ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের ৭ বছরের কারাদণ্ড বহাল


দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের ৭ বছরের কারাদণ্ড বহাল

২০২৪ সালে সামরিক আইন জারির ব্যর্থ উদ্যোগ এবং এর পরবর্তী ঘটনাবলির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের বিরুদ্ধে আদালত সাত বছরের কারাদণ্ড বহাল রেখেছে।

পৃথিবীর সর্বোচ্চ আদালত বৃহস্পতিবার দেওয়ালায় এই দণ্ডকে বহাল রাখে।

মামলায় অভিযোগ রয়েছে যে, ২০২৪ সালে সামরিক আইন জারির আগে ইউন মন্ত্রিসভার পূর্ণাঙ্গ আলোচনা বাধাগ্রস্ত করেছিলেন। এর সঙ্গেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর জাল স্বাক্ষর ব্যবহার করেন। সংসদ সামরিক আইন ব্যবস্থাকে বাতিল করার পর, নিজের গ্রেফতার ঠেকাতে প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদেরকে ব্যবহার করারও অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন: প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনা ব্যাংক ধসের কারণে পদত্যাগ

সিউল থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই সংবাদটি প্রচার করেছে।

ক্ষমতাচ্যুত এই সাবেক প্রেসিডেন্ট বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। সামরিক আইন জারির মাধ্যমে বিদ্রোহে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে তার বিরুদ্ধে একটি পৃথক মামলার জন্য তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ওই রায়ের বিরুদ্ধে তিনি আপিল করেছেন। ইউন দাবি করেছেন, তার ওই সিদ্ধান্ত ছিল জনস্বার্থে নেওয়া।

সর্বোচ্চ আদালতে বিচারাধীন মামলায় অভিযোগ ছিল, সামরিক আইন ঘোষণার ঠিক আগে তিনি নির্বাচিত কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে মন্ত্রিসভার স্বাভাবিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করেছেন।

এছাড়া, প্রধানমন্ত্রীর জাল স্বাক্ষরযুক্ত ভুয়া সামরিক আইন সংক্রান্ত আদেশ তৈরি করা, তা পরে ধ্বংস করা, বিদেশি গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া, এবং সেনাবাহিনীর এক কমান্ডারকে নিরাপদ সামরিক ফোনের তথ্য মুছে ফেলতে নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগও সম্বলিত।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান মহড়া ‘এক্সারসাইজ কোপ সাউথ-২০২৬’ শেষ

রাষ্ট্রপক্ষ এই মামলায় ইউনের ১০ বছরের কারাদণ্ড চেয়েছিল।

গত জানুয়ারিতে নিম্ন আদালত অধিকাংশ অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার রায় দেয়।

এপ্রিল মাসে আপিল আদালত ওই রায় বহাল রাখার পাশাপাশি বিভ্রান্তিকর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অভিযোগেও তাকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা বাড়িয়ে সাত বছর করেন।

এরপর রাষ্ট্রপক্ষ ও ইউনের আইনজীবী—উভয় পক্ষেই সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করে। দেশটির সর্বোচ্চ আদালতের রায়ই চূড়ান্ত।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে সরকারি অফিসের সামনে ৩ পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ, আতঙ্ক ছড়িয়েছে

টেলিভিশনে সম্প্রচারিত রায়ে সর্বোচ্চ আদালতের একজন বিচারক বলেন, সব আপিল খারিজ করা হয়েছে। কারণ নিম্ন আদালতের রায়ে কোনো আইনি ত্রুটি ছিল না।

ইউনের আইনজীবীরা এ রায়ে ‘গভীর দুঃখ’ প্রকাশ করেছেন। তারা অভিযোগ করেছেন, পর্যাপ্ত পর্যালোচনা ছাড়াই সর্বোচ্চ আদালত মামলার নিষ্পত্তি করেছে।

তারা জানান, সাংবিধানিক ভিত্তিতে এই রায় চ্যালেঞ্জ করা হবে এবং এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগও দায়ের করা হবে।

রাজনৈতিক সংকট- ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে গভীর রাতে টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে ইউন সামরিক আইন জারির ঘোষণা দেন এবং বেসামরিক শাসন স্থগিত করেন। এর ফলে দক্ষিণ কোরিয়ায় নজিরবিহীন রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়।

আরও পড়ুন: ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আইজেনকোটকে সমর্থন জানাল আরব জোট, কোণঠাসা নেতানিয়াহু

তবে জরুরি অধিবেশনে আইনপ্রণেতারা দ্রুত ভোট দিয়ে সামরিক আইন বাতিল করে, ফলে তা মাত্র ছয় ঘণ্টার জন্য কার্যকর ছিল।

ইউনের পদক্ষেপের পরে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পতন ঘটে। যুক্তরাষ্ট্রসহ দক্ষিণ কোরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ মিত্ররাও এই ঘটনায় বিস্মিত হন।

পৃথক আরেক মামলায়, সামরিক আইন জারির আগে সংকট 'তৈরি' করার উদ্দেশ্যে উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠানোর কারণে ইউনকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন অন্য একটি আদালত।

ইউন বরাবরই দাবি করে আসছেন, সামরিক আইন জারির সিদ্ধান্ত তিনি ‘শুধুমাত্র দেশের স্বার্থেই’ নিয়েছিলেন। ২০২৪ সালেও তিনি বলেছিলেন, ‘রাষ্ট্রবিরোধী শক্তিকে’ নির্মূল করা এবং উত্তর কোরিয়া থেকে আসা বলে তার দাবি করা হুমকি মোকাবেলার জন্য সামরিক আইন প্রয়োজন ছিল।

আরও পড়ুন: সন্ধ্যা হলেই বন্ধ চিকিৎসাকেন্দ্র, শিক্ষার্থীদের জন্য সংকট পরিবহনেও

সামরিক আইন জারির উদ্যোগের কারণে ২০২৫ সালের এপ্রিলে ইউনকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করা হয়। তার পরবর্তী অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মধ্য-বামপন্থি ডেমোক্রেটিক পার্টির লি জে মিয়ং প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাশহাদে চিরনিদ্রায় শায়িত আয়াতুল্লাহ খামেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫১ পি.এম


মাশহাদে চিরনিদ্রায় শায়িত আয়াতুল্লাহ খামেনি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনিকে মৃত অবস্থায় দেশটির পবিত্রতম ধর্মীয় স্থান এবং তাঁর জন্মশহর মাশহাদের ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে দাফন করা হয়েছে।

যুদ্ধবিরতির কয়েক সপ্তাহ পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার প্রেক্ষাপটে এ দাফন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হলো।

দাফনের আগে এক সপ্তাহ ধরে ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে তাঁর মরদেহ নিয়ে শোকযাত্রা, সমাবেশ এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলি অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকালে হাজার হাজার মানুষ মাশহাদের রাস্তায় নেমে আসে। তাঁরা হাতে ইরানের পতাকা, খামেনির ছবি এবং বিপ্লবী স্লোগানসহ প্ল্যাকার্ড নিয়ে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এদিকে, নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি জনসমক্ষে এখনো আসেননি। ইরানি সূত্রের দাবি, ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। তাঁর মুখমণ্ডল বিকৃত হয়েছে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম রয়েছে।

তিনি চিকিৎসাধীন থাকায় এবং নিরাপত্তাজনিত কারণে এখনো প্রকাশ্যে আসতে পারছেন না। যদিও তিনি লিখিত বার্তা দেন, তবুও তাঁর ছবি, ভিডিও বা অডিও প্রকাশ করা হয়নি।

দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া জনতার কিছু অংশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক স্লোগান দেন। অনেকের হাতে 'কিল ট্রাম্প' লেখা প্ল্যাকার্ডও দেখা যায়।

তারা খামেনির হত্যার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন।

এর আগে খামেনির মরদেহ তেহরান, কোম এবং ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় নেওয়া হয়, যেখানে লাখো মানুষ শোকযাত্রায় অংশ নেন।

শিয়া ধর্মীয় ঐতিহ্যে শাহাদাতের বিশেষ গুরুত্ব থাকায় বিদেশি হামলায় খামেনির মৃত্যু ইরানে ব্যাপক ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক প্রতীকী গুরুত্ব পেয়েছে।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৮৯ সালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং টানা ৩৭ বছর তিনি দেশের রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেছেন।

তার শাসনামলে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) রাষ্ট্রের অন্যতম প্রভাবশালী শক্তিতে পরিণত হয়ে ওঠে।

তার মৃত্যুর পর আইআরজিসির সমর্থনেই মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পঞ্চগড়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫১ পি.এম


পঞ্চগড়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত

পঞ্চগড়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে ‘জলবায়ু পরিবর্তন : আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার সকালে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়।

র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। পরে, জেলা প্রশাসকের সেমিনার কক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম ইমাম রাজী টুলুর সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন পঞ্চগড় পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল গফুর। আলোচনার সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোছা. শুকরিয়া পারভীন। পঞ্চগড় জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সভায় অন্যান্য বক্তাগণের মধ্যে পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার আবু সায়েম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু, জেলা জামায়াতে ইসলামী’র আমির ও কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য মাওলানা ইকবাল হোসাইন বক্তব্য দেন।

সভায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পরিবেশকর্মী, গণমাধ্যমকর্মী এবং পরিবেশবাদী সংগঠন ‘বাপা’, ‘কারিগর’, ‘বিডি ক্লিন’, ‘সবুজ আন্দোলন’সহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতাকর্মী ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিভিন্ন দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তারা পরিবেশ রক্ষায় সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পরিবেশ বিষয়ক বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া বিজয়ীদের মাঝে ক্রেস্ট ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বগুড়ায় টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগ কমাতে সিটি প্রশাসকের তৎপরতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ পি.এম


বগুড়ায় টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগ কমাতে সিটি প্রশাসকের তৎপরতা

বগুড়ায় বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত বৃষ্টির ফলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। কখনো মাঝারি আবার কখনো মুষলধারে হওয়া এই বৃষ্টির ফলে মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে জলাবদ্ধতার প্রভাব পড়েছে। সাতমাথা সহ শহরের প্রধান সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভালো না থাকায় ময়লা পানি সড়কে উপচে পড়ছে। ফলে চলাচলরত পথচারীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন।

বগুড়া আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার বিকেল তিনটা থেকে রাত পর্যন্ত শহরে ৭৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এদিকে, জলাবদ্ধতার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে বুধবার রাতে শহরের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন। তার সঙ্গে সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তিনি জলাবদ্ধ কবলিত এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি দেখেন এবং ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন।

পরিদর্শনের পর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন জলাবদ্ধতার বর্তমান অবস্থা এবং নাগরিকদের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জলাবদ্ধতা দ্রুত নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে। তিনি বলেন, "শহরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার কারণগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে চিহ্নিত করে সমাধানের ব্যবস্থা নিতে হবে।"

পর্যবেক্ষণে জানা যায়, বৃষ্টির তীব্রতা এবং ড্রেনগুলোর পানি নিষ্কাশনের মুখ বন্ধ থাকায় শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা, শেরপুর রোড, বড়গোলা, সূত্রাপুর, চকসূত্রাপুর, কান্দাপাড়া, পার্ক রোড ও নারুলিসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে যায়। অনেক স্থানেই রাস্তাঘাট পানির নিচে চলে যাওয়ায় রিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ অন্যান্য যানবাহনের চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এসব কারণে, অনেক পথচারীকে হাঁটুসমান পানি পেরিয়ে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

এম আর ইসলাম স্বাধীন জানান, বগুড়া মহানগরে জলাবদ্ধতা ও যানজট একদিনের সমস্যা নয়। এই সমস্যা প্রায় ২০ থেকে ২৫ বছরের চলমান বিষয়। তিনি নগরবাসীর কাছে এই সমস্যার সমাধানের জন্য তিন মাসের সময় চেয়েছেন, এবং বলেন যে, "এর মধ্যেই সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে।" তিনি আরও বলেন, মহানগরের অধিকাংশ ড্রেন ফাস্টফুডের পরিত্যক্ত প্যাকেটে ভরপুর হয়ে রয়েছে। এর কারণে পানি নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে, যা জলাবদ্ধতা তৈরি করছে। তিনি আশ্বাস দেন যে, দ্রুত সময়ের মধ্যে যানজট ও জলাবদ্ধতা দূর করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০ দিনের সফরে তিন দেশ যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৪ পি.এম


২০ দিনের সফরে তিন দেশ যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

২০ দিনের সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান তিন দেশে। এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক, ফিলিপাইনের ম্যানিলা এবং পরে মালদ্বীপ সফর করবেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) নিউ ইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান প্রথমে নিউ ইয়র্ক যাবেন। সেখানে ৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতিমূলক কাজ সম্পন্ন করবেন। নিউ ইয়র্ক সফর শেষে তিনি ম্যানিলায় অনুষ্ঠেয় আসিয়ান রিজিওনাল ফোরামে (এআরএফ) যোগ দেবেন।

এরপর তিনি যাবেন মালদ্বীপ।

এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা ৩০ জুলাই, মালে থেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%