প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বরিশাল নগরীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ কোডিনমিশ্রিত মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মোসাঃ বেবী বেগম (৬৪) নামে এক নারীকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, বরিশাল। উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের মধ্যে WINCEREX ও ESkuf ব্র্যান্ডের মোট ৫০ বোতল সিরাপ রয়েছে, যার পরিমাণ পাঁচ লিটার।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর ২০২৬) দুপুর ২টার দিকে বরিশাল জেলার কোতোয়ালি মডেল থানাধীন নতুন বাজার এলাকায় আদি শ্মশান নাগ মন্দির সংলগ্ন একটি দুইতলা বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে এসব মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় বরিশালের দেওয়া অভিযানসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, আটক বেবী বেগমের নিজ দখলীয় দুইতলা বসতবাড়ির নিচতলার দুই কক্ষবিশিষ্ট ফ্ল্যাটের পূর্বমুখী উত্তর পাশের শয়নকক্ষে থাকা একটি খাটের নিচে কাপড়ের ব্যাগের মধ্যে মাদকদ্রব্যগুলো লুকানো অবস্থায় পাওয়া যায়।
অভিযানকালে উদ্ধার করা আলামতের মধ্যে ছিল WINCEREX ব্র্যান্ডের মূল কর্ক ও লেবেলযুক্ত ১০০ মিলিলিটারের ৪৩ বোতল কোডিনমিশ্রিত সিরাপ। এসব বোতলে মোট চার হাজার ৩০০ মিলিলিটার বা ৪ দশমিক ৩ লিটার তরল পদার্থ পাওয়া যায়।
এ ছাড়া একই কাপড়ের ব্যাগের মধ্যে ESkuf ব্র্যান্ডের মূল কর্ক ও লেবেলযুক্ত ১০০ মিলিলিটারের আরও সাত বোতল সিরাপ উদ্ধার করা হয়। যার মোট পরিমাণ ৭০০ মিলিলিটার বা শূন্য দশমিক ৭ লিটার।
সব মিলিয়ে উদ্ধার করা ৫০ বোতল সিরাপের মোট পরিমাণ পাঁচ লিটার। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা সিরাপগুলো অপিয়াম উদ্ভূত কোডিনমিশ্রিত অবৈধ মাদকদ্রব্য হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
আটক মোসাঃ বেবী বেগমের বয়স ৬৪ বছর। তিনি নতুন বাজার, আদি শ্মশান নাগ মন্দির সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা। তাঁর স্বামীর নাম মোঃ হারুন অর রশিদ। অভিযানের পর উদ্ধার করা আলামত জব্দ করা হয় এবং তাঁর বিরুদ্ধে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে।
মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত:
বরিশাল নগরীতে মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধ এবং মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে আবাসিক এলাকায় মাদকদ্রব্য মজুত ও সংরক্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় বরিশালের উপপরিচালকের পক্ষ থেকে এ অভিযানের তথ্য জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
প্রকাশের আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: মূল তথ্যে ৪৩ বোতল WINCEREX-এর পরিমাণ ৪,৩০০ মিলিলিটার, ৭ বোতল ESkuf-এর পরিমাণ ৭০০ মিলিলিটার। মোট পরিমাণ পাঁচ লিটার। তাই সংবাদে হিসাবটি সংশোধন করে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া আটক ব্যক্তির পূর্ণ জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর প্রকাশ না করাই সংবাদনৈতিকতা ও ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষার দিক থেকে সমীচীন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন