সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এর ফলে মোট এলএনজি সরবরাহ কমে যাবে। এই সময়ের মধ্যে কর্ণফুলী গ্যাসের আওতাধীন এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাসের স্বল্প চাপজনিত সমস্যা হতে পারে।

চট্টগ্রামে গ্যাসের দৈনিক চাহিদা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। যেখানে সরবরাহ পাওয়া যায় ২৪৬ মিলিয়ন ঘনফুট বা তার কম। মহেশখালীতে অবস্থিত দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের মাধ্যমে চট্টগ্রামে গ্যাস সরবরাহ করা হয়।

মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জি ও সামিট এলএনজি নামে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল রয়েছে। এই দুটি টার্মিনাল মিলিয়ে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১,১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হয়। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরেও সামিটের টার্মিনালে একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%