বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:২৩ পি.এম
বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করেছে ১১টি চুরি হওয়া গরু এবং গরু পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পিকআপও। এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া গরুগুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকা।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকালে বাগেরহাট পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রেস বিফিংয়ে পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, জেলার ফকিরহাট থানার একটি মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে গত ১৬ জুলাই ফকিরহাট উপজেলার শ্যামবাঘাত এলাকার ইমরান শেখ (৪০) এবং রামপাল উপজেলার সোলাকড়া দক্ষিণপাড়া এলাকার নাহিদ শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের অনুমতি নিয়ে রিমান্ডে এনে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (২৯ জুলাই) রাত ৩টা ৪০ মিনিটে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের শুরুতেই ফকিরহাট উপজেলার শিউলি ফিলিং স্টেশন এলাকায় চোরাই গরু পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পিকআপ জব্দ করা হয়। পরবর্তী সময়ে ধৃতদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী খুলনার তেরখাদা উপজেলার বারাসাত ইউনিয়নের কাটেঙ্গা গ্রামে মো. আরিফ মোল্লা (৩৮)-এর বাড়ির গোয়ালঘরে অভিযান চালিয়ে ১১টি ছোট-বড় চুরি করা গরু উদ্ধার করা হয়। এ সময় আরিফ মোল্লাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার আরও জানান, গ্রেপ্তার হওয়া তিন আসামির বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ইমরান শেখের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগসহ চোরাই মাল গ্রহণ, বিশেষ ক্ষমতা আইন ও মারামারির অভিযোগে ৬টি নিয়মিত মামলা এবং একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) রয়েছে। নাহিদ শেখের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি ও চোরাই মাল গ্রহণের অভিযোগে ৩টি মামলা রয়েছে। আরিফ মোল্লার বিরুদ্ধে চোরাই মাল গ্রহণ ও মারামারি সংক্রান্ত ২টি মামলা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় ক্রিকেটার অজিঙ্কা রাহানে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন বার্তা দিয়ে চোখের জলে ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর খবর জানিয়েছেন।
রাহানে শুধুমাত্র একজন সফল ব্যাটসম্যান হিসেবেই নন, বরং ভারতীয় টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবেও তার নজরকাড়া সাফল্য রয়েছে। অধিনায়ক হিসেবে তার একটি বিশেষ রেকর্ড রয়েছে যা সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, এমএস ধোনি, বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মারও নেই।
নিউজ আঠেরোর প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতীয় টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে তার নজরকাড়া সাফল্য রয়েছে। তিনি কমপক্ষে ৫টি টেস্টে অধিনায়কত্ব করেছেন এবং ম্যাচ জিতেছেন। এটি তার নেতৃত্বের গুণের ও সাফল্যের এক বিরল উদাহরণ। সাবেক ক্রিকেটাররা একাধিকবার রাহানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন।
রাহানের অধিনায়ক হিসেবে যাত্রা যদিও অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত ছিল, তবে ভারতীয় টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে তিনি একটি উজ্জ্বল ও স্মরণীয় অধ্যায় রেখে গেছেন। তিনি মোট ৬টি টেস্টে দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন, যার মধ্যে ৪টিতে জয় এবং ২টিতে ড্রয়ে অপরাজিত থাকার রেকর্ড ভঙ্গ করেছেন।
তার অধিনায়কত্বের সবচেয়ে বড় ও গর্বের মুহূর্ত ২০২০-২১ সালের ঐতিহাসিক বর্ডার-গাভাসকর ট্রফিতে আসে। অ্যাডিলেড টেস্টে ভারতের লজ্জাজনক ৩৬ রানে অলআউট হওয়ার ধাক্কা এবং বিরাট কোহলির দেশে ফিরে যাওয়ার কঠিন পরিস্থিতিতে রাহানে নেতৃত্বের আসনে বসেন। তার নেতৃত্বে দলটির জন্য সুনামের সাথে ফিরে আসে।
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে তিনি এক দুর্দান্ত অধিনায়কোচিত শতরান হাঁকিয়ে দলকে জাগান। পরবর্তীতে প্রধান খেলোয়াড়দের চোট-আঘাতের সমস্যা সামলানোর পাশাপাশি তরুণ নেতৃত্বে গ্যাবা টেস্টে জয়সহ সিরিজটি ২-১ কৃতিত্ব অর্জন করে দলের ঝুলিতে।
বিদেশের মাটিতে ভারতের ক্রিকেটের কঠিন পরীক্ষার সময়ে তার এই সংযমী, ধীর-স্থির ও বুদ্ধিদীপ্ত নেতৃত্ব তাকে দেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা 'ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক' হিসেবে অমর করে রেখেছে। রাহানের এই অবদান ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে, এনসিপি বাংলাদেশে নতুন রাজনীতির নামে ভণ্ডের বন্দোবস্ত কায়েম করছে। Thursday (৩০ জুলাই) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
রাশেদ খাঁন আরও বলেন, ‘এনসিপি জামায়াতের মস্তিষ্ক দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। জামায়াত একটি চালাক ও ধুরন্ধর দল। তারা নিজেদের মধ্যে বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখছে। সংসদ চলাকালে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে প্রশংসা করে বক্তব্য দেয়।
কিন্তু মাঠে গিয়ে দেখা যায় যে, তারা গণঅভ্যুত্থানের হুমকি দেয়। আবার তারাই এনসিপির নেতৃবৃন্দকে দিয়ে বিএনপির নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে গালিগালাজ করছে।
তিনি আরো বলেন, এনসিপির নেতৃবৃন্দকে বলব, আপনারা রাজনীতির পরিবেশকে যদি নষ্ট করেন তাহলে তার উত্তম জবাব দেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি। জামায়াত ও এনসিপির সকল ষড়যন্ত্রের দাতভাঙ্গা জবাব দেওয়ার হুশিয়ারি দেন রাশেদ খাঁন।
এছাড়া, জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. এম এ মজিদ, জেলা প্রশাসক নোমান হোসেনসহ অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাও বক্তব্য রাখেন। আলোচনা সভায় জেলার নানা উন্নয়ন, সম্ভাবনা, সমস্যা ও তা সমাধানে পরামর্শ গ্রহণ করেন রাশেদ খাঁন এবং সমাধানের ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার পরও জীবদ্দশায় ভোগ-দখলের অধিকার বাবা-মায়ের হাতে থাকবে সে বিষয়ে বিধান যুক্ত করে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর আইন’ সংশোধনের পরিকল্পনা করছে সরকার, জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্যে সবার প্রতি প্রকাশ করেন। তিনি আরও জানান যে, প্রস্তাবিত এই আইনি পরিবর্তনের ফলে আদালতে দেওয়ানি বা সিভিল মামলার সংখ্যা অনেকটাই কমে আসবে। এসব মামলার প্রায় বড় অংশটাই মূলত সম্পত্তির বণ্টন এবং হিসাব-নিকাশ নিয়ে তৈরি হয়। মন্ত্রী বলেন, আমাদের মুসলিম আইনে হেবা হয় এবং হিন্দু আইনে উইলও হচ্ছে, আবার আমাদের মুসলিম আইনে ওয়াসিয়তনামা হতে দেখা যায়। বিদ্যমান হেবা ব্যবস্থার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, বাবা-মা যদি হেবা করে দেন, তবে সঙ্গে সঙ্গে তাদের হাতে থাকা সম্পত্তি চলে যাচ্ছে। ফলে তারাও নিজেদের সম্পত্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং পরবর্তিতে সন্তানের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। তিনি উল্লেখ করেন, যদি ছেলে-মেয়ে তাদের দেখেন না, তাহলে বাবা-মায়ের কিছু করার থাকে না; তারা অসহায় হয়ে পড়েন। আইনমন্ত্রী এসময় আরও জানান, হেবার পাশাপাশি ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি অ্যাক্ট’-এ (সম্পত্তি হস্তান্তর আইন) গিফটের একটি ধারা রয়েছে। এর মাধ্যমে সাধারণভাবে হেবার বাইরে গিয়েও কেউ গিফট দিতে পারেন। বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ১৯৬৩ সালের পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের আলোকে সরকার সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে ‘ইউসুফ্রাক্ট রাইট’ বা জীবনস্বত্বের বিধান যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে। প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, সন্তানকে সম্পত্তি গিফট করার পরও বাবা-মা তাদের জীবদ্দশায় সেটি ভোগদখল করার অধিকার নিজের কাছে রাখতে পারবেন। আইনমন্ত্রী বলেন, বাবা-মায়ের জীবনদশায় দুই পক্ষের সম্মতি ছাড়া কেউ ওই সম্পত্তি বিক্রি করতে পারবে না। সন্তান যেমন বিক্রি করতে পারবে না, তেমনি বাবা বা মা চাইলেও এককভাবে বিক্রি করতে পারবেন না। তবে বিশেষ প্রয়োজনের ক্ষেত্রে ছাড়ের বিধান থাকতে পারে, উল্লেখ করে তিনি বলেন, যদি এমন পরিস্থিতি আসে যে বাবার চিকিৎসার প্রয়োজন হয় এবং ওই সম্পত্তি না বিক্রি করলে চিকিৎসা সম্ভব নয়, কিন্তু সন্তান বিক্রিতে সম্মতি না দেয়, সেক্ষেত্রে জেলা জজকে একটা ক্ষমতা দেওয়া থাকবে। জেলা জজের কাছে আবেদন করা হলে তিনি বিষয়টি বিবেচনা করবেন। এই সংশোধনের ফলে ভবিষ্যতে সিভিল মামলা ফাইলিং কমে আসবে এবং অনেক পারিবারিক সমস্যার সমাধান হবে, এমন আশা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি বলেন, আমরা কাজ করতে চাই এবং জনগণের কল্যাণে পরিবর্তন করতে চাই। আমাদের যেখানে যেভাবে সম্ভব পরিবর্তন করতে হবে। প্রসঙ্গক্রমে আইনমন্ত্রী জানান, বাগেরহাটে কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে ওঠা গুমের (এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স) অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করবে সরকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কল্যাণে সরকার ঘোষিত ‘এক পদ, এক বেতন’ নীতি বাস্তবায়নের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বোর্ড পরিদর্শনকালে তিনি অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কল্যাণ ও প্রাপ্য সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে সমপদের জন্য সমান বেতন নীতি কার্যকরের কথায় জোর দিয়েছেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বোর্ড কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন এবং বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাশরুর হোসাইন ভূইয়া।
এই পরিদর্শনের সময়ে তিনি অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও তাদের পরিবারের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত করেন।
তিনি জেলা পর্যায়ের অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের মিলনমেলা ও সহায়তার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিটি জেলার সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেন। এর জন্য প্রশাসনিক ও লজিস্টিক সক্ষমতা বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের উপরও গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া, চিকিৎসা সেবার সম্প্রসারণের জন্য অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক ও তাদের পরিবারের চিকিৎসা ও সহায়তা নিশ্চিত করতে ৬১টি জেলায় ওষুধ সংগ্রহের লক্ষ্যে মেডিক্যাল স্টোরের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় জীবন রক্ষাকারী ঔষধ সংগ্রহ বৃদ্ধির কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।
সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের জন্য সম্মানজনক জীবনযাপন ও টেকসই পুনর্বাসনের লক্ষ্যে তিনি ‘ডিফেন্স কলোনি’ গড়ে তোলার জন্য কার্যক্রম গ্রহণের কথাও উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, ঠাকুরগাঁও, গাইবান্ধা এবং দিনাজপুর জেলায় এই প্রকল্পের জন্য জমি নির্ধারিত রয়েছে।
এসব জেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কাজ শুরুর জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন। দেশের সেবায় নিবেদিত প্রাক্তন সৈনিকদের অর্জিত অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাদের সম্মানজনক শেষ বিদায় নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই উদ্দেশ্যে কোন অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও শেষকৃত্য সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতায় সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডকে অধিকতর সম্পৃক্ত ও সহায়তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
পরিদর্শনের সময় সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ