১২:৪০ পি.এম
ভারত-নেপাল সীমান্ত সংক্রান্ত বালেন্দ্র শাহ’র একটি মন্তব্যের ফলে কাঠমান্ডুর রাজনীতিতে ব্যাপক তোলপাড় তৈরি হয়েছে। নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ’র ওই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। এ প্রসঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে নেপালের সরকার।
সাম্প্রতিক সময়ে নেপালের পার্লামেন্টের প্রশ্নোত্তর পর্বে উপস্থিত হয়ে এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তরুণ প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। কালাপানি, লিম্পিয়াধুরা ও লিপুলেখ সীমান্ত নিয়ে একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি জানতে পেরেছেন যে কেবল ভারতই নেপালের জমি দখল করেনি, বরং নেপালও ভারতের জমি দখল করেছে।
এই সীমান্ত বিরোধের সমাধান করতে তিনি যুক্তরাজ্যের মধ্যস্থতার আহ্বান জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: মাদারীপুরে কৃষককে কুপিয়ে জখম, প্রধান আসামি জাকির গ্রেফতার
বালেন্দ্র শাহ’র এধরনের মন্তব্যের পর নেপালের রাজনৈতিক অঙ্গনে এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধী দলগুলো পার্লামেন্টের রেকর্ড থেকে এই বক্তব্য প্রত্যাহারের জন্য দাবি জানিয়েছে। বিতর্ক তীব্র আকার ধারণ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামে নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এক বিবৃতিতে তারা উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী কোনো রাষ্ট্রীয় ভূখণ্ড দখল করার অনুরোধ করেননি, বরং নদী অববাহিকার কারণে সৃষ্ট ‘ক্রস-বর্ডার অকুপেশন’ বা নাগরিকদের আন্তঃসীমান্ত জমি ব্যবহারের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।
১৯৬২ সালের চীন-ভারত যুদ্ধের পর থেকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রায় ৩৭২ বর্গকিলোমিটারের কালাপানি অঞ্চলটি ভারতের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ভারত এই অঞ্চলটিকে তাদের উত্তরাখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে আসছে। সম্প্রতি এই সড়ক দিয়ে কৈলাশ-মানস সরোবর যাত্রা ঘোষণার পর নেপাল তীব্র আপত্তি জানায়।
আরও পড়ুন: সারজিস আলম: গণহত্যাকারী হাসিনার অলীক ডিসেম্বর বাংলাদেশে আসবে না
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন