১১:২৪ পি.এম
দিনাজপুরের হাকিমপুর (হিলি) এলাকায় পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে এক নারীকে কয়েকদিন ধরে একটি বাড়িতে আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগীর মায়ের দায়ের করা মামলায় পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। মামলার অপর আসামি এখনও পলাতক রয়েছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, হাকিমপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পালপাড়া এলাকায় পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত ওই নারীকে মোহাম্মদ রুহুল আমিন ওরফে রিমনের বাড়িতে আটক করে রাখা হয়।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই সময় রুহুল আমিন ওরফে রিমন, শুকুর আলী (৫৫) এবং ফেরদৌস মিয়া (৫০) ওই নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেন। একইসাথে, ঘটনার ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানোর অভিযোগও রয়েছে। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে ওই বাড়িতে গিয়ে দুইজনকে আটক করেন। খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে হাকিমপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয় এবং ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে।
আরও পড়ুন: আমতলীতে যুব দিবস পালিত
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে হাকিমপুর থানায় গণধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার পর মোহাম্মদ রুহুল আমিন ওরফে রিমন এবং মো. শুকুর আলীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। অপর আসামি ফেরদৌস মিয়া পলাতক রয়েছেন। হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন