১২:৫১ পি.এম
বৃষ্টি কমে যাওয়ার ফলে রাঙ্গামাটির বন্যা পরিস্থিতিতে উন্নতি হতে শুরু করেছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে বন্যা কবলিত এলাকার সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
জেলার সব থেকে বেশি প্লাবিত উপজেলা বাঘাইছড়ির অধিকাংশ ইউনিয়নে এখন পানি নেমে গেছে। এর ফলে আশ্রয় কেন্দ্রগুলো থেকে মানুষ ফিরতে শুরু করেছে। তবে পশ্চিম লাইল্যাঁঘোনা ইউনিয়নে এখনও দেড় শতাধিক পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।
এদিকে, বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নে পানি সম্পূর্ণ নেমে গেছে। ফলে সেখানে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র ফুটে উঠেছে। কিছু বাড়িঘর সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে এবং সেখানে বাসিন্দারা মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
আরও পড়ুন: ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ২১৮ দুর্ঘটনায় ঝরেছে ১৬৯ প্রাণ
ফারুয়া বাজার কমিটির সভাপতি মো. হারুন বলেন, 'বন্যায় বাজার ও আশেপাশের এলাকার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখন পুরো বাজার এবং আশেপাশের এলাকাগুলো প্রায় আড়াই ফুট পলিমাটির নিচে নিমজ্জিত রয়েছে। তারা পলি অপসারণ করে জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু আর্থিক ক্ষতি এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।'
রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী মন্তব্য করেছেন, 'রাঙ্গামাটির বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। বাঘাইছড়ির অধিকাংশ এলাকার পানি নেমে গেছে এবং কিছু আশ্রয় কেন্দ্রের মানুষ তাদের বাড়িতে ফিরে গেছেন। অন্যদিকে, বিলাইছড়ির ফারুয়ার পানি সম্পূর্ণ নেমে গেছে। গতকাল উপজেলা প্রশাসন সেখানে ত্রাণ বিতরণ করেছে এবং ক্ষয়ক্ষতির নিরূপণের কাজ চলমান রয়েছে।' তিনি আরো জানান, বরকল ও জুরাছড়ির বন্যা পরিস্থিতিও উন্নতি হচ্ছে।
তিনি এও জানান, 'আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকারীদের তিন বেলা খাবার প্রদান করা হচ্ছে। তাছাড়া বানভাসি মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করছে উপজেলা প্রশাসন, আর্মি, বিজিবি এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিরা।'
আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দাঁড়িয়ে থাকা পল্লী সেবা পরিবহনের বাসে দুর্বৃত্তদের আগুন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন