০২:৫৩ পি.এম
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নির্মাণাধীন একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ ধসে অন্তত নয় জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এখন পর্যন্ত অন্তত ১৫ জন সুড়ঙ্গের ভিতরে আটকা রয়েছেন।
মঙ্গলবার দেশটির কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
সোমবার হিমালয়সংলগ্ন সিকিম রাজ্যে এটি ঘটেছে। সেখানে তিস্তা নদীর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য একটি সুড়ঙ্গ নির্মাণের কাজ চলছিল।
আরও পড়ুন: মঞ্জু: ৫ আগস্টও এনে দিয়েছে ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্তি
সিকিম রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের পরিচালক রাজীব রোকা এএফপিকে বলেন, ‘আমাদের ধারণা, প্রায় ২৫ থেকে ২৭ জন সুড়ঙ্গে আটকা পড়েছিলেন।’
তিনি বলেন, ‘এ পর্যন্ত নয়টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।’
নয়াদিল্লি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, একটি বিস্ফোরণের কারণে সুড়ঙ্গটি ধসে পড়েছে। তবে বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: সৌদি আরবে ভ্রমণেচ্ছুদের জন্য নতুন পর্যটন ভিসার সুখবর
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে এ অঞ্চলে টানা ভারী মৌসুমি বৃষ্টি হয়েছে।
রাজীব রোকা বলেন, ‘সুড়ঙ্গের অনেক গভীরে বিস্ফোরণটি ঘটেছে। তাই এর কারণ সম্পর্কে আমরা নিশ্চিত নই।’ তিনি আরও বলেন, ‘সম্ভবত এটি প্রাকৃতিক কারণেই ঘটেছে।’
কর্মকর্তারা জানান, ভূগর্ভস্থ শিলাস্তর থেকে নির্গত বিষাক্ত মিথেন গ্যাস উদ্ধারকাজে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে শুধু অক্সিজেন সরঞ্জাম বহনকারী উদ্ধারকারী দলগুলোই সুড়ঙ্গে প্রবেশ করতে পারছে।
রোকা বলেন, ‘জোরালো উদ্ধার অভিযান চলছে। তবে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, সেখানে প্রচুর গ্যাস রয়েছে।’
আরও পড়ুন: পলাতক আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে: এমপি রানু
তিনি জানান, খনি দুর্ঘটনায় উদ্ধারকাজে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি বিশেষজ্ঞ দলকে বিমানযোগে ঘটনাস্থলে আনা হয়েছে।
ভারতে বড় অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পে দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে। তবে পরিবেশবিদদের মতে, হিমালয়ের নাজুক পরিবেশে অতিরিক্ত উন্নয়ন প্রকল্পের কারণে এ ধরণের দুর্যোগের ঝুঁকি বেড়েছে।
২০২৩ সালে উত্তরাখণ্ড রাজ্যে হিমালয়ের একটি সড়ক সুড়ঙ্গ ধসে ৪১ জন শ্রমিক আটকা পড়েছিলেন। ১৭ দিন পর তাদের জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: সবার আগে বাংলাদেশ, দিল্লি বা পিন্ডি নয়: প্রধানমন্ত্রী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন