ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইমরান খানের আপিল আবেদন ফিরিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট


ইমরান খানের আপিল আবেদন ফিরিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং তার স্ত্রী বুশরা বিবির একটি আপিল আবেদন ফেরত দিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। ১৯০ মিলিয়ন পাউন্ডের দুর্নীতি মামলায় সাজা স্থগিতের আবেদন নিষ্পত্তি না করে ইসলামাবাদ হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে এই আপিল দায়ের করা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার অফিস এই আপিলের ওপর আপত্তি তুলে তা ফেরত পাঠায়।

রেজিস্ট্রার অফিসের উত্থাপিত আপত্তিতে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদ হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আইনি প্রতিকার সুপ্রিম কোর্টে নয়, বরং ফেডারেল কনস্টিটিউশনাল কোর্টে (এফসিসি) হওয়া উচিত। তবে ইমরান খান ও বুশরা বিবির আইনজীবী সালমান সাফদার এই আপত্তির বিরোধিতা করেছেন। তিনি যুক্তি দেখিয়েছেন, সংবিধানের ১৮৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টে এই আপিলটি সম্পূর্ণ গ্রহণযোগ্য।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ১৯৯৯ সালের ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি অর্ডিন্যান্সের ৩২এ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্টের নির্দিষ্ট কিছু সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এফসিসিতে দ্বিতীয় আপিলের বিধান রয়েছে। তবে জামিন বা সাজা স্থগিতের আবেদনের আদেশের বিরুদ্ধে এফসিসিতে আপিল করার কোনো স্পষ্ট আইনি বাধ্যবাধকতা এনএও-তে নেই। ফলে সুনির্দিষ্ট সংবিধিবদ্ধ প্রতিকারের অনুপস্থিতিতে এই আদেশ চ্যালেঞ্জ করার একমাত্র উপযুক্ত ফোরাম হলো পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট।

আরও পড়ুন: ডিজেল রপ্তানি বাড়াতে চায় ভারত, শোধনাগারগুলো সক্ষমতা বাড়াচ্ছে

এর আগে মে মাসের শুরুতে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট সাজা স্থগিতের আবেদনটি এই যুক্তিতে নিষ্পত্তি করে দেয় যে মূল আপিলের শুনানির তারিখ ইতিমধ্যে নির্ধারিত হওয়ায় আলাদাভাবে সাজা স্থগিতের আবেদন বিবেচনার যৌক্তিকতা নেই।

দায়ের করা এই আপিলে ইমরান খান উল্লেখ করেছেন, কারাবন্দী থাকা অবস্থায় তিনি চোখের সমস্যায় আক্রান্ত হন এবং চিকিৎসার জন্য তাকে কারাগারের বাইরে নিয়ে যেতে হয়েছিল। গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তাকে এভাবে বন্দি রাখা অন্যায় এবং দীর্ঘস্থায়ী নির্জন কারাবাস তাকে চরম মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে ফেলেছে। আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, সাজা স্থগিতের আবেদনটি ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করা হয়েছে।

তথ্য-প্রমাণের প্রাথমিক মূল্যায়ন ছাড়া আবেদনটি খারিজ করা ভুল ছিল উল্লেখ করে এতে বলা হয়, মামলার মেরিট পরীক্ষা করার আইনি ক্ষমতা আদালতের রয়েছে। এছাড়া ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি ব্যুরো (নাব) বারবার সময় চেয়ে বিচার প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করেছে এবং ইমরান খানের এই গ্রেফতার সম্পূর্ণ বেআইনি ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল।

আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন সময়সীমা ১ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়াল ইসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রবাসী স্বামীর সঙ্গে ফোনের ঝগড়ার পর স্ত্রীর আত্মহত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৩ এম


প্রবাসী স্বামীর সঙ্গে ফোনের ঝগড়ার পর স্ত্রীর আত্মহত্যা

কালীগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে এক প্রবাসীর স্ত্রী মোবাইল ফোনে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে।

নিহত নারী জামালপুর ইউনিয়নের চুপাইর এলাকার কামরুল ইসলাম খানের মেয়ে কণা আক্তার (১৯)। তিনি জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের দুবুরিয়া এলাকার মাসুদের ছেলে সৌদিপ্রবাসী মেহেদীর স্ত্রী ছিলেন।

নিহতের স্বজনেরা জানান, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে পারিবারিকভাবে কণার সঙ্গে সৌদিপ্রবাসী মেহেদীর বিয়ে হয়। বিয়ের এক মাসের মাথায় স্বামী প্রবাসে চলে যান।

এর কিছুদিন পর থেকেই শাশুড়ির সঙ্গে কণার মধ্যে পারিবারিক কলহ শুরু হয়, যা একপর্যায়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনে রূপ নেয়।

এছাড়া শ্বশুরবাড়ির লোকজন কণা ও তার পরিবারের কাছে যৌতুক ও বিভিন্ন জিনিসপত্র দাবি করে চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করেন। এতে অতিষ্ঠ হয়ে একপর্যায়ে কণা তার বাবার বাড়িতে গিয়ে বসবাস শুরু করেন। তিন-চার দিন আগে কণা তার নানাবাড়িতে কাপাইস এলাকায় বেড়ানোর জন্য যান।

মঙ্গলবার সকালে প্রবাসী স্বামী মেহেদীর সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় তাদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে দুপুরে নানাবাড়িতে থাকা অবস্থায় একটি কক্ষের দরজা বন্ধ করে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। জানালা দিয়ে স্বজনরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুপুরে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাকরি থেকে অবসরে গেলেন পুলিশের তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪৫ এম


চাকরি থেকে অবসরে গেলেন পুলিশের তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা

সরকারি চাকরির নির্ধারিত মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার কারণে পুলিশের দুই অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) এবং একজন উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) অবসরে গেছেন।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন, এই কর্মকর্তারা নিজ নিজ কর্মস্থল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় গ্রহণ করেন।

অবসরে যাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন, পুলিশ সদরদপ্তরের ডেভেলপমেন্ট শাখার অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ, ঢাকা রেঞ্জের রেজাউল করিম মল্লিক (যিনি অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) এবং ডিআইজি মো. আবুল খায়ের।

অবসরে যাওয়া অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ ডেভেলপমেন্ট শাখার আগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন। চলতি বছরের ৪ জুন, রেজাউল করিম মল্লিক অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি লাভ করেছিলেন। সেসময়ে তিনি ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজির দায়িত্বে ছিলেন।

এই একই পদে থেকে তাঁকে অবসরে যেতে হলো। গত ২৮ জুন পুলিশের চার অতিরিক্ত আইজিপিকে বিভিন্ন দপ্তরে পদায়ন করা হলে রেজাউল করিম মল্লিককে কোথাও পদায়ন করা হয়নি।

ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হওয়ার আগে, রেজাউল করিম মল্লিক ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান ছিলেন। গত বছরের ১২ এপ্রিল, রেজাউল করিম মল্লিককে ডিবিপ্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

সূত্র থেকে জানা যায় যে, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের দায়িত্ব পালনের সময়, রেজাউল করিম মল্লিক রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক এমপি-মন্ত্রী, আমলা ও দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারে ভূমিকা রেখেছিলেন। তাঁকে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বঞ্চনার শিকার বলেও উল্লেখ করা হয়।

অপরদিকে, ডিআইজি আবুল খায়ের ট্রাফিক অ্যান্ড ড্রাইভিং স্কুলের (টিডিএস) ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিন কর্মকর্তার শেষ কর্মদিবসে পুলিশের সদর দপ্তরের অফিসার্স ক্যাফেটেরিয়ায় বিদায় সংবর্ধনার একটি আয়োজন করা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রচণ্ড গরমে সুস্থ থাকার জন্য যেসব সতর্কতা মেনে চলা প্রয়োজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫১ এম


প্রচণ্ড গরমে সুস্থ থাকার জন্য যেসব সতর্কতা মেনে চলা প্রয়োজন

 

সারাদেশে গরমের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সুস্থ থাকতে এবং পানিশূন্যতা ও হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়াতে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত গরমে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি ও লবণ বের হয়ে যায়। তাই এই সময়ে দ্রুত ও সঠিকভাবে শরীরের তরলের ঘাটতি পূরণ করা আবশ্যক।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন সুস্থ মানুষের প্রতিদিন অন্তত ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করা উচিত। তবে যারা দীর্ঘক্ষণ রোদে থাকেন বা কায়িক পরিশ্রমের কাজ করেন, তাদের আরও বেশি পরিমাণে পানি পান করতে হবে।

একবারে প্রচুর পরিমাণে পানি না খেয়ে, সারাদিন ধরে অল্প অল্প করে বিরতি দিয়ে পানি পানের অভ্যাস করা উচিত।

ফলমূল ও প্রাকৃতিক পানীয়ের ভূমিকা

দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় পানি-সমৃদ্ধ ফল ও সবজি যেমন—তরমুজ, শসা, কমলা এবং স্ট্রবেরি রাখা উচিত। এগুলো কেবল শরীরের পানির ঘাটতিই পূরণ করে না, বরং এতে থাকা ভিটামিন ও খনিজ উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং গরমের ক্লান্তি দূর করে।

লবণের ঘাটতি মেটাতে এক গ্লাস পানিতে সামান্য লবণ ও লেবুর রস মিশিয়ে প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট ড্রিংকস তৈরি করে নেওয়া যেতে পারে। এছাড়া টক দই এবং মাঠা বা ঘোলের মতো পানীয় সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের চমৎকার উৎস হিসেবে কাজ করে।

 

যা বর্জন করা জরুরি

তীব্র গরমের সময়ে চা বা কফির মতো ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ এগুলো শরীর থেকে তরল বের করে দিয়ে পানিশূন্যতা বাড়িয়ে দেয়। এর পরিবর্তে তাজা ফলের রস বা অন্যান্য প্রাকৃতিক পানীয় পানের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

যেসব ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি

পোশাক: গরমের দিনে হালকা ও হালকা রঙের সুতি কাপড় পরা উচিত। এটি অতিরিক্ত ঘাম হওয়া কমায় এবং শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

দুপুরের রোদ এড়ানো: দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত রোদের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি থাকে। এই সময়ে সরাসরি সূর্যের আলো এড়িয়ে চলা এবং যথাসম্ভব ছায়াময় বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্থানে থাকা নিরাপদ।

পানিশূন্যতার লক্ষণ ও করণীয়

তীব্র তৃষ্ণা, মুখ শুকিয়ে যাওয়া, মাথাব্যথা, ক্লান্তি এবং প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া—এগুলো হলো পানিশূন্যতার প্রধান লক্ষণ। শরীরে এই ধরনের কোনো উপসর্গ দেখা দিলে অবিলম্বে পানি ও তরল জাতীয় খাবারের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। লক্ষণ গুরুতর হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

সূত্র: সামা টিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে নরওয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৭ এম


প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে নরওয়ে

ডালাস স্টেডিয়ামে আইভরি কোস্টের বিপক্ষে প্রথমার্ধের খেলার পরিস্থিতিতে নরওয়ে ১-০ গোলে এগিয়ে রয়েছে। তবে আর্লিং হালান্ডের জন্য ভাগ্যটি তেমন সহযোগিতা করেনি। তৃতীয় মিনিটে বক্সের সেন্টার থেকে তার একটি হেড ব্লকড হয়ে গেছে। বিরতির তিন মিনিট আগে, পা বাড়িয়ে আইভরি কোস্টের একজন ডিফেন্ডার অ্যান্তোনিও নুসা নিশ্চিত গোলটি ঠেকিয়ে দিয়েছেন।

ম্যাচের শুরুটা ছিল খুবই ঢিমেতালে এবং কোন দলই বলার মতো সুযোগ তৈরি করতে সক্ষম হয়নি। অবশেষে, ৩৯ মিনিটে এসে, নুসা ডেডলক ভাঙার জন্য সক্ষম হন। নুসা বক্সের দিকে দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে যান, ফলে পেপেকে পিছু হটতে বাধ্য হতে হয়। এরপর তিনি এক টাচে বলটিকে ডান পায়ে সেট করে, দুর্দান্ত বাঁকানো শটে বলটিকে জড়িয়ে দেন দূরের টপ কর্নারে (১-০)! নরওয়ের জন্য এটি ছিল তার নবম গোল।

চার মিনিটের মধ্যে দ্বিতীয় গোলের সুযোগও নরওয়ের জন্য এসেছিল। বক্সের ভেতরে সোরলথ হেড দিয়ে বল নামিয়ে দেন, আর মাত্র কয়েক গজ দূরে থাকা হালান্ডের সামনে দারুণ একটি সুযোগ তৈরি হয়।

কিন্তু হালান্ড বলের সঙ্গে শক্তভাবে সংযোগ স্থাপন করতে ব্যর্থ হন। ঠিক সেই মুহূর্তে আগবাদু একটি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেপশন করেন এবং নিশ্চিত গোলটি ঠেকিয়ে দেন!

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%