০৭:০৯ এম
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, হোল্ডিং সেন্টারগুলোতে থাকা ৪৮০০ জনকে ইতোমধ্যেই পুশব্যাক করা হয়েছে। একইসাথে, পুশব্যাকের অপেক্ষায় রয়েছেন আরও ৮৩৬ জন।
রোববার (৭ জুন) কলকাতায় আয়োজিত ‘পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহা অভিযান’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বলেন, সিএএ-এর আওতায় যারা পড়েননি এমন অনুপ্রবেশকারীদের ডিপোর্ট করার কাজ নিয়ম মেনে শুরু করেছি। এই ইস্যুতে ভারত সরকারের একটি আইন ছিল। ওই আইনের আওতায় তাদেরকে কারাগারে না পাঠিয়ে সরাসরি বিএসএফের হাতে হস্তান্তর করতে বলা হয়েছে। কিন্তু এই রাজ্যে সেটি কার্যকর হয়নি। এবার রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। সেখানে থেকে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৮০০ নাগরিককে ওপারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে হোল্ডিং সেন্টারে অবস্থান করছেন ৮৩৬ জন। খাইয়ে ও পড়িয়ে তাদেরকেও আমরা সে দিকে পাঠানোর ব্যবস্থা করছি।
আরও পড়ুন: মাদারীপুরে কৃষককে কুপিয়ে জখম, প্রধান আসামি জাকির গ্রেফতার
সীমান্তে কাঁটাতার নির্মাণ নিয়ে শুভেন্দু বলেন, আমরা বিএসএফকে জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু করেছি। বাংলাদেশের সাথে ৫৫৬ কিলোমিটার অরক্ষিত সীমান্ত রয়েছে। সেখানে কাঁটাতার বেড়া নির্মাণে এখন পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার জমি আমরা হস্তান্তর করেছি। ইতোমধ্যে চিকেন নেককে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর অভিমত, আমরা অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এই কাজ করছি, অন্যথায় দেশের নিরাপত্তা বিপন্ন হতে পারে। তাছাড়া, অনেক আগেই বাংলায় জনবিন্যাস পরিবর্তন হয়ে গেছে।
অবৈধ অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ইতোমধ্যে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার। অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে আটক ব্যক্তিদের প্রথমে হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হচ্ছে। এরপর বিএসএফের হাত ঘুরে তাদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যদিও এ ব্যাপারে এতদিন বিএসএফ বা বিজিবির তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রত্যর্পণের বিষয়টি স্বীকার করা হয়নি।
আরও পড়ুন: সারজিস আলম: গণহত্যাকারী হাসিনার অলীক ডিসেম্বর বাংলাদেশে আসবে না
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন