প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর মিরপুরে মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এক পুলিশ সদস্যের ওপর মারধরের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে কালশী রোডে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হামলার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, লাঠি নিয়ে এক পুলিশ সদস্যকে বেধড়ক পেটাচ্ছেন কয়েকজন ব্যক্তি। অন্যদিকে, কিছু লোক তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করছেন।
এর আগে, এদিন সকাল থেকে পল্লবীর শিল্প এলাকায় হাজার হাজার শ্রমিক বিভিন্ন পোশাক কারখানার সামনে অবস্থান নেন। তাদের হাতে লাঠিসোঁটা দেখা যায়। যখন তারা সড়কে নেমে আসে, পুলিশ বাধা দেয়। তখন শ্রমিকরা উত্তেজিত হয়ে পুলিশের দিকে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। একপর্যায়ে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মিরপুর ১১ মেট্রো স্টেশনের নিচে পোশাক শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় অসংখ্য যাত্রী মিরপুর ১১ মেট্রো স্টেশনের ভেতরে আটকা পড়েন।
পুলিশ পল্লবী শিল্প এলাকার বিভিন্ন গলি থেকে অন্তত পাঁচজনকে আটক করে। আটককৃতরা পুলিশের দাবি অনুযায়ী, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সদস্য।
পল্লবী থানার ওসি জালাল উদ্দিন বলেন, ‘যখন মিরপুর-১১ থেকে শ্রমিকদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করা হয়, তখন তারা কালশীর দিকে সরে যায়। সেই সময় পল্লবী থানা থেকে পুলিশ সদস্যরা মিরপুর ১১-এর দিকে আসছিল। দলছুট অবস্থায় পেয়ে হামলা চালানো হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে আমরা পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছি। তারা পুলিশের ওপর হামলারত অবস্থায় ছিল। গ্রেপ্তারকৃতরা কোনো পোশাক শ্রমিক নয়। আমরা তাদের প্রথমে আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ সংগঠনের সদস্য হিসেবে শনাক্ত করেছি। তাদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আন্দোলনকারীদের আমরা প্রধান সড়ক থেকে সরিয়ে দিয়েছি। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সেই সঙ্গে যান চলাচল স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন