ঢাকা সোমবার, ০৯ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৪শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৮শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০৯ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৪শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

কাশ্মীর কখনও ভারতের অংশ হয়নি, ভবিষ্যতেও হবে না: পাকিস্তান


কাশ্মীর কখনও ভারতের অংশ হয়নি, ভবিষ্যতেও হবে না: পাকিস্তান

কাশ্মীর ইস্যুতে একইসাথে ভারত ও পাকিস্তান জাতিসংঘে আবারও মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে। ভারত দাবি করেছে, জম্মু ও কাশ্মীর তাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ; অন্যদিকে পাকিস্তান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, ‘জম্মু ও কাশ্মীর কখনও ভারতের অংশ না, এমনকি ভবিষ্যতেও হবে না।’

এই বক্তব্য পাকিস্তানের প্রতিনিধি গুল কায়সার সারওয়ানি জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি পারভাথানেনি হরিশের দাবির প্রেক্ষিতে ‘রাইট অব রিপ্লাই’ প্রয়োগ করে ব্যক্ত করেছেন।

শনিবার (৬ জুন) পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ডন এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

আরও পড়ুন: দলের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে: আইনমন্ত্রী

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বক্তব্য প্রদানকালে সারওয়ানি উল্লেখ করেন, জম্মু ও কাশ্মীর এখনো একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিরোধপূর্ণ অঞ্চল এবং এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এজেন্ডায় রয়েছে।

তিনি এসময় জানিয়েছেন, ইতিহাস, আইন এবং আন্তর্জাতিক বাস্তবতা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তিনি দৃঢ়ভাবে জানান, জম্মু ও কাশ্মীর কখনও ভারতের অংশ ছিল না, এখন নেই এবং ভবিষ্যতেও হবে না।

এর আগে, জাতিসংঘে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমেদ সাধারণ পরিষদে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, নিরাপত্তা পরিষদের বার্ষিক প্রতিবেদনে কাশ্মীর ও ফিলিস্তিন ইস্যুর গুরুত্ব পুনরায় উঠে এসেছে। তার মতে, উভয় বিরোধ জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব অনুযায়ী সমাধান জরুরি।

তিনি জানান, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘ভারত-পাকিস্তান প্রশ্ন’ নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের কাছে ২০টিরও বেশি আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ জমা হয়েছে। এছাড়া ২০২৫ সালের মে মাসে নিরাপত্তা পরিষদ এ বিষয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকও করেছে।

আরও পড়ুন: রাজধানীর পান্থপথ, খিলক্ষেত ও ক্যান্টনমেন্টে ককটেল বিস্ফোরণ

আসিম আহমেদের মন্তব্য, সাত দশকেরও বেশি সময় পরে কাশ্মীর ইস্যু নিরাপত্তা পরিষদের নজরে রয়েছে, যা এর গুরুত্বের প্রমাণ দেয়।

তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কাশ্মীর বিরোধের ন্যায়সঙ্গত সমাধান আবশ্যক। সেই সমাধান অবশ্যই জাতিসংঘের প্রস্তাবনা এবং কাশ্মীরিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের ভিত্তিতে হতে হবে।

ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত জানান, বিশেষ করে গাজায় চলমান মানবিক সংকট নিরাপত্তা পরিষদের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয়। তিনি গাজা শান্তি পরিকল্পনাকে সমর্থন করা নিরাপত্তা পরিষদের ২৮০৩ নম্বর প্রস্তাব পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

তিনি আরও জানান, পাকিস্তান স্বাধীন, টেকসই ও ভৌগোলিকভাবে সংযুক্ত ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে। ১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে গঠিত সেই রাষ্ট্রের রাজধানী হবে আল-কুদস আল-শরিফ (পূর্ব জেরুজালেম)।

আরও পড়ুন: সরকার ৬৪ জেলায় প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠা করবে

আসিম আহমেদ বলেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম ও বিশেষ রাজনৈতিক মিশনগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাকিস্তান এসব কার্যক্রমকে আরও কার্যকর, সম্পদসমৃদ্ধ এবং নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম করে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আবারও বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও গণতান্ত্রিক, প্রতিনিধিত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা প্রয়োজন। এবং নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো ক্ষমতার ব্যবহার নিয়ে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে উদ্বেগও রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ফুটবল মহাতারকা পরিবার

রোনালদোর যে স্বপ্ন পূরণের ভার ছেলের হাতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪০ পি.এম


রোনালদোর যে স্বপ্ন পূরণের ভার ছেলের হাতে

তিনি সবকিছু জিতেছেন, শুধু বিশ্বকাপ ছাড়া! কে জানে সেই অজেয় আকাঙ্ক্ষাই হয়তো তাঁকে নিত্য তাড়া করে বেড়ায়! না হলে এই ৪১ বছর বয়সে তিনি আরেকটি বিশ্বকাপ খেলার মতো এতটা ঝরঝরে এবং ফিট থাকেন কী করে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো! অথচ আগের বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়ার পর কান্নায় ভেঙে পড়া পর্তুগিজ মহাতারকাকে দেখে অনেকেই এই উপসংহারেও পৌঁছে গিয়েছিলেন যে আক্ষেপ নিয়েই বিদায় নিচ্ছেন তিনি। টানেলের ভেতর তাঁর দুই চোখ কোনো বাধাই যেন মানছিল না।

অথচ সেই রোনালদোই চার বছর পর ঠিকই বিশ্বমঞ্চে ফিরেছেন। রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপেও তিনি নিজের ট্রফি উঁচিয়ে ধরার স্বপ্নকে তাড়া করবেন নিশ্চিতভাবেই। তবে তিনি সংবাদমাধ্যমকে আরেকটি স্বপ্নের কথাও বলেছেন। তবে সেই স্বপ্নপূরণে তাঁর নিজের তেমন কিছু করার নেই।

যা করার, করতে হবে রোনালদোর ছেলে ক্রিস্তিয়ানো জুনিয়রকেই। কারণ, তার বাবার খেলা ছাড়ার সময় ঘনিয়ে আসছে। এদিকে ক্রিস্তিয়ানো জুনিয়র বয়সভিত্তিক পর্যায়ে প্রতিভা এবং যোগ্যতার জানান দিয়ে ক্রমাগত উত্থানের সিঁড়ি ভাঙছে। বাড়ন্ত এই ছেলে সতীর্থ হিসেবে একই দলের হয়ে মাঠে নামার স্বপ্নও যে বুনে চলেছেন সিআরসেভেন, সেই ইচ্ছার কথাও এর মধ্যে বহুবার বলা হয়ে গেছে।

নিজের বড় ছেলের সঙ্গে পেশাদার ফুটবলে একই ক্লাবের হয়ে খেলার স্বপ্নের কথা এভাবে বলতে শোনা গেছে পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর বিজয়ীকে, ‘ওর সঙ্গে খেলতে চাই আমি। যদিও চাওয়া পূরণের বিষয়টি আমার চেয়ে ওর হাতেই বেশি। কারণ সময় বয়ে যাচ্ছে, আমাকেও তো একদিন থামতে হবে।’

বাবার স্বপ্নপূরণে ক্রিস্টিয়ানোর ছেলে অবশ্য সঠিক পথেই আছে। ১৫ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টে বাবার মতোই ছাপ রেখে চলেছে। গতির মতো ক্লিনিক্যাল ফিনিশিংয়েও সে দুর্দান্ত। যদিও সে একজন লেফট উইঙ্গার, ৬ ফুট ৩ ইঞ্চির হওয়ায় আক্রমণভাগের যেকোনো জায়গায় মানিয়ে নিতে সক্ষম। বয়সভিত্তিক পর্যায়ের ক্লাব ফুটবল থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক আঙিনা, সবখানেই প্রতিভার ছাপ রাখছে সে। ২০২৫ সালের মে থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পর্তুগালের অনূর্ধ্ব-১৫ ও অনূর্ধ্ব-১৬ দলের হয়ে তিনটি শিরোপা জিতেছে। এর মধ্যে ভ্লাতকো মাকোভিচ টুর্নামেন্টে অনূর্ধ্ব-১৫ দলের হয়ে ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলও করে।

এদিকে বাবার সৌদি প্রো লিগের দল আল নাসরের অনূর্ধ্ব-১৫ দলের হয়ে ২৭ ম্যাচে ৫৬ গোলও করেছে। সেই সঙ্গে আছে ১৫টি অ্যাসিস্টও। সম্প্রতি অনূর্ধ্ব-১৭ দলের হয়ে হ্যাটট্রিক সহ নিয়মিত গোলও করে যাচ্ছে ক্রিস্টিয়ানো জুনিয়র।

বড় খবর হলো, ওর এমন পারফরম্যান্সে চোখ রাখছে ইউরোপের বড় ক্লাবগুলোও। এর মধ্যে বাবার সাবেক ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদও রয়েছে। ইউরোপের সংবাদমাধ্যমের দাবি, লস ব্ল্যাংকোসরা ক্রিস্তিয়ানো জুনিয়রের সঙ্গে চুক্তিও করতে পারে। ২০২৬ বছরের মার্চে রিয়াল মাদ্রিদের অনূর্ধ্ব-১৬ দলের একাডেমিতে অনুশীলনও করে এসেছে সে। সেই সঙ্গে তার ওপর বাবার বর্তমান ক্লাব আল নাসরের নজর তো রয়েছেই। সম্প্রতি সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম ‘আল উইয়াম’ জানিয়েছে, রোনালদোর বড় ছেলেকে ২০২৬-২৭ মৌসুমে মূল দলের অনুশীলনে যুক্ত করতে পারে আল নাসর। যদি সংবাদ সত্যি হয় তবে ছেলের সঙ্গে নিজের ট্রেডমার্ক উদযাপন ‘সিউউউ’ হয়তো হাতছোঁয়া দূরত্বেই থাকবে। সৌদি ক্লাবের সঙ্গে নতুন করে চুক্তিও করেছেন রোনালদো। ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত তিনি পর্তুগিজ অধিনায়ক হিসেবে থাকছেন। বাবা-ছেলের জুটি দেখার সময় তাই আসন্ন।

একসঙ্গে বাবা-ছেলের মাঠ মাতানোর নজির অবশ্য অনেকেই রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার রিভালদো এবং তাঁর ছেলে রিভালদিনহোর জুটি। এমনকি ২০১৫ মৌসুমে ব্রাজিলের ক্লাব মোগি মিরিমের হয়ে গোলও করেছেন বাবা-ছেলে। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের হয়ে ১৯৬৬ বিশ্বকাপজয়ী জর্জ ইস্টহ্যাম তো তাঁর বাবা জর্জ ইস্টহ্যাম সিনিয়রের সঙ্গে শিরোপাও জিতেছেন। ১৯৫৪ সালে উত্তর আয়ারল্যান্ডের গোল্ডকাপে আর্ডস ক্লাবের হয়ে ট্রফি জেতেন তাঁরা। সুইডেনের হেনরিক লারসন-জর্দান লারসনের বাবা-ছেলের জুটি নিয়েও ফুটবলজগতে কম আলোচনা হয়নি।

অবশ্য শুধু ফুটবলেই নয়, অন্য খেলায়ও বাবা-ছেলের একসঙ্গে খেলার উদাহরণ রয়েছে। ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগেও (বিপিএল) নোয়াখালী এক্সপ্রেসের হয়ে একসঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবী-হাসান ইসাখিল। গায়ানার হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট মাতিয়েছেন শিবনারায়ণ চন্দরপল-তেজনারায়ণ চন্দরপল। এই তালিকায় বাংলাদেশের হয়ে আছেন রকিবুল হাসান-সাজিদুল হাসান। ১৯৯০-৯১ সালের ঢাকা লিগে ভিক্টোরিয়ার হয়ে খেলেছেন পিতা-পুত্র জুটি। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কিংবদন্তি লেব্রন জেমস বাস্কেটবলের কোর্টে সতীর্থ হিসেবে পেয়েছেন ছেলে ব্রনি জেমসকে।

রোনালদো আর ক্রিস্তিয়ানো জুনিয়রের জুটি এখন সত্যি হওয়ার পথে। সেই স্বপ্ন পূরণ না হলে অন্য কোথাও জুটি গড়ার পরিকল্পনা কি করবেন রোনালদো? পর্তুগালের কোচ হয়ে ছেলের হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি দেখা? যদিও কোচ হওয়ার ইচ্ছা তিনি কখনোই পোষণ করেননি। তবে রোনালদোর মত ঘুরে যেতে কতক্ষণ!

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আরো সংকটে প্রয়াত জয়ললিতার দল এআইএডিএমকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৬ পি.এম


আরো সংকটে প্রয়াত জয়ললিতার দল এআইএডিএমকে

এআইএডিএমকে সাধারণ সম্পাদক এডাপ্পাদি কে পালানিস্বামী, 

পুনরায় ভাঙনের মুখে পড়েছে প্রয়াত জয়ললীতার সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম (এআইএডিএমকে)। সাবেক মন্ত্রী এবং বিধায়কগণ এআইএডিএমকে পাছে থালাপতির তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে) ও এমকে স্ট্যালিনের দ্রাবিড় মুন্নেত্রা কাজাগময়ে (ডিএমকে) যোগদান করেছেন।

শনিবার (৬ জুন) পদত্যাগকারী নেতারা চেন্নাইয়ে টিভিকের দলের সদর দফতরে সাধারণ সম্পাদক আনন্দ এবং নির্বাচনী প্রচার ব্যবস্থাপনার সাধারণ সম্পাদক আধব অর্জুনের উপস্থিতিতে ক্ষমতাসীন দলে যোগদান করেন।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চারজন সাবেক মন্ত্রী ও বিধায়ক শাসক দল টিভিকে-তে যোগদান করায় এআইএডিএমকে চলমান অভ্যন্তরীণ সংকট আরো তীব্র থেকে তীব্রতর হতে চলেছে।

দলত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন উডুমালাই কে রাধাকৃষ্ণন, এমসি সম্পাথ, কাদাম্বুর সি রাজু এবং এনআর শিবপতি।

উদুমালাই কে রাধাকৃষ্ণন উদুমালপেট বিধানসভা আসন থেকে নির্বাচনে হেরেছেন। এমসি সম্পাথ কুড্ডালোর নির্বাচনী এলাকায় তৃতীয় স্থানে ছিলেন। কদম্বুর রাজুও ২০২৬ বিধানসভায় কোভিলপট্টিতে পরাজিত হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবারই বিশ্বকাপকে বিদায় জানাবেন যেসব তারকারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৮ পি.এম


এবারই বিশ্বকাপকে বিদায় জানাবেন যেসব তারকারা

ফিফা বিশ্বকাপ এখন দরজায়। ৪৮টি দল নিয়ে এবার ভিন্ন ধারায় হচ্ছে বিশ্ব আসর। তিনটি আয়োজক দেশ নিয়ে আয়োজন এটাই প্রথম। তবে এই বিশ্বকাপে শুধুমাত্র ফুটবলের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে না, ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে একটি যুগের অবসানও ঘটছে। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্ব ফুটবলকে মাতিয়ে রাখা বেশ কিছু তারকার জন্য এবারের বিশ্বকাপ হতে পারে শেষ আসর।

সাধারণত যেখানে সবাই সবকিছু ঠিকঠাক মনে করছেন, সেখানে বর্তমানে দুটি মহাতারকা- ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এবং লিওনেল মেসির জন্য এটি হতে যাচ্ছে শেষ বিশ্বকাপ। তবে এবারের বিশ্বকাপ এই তারকাদের জন্য একটি অনন্য উচ্চতাও নিয়ে আসছে। ফুটবল ইতিহাসে এর আগে কোনো খেলোয়াড় ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাননি। ২০০৬ সালের জার্মানি বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপ পর্যন্ত, প্রতিটি আসরে খেলেছেন মেসি এবং রোনালদো।

লিওনেল মেসি: ২০২২ বিশ্বকাপকে শেষ বিশ্বকাপ হিসেবে আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি ঘোষণা করেন। তবে দলের চাহিদা এবং ফিটনেস সায় দেয়ায় ৩৯ বছর বয়সী মেসি আবারও বিশ্বমঞ্চে ফিরে এসেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে খেলার সুবাদে ২০২৬ বিশ্বকাপের ভেন্যুগুলো কিছুটা চেনা হয়েছে মেসির। ফলে তাকে দলে রেখে আলাদা কিছু সুবিধা পাওয়া যেতে পারে বলে ধারণা করছে দল। ৩৯ বছর বয়সেও মেসি এখনও আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগের মূল চাবিকাঠি। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ট্রফি ধরে রাখার পাশাপাশি মেসির বিদায় স্মরণীয় করে রাখতে এবারের আসরে জিততে চায় আর্জেন্টিনা।

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো: ৪১ বছর বয়সী রোনালদো এখনও তরুণ ফুটবলারদের মতোই লড়ে যাচ্ছেন। সৌদি প্রো লিগে একের পর এক গোল করে তিনি প্রমাণ করেছেন যে এখনও তিনি ফুরিয়ে যাননি। ২০২৬ বিশ্বকাপটি যে তার ক্যারিয়ারের শেষ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট হবে, তা তিনি নিজেই জানিয়েছেন। ফিটনেস ভালো থাকলে পর্তুগিজ কোচ সিআরসেভেনকে আগামী আসরেও দলে নিতে আপত্তি জানাননি। ইউরো এবং নেশনস কাপ জিতলেও রোনালদোর ট্রফি ক্যাবিনেটে বিশ্বকাপের অভাব তাকে সবসময় পোড়ায়। আরেকটি বড় আক্ষেপ হলো—বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে তার কোনো গোল নেই। ৪১ বছর বয়সে নিজের শেষ বিশ্বকাপে সেই আক্ষেপ দূর করবেন সিআরসেভেন, এমনটাই বিশ্বাস তার ভক্তদের।

নেইমার জুনিয়র: মেসি-রোনালদোর যুগে আরেকজন তারকা ফুটবলার নেইমার জুনিয়রের জন্য উল্লেখযোগ্য আলোচনা ছিল। তিনি ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে জড়ানোর পর সবসময়ই তাকে বিশ্বসেরা তারকাদের মধ্যে শামিল মনে করা হলেও, ইনজুরির কারণে তিনি ক্যারিয়ারকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। এবারের আসর দিয়ে নেইমারের জন্য বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের সমাপ্তি হতে পারে। তার ইনজুরি শঙ্কা এবারের বিশ্বকাপেও রয়েছে। তবে সেসব শঙ্কাকে অগ্রাহ্য করে তিনি বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নিয়েছেন। পেলের গোলের রেকর্ড ভাঙা নেইমার এবারও ব্রাজিলের প্রধান ভরসা। ইনজুরি প্রবণতার কারণে নেইমারের অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা কম মনে করছেন সবাই। সুতরাং এই বিশ্বকাপটি দিয়ে ব্রাজিলের বহু প্রতীক্ষিত 'হেক্সা মিশন' পূর্ণ হবে, এমনটাই আশাবাদ সমর্থকদের।

লুকা মদ্রিচ: ক্রোয়েশিয়াকে ফুটবল বিশ্বের পরাশক্তিতে রূপান্তরিত করার পেছনে লুকা মদ্রিচের ভূমিকা অনস্বীকৃত। ২০১৮ বিশ্বকাপে দলের ফাইনালে পৌঁছানো এবং ২০২২ বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান অর্জন—সবকিছুই সম্ভব হয়েছে এই মধ্যমাঠের জাদুকরীর কল্যাণে। ৪০ বছর বয়সে রিয়াল মাদ্রিদের মতো ক্লাবে অবদান রেখেই চলেছেন। ক্রোয়েশিয়ার সোনালী প্রজন্মের অনেকেই বিদায় নিলেও মদ্রিচ এখনও বুক চিতিয়ে লড়ছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপটি হবে ক্রোয়েশিয়া অধিনায়কের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়।

কেভিন ডি ব্রুইনা: বেলজিয়ামের 'সোনালী প্রজন্ম' নিয়ে অনেক আলোচনা হলেও তারা বড় কোনো ট্রফি জিততে পারেনি। এডেন হ্যাজার্ড বা রোমেলু লুকাকুর মতো প্রজন্মের অন্যতম প্রতিনিধি কেভিন ডি ব্রুইনা। নিখুঁত পাসিং এবং দূরপাল্লার শটে প্রতিপক্ষকে কাঁপানোর শক্তিশালী এই মিডফিল্ডার চোটের কারণে মাঝেমধ্যে ভুগছেন। ফলে আগামী বিশ্বকাপে তার খেলার সম্ভাবনা কম। বেলজিয়ামের জার্সিতে শেষ টুর্নামেন্টটি স্মরণীয় করে রাখতে চান এই তারকা মিডফিল্ডার।

সন হিউং-মিন: এশিয়ান ফুটবলের অন্যতম সফল ফুটবলার সন হিউং-মিন। টটেনহ্যামের এই ফরোয়ার্ডের ওপর ভর করেই দক্ষিণ কোরিয়া গত কয়েক বছর ধরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে লড়াই করছে। ৩৩ বছর বয়সী সনের গতি ও ড্রিবলিং এখনও প্রতিপক্ষের মধ্যে ভয়ের কারণ। বয়স এবং শারীরিক ধকলের কারণে এবারের বিশ্বকাপটি হতে পারে সনের শেষ আসর।

মোহাম্মদ সালাহ: লিভারপুলের কিংবদন্তি ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ সালাহ আফ্রিকান ফুটবলের অন্যতম মুখ। ২০১৮ বিশ্বকাপে ইনজুরি নিয়ে খেলার কারণে তিনি দলকে বহু দূর নিয়ে যেতে পারেননি, আর ২০২২ বিশ্বকাপে মিসর কোন জায়গা করে নিতে পারেনি। তবে এবারের আসরে মিশর জায়গা করে নেয়ায় সালাহকে প্রমাণ করার সুযোগ পাচ্ছেন। সব দিক বিবেচনায় এবারের বিশ্বকাপটি সালাহর জন্য হতে পারে শেষ আসর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মোংলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ পি.এম


ডেঙ্গু প্রতিরোধে মোংলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

ডেঙ্গু প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে বাগেরহাটের মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চত্বরে এই অভিযানের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক শারমিন আক্তার সুমি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শাহীন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আ. মান্নান হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি এবং পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক।

প্রকৃতপক্ষে, ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় এই কার্যক্রমটি শুরু হয়েছে, যা প্রতি শনিবার চালানো হবে। ডা. মো. শাহীন বলেন, হঠাৎ করে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার কারণে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হচ্ছে। ডেঙ্গুর জীবাণু বহনকারী এডিস মশা সাধারণত ময়লা আবর্জনার মধ্যে বংশবিস্তার করে থাকে। সেজন্য এর বংশবিস্তার রোধ করার উদ্দেশ্যে হাসপাতালের চারপাশ পরিষ্কার রাখা জরুরি ছিল।

এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজ নিজ বাড়ি-ঘর ও দোকানপাটসহ সব জায়গা পরিষ্কার রাখা। যাতে এডিস মশার বিস্তার ঘটতে না পারে। তাহলেই আমরা ডেঙ্গুকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম হব।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৮শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৩৯
মাগরিব ০৫:১৫
ইশা ০৬:২৮
সূর্যোদয় : ০৬:০৯ সূর্যাস্ত : ০৫:১৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%