১০:৪৬ এম
দেশের সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য জেলা পর্যায়ে কঠোর মনিটরিংয়ের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
একই সঙ্গে তারাও নির্দেশ দিয়েছে, প্রতি মাসে চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার সংগ্রহ করতে হবে, আকস্মিক পরিদর্শন করতে হবে এবং অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে গত বুধবার (১ জুলাই) একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, যা দেশের সব সিভিল সার্জনের কাছে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে : হারুনুর রশীদ আজাদ
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, চিকিৎসাসেবার গুণগত মান বজায় রাখতে হবে এবং তাই প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে শয্যা সংখ্যার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ দেওয়া বাধ্যতামূলক।
বিশেষ করে ৫০ শয্যার একটি হাসপাতালে প্রতি শিফটে ন্যূনতম পাঁচজন মেডিকেল অফিসারের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। অর্থাৎ প্রতি ১০টি শয্যার বিপরীতে অন্তত একজন মেডিকেল অফিসারের উপস্থিতি রাখা আবশ্যক।
এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য সিভিল সার্জনদের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ পদক্ষেপগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত, প্রতি মাসে জেলার সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার সংগ্রহ করা, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চিকিৎসকদের নাম, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)-র নিবন্ধন নম্বর এবং মোবাইল নম্বরসহ তথ্য সংগ্রহ করা, এবং প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই এবং আকস্মিক পরিদর্শন পরিচালনা করা।
এছাড়া কোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যদি নির্দেশনা অনুযায়ী চিকিৎসক উপস্থিত না থাকেন কিংবা ভুয়া বা অসম্পূর্ণ তথ্য প্রদান করা হয়, তাহলে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: গাদি আইজেনকটের হাতে ইসরাইলে সরকার গঠনের দায়িত্ব
নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, জেলা পর্যায়ের মনিটরিং কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ প্রতিবেদন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে পাঠাতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমীর স্বাক্ষরিত এই নির্দেশনা দেশের সব সিভিল সার্জনের কাছে পাঠানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নিবন্ধিত চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত হলে রোগীরা আরো নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পাবেন।
অন্যদিকে, কাগজে-কলমে চিকিৎসক দেখিয়ে হাসপাতাল পরিচালনা বা চিকিৎসক সংকট গোপনের মতো অনিয়মও কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: দেবিদ্বার বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ বহিষ্কার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন